X
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

লক্ষ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছেন দোকান মালিকরা!

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯:৫৩

রাজধানীসহ সারাদেশে ছোটবড় অন্তত ৬০ লাখ দোকান রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার কোটি টাকার লেনদেন করছেন তারা। এদের প্রায় ৮৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সারাবছর ভালো বেচাকেনা করেও দিচ্ছে না কোনও ভ্যাট। এমন প্রতিষ্ঠানও আছে যাদের প্রতিদিন লাখ টাকার বেশি বেচাকেনা হচ্ছে, কিন্তু ভ্যাট নিবন্ধন নেই।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) কয়েক বছর আগের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে ছোটবড় দোকান আছে ৫৬ লাখের বেশি। গত চার-পাঁচ বছরে কী পরিমাণ দোকান বেড়েছে তার প্রকৃত পরিসংখ্যান নেই। তবে দোকান মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, মহানগরগুলোতে অন্তত দুই কোটি পরিবার এখন দোকানের ওপর নির্ভরশীল। সেই হিসাবে দোকান মালিক আছেন ৭০ লাখেরও বেশি।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘শহরের সব দোকান মালিকদের যদি ভ্যাট নিবন্ধন নিশ্চিত করে ইলেকট্রনিক ফিসকেল ডিভাইস (ইএফডি) দেওয়া হতো, তবে সরকার অন্তত ১ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব বেশি পাবে। ইউনিয়ন বা গ্রামপর্যায়ে মেশিন দেওয়া সম্ভব হলে বছরে এর দ্বিগুণ ভ্যাট আদায় করা সম্ভব হতো।’

তার মতে, ‘কোনও দোকান মালিক চুলচেরা ভ্যাট দিচ্ছে না। এমনকি রিটার্নও জমা দিচ্ছে না অনেকে। আগে প্যাকেজ ভ্যাটের আওতায় সরকার তাদের কাছ থেকে কিছু রাজস্ব পেতো। এখন সেটাও পাচ্ছে না।’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দাদের এক জরিপে দেখা গেছে, যারা দিনে লাখ টাকার বেশি লেনদেন করছে তাদের প্রতি পাঁচটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটিরই বিআইএন বা ভ্যাট নিবন্ধন নেই। ২৪ থেকে ৩১ মে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর নামকরা ১৭টি বিপণিবিতানে এ জরিপ চালায় ভ্যাট গোয়েন্দাদের চারটি দল।

এনবিআর সূত্র জানায়, দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র আট লাখ। এদের মধ্যে অনলাইনে নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করে ৯৬ হাজার প্রতিষ্ঠান। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করে ২০-২২ হাজার প্রতিষ্ঠান। সে্ই হিসাবে প্রায় ৫৯-৬০ লাখ দোকান মালিক বছরের পর বছর ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, যাদের বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম, তাদের ভ্যাট দিতে হবে না। অর্থাৎ গড়ে দিনে ১৪ হাজার টাকার বেশি লেনদেন হলেই ভ্যাট দিতে হবে।

মূলত ভ্যাট যোগ করেই পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়। ক্রেতা পণ্য কিনতে গিয়ে নিজের অজান্তে ভ্যাটও পরিশোধ করেন। কিন্তু সরকারি কোষাগারে তা জমা না দিয়ে ব্যবসায়ীরা ঢোকান নিজের পকেটে।

জানা গেছে, রাজধানী ছাড়াও অন্যান্য বিভাগীয় শহর, জেলা, ও উপজেলা শহরের প্রায় শতভাগ দোকানে দিনে গড়ে লেনদেন হয় ২০ হাজার টাকার বেশি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রধান শহরগুলোর অধিকাংশ দোকানে দিনে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লাখ টাকার উপরেও লেনদেন হয়। অথচ সরকার এ খাত থেকে রাজস্ব পাচ্ছে না। জানা গেছে, দিনে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা লেনদেন হয় এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও আছে কয়েক হাজার। তারাও ভ্যাট দেয় না।

 

কত টাকার রাজস্ব পাওয়া সম্ভব?

প্রত্যেক ব্যবসায়ী (৭০ লাখ) যদি মাসে গড়ে ১৫ হাজার টাকা ভ্যাট দেয় তা হলে দোকান মালিকদের কাছ থেকে মাসে দশ হাজার পাঁচ শ’ টাকা পাবে সরকার। বছরে পাবে এক লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। আর বড় বড় দোকানির বড় ভ্যাট মিলিয়ে নিলে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হবে বলে ধারণা করা হয়।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিনও মনে করেন দোকান মালিকদের একটি বড় অংশ সরকারকে ভ্যাট দেয় না। তিনি বলেন, ‘দোকানিরা ভ্যাট নিবন্ধন নিতে চায়। হিসাব-নিকাশ রাখার জন্য ইএফডি দেওয়া হলে সবাই ভ্যাট দেবো। তখন ভুল বোঝাবুঝি থাকবে না।’

রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি) ড. আবদুল মান্নান শিকদার বলেন, ‘ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে ২০০৮ সালে ব্যবসায়ীদের নিজখরচে ইসিআর স্থাপন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা মানেনি। তাই এনবিআর থেকেই ইএফডি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভ্যাট আইনের আওতায়ই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইএফডি দেওয়া হচ্ছে। আইনের কারণেই তারা মেশিন রাখতে বাধ্য।’

আইন অমান্য করে বা জোর করে কাউকে এই মেশিন দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

 

ফাঁকি দিচ্ছে প্রত্যেকেই

এনবিআরের ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক জরিপ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৮৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের নামে ভ্যাট নিবন্ধন নেই।

গত মে’র শেষের দিকে ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জ ও সাভারে ১০২৪টি দোকানে জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, মাত্র ১২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন আছে। সেসব ব্যবসায়ীর দেওয়া ভ্যাটও বাস্তবতার সঙ্গে ‘সঙ্গতিপূর্ণ নয়’। অর্থাৎ প্রায় শতভাগ দোকান মালিক কোনও না কোনোভাবে ভ্যাট ফাঁকি দিয়েই যাচ্ছেন। জরিপসূত্রে জানা গেছে, প্রসিদ্ধ এলাকা বলেই ১২ শতাংশ নিবন্ধন পাওয়া গেছে, সারা দেশ বিবেচনায় আনলে এ শতাংশ অনেক নিচে নেমে আসবে।

প্রসঙ্গত, মে মাসে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতরের তিনটি দলের ৪২ জন গোয়েন্দা আটটি মার্কেটে আরেকটি জরিপ চালিয়েছিলেন। তাতে দেখা গেছে, বিপণিবিতানগুলোর ২ হাজার ১৩৩টি দোকানের মধ্যে ১ হাজার ৬৫১টি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ১০ বছরেরও বেশি সময় ব্যবসা করছেন। 

জরিপে মাত্র ৪৫টি দোকান পাওয়া গেছে যারা কিনা মাসে পাঁচ হাজার টাকার বেশি ভ্যাট দিচ্ছে। ৭৫টি দোকান পাওয়া গেছে যারা এর কম ভ্যাট দেয়। তথাপি ওই ভ্যাটের অঙ্ক তাদের দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খরচ এবং মুনাফার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মনে করছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

এ প্রসঙ্গে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকারকে ভ্যাট দেওয়ার ক্ষেত্রে দোকান মালিকদের মধ্যে এক ধরনের অনীহা দেখা যায়। বিশেষ করে ঢাকার বাইরের ব্যবসায়ীদের অনীহা বেশি।’

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে পরোক্ষ কর ভ্যাট ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়। রাজস্ব আদায়ের এই পদ্ধতি বাতিলে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামলেও তৎকালীন সরকার রাজস্ব আদায় বাড়াতে এই পদ্ধতি কঠোরভাবে প্রণয়ন করে।

মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকাতেই বড় বড় দোকান ব্যবসায়ী আছেন ৬ থেকে ৭ লাখ। যাদের অধিকাংশেরই দিনে লেনদেন লাখ টাকার বেশি।

খুলনায় আছে দুই লাখের মতো বড় দোকান মালিক। দিনে লাখ টাকার কাছাকাছি লেনদেন হয় তাদের। একইভাবে রাজশাহীতে এক লাখ, চট্টগ্রামে চার লাখ। এ ছাড়া জেলা শহরগুলোতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার দোকান ব্যবসায়ী আছেন। কোনও উপজেলায় দোকান ব্যবসায়ী রয়েছেন এক হাজার থেকে ১০ হাজার।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী অর্থবছরের সারা দেশ থেকে ৯৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা ভ্যাট আদায় হয়েছে। এই টাকার অর্ধেক দিয়েছে দেশের ১১০টি বড় কোম্পানি। আগেরবার সব মিলিয়ে ভ্যাট আদায় হয়েছিল ৮৪ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে আগেরবারের চেয়ে ৯ হাজার কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

 

/এফএ/আপ-এনএইচ/

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বিদেশের কাছে দেনা বাড়ছেই

বিদেশের কাছে দেনা বাড়ছেই

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৩

দেশের শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আনার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর আইপিও ইস্যু জমা দেওয়ার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি বছর ন্যূনতম একটি আইপিও ইস্যু জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু অনেক মার্চেন্ট ব্যাংক লাইসেন্স নিয়েও নিষ্ক্রিয় রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বিএসইসি।

এরইমধ্যে শেয়ার বাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত তিন মাসে (জুন, জুলাই ও আগস্ট) মার্চেন্ট ব্যাংকের কত টাকা (কেনা দামে) বিনিয়োগ ছিল, তা জানাতে হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংক ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চার বছরে কতগুলো কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) শেয়ার বাজারে এনেছে, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. কাওসার আলীর সই করা চিঠি সব মার্চেন্ট ব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনকেও (বিএমবিএ) এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সূত্রমতে, পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলের (সিএমএসএফ) জন্য আরও ১০০ কোটি টাকার চেক বা ব্যাংক ড্রাফট নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে এসেছে। 

বিএসইসির তথ্যমতে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসইসিতে ২১০ কোটি টাকার নগদ অবণ্টিত লভ্যাংশ জমা হয়েছে। তার সঙ্গে নতুন করে আরও প্রায় ১০০ কোটি টাকার চেক ও ব্যাংক ড্রাফট জমা হয়েছে। অর্থাৎ, নগদ ও বোনাস শেয়ার মিলে ৩১০ কোটি টাকা ফান্ডে জমা হয়েছে।

এদিকে বড় অঙ্কের মূলধন হারানোর পর গত সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন আড়াই হাজার কোটি টাকার ওপরে বেড়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছিল প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে দুই হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছিল ১১ কোটি ৮৪৩ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়া বা কমার অর্থ, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ বেড়েছে বা কমেছে। অর্থাৎ বাজার মূলধন বাড়লে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ বেড়ে যায়।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯৮টির। আর ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২২ দশমিক ২৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৩১ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ৩০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৪২ শতাংশ।

প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি গত সপ্তাহে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা দশমিক ২৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ১৫ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৬ শতাংশ। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহে কমেছে। সপ্তাহজুড়ে এ সূচকটি কমেছে দশমিক ৯৯ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচক বেড়েছিল ২৭ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৯৪১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় দুই হাজার ২২৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ২৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এছাড়া গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯ হাজার ৭০৯ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ১১ হাজার ১২২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সেই হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে এক হাজার ৪১২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫৯৬ কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার টাকার, যা মোট লেনদেনের ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩১৫ কোটি ৫৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার। ২৪৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ফার্মা।

 

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

২০০ কোটি টাকা ঋণ পাবেন ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তারা

২০০ কোটি টাকা ঋণ পাবেন ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তারা

বিদেশের কাছে দেনা বাড়ছেই

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫৬

দেশের উন্নয়নে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে অনেক। কিন্তু রাজস্ব ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ প্রয়োজনের তুলনায় কম। ঘাটতি পূরণে তাই বাড়ছে বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে ৬৭৭ কোটি ডলার।

নতুন অর্থবছরের ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার যে বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, তাতে ১ লাখ ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। আগের অর্থবছরে ঋণ পাওয়া গিয়েছিল ৬৭৪ কোটি ডলার।

এখন বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৪ হাজার ৯৪৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ২৯২ দশমিক ১১ মার্কিন ডলার।

এদিকে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। ২০০৯ সালে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণ ছিল ২৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সাল শেষে যা দাঁড়ায় ৫৭ বিলিয়ন ডলারে।

দুশ্চিন্তা নেই, বলছেন অর্থনীতিবিদরা

অবশ্য ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ দেখেন না অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, বিদেশি ঋণ বাংলাদেশের দুর্বলতা নির্দেশ করে না। কারণ, অর্থনীতির আকার বড় হয়েছে ১০ বছরে। ঋণ পরিশোধের ক্ষমতাও বেড়েছে।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘১০ বছরে রফতানি ও প্রবাসী আয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এছাড়া এ পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলাপি হয়নি। তাই দুশ্চিন্তার কিছু নেই।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বড় প্রকল্পের জন্য স্বল্প সুদে বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন আছে। তবে ওই ঋণ দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে না পারলে অর্থনীতির জন্য মারাত্মক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে বাজেট বাস্তবায়ন, রিজার্ভ ও বিনিময় হারের ওপর চাপ বাড়বে।’

অর্থমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থার সঙ্গে গত ৩০ জুন পর্যন্ত ঋণচুক্তির পরিমাণ ছিল ৯৫ হাজার ৯০৮ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরমধ্যে ৫৯ হাজার ৪৫৮ মিলিয়ন ডলার ছাড় হয়েছে। অপেক্ষায় আছে ৪৬ হাজার ৪৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ২০০৯ সালে বিদেশি ঋণ ছিল ২৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সাল শেষে দাঁড়ায় ৫৭ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১ সালের মার্চে এসে বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে।

বেড়েছে ঋণ-রফতানি অনুপাত

২০১৫ সালে রফতানির বিপরীতে বৈদেশিক ঋণ ছিল ১১৭ দশমিক ৮ শতাংশ। গত বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯১ দশমিক ২ শতাংশে। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণ ও চলতি হিসাবের অনুপাতও বাড়ছে। ২০১৫ সালে চলতি হিসাবের তুলনায় বৈদেশিক ঋণ ছিল ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ১১১ শতাংশ হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কৌশলী হতে হবে। রাজস্ব আয় বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি কর-জিডিপি অনুপাত কম থাকলে বৈদেশিক ঋণনির্ভরতা আরও বাড়বে।’

জানা গেছে, বর্তমানে বৈদেশিক ঋণনির্ভর বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ। এ প্রকল্পে ১৩ হাজার ১১৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণে জাইকা দিয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে জি-টু-জির মাধ্যমে ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে চীন। এ ছাড়া ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল (উত্তরা-মতিঝিল, এআরটি লাইন-৬) প্রকল্পেও ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে জাইকা। এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে ১১ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে এডিবি। কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিচ্ছে চীন।

এই বছরের মার্চ পর্যন্ত তথ্যানুযায়ী, দেশে দ্বিপক্ষীয় দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ১ হাজার ৭৭১ কোটি ৭১ লাখ ডলারের বেশি। এরমধ্যে সরকারের ঋণ ১ হাজার ৭৫১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। বেসরকারি খাতে ২০ কোটি ২৮ লাখ ডলার।

রাশিয়া, চীন ও ভারতের বড় ধরনের ঋণ প্রস্তাব রয়েছে। এগুলো গৃহীত হলে সামনের দিনগুলোয় বৈদেশিক ঋণ আরও বাড়বে।

এবারের এডিপিতে ১ হাজার ৫৩৮টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয় ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে বাস্তবায়নাধীন বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প আছে ৩৬৫টি।

২০১৫ সালের ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৭৬ ডলারে। ঋণ গ্রহণে জটিলতা, বিভিন্ন সারচার্জ এবং অবকাঠামো সমস্যার কারণে বেসরকারি উদ্যোক্তারা এখন বৈদেশিক ঋণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

২০২০-২১ অর্থবছরের ঋণ-অনুদান মিলে মোট ৭১১ কোটি ডলার বিদেশি সহায়তা পাওয়া গেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে ঋণ ৬৭৭ কোটি ডলার।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ঋণ-অনুদান মিলে পাওয়া গিয়েছিল ৭২৭ কোটি ডলার। এরমধ্যে ঋণ ছিল ৬৭৪ কোটি ডলার, বাকিটা অনুদান।

বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ বহুপক্ষীয় এবং দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ বিদেশি সহায়তা পায়। বহুপক্ষীয় সংস্থার মধ্যে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেয় বিশ্বব্যাংক। দ্বিপক্ষীয়র মধ্যে বেশি ঋণ দেয় জাপান।

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫২

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বেড়েই চলেছে আটা ও ময়দার দাম। একইভাবে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। এছাড়া দাম বাড়ার তালিকায় যুক্ত হয়েছে আদা ও রসুন। নতুন করে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। এক থেকে দেড় মাসের ব্যবধানে মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকার মতো। দেড় মাস আগের ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগি এখন কিনতে হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকার বেশি দিয়ে।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

শুধু ব্রয়লার মুরগি নয়, পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা পাকিস্তানি কক বিক্রি করছেন কেজি ২৯০-৩১০ টাকা, দুই সপ্তাহ আগে যা ছিল ২২০-২৩০ টাকা।

বাজারের তথ্য বলছে, গত এক মাস ধরে বাড়ছে ডিমের দামও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি হালি ডিমের দাম বেড়েছে ২ টাকারও বেশি। এ সপ্তাহে ডিমের দাম বেড়েছে প্রতি ডজন ১০ টাকার মতো। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫-১২০ টাকার মধ্যে। আর মুদি দোকানে গত সপ্তাহে এক পিস ডিম বিক্রি হয়েছে ১০ টাকা, এখন তা বেড়ে ১১ টাকা হয়েছে।

এছাড়া গত এক সপ্তাহে দেশি আদার দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে যে আদা বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজি, সেই আদা শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকায়। এছাড়া কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে আমদানি করা রসুনের দাম। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে, আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা।

গত এক মাসে বড় দানার মসুর ডালের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকার মতো। গত এক মাসে প্যাকেট ময়দার দাম বেড়েছে কেজিতে ৮ টাকা। একইভাবে প্যাকেট আটার দাম বেড়েছে কেজিতে ৬ টাকার মতো।

এদিকে মোটা চাল প্রতিকেজি ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে চিকন চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ টাকা পর্যন্ত।

এর সঙ্গে বাজারগুলোতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সবজির দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের ক্রেতারা। সবকিছুর চড়া দামে হতাশা প্রকাশ করেছেন বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন বেশিরভাগ সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা গত সপ্তাহের মতো আজও শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি করছেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। গাজর ও টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। এ দুটি সবজির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়সের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। বরবটির কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

এছাড়া কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লালশাকের আঁটি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সবজির সরবরাহ সাধারণত কম থাকে। এ কারণে সবজির দাম একটু বাড়তি থাকে। এর সঙ্গে এবার বন্যায় অনেক সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে, যার প্রভাবে দাম বেড়ে গেছে।

শুক্রবার রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা। মৃগেল মাছের কেজি ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা। তেলাপিয়া ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, পাবদা মাছের কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পাঙাশের কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় (এক কেজির ওপরে) ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১৩০০ টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। আর ছোটগুলো ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

২০০ কোটি টাকা ঋণ পাবেন ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তারা

২০০ কোটি টাকা ঋণ পাবেন ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তারা

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৫৪

ইউনিয়ন ব্যাংকের একটি শাখার ভল্টে রক্ষিত টাকার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছে ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ। সেখানে তারা লিখেছে, ব্যাংক থেকে টাকা উধাও বা হারানোর কোনও ঘটনাই ঘটেনি। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রা‌তে ইউনিয়ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ইকবালের বরাত দি‌য়ে একটি ই‌-মেইল বার্তা পাঠা‌নো হয়।

এতে বলা হয়, ‘ইউনিয়ন ব্যাংকের একটি শাখার ভল্টে রক্ষিত টাকার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। এ জন্য প্রকৃত ঘটনা ও প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে ইউনিয়ন ব্যাংকের অবস্থান ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন বোধ করছি। এ প্রসঙ্গে প্রথমেই আমরা বলতে চাই, গণমাধ্যমে যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুলবোঝাবুঝির কারণে হয়েছে।’

এ‌তে আরও বলা হয়, ‘প্রকৃত ঘটনাটি হচ্ছে, গত ১৯/০৯/২১ তারিখ ব্যাংকিং লেনদেন শেষে সন্ধ্যার পর শাখায় একজন গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক নগদ টাকা নেওয়ার জন্য উপস্থিত হন। গ্রাহকের গুরুত্ব এবং ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক বিবেচনায় তার কাছ থেকে চেক জমা রেখে নগদ টাকা প্রদান করা হয়। পরদিন বাংলাদেশ ব্যাংক অডিট টিমের উপস্থিতিতে গ্রাহকের চেক ডেবিট করে উক্ত টাকা সমন্বয় করা হয়। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের অর্থ হারানোর মতো কোনও ঘটনাই ঘটেনি। তারপরও বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করার জন্য ইতোমধ্যে কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টির সঠিক তদন্তের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। কমিটির প্রতিবেদন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

/জিএম/এফএ/

সম্পর্কিত

ইউনিয়ন ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

ইউনিয়ন ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

পদত্যাগ করলেন সাউথ বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান

পদত্যাগ করলেন সাউথ বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান

তিন জেলায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

তিন জেলায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

বাজার থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাজার থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:২৯

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে মুনাফার হার কমানোর ফলে মধ্যবিত্তের আয় কমে যাবে। অর্থাৎ নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবীদের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনা নারীরাও সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। একইভাবে নতুন সিদ্ধান্তে কমবে প্রাতিষ্ঠানিক সঞ্চয়কারীদের আয়ও। প্রবাসীরাও ওয়েজ আর্নার্স বন্ডের বিপরীতে মুনাফা কম পাবেন।

বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবীদের একটি বড় অংশ প্রাপ্ত টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে সে মুনাফা থেকে সংসার খরচ চালান। তাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি। ফলে তারা গড়ে ২ শতাংশ মুনাফা কম পাবেন। পরিবার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা নারীরাও মুনাফা ২ শতাংশ হারে কম পাবেন। তবে সাধারণ সঞ্চয়কারীরা, যারা ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছেন, তাদের মুনাফার হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, অনেকেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের মুনাফা থেকে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। সঞ্চয়পত্র ছাড়া মানুষের সঞ্চয়ের একটি নিরাপদ বিনিয়োগের জায়গা নেই। এর সুদের হার কমানোর ফলে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ কোনও খাতে চলে গেলে তা বিপজ্জনক হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষজন সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে না। সঞ্চয়পত্রের অধিকাংশ বিনিয়োগ মধ্যবিত্ত শ্রেণির। ফলে সরকার সঞ্চয়পত্রে মুনাফা কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মধ্যবিত্ত। তিনি বলেন, পেনশনভোগী মধ্যবিত্ত ও বয়স্ক নারীদের সঞ্চয়পত্রের আয় দিয়েই চলতে হয়। তাদের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।  তাদের সঞ্চয়ের বিকল্প নির্ভরযোগ্য কোনও কর্মসূচি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, একেবারে প্রান্তিক গোষ্ঠীর জন্য ন্যূনতম সীমারেখা ১৫ লাখ যথেষ্ট নয়। এর পরিমাণ আরও বাড়ানো দরকার। পারলে দ্বিগুণ করা গেলে আরও ভালো হয়।

যারা সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ করেন তাদের অধিকাংশই সরকারের সাবেক আমলা ও বিভিন্ন পেশার অবসর নেওয়া বয়স্ক ব্যক্তি। তারা বলছেন, মুনাফা কমানোর সঙ্গে নিরাপদ বিকল্প বিনিয়োগের ব্যবস্থা থাকা দরকার ছিল, কিন্তু বিকল্প কোনও জায়গা নেই। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে এখন শতকরা ছয় ভাগের বেশি সুদ পাওয়া যায় না। শেয়ার বাজারে আস্থার সংকট। এদের অধিকাংশই সরাসরি ব্যবসা করতে পারবে না।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর আগে লাভজনক নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করা জরুরি। সেটি না করে মুনাফায় হাত দেওয়া ঠিক হয়নি। এতে মধ্যবিত্ত শ্রেণি, বিশেষ করে সাবেক সরকারি কর্মকর্তারা বিপাকে পড়বেন।

এদিকে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছেন  বড় ও প্রাতিষ্ঠানিক সঞ্চয়কারীরাও। বিশেষ করে প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ তারা এতে বিনিয়োগ করে যে মুনাফা পান তা কর্মীদের মধ্যেই বণ্টন করে দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তাদের মুনাফা গড়ে ২ শতাংশ কমবে।

প্রসঙ্গত, সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে ২ থেকে ৫ শতাংশ সুদে পাচ্ছে। বিদেশি ঋণও পাচ্ছে ১ থেকে ২ শতাংশ সুদে। অথচ সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নিয়ে সরকার সুদ দিচ্ছে গড়ে ১০ থেকে ১২ শতাংশ। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে প্রতিবছর সরকার গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি হিসেবে দিচ্ছে।

এছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বেশি থাকায় মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছিল। আবার ঝুঁকির কারণে শেয়ার বাজারেও টাকা কম যেত। এসব কারণে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানোর জন্য ব্যাংক ও শেয়ার বাজারের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে একটি চাপ ছিল। অর্থনীতিবিদদের অনেকে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন কয়েক বছর ধরে। এনবিআর চেয়ারম্যান ও আইআরডি সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সম্প্রতি একটি সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কাছে। এতে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দিতে গিয়ে সরকারের সুদ ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এতে অর্থনীতিতে তৈরি হচ্ছে ভারসাম্যহীনতা। তিনি আরও লিখেছেন, সঞ্চয় কর্মসূচিতে অতিমাত্রায় বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগের ক্রমবর্ধমান ঊর্ধ্বগতি রোধ করা প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেছেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার তুলনামূলক বেশি থাকায় এর হার কমানো হয়েছে। এর মুনাফার হার বেশি হওয়ায় অর্থনীতির অন্য চালিকাশক্তিগুলো সমস্যায় পড়ছিল। মুনাফার হার কমানোর ফলে সার্বিক অর্থনীতির সুদের হারে একটি ভারসাম্য আসবে।

এদিকে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাব ও দুটি ডলার বন্ড ছাড়া সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানো হয়েছে। তবে এবারই প্রথম স্তর পদ্ধতি আরোপ করে ছোট সঞ্চয়কারীদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের ওপর মুনাফার হার কমানো হয়নি।

১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ পর্যন্ত বিনিয়োগে মুনাফার হার কমানো হয়েছে ১ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার কমানো হয়েছে ২ শতাংশ।

প্রবাসীদের জন্য ওয়েজ আর্নার্স বন্ডে তিন ধাপে মুনাফার হার কমেছে ৩ শতাংশ। অর্থাৎ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিদ্যমান ১২ শতাংশ, ১৫ লাখের বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১১ শতাংশ, ৩০ লাখের বেশি থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ এবং ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ৯ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হবে। আগে এতে যেকোনও অঙ্কের বিনিয়োগের ওপর ১২ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হতো।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সর্বশেষ

জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণের সুযোগ পাচ্ছেন না তালেবান প্রতিনিধি

জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণের সুযোগ পাচ্ছেন না তালেবান প্রতিনিধি

আইপিএলে মোস্তাফিজ জাদু, এবার উইকেটও এলো

আইপিএলে মোস্তাফিজ জাদু, এবার উইকেটও এলো

ট্রেনে ডাকাতি-খুনের ঘটনায় মামলা, আটক ১

ট্রেনে ডাকাতি-খুনের ঘটনায় মামলা, আটক ১

ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে: মেয়র আতিক

ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে: মেয়র আতিক

করোনায় শনাক্ত নামলো হাজারের নিচে

করোনায় শনাক্ত নামলো হাজারের নিচে

মিয়ানমারে দ্রুত গণতন্ত্র ফেরাতে মোদি-বাইডেনের বিবৃতি

মিয়ানমারে দ্রুত গণতন্ত্র ফেরাতে মোদি-বাইডেনের বিবৃতি

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

বিসিবি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র কিনলেন পাপন

বিসিবি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র কিনলেন পাপন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বিদেশের কাছে দেনা বাড়ছেই

বিদেশের কাছে দেনা বাড়ছেই

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

© 2021 Bangla Tribune