X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

দেশে পৌঁছেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ছয় লাখ ডোজ টিকা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৮:১০

জাপান থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ছয় লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ ডোজ করোনার টিকা দেশে পৌঁছেছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ৩০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছিলেন, শনিবার (৩১ জুলাই) ও মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ১৩ লাখ ডোজ টিকা আসছে।

এর আগে জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, সোমবার জাপানের স্থানীয় সময় রাত সোয়া ৯টায় নারিতা বিমানবন্দর থেকে তৃতীয় দফায় ছয় লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ ডোজ টিকা নিয়ে অল নিপ্পন এয়ারওয়েজের (এএনএ) একটি কার্গো ফ্লাইট ছেড়ে আসে। এরপর হংকং হয়ে “ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজের কার্গো ফ্লাইটে মঙ্গলবার দেশে পৌঁছাবে তৃতীয় চালানের টিকা।”

সে অনুযায়ী, ৩১ জুলাইতে টিকা আসার পর আজ মঙ্গলবারও এ টিকা দেশে এলো।

৩০ জুলাই কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় জাপান থেকে এ টিকা আসবে বলে জানিয়ে ডা. শামসুল হক বলেছিলেন, ‘১৩ লাখ ডোজের ভ্যাকসিন দুইবারে অর্থাৎ শনিবার এবং বুধবারে ভাগ হয়ে আসছে।’

এর আগে গত ২৪ জুলাই কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় জাপান সরকারের উপহার দেওয়া দুই লাখ ৪৫ হাজার ২০০ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি টিকা দেশে পৌঁছায়।

সে সময় জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী ১ মাসের মধ্যে আরও প্রায় ২৮ লাখ টিকা জাপান থেকে বাংলাদেশে আসবে।

উল্লেখ্য, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি ১৫টি দেশের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ১০ লাখ ডোজ টিকা কোভ্যাক্সের আওতায় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জাপানের উপহার পাবে এমন দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম। তালিকা অনুযায়ী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৯ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ। এরই প্রথম চালান এলো শুক্রবার।’

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হলেও ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পরে টিকার সংকট শুরু হয় দেশে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, এ টিকার প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩০ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের বেশি মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয় সংকট। তবে এবারে জাপান সরকারের উপহার দেওয়া এ টিকার মাধ্যমে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকাদের সংশয় কেটে যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

‘কোভ্যাক্স’র পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ছাড়াও উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন এবং দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এর আগে জানিয়েছেন, টিকা পেতে গত জুনে কোভ্যাক্সকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সে হিসেবে আমাদের পর্যায়ক্রমে প্রায় সাত কোটি টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে। চিঠি পেয়েছি, তারা আমাদের ২৫ লাখ ভ্যাকসিন দেবে।

/জেএ/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫৯

দেশে আবারও স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সপ্তাহের নির্ধারিত একদিন এ সুযোগ থাকবে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ফেসবুক লাইভে এসে এ কথা জানান।

এ সময়ে তিনি টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। জানান, প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত একদিনের ভিত্তিতে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত এবং ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠীকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা নিতে বলা হবে।

তিনি বলেন, ‘টিকা দেওয়ার সময় যারা বয়স্ক, তারা যেন পান—এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।’

‘আমাদের পর্যবেক্ষণ বা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠী বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংক্রমিত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এটা মাথায় রেখে টিকাদান কার্যক্রমে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় টিকা পাওয়ার উৎস নিশ্চিত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এক কোটিসহ প্রায় দুই কোটির মতো টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আর এ জন্য মাঠ পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি আরও কীভাবে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করানো যায়, সে বিষয়ে সচেষ্ট রয়েছি।’

মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘ইতোমধ্যে দেশে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে, আর তাই সেসব স্কুল কলেজে আগে যেখানে টিকাদান কর্মসূচি চলতো, বিশেষত স্কুল, সেই জায়গাগুলো থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি উপজেলা অডিটোরিয়ামে এবং উপজেলার যেকোনও বড় হলরুমে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সহকারীদের মাধ্যমে ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। সপ্তাহের যে দুদিন নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থাকবে না, এমন দুই দিন করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা কোভিড-১৯-এর টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে একটি ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করবেন। টিকা প্রত্যাশীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার জন্য নিবন্ধন করবেন এবং এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে টিকা নেবেন বলে জানান তিনি।

/জেএ/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫৬

কক্সবাজারে বন বিভাগের ৭০০ একর বনভূমিতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে সংসদীয় কমিটি। ওই জায়গায় যাতে প্রকল্পটি গ্রহণ না করা হয়, কমিটি সেই ব্যবস্থা করতে বলেছে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সংসদীয় কমিটি বলেছে, সংরক্ষিত ওই বিপুল বনভূমি কীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা হবে।

বন অধিদফতর বলছে, বনভূমির মধ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  

সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা যেখানে বেদখলে থাকা বনভূমি উদ্ধার করছি। সেখানে সরকারের আরেকটি সংস্থা যদি জমি নিয়ে নেয়, এটা তো ঠিক নয়।’

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আরেকটি প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণ করতে সংরক্ষিত বনভূমির ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার খবর বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণের জন্য ওই জমি এক টাকা প্রতীকী মূল্যে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ঝিলংজা বনভূমির ওই এলাকা প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন।

এর আগে ২০১৮ সালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাকাডেমি অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্টেশন’ নির্মাণের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদফতরের কাছে অনাপত্তিপত্র চায়। সংস্থাটি ওই বছরই বিভিন্ন শর্তে অনাপত্তিপত্র দেয়।

ওই এলাকাকে ১৯৩৫ সালে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর ১৯৮০ সালে এটাকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়।

২০০১ সালে দেশের বনভূমির যে তালিকা করা হয়, তাতেও ঝিলংজা মৌজা বনভূমি হিসেবে উল্লেখ আছে।

সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই জমিতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন প্রকল্পের আওতায় সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে ১০০ একর সৃজিত বাগান রয়েছে। ২০-২০০ ফুট পর্যন্ত বিভিন্ন উচ্চতার পাহাড় রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গর্জন, চাপালিশ, তেলসুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকা হাতি, বানর, বন্য শুকর, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও পাখির আবাসস্থল।

মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই এলাকায় প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এ বনভূমিতে কোনও ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা নিষেধ।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বোঝার চেষ্টা করছি— এটা কীভাবে হলো। যদি কেবল জমির দাগ ও খতিয়ান দেওয়া হয় এবং ভূমির আকার ও প্রকৃত বর্ণনা না করে, সেটা হতে পারে কিনা। আমরা মনে করি, সেটাই হয়েছে। এটা আমরা দেখবো। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে অনুমতি এসেছে, সেই দফতরও হয়তো এই বিষয়টি পুরোপুরি জানে না।’

তিনি বলেন, ‘এই জমির বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। সংরক্ষিত বন হিসেবে এই জমির মালিক জেলা প্রশাসন। আর এ জমি কোনও অবস্থাতেই বন্দোবস্তযোগ্য নয় বলে রিমার্ক থাকে। অর্থাৎ, এই জমি কোনও অবস্থাতেই বন্দোবস্ত দেওয়া যাবে না। কাজেই এই জমি বন্দোবস্তো দেওয়ার কোনওি সুযোগ নেই।’

সভাপতি আরও বলেন, ‘জনপ্রশাসনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকে আমরা সমর্থন করি। তবে ওই জায়গায় এটা হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। কারণ, আমাদের বিধি-নিয়ম এমনকি এটা সংবিধান পরিপন্থী। এটা অন্য জায়গায় হোক।’

ওই প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি এসেছে জানিয়ে করে সভাপতি বলেন, ‘আমরা সেই চূড়ান্ত অনুমতি দিতে না করেছি। পাশাপাশি সঠিক তথ্য তুলে ধরতে বলেছি। আমরা চাই, বিষয়টি যেন পুনর্বিবেচনা করা হয়।’

বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভূমি মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠাবে বলেও তিনি জানান।

বনভূমির ওই জমি বরাদ্দ দেওয়া ‘বিধিসম্মত’ হয়নি উল্লেখ করে সাবের হোসেন বলেন, ‘যেহেতু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখন তারা প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র চেয়েছে। আমরা এটা না দিতে বলেছি। পরিবেশমন্ত্রীও আমাদের সঙ্গে একমত।’

বনবিভাগ থেকে আগেই আপত্তি দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বন বিভাগ থেকে আগেই বলেছিল— এটা দেওয়া যাবে না। কিন্তু পরিবেশ অধিদফতর থেকে একটা ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা জানতো না জমির ধরন কী। তাদের কাছে হয়তো দাগ ও খতিয়ান নম্বর দেওয়া হয়েছে।’

বৈঠকের পর সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারে ওই বনাঞ্চলের ৭০০ একর জায়গায় জনপ্রশাসন অ্যাকাডেমি নির্মাণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পর্যালোচনা করার সুপারিশ করা হয়।

এছড়া কমিটি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সুপারিশ করে।

সাবের চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটি সদস্য পরিবেশন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, তানভীর শাকিল জয়, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন এবং মো. শাহীন চাকলাদার বৈঠকে অংশ নেন।

/ইএইচএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

৫৯টি আইপি টিভি বন্ধ করলো বিটিআরসি

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪২

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ৫৯টি অবৈধ ও অনিবন্ধিত আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) টিভি বন্ধ করেছে। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিটিআরসি।

আইপিটিভি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় স্পষ্ট করতে এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টেলিভিশনে প্রচারিত কনটেন্ট ইন্টারনেট প্রটোকল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সম্প্রচার করার প্রক্রিয়া হলো আইপিটিভি। বিটিআরসি কেবল লাইসেন্সধারী আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইপিভিত্তিক ডাটা সার্ভিসের (স্ট্রিমিং সেবা, আইপিটিভি, ভিডিও অন ডিমান্ড) অনুমোদন দিয়ে থাকে।

বিটিআরসির কাছ থেকে আইপিটিভি সেবার অনুমোদনপ্রাপ্ত আইএসপি অপারেটররা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদিত স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার শুধু তাদের গ্রাহকদেরই দেখাতে পারবে। তবে প্রতিটি চ্যানেলকে প্রোগ্রাম বা কন্টেন্ট প্রচারে প্রয়োজনীয় চুক্তি, অনুমোদন বা ছাড়পত্র সংশ্লিষ্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিককালে লক্ষ করা যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে ডোমেইন কিনে বা ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে জনগণকে আইপিটিভি প্রদর্শন করছে, যার কোনও বৈধ অনুমোদন নেই। অনুমোদন ছাড়া উক্ত সম্প্রচার অনৈতিক এবং টেলিযোগাযোগ আইনের লঙ্ঘন। যেসব আইপিটিভি বন্ধ করা হয়েছে সেসবের কার্যক্রমের সঙ্গে বিটিআরসির আইপিভিত্তিক ডাটা সার্ভিসের জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই।

 

/এইচএএইচ/এমআর/এমওএফ/

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৭

করোনা আক্রান্ত হয়ে নতুন শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। তবে কমেছে দৈনিক শনাক্তের হার। এ সময় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৮৩ জন, যা গতকাল (শনিবার) ছিল এক হাজার ১৯০ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৩ জন, যা গতকাল ছিল ৩৫ জন। 

তবে নতুন শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় শনাক্তের হার তার আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে কম। এ সময়ে করোনায় রোগী শনাক্তের হার পাঁচ দশমিক ৬২ শতাংশ, আর গতকাল ছিল ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ। 

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন এক হাজার ৩৮৩ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৩ জন। এই সময়ে মারা যাওয়া ৪৩ জনকে নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট ২৭ হাজার ২২৫ জন মারা গেলেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৮৮৭ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ এক হাজার ৫৪১ জন।

একদিনে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৪ হাজার ১২৮টি আর পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ৬২৩টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৪ লাখ ৩৭ হাজার ৬৫৬টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮০৪টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়  ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৮৫২টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার পাঁচ দশমিক ৬২ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার ৯৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ।

একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ৪৩ জনের মধ্যে পুরুষ ২২ জন আর নারী ২১ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৫১২ জন আর নারী নয় হাজার ৭১৩ জন। এদের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে চার জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে নয় জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া ৪৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের আট জন, রাজশাহী বিভাগের চার জন, খুলনা বিভাগের ছয় জন, সিলেট বিভাগের দুই জন, রংপুর বিভাগের তিন জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন একজন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৫ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন আট জন।

/জেএ/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৫

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু করেছে সরকার। তাদের দেখভালের বিষয়ে সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে আলোচনা চলছে। একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করবে জাতিসংঘ বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো। তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ডিক্যাব আয়োজিত ‘ডিক্যাব টকে’ তিনি বলেন, ‘ভাসানচর নিয়ে সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। গত মার্চে জাতিসংঘের টেকনিক্যাল মিশন তাদের কাজ শেষ করেছে।’

মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘ভাসানচর নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার পর আমরা সেখানে দ্রুত সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ শুরু করবো।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে জাতিসংঘের যে ভূমিকা, তা থেকে ভাসানচরে ভূমিকা ভিন্ন হবে। কারণ, দু’টি জায়গার পরিস্থিতি ভিন্ন।’

রোহিঙ্গা সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের বিষয়ে মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে কীভাবে এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে, সেটি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে মতভেদ আছে।’ এটি একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও মানবিক সমস্যা। মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অনেক লোকের মানবিক সহায়তার দরকার আছে বলে তিনি জানান।

 

/এসএসজেড/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

বাংলাদেশ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বাংলাদেশ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত নেমেছে ৭ এর ঘরে

বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত নেমেছে ৭ এর ঘরে

প্রতি সপ্তাহে টিকা আসবে ৫০ লাখ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতি সপ্তাহে টিকা আসবে ৫০ লাখ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনায় তিন মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু

করোনায় তিন মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু

শনাক্তের হার নেমে এলো ৯ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার নেমে এলো ৯ শতাংশের নিচে

করোনা: পুরুষের চেয়ে নারী মৃত্যু দ্বিগুণ 

করোনা: পুরুষের চেয়ে নারী মৃত্যু দ্বিগুণ 

সর্বশেষ

গুগলও আনছে ফোল্ডেবল স্মার্টফোন

গুগলও আনছে ফোল্ডেবল স্মার্টফোন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

দলবদলে এলো আবাহনী, লক্ষ্য শিরোপা

দলবদলে এলো আবাহনী, লক্ষ্য শিরোপা

ব্র্যাকের হাত ধরে স্বাস্থ্যবিধি শিখছে মানুষ

ব্র্যাকের হাত ধরে স্বাস্থ্যবিধি শিখছে মানুষ

বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্লেন্ডেড লার্নিং এগিয়ে নিতে সহযোগিতার আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্লেন্ডেড লার্নিং এগিয়ে নিতে সহযোগিতার আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের

© 2021 Bangla Tribune