X
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

৬০ লাখ ইএফডি কবে বসবে?

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৪:০৮

প্রকৃত ভ্যাটের ছিটেফোঁটাও পাওয়া যায় না দেশের বেশিরভাগ দোকানির কাছ থেকে। গ্রামের দোকানির কথা তো বাদই রাখা যায়, শহরের বড় দোকানগুলোও দেদার ফাঁকি দিচ্ছে ভ্যাট। এমন জেনারেল স্টোরও আছে যাদের দিনে বেচাকেনা লাখ টাকার বেশি হলেও দেখা যাচ্ছে ভ্যাট নিবন্ধনই নেই। এ অবস্থায় কয়েক লাখ দোকানিকে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস তথা ইফএফডি বিতরণের পরিকল্পনা নিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। কিন্তু দোকানের সংখ্যা যেখানে ৬০ লাখেরও বেশি, সেখানে এ পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে মাত্র চার হাজার ইএফডি। অর্থবছর পার হলে এ যন্ত্র পেতে পারে বড়জোর আরও ছয় হাজার ব্যবসায়ী।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন মনে করেন, ‘দোকানিরা ভ্যাট নিবন্ধন নিতে চায়। হিসাব-নিকাশ রাখার জন্য ইএফডি দেওয়া হলে সবাই ভ্যাট দেবো। তখন ভুল বোঝাবুঝি থাকবে না।’

ব্যবসায়ীরা এনবিআর’র নির্দেশনা মানেননি

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বলেন, ‘ক্রেতা ভ্যাট দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সরকার পাচ্ছে না। দোকান মালিকদের শুধু এক বছরের ভ্যাটের টাকা দিয়েই প্রত্যেকের জন্য ইএফডি বা ইসিআর মেশিন কেনা সম্ভব। আর একবার যদি দেশের সব দোকান অটোমেশনে আসে তবে বাজেট বাস্তবায়ন করা বেশ সহজ হবে।’

দেশের সব দোকানে ইএফডি বসাতে কত দিন লাগবে তা জানে না জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি) ড. আবদুল মান্নান শিকদার বলেন, ‘এ পর্যন্ত চার হাজার ইএফডি বসানো সম্ভব হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব দোকানে বসানো হবে। ২০২১-২২ অর্থবছরে আরও ছয় হাজার ইএফডি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সব দোকানে বসাতে কতদিন লাগবে তা বলা সম্ভব নয়।’

আইন অনুযায়ী, বড়, মাঝারি ও ছোট সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই ইসিআর মেশিন থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এ যন্ত্রের বালাই নেই অধিকাংশ জেনারেল স্টোরে। এতে জানা যাচ্ছে না দোকানগুলোতে প্রতিদিন কত টাকার লেনদেন হচ্ছে।

ড. আবদুল মান্নান শিকদার বলেন, ‘ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে ২০০৮ সালে ব্যবসায়ীদের নিজখরচে ইসিআর স্থাপন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা মানেনি। তাই এনবিআর থেকেই ইএফডি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভ্যাট আইনের আওতায়ই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইএফডি দেওয়া হচ্ছে। আইনের কারণেই তারা মেশিন রাখতে বাধ্য।’

আইন অমান্য করে বা জোর করে কাউকে এই মেশিন দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

ড. আবদুল মান্নান আরও বলেন, আইনের ক্ষমতাবলে এনবিআর ব্যবসায়ীদের বিনামূল্যে ইএফডি দিচ্ছে। তবে কতদিন সরকার এটা ফ্রি দেবে তা বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, মেশিন থাকলে ভ্যাট দিতে হবে, না থাকলেও দিতে হবে। ভ্যাট দেওয়ার জন্য মেশিন বড় বিষয় নয়। বড় বিষয় হলো ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা।

কেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব খরচে ইএফডি মেশিন স্থাপনের বিপক্ষে এনবিআর, প্রমন প্রশ্নে আবদুল মান্নান শিকদার বলেন, ২০০৮ সালে ব্যবসায়ীদের ইসিআর স্থাপন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ফলাফল ভালো ছিল না। এখন ব্যবসায়ীদের কোনও নির্দেশনা বা হুকুম দেওয়া শোভনীয় মনে করে না এনবিআর।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এনবিআর ও ব্যবসায়ীরা পরস্পর সহযোগী। এনবিআর ব্যবসায়ীদের শাসন করে না। আমরা ভ্যাট কালেকশন করি, ব্যবসায়ীরাও জনগণের দেওয়া ভ্যাট কালেকশন করে সরকারের কোষাগারে জমা দেয়। যারা জমা দেয় না, আমরা তাদের কাছ থেকে আদায় করি। তবে এখন বড় লেনদেন যাদের হচ্ছে, ভ্যাট কমিশনারদের চাহিদা অনুযায়ী তাদের আমরা মেশিন দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে সব দোকানে এই মেশিন বসানো হবে।’

এনবিআর’র বর্তমান চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম

পাঁচগুণ আদায় সম্ভব

প্রসঙ্গত, ইএফডি হচ্ছে আধুনিক হিসাবযন্ত্র। এটি ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্টার বা ইসিআর-এর উন্নত সংস্করণ। ইএফডির মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনের লেনদেনের প্রকৃত তথ্য জানতে পারেন ভ্যাট কর্মকর্তারা। এ জন্য রাজস্ব বোর্ডে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সার্ভারও বসানো হয়েছে।

ভ্যাটের বড় একটি খাত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা। কিন্তু মোট ভ্যাটের মাত্র তিন শতাংশ এখান থেকে আসে। গতবছরে এনবিআরের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা খাতে বছরে যে পরিমাণ লেনদেন হয়, তা জিডিপির ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ এ খাতে বিপুল পরিমাণ ভ্যাট আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এখন বছরে মোট ভ্যাট আদায় হয় প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা আসে খুচরা-পাইকারি খাত থেকে।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবার সদিচ্ছা থাকলে এখান থেকে বর্তমানের চেয়ে পাঁচগুণ ভ্যাট আদায় করা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিপিডির গবেষক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সব দোকান মালিককে ভ্যাটের আওতায় আনতে সবার আগে এনবিআরকে অটোমেশনে আসতে হবে। তিনি বলেন, ‘ইসিআর বা ইএফডি ব্যবহারে এনবিআরের যে উদ্যোগ থাকার কথা, সেটি নেই। এখন পর্যন্ত ভ্যাট দেবে এমন সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এটা এনবিআরের দুর্বলতা।’

জানা গেছে, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায় বাড়াতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেশিন বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল দু’বছর আগে। ইএফডি ব্যবহারের মাধ্যমে ভ্যাট বিভাগকে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের উদ্যোগ নেয় সরকার। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নানা উদ্যোগ নিলেও দুই বছরে তেমন অগ্রগতি নেই। এ পরিকল্পনার আওতায় সারা দেশের যোগ্য সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ইএফডি-এর আওতায় আনার কথা বলা হয়।

জানা গেছে, শুল্কমুক্তভাবে চীন থেকে আমদানি করা প্রতিটি মেশিনের দাম পড়ে ২২ হাজার টাকা। প্রাথমিকভাবে বিনামূল্যে এসব মেশিন দেয়া হলেও এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, ভবিষ্যতেও বিনামূল্যে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে।

এসব মেশিন আনার জন্য চীনের ‘এসজেডজেডটি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মেশিন ইনস্টলেশনের বিষয়ে কারিগরি সহায়তাও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইএফডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে গতবছর এক আদেশ জারি করে এনবিআর। তাতে হোটেল, রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান, পোশাকের দোকান, শপিংমল, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপারশপ, ফার্নিচারের দোকান, জুয়েলারির দোকানসহ ২৫ খাতে এই মেশিন ব্যবহারের কথা বলা হয়।

২০১৯ সালে ভ্যাট আইন চালুর আগেই প্রথম দফায় এক লাখ ইএফডি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আইনটি চালুর প্রথম এক বছরে কোনও ইএফডি আমদানি করতে পারেনি এনবিআর।

গত বছরের আগস্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি বসিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: লক্ষ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছেন দোকান মালিকরা!

 

/এফএ/আপ-এনএইচ/

সম্পর্কিত

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অভিযোগ করে ভোক্তারা পেয়েছেন প্রায় সোয়া কোটি টাকা

অভিযোগ করে ভোক্তারা পেয়েছেন প্রায় সোয়া কোটি টাকা

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৬

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আগামী ১ অক্টোবর দুবাইয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ৬ মাসব্যাপী দুবাই এক্সপো। বাংলাদেশ এতে অংশ নেবে। বাণিজ্যমন্ত্রী  বাংলাদেশ প্যাভেলিয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এ জন্যই তিনি দুবাই যাচ্ছেন।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘দুবাই ২০২১ এক্সপোতে’ শুধু পণ্যই নয়, এ মেলায় অংশ গ্রহণের ফলে বিশ্ববাসীর কাছে ৫০ বছরের অর্জন তুলে ধরবে বাংলাদেশ।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘ছয় মাসব্যাপী এই ওয়ার্ল্ড এক্সপোতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের অর্জন, পণ্য, ধারণা উদ্ভাবন, জাতীয় ব্র্যান্ড, পর্যটন, ইতিহাস এবং  ব্যবসায়িক পরিবেশ প্রচারের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার চেষ্টা করা হবে। অলিম্পিক গেমস, ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের পরে তৃতীয় বৈশ্বিক ইভেন্ট হিসেবে ওয়ার্ল্ড এক্সপো মূলত বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অগ্রগতি, বাণিজ্য সম্ভাবনা ও সংস্কৃতি বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপনের সুযোগ হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এক্সপো কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য দেশের ইমেজ বৃদ্ধিতে আগামী ৩ ডিসেম্বর ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অব পারসনস উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস’, ১৬ ডিসেম্বর ‘কান্ট্রি ডে’, ২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’, ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’, ১৭ মার্চ ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর’ অনুষ্ঠান এবং ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকবে। দুবাই ২০২১ এক্সপো আয়োজনের মূল থিম কানেকটিং মাইন্ডস, ক্রিয়েটিং দি ফিউচার  এবং সাব থিম তিনটি অপারচুনিটি, মোবিলিটি এবং সাসটেইনেবিলিটি।’  

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের এক্সিবিশন টাইটেল নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘ইন্দোমিটেবল বাংলাদেশ: টুয়ার্ডস সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’। বাংলাদেশের দ্বিতল বিশিষ্ট প্যাভিলিয়নের নিচ তলা প্রদর্শনীর জন্য এবং দ্বিতীয় তলা দাফতরিক,  সেমিনার ও বিজনেস টু বিজনেস সভার কাজে ব্যবহার করা হবে। এই এক্সপোর মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অগ্রগতি, সাফল্য এবং বাণিজ্য সম্ভাবনা যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে। এজন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সমন্বয়  করবে। এ জন্য প্রযোজ্য পণ্য, অডিও-ভিজ্যুয়াল, ডকুমেন্টারি ইত্যাদি প্রদর্শন করা হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইটালির মিলানে সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথমবারের মতো ‘ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০২১’ এর আয়োজন করছে। কোভিডের কারণে এই এক্সপো আগামী ১ অক্টোবর শুরু হয়ে ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান, যুগ্ম সচিব আব্দুর রহিম খান এবং  মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

অভিযোগ করে ভোক্তারা পেয়েছেন প্রায় সোয়া কোটি টাকা

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০১

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতিষ্ঠার পর দাফতরিকভাবে নিষ্পত্তিকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ হিসেবে ৬ হাজার ৯২০ জন অভিযোগকারীকে ১ কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ৫০২ টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়োজিত সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ২৩তম সভায় এই তথ্য জানানো হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সূচনা বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারিকালে ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষা, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, বাজারজাতকরণ ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিরলস কাজ করার জন্য জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানান এবং কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অধিদফতরের গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও অধিদফতরের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত বার্ষিক প্রতিবেদন, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের এপ্রিল, মে ও জুন ২০২১ পর্যন্ত ১টি ত্রৈমাসিক হিসাব বিবরণী, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশনের মধ্যে সম্পাদিত সহযোগিতা চুক্তির মেয়াদ বর্ধিতকরণ ও নতুনভাবে সম্পাদনযোগ্য চুক্তির বিষয় এবং ক্যাব কর্তৃক ২০২১-২০২২ অর্থবছরের 'ভোক্তা অধিকার শক্তিশালীকরণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদানের বিষয় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। 

সভায় জানানো হয় যে অধিদফতর প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত সময়ে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বাজার অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ ৭ হাজার ৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে দণ্ডিত করে ৭৩ কোটি ৩৯ লাখ ১৩ হাজার ২৪২ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সময়ে দাফতরিকভাবে প্রাপ্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করে ৭ হাজার ১০ টি প্রতিষ্ঠানকে ৪ কোটি ৮৮ লাখ ৬ হাজার ৮ টাকা জরিমানা করা হয়।

২৯ সদস্য বিশিষ্ট পরিষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও বীমা ব্যক্তিত্ব জনাব শেখ কবির হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী আকরাম উদ্দীন আহমেদসহ আরও অনেকে। সভাটি সঞ্চালনা করেন পরিষদের সচিব ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫১

জাল নোট চিহ্নিত ও প্রতিরোধের জন্য ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে একশ, দুইশ, পাঁচশ ও এক হাজার টাকার আসল নোট চেনার উপায় সংবলিত পোস্টার ডাউনলোড করে ন্যূনতম ১৮ ইঞ্চি × ১৪.৫ ইঞ্চি সাইজের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি প্রিন্ট করে গ্রাহকদের দৃষ্টিগোচর যোগ্য স্থানে প্রদর্শন করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।

 

/জিএম/আইএ/

সম্পর্কিত

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩১

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৩ দিনে ১৩৯ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারণা এভাবে রেমিট্যান্স এলে সেপ্টেম্বর মাস শেষে প্রবাসী আয় ১৮০ কোটি ডলার পৌঁছাবে।

তথ্য বলছে, চল‌তি সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬১ লাখ ডলার। দুইটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে তিন কোটি মার্কিন ডলার।

চলতি মাসের ২৩ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩৮ কোটি ১১ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ্–বাংলা ব্যাংকে প্রায় ১৬ কোটি ৫৫ লাখ, অগ্রণী ব্যাংকে ১২ কোটি ১৫ লাখ ও সোনালী ব্যাংকে ৭ কোটি ৬৮ লাখ এবং রূপালী ব্যাংকে এসেছে ৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।

এ সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনও রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গেল আগস্ট মাসে দেশে ১৮১ কোটি মা‌র্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের মাস জুলাই‌য়ের চেয়ে ৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার কম। এছাড়া আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ কো‌টি ৩৮ লাখ বা প্রায় ৮ শতাংশ কম।

২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০০

আইন অনুযায়ী বিইআরসি ছাড়া আর কারও এলপিজির মূল্য নির্ধারণের এখতিয়ার নেই। ফলে সরকারি এলপিজির দামা নির্ধারণের দায়িত্ব বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর চেয়ারম্যানের কাছে এই বিষয়ে একটি চিটি পাঠিয়েছে ক্যাব। ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৭ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিইআরসির সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এলপি গ্যাস লিমিটেডের  সরবরাহ করা এলপিজির দাম নির্ধারণের বিষয়টি বিইআরসির আওতাবহির্ভূত রাখার কথা বলা হয়েছে।

বিইআরসিকে দেওয়া ক্যাবের চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি এলপিজি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেডের এলপিজির দাম নির্ধারণ করার দায়িত্ব বিপিসিকে দেওয়া এবং এই চিঠি দিয়ে বিইআরসির এখতিয়ার বহির্ভূত রাখতে বলায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিইআরসি আইনের ২২(খ) উপধারা লঙ্ঘন করেছে। এই আইনের ৪২ ধারা মতে আইন লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে। অন্যদিকে তাতে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করা হয়েছে। ফলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত।

চিঠিতে জ্বালানি বিভাগ চলতি মাসে ৭ সেপ্টেম্বর বিইআরসিকে দেওয়া চিঠি অনতিবিলম্বে বাতিল বা প্রত্যাহার করাসহ ৬টি সুপারিশ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বিইআরসির আইন সংশোধন করে এলপিজিসহ পেট্রোলিয়াম পণ্যসমূহের দাম নির্ধারণ বিইআরসির এখতিয়ার বহির্ভূত রাখার তৎপরতা বন্ধ করা এবং এই আইন সংশোধন না করা, বিইআরসি আইনের ২২(খ) উপধারা মতে গণশুনানির ভিত্তিতে পেট্রোলিয়াম পণ্যগুলোর দাম নির্ধারণ করার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিইআরসিকে জানানো, জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংস্থাটির হিসাব নিকাশ কন্ট্রোলার অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে অডিট করানো, এলপিজিসিএলের এলপিজির ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলার চার্জ গণশুনানির মাধ্যমে নির্ধারণ করা এবং সরকারি এলপিজি স্বল্প দামে বস্তিবাসী ও স্ট্রিট ফুড ভেন্ডরদের মধ্যে বিতরণ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, আইন অনুযায়ী বিইআরসি ছাড়া আর কারও পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য যেমন, এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই। জ্বালানি বিভাগ থেকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তা আইন বহির্ভূত। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানান তিনি।

/এসএনএস/এমআর/

সম্পর্কিত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিলের দাবি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিলের দাবি

সর্বশেষ

ভুল নিয়ে গুগলের জন্ম 

ভুল নিয়ে গুগলের জন্ম 

রসুন দিয়ে এ কাজও হয়!

রসুন দিয়ে এ কাজও হয়!

বগুড়ায় করোনাকালে ‘ঝরে পড়েছে’ ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী

বগুড়ায় করোনাকালে ‘ঝরে পড়েছে’ ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী

সাফে গোল করার দায়িত্ব সবার

সাফে গোল করার দায়িত্ব সবার

প্রতি কেন্দ্রে ৫০০ জনকে টিকা দেবে ডিএনসিসি

প্রতি কেন্দ্রে ৫০০ জনকে টিকা দেবে ডিএনসিসি

সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের মামলা

সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের মামলা

সারাদেশে রাইড শেয়ার চালকদের কর্মবিরতি কাল

সারাদেশে রাইড শেয়ার চালকদের কর্মবিরতি কাল

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দুবাই যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অভিযোগ করে ভোক্তারা পেয়েছেন প্রায় সোয়া কোটি টাকা

অভিযোগ করে ভোক্তারা পেয়েছেন প্রায় সোয়া কোটি টাকা

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

© 2021 Bangla Tribune