X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

প্রতি জেলায় নির্মাণ হচ্ছে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ২৩:৫৬

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সৃজনশীল প্রতিভার অধিকারী শেখ কামালের অবদানকে দেশের প্রতিটি তরুণের কাছে তুলে ধরতে দেশের ৬৪ জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি সেন্টারে একটি মুক্তিযুদ্ধ ও শেখ কামাল ডিজিটাল কর্নার প্রতিষ্ঠা করা হবে। ডিজিটাল কর্নারে শেখ কামালের বর্ণাঢ্য ও কর্মময় জীবন তুলে ধরা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শহীদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সিংড়া উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পলক বলেন, প্রতিটি জেলায় একটি করে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। শেখ কামাল যে বয়সে জীবনকে তুচ্ছ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছিলেন, ঠিক সেই বয়সের ছেলে-মেয়েরাই এসএসসি-এইচএসসি পাস করে ওই ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে ৬ বা ১২ মাসের সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা কোর্স করে যার যার শহরে আত্মকর্মসংস্থান করতে পারবে। ২০৪১ সাল নাগাদ এসব আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে ১০ লাখের অধিক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ৫ লাখের বেশি তরুণের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

পলক নাটোরের সিংড়ায় শেখ কামাল স্মৃতি ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানান।  সিংড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খালিদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিংড়া আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখ, পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শরীফুল ইসলাম শরীফ প্রমুখ।

/এইচএএইচ/এমএস/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল হলো সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩ সেবা

ডিজিটাল হলো সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩ সেবা

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

১৯৭৩ সালের এদিনে দেড়শ’ থানায় রক্ষীবাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। সমাজবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে সরকার দেশের দেড়শ’টিরও বেশি থানার সদর দফতরে অবিলম্বে পর্যাপ্ত রক্ষীবাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সরকারি সূত্রে এ কথা জানানো হয়।

খবরে প্রকাশ, দেশের নিরীহ নাগরিকদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার পর সরকার উপরোক্ত নির্দেশনা দেয়।

এর মাত্র কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের বৈঠকে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন। সূত্র জানায়, ভিন্ন থানা সদর দফতরে রক্ষীবাহিনী মোতায়েন করা ছাড়াও সব জেলা ও মহাসড়ক দফতরে পর্যাপ্ত পুলিশ ও রক্ষীবাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোয় পুলিশের তৎপরতায় সাহায্য করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সুস্পষ্ট নির্দেশও দেওয়া হয়।

দৈনিক বাংলা, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

প্রত্যাগত বাঙালিদের পুনর্বাসন

পাকিস্তানে আটকে থাকা যেসব বাঙালি ফিরে আসছেন তাদের পুনর্বাসনে সম্ভাব্য সব করা হবে। ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী সোহরাব হোসেন জাতীয় সংসদে আশ্বাস দেন, পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা বাঙালিদের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা আছে। পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা বাঙালিদের জন্য এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে সরকার কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, সদস্যরা তা জানতে চান। প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সরকারি বাঙালি কর্মচারীদের এক মাসের অগ্রিম বেতন ও এক মাসের ছুটি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যেসব কর্মচারী পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় বা অনুরূপ সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তাদের নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য দেশের সব স্বায়ত্তশাসিত ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুটির শিল্প করপোরেশন বিল পাস

দেশে একটি কুটির শিল্প সংস্থা স্থাপনের উদ্দেশ্যে এদিন জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ কুটির শিল্প করপোরেশন ১৯৭৩ বিল বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়। শিল্পমন্ত্রী জানান, আগামী পরিকল্পনায় ১২১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। গ্রামাঞ্চলের মানোন্নয়নের জন্য কুটির শিল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৭০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী তিন লক্ষ ৩০ হাজার ৪৩৬টি কুটির শিল্প দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে। ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৮ ব্যক্তি এই শিল্পের উৎপাদন কাজে নিয়োজিত। এই শিল্পকে উৎসাহিত ও সম্প্রসারিত করে মৃতপ্রায় কুটির শিল্পগুলোর ব্যবহার এবং পরিবারভুক্ত কুটির শিল্প লোকদের মধ্যে আধুনিক কৌশল ছড়িয়ে দেওয়া হবে এই সংস্থার কাজ।

দ্য অবজারভার, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

কুটির শিল্প বাঁচাতে যা বলেছিলেন জয়নুল আবেদীন

বাংলাদেশের কুটির শিল্প লুপ্তপ্রায়। এ শিল্পকে বাঁচাতে ব্যাপক সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব নয়, কুটির শিল্পে যারা সত্যিকার অর্থে জড়িত তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলাদেশের প্রখ্যাত কয়েকজন শিল্পী এ মন্তব্য করেন। কুটির শিল্প রক্ষায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে অভিনন্দিত করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। গ্রামে গ্রামে এই উদ্যোগ বেকারত্ব কমাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৬

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভোক্তা প্রতারণা বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য কার্যকারী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির উপ প্রেস সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন ব্রিফিংকালে জানান, সাম্প্রতিককালে ই-কমার্সে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হাওয়ায় রাষ্ট্রপতি দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক হতে হবে।

এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সকল পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তারা যেন যৌক্তিক মূল্যে ও প্রত্যাশিত সময়ে মানসম্মত পণ্য পায় তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

সাক্ষাৎকালে কমিশন চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়সহ কমিশনের চলমান কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪১

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি ‘স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে পাঁচ দফা সুপারিশ পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’-এ ভার্চুয়ালি যোগদান করে তিনি একইসঙ্গে একটি বৈশ্বিক জোট ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে খাদ্যের অপচয় হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার, যা সকল নাগরিকের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।’

৭৬তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ)’র উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহে বক্তৃতাকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, খাদ্য নিরাপত্তা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে আন্তঃসংযুক্ত।

পূর্ব-রেকর্ডকৃত বক্তৃতায় ‘২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যা ১০ বিলিয়ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার জন্য আরও খাদ্য উৎপাদন করা অপরিহার্য।’

শেখ হাসিনা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষি উন্নয়নের জন্য গবেষণা, বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা অর্জনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বর্ধিত তহবিল প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা টেকসই নিরাপত্তা অর্জনে প্রযুক্তি শেয়ারিংসহ জলবায়ুজনিত চরম ইভেন্টগুলোর সঙ্গে অভিযোজনের জন্য প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড়েরও পরামর্শ দেন।

তিনি এ শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘মহামারি পরবর্তী পুরুদ্ধার এবং স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এই অনুষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় প্রণীত কাংলাদেশের সংবিধানে খাদ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টিকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এজেন্ডা ২০৩০ অর্জনে আমাদের জাতীয় নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনায় খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরকে একটি অন্তর্ভুক্ত হাতিয়ার হিসেবে সমন্বিত করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি-২০১৮, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি-২০২০ এবং এর কর্মপরিকল্পনা (২০২১-২০৩০) দেশের খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকৃতি দেয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গেছে। আমরা খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছি এবং আমরা দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন চরম আবহাওয়া-জনিত দুর্যোগ এই গতিবেগকে প্রভাবিত করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বৈশ্বিক নেতা হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি আমরা সবার জন্য  মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছি।’ সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২৯

ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় যোগ দিয়ে ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

জাতিসংঘের সাধারণ এজেন্ডা : সমতা ও অন্তর্ভুক্তি অর্জনের পদক্ষেপ শীর্ষক প্রচারিত প্রাক রেকর্ডকৃত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রথমত, সময়ের সবচেয়ে জরুরি আহ্বান হচ্ছে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ভ্যাকসিন বিভাজন দূর করা।’

প্রধানমন্ত্রী তার দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলেন, আমাদের একটি নতুন দৃষ্টান্ত প্রয়োজন যা বৈষম্যকে সামগ্রিকভাবে মোকাবিলা করবে। দারিদ্র, ক্ষুধা, লিঙ্গ সমতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো এসডিজিগুলোর সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তৃতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই সবচেয়ে দুর্বল দেশগুলোর বিশেষ অর্থায়নের চাহিদাগুলো সমাধান করতে হবে, যার মধ্যে এলডিসি ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো রয়েছে।’

চতুর্থ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, অভিবাসী ও চলমান লোকদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির অবসান অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী তার পঞ্চম প্রস্তাবে বলেন, ‘এই বিবর্তিত ডিজিটাল যুগে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমাদের কঠোরভাবে ডিজিটাল বিভাজন দূর করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজে প্রকৃত ‘পরিবর্তনের নির্মাতা’ হিসেবে কাজ করার জন্য আমাদের অবশ্যই মহিলা এবং মেয়েদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করতে হবে।’

শেখ হাসিনা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের সাধারণ এজেন্ডা বিষয়ে মহাসচিবের প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি দরিদ্রতম এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে। দারিদ্র্য, বৈষম্য এবং বাধা দূর করার ক্ষেত্রে আমাদের কয়েক দশকের উন্নয়ন পিছিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী উচ্চ পর্যায়ের এই অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য স্পেন, সিয়েরা লিওন, কোস্টারিকার প্রেসিডেন্ট এবং সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সমতা ও অন্তর্ভুক্তি অর্জনের বিষয়টি জাতিসংঘের অভিন্ন আলোচ্যসূচিতে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আমি এর প্রশংসা করছি।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব নাগরিকের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম ভাষণে বলেন, ‘সকলেরই নিজের এবং পরিবারের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য জীবনযাত্রার পর্যাপ্ত মানের অধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব রয়েছে।’ তিনি অভিমত প্রকাশ করেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক।

তিনি বলেন, এই চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘আমরা এসডিজি বাস্তবায়ন এবং কোভিড থেকে পুনরুদ্ধারে ‘হোল সোসাইটি’ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছি যাতে কেউ পিছিয়ে না পড়ে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশকে আমাদের প্রচেষ্টার কেন্দ্রে রেখেছি। এরমধ্যে রয়েছে নারী, অতি দরিদ্র, জাতিগত সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী মানুষ এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী।’

তিনি বলেন, কোনও দেশই একা এই সংকট মোকাবেলা করতে পারে না। বৈশ্বিক পর্যায়ে আমাদের সাহসী ও দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন। আরও সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে জাতিসংঘের ৭৫তম ঘোষণাপত্রের প্রতিশ্রুতি পূরণে আমাদের বহুপাক্ষিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

সাত বিভাগীয় শহরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ পাবে নারীরা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১০

মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপজেলা পর্যায়ে আয়বর্ধক প্রকল্পের মাধ্যমে সাতটি বিভাগীয় শহর ও পাবনা জেলায় নারীদের মোটর ড্রাইভিং এবং বেসিক মেইনট্যানেন্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আগামী দেড় বছরে আটটি কেন্দ্রে ৩০ জন করে ছয়টি ব্যাচে মোট এক হাজার ৪৪০ জনকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কোর্স শেষে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদ পাবে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ইস্কাটনে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আইজিএ প্রকল্প পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম, পরিচালক মনোয়ারা ইশরাত, বিআরটিসির পরিচালক কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন ও জেনারেল ম্যানেজার মেজর মো. মোক্তারুজ্জামান।

/ইউআই/এমপি/
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডিজিটাল হলো সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩ সেবা

ডিজিটাল হলো সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩ সেবা

সর্বশেষ

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

© 2021 Bangla Tribune