X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

মা বলেছিলেন, ৬ দফার একটি দাঁড়ি-কমাও বদলাবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২১, ১৭:২০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছয় দফা না আট দফা‑ এটা নিয়ে যখন চরম বিতর্ক, সেই ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং আমাদের বাসায় হয়েছে। আমাদের আওয়ামী লীগেরও অনেক সিনিয়র নেতা চলে গেছেন আট দফার পক্ষে। কারণ, পাকিস্তান থেকে নেতারা এসেছেন আট দফার পক্ষ নিয়ে। কিন্তু আট দফা ছিল একটা শুভঙ্করের ফাঁকি। এটা তাদের মতো শিক্ষিত অনেকেই হয়তো ধরতে পারেননি। কিন্তু আমার মায়ের কাছে সেটা স্পষ্ট ছিল। সেখানে আমার মায়ের স্পষ্ট কথা ছিল, ছয় দফার একটা দাঁড়ি কমা সেমিকোলনও বদলাবে না। যেটা আব্বা বলে গেছেন সেটাই হতে হবে। সেই সিদ্ধান্তটাই ওয়ার্কিং কমিটিতে নেওয়া হয়েছিল।

রবিবার (৮ আগস্ট) ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক-২০২১ প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যুক্ত হন তিনি।

তিনি বলেন, সেই ৭ই মার্চের ভাষণ। তার আগে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাটা দেওয়া হলো, সেখানে প্যারোলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের নেতাদের যে প্রচণ্ড চাপ। আইয়ুব খান মিটিং ডেকেছে, যেতেই হবে। আমার মায়ের কাছে প্যারোলে যাওয়াটা অত্যন্ত অসম্মানজনক মনে হয়েছিল। আইয়ুব খান যদি আলোচনা করতে চায় সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ, জনগণ তখন রীতিমতো আন্দোলন করছেন, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক নেতা, বড় আইনজীবী, বড় সাংবাদিক‑ তাদের অনেকেই প্যারোলে যাওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছিলেন। আমার মা সেখানে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যদি এই সিদ্ধান্তটা সঠিকভাবে না নিতেন আর খবরটা আমার বাবার কাছে না পৌঁছাতেন, তাহলে বাংলাদেশ কোনদিনও স্বাধীন হতো না।

তিনি বলেন, এরপরে এলো ৭ই মার্চের ভাষণ। সেই ভাষণের সময়েও অনেকের অনেক কথা ছিল। কেউ কেউ এত উৎসাহিত বা উত্তেজিত যে এই মুহূর্তেই ঘোষণা দিতে হবে। তাহলে তো জালিয়ানওয়ালাবাগের মতো ঘটনা ঘটে যেতো। ওখান থেকে একটি মানুষও জীবিত ফিরে যেতে পারতো না। আর কোনও দিন যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করা যেতো না।

সরকার প্রধান বলেন, সেখানে আমার মায়ের যে কথা, মায়ের যে পরামর্শ, সেটাই কিন্তু বাংলাদেশের ভাগ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়, যার জন্য আমরা যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করি। এরকম আরও বহু সময়ে আমি দেখেছি। সব থেকে বড় কথা হলো, নিজের জীবনটাকে তিনি সব সময় খুব সাদাসিধা রেখেছেন।

তিনি বলেন, আমার আব্বা যখন প্রধানমন্ত্রী, মা’র কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মধ্যে তাদের যদি বিলাসিতা হয়, তাহলে অভ্যাস খারাপ হয়ে যাবে, নজর খারাপ হয়ে যাবে। ওই বত্রিশ নাম্বারের বাড়ি ছেড়ে তিনি কখনও আসেননি। এসেছেন, হয়তো ঘুরে দেখে গেছেন। কিন্তু ওইখানে বসবাস করার কথা কখনও চিন্তাও করেননি। আমার মাকে আমি সব সময় একই রকম দেখেছি। কখনও কোন ব্যাপারে বেশি বিলাসিতা পছন্দ করতেন না।

শেখ হাসিনা বলেন, দল চালাতে গেলে বা দলের নেতাকর্মীরা যখন জেলে, তাদের পরিবারের ভরণপোষণ বা তাদের বাজারের টাকাটা পর্যন্ত আমার মা নিজে দিয়েছেন। যার জন্য নিজের গয়নাগাটি বা আমাদের বাড়ির অনেক জিনিস তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু কোনদিন বলেননি যে আমার এটা নাই বা এ নিয়ে হা-হুতাশ করেননি। আমি আমার মার কাছে কখনও হা-হুতাশ শুনিনি। কোনও দিন তিনি মুখ ফুটে বলতে না যে এটা নাই। বরং আমাদের বাড়িতে এটা ছিল– কেউ নাই বলতে পারবে না। কি লাগবে এটা বলা লাগবে। নাই বলতে পারবে না। এভাবে তিনি কিন্তু একদিকে সংসার সামলিয়েছেন, অপরদিকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোও। সে সিদ্ধান্তগুলো সঠিক সময়ে যাতে হয় তার ব্যবস্থা করেছেন।

তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম এই দলকে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ সব সময় সঠিক পথে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে যাতে চলতে পারে সেই দিকনির্দেশনা তিনি দিয়েছেন। সব তথ্য আমার বাবার কাছে জেলখানায় পৌঁছে দেওয়া এবং তার কাছ থেকে নির্দেশনা নিয়ে এসে এই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মতো এই কাজগুলোও তিনি গোপনে করেছেন। এইভাবে তিনি তার জীবনটাকে উৎসর্গ করেছেন, আমার বাবা যে আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেন সেই আদর্শের কাছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু কখনও রাজনৈতিক নেতা হতে হবে বা রাজনীতি করে কিছু পেতে হবে সেই চিন্তা তাঁর ছিল না। কোনও সম্পদের প্রতিও তার কোনও আগ্রহ ছিল না। নিজের যা ছিল সেটুকুই যথেষ্ট মনে করতেন। এভাবেই তিনি নিজের জীবন গড়ে তুলেছিলেন। আর সবশেষে আপনারা দেখেছেন পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট। মানুষ যখন একটা মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ায় তখন তাঁর মনে সব থেকে আগে আসে নিজের জীবনটাকে বাঁচানোর এবং নিজের জীবনটাকে ভিক্ষা চাওয়ার। আমার মা খুনিদের কাছে নিজের জীবন ভিক্ষা চান নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি (বঙ্গমাতা) নিজের জীবন দিয়ে গেছেন। আমার আব্বাকে যখন হত্যা করলো, সেটা যখন তিনি দেখলেন, তখনই সোজা খুনিদের বললেন, তোমরা ওনাকে মেরেছো আমাকেও মেরে ফেলো। তারা বলেছিল, আপনি আমাদের সাথে চলেন। তিনি বলেছিলেন, তোমাদের সাথে আমি যাবো না। তোমরা এখানেই আমাকে খুন করো।

তিনি বলেন, ঘাতকদের বন্দুক গর্জে উঠেছিল। আর সেখানেই আমার মাকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করে। আমাদের পরিবারে তো কেউ বেঁচে ছিল না। আমরা দুই বোন বিদেশে ছিলাম। কতটা সাহস একটা মানুষের মনে থাকলে এই মানুষটা মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জীবন ভিক্ষা না নিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট আমি তো আপনজন সবাইকে হারিয়েছি। শুধু একটাই প্রশ্ন সব সময়, কেন এই হত্যাকাণ্ড। কী অপরাধ ছিল আমার বাবার? আমার মায়ের? আমার ভাইদের? যারা নিজের জীবনটাকে উৎসর্গ করলেন। সারা জীবনের সুখ-শান্তি বিলিয়ে দিলেন একটা জাতির স্বাধীনতার জন্য, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য। তাঁকে সেই বাঙালিই খুন করলো, হত্যা করলো। কেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের অবহেলিত নারী সমাজ একটা জায়গা খুঁজে পেয়েছে। আমি মনে করি, আমার মায়ের জীবনের এই কাহিনী শুনলে অনেকেই হয়তো অনুপ্রেরণা পাবে, শক্তি, সাহস পাবে। দেশের জন্য, জাতির মঙ্গলের জন্য কাজ করবে।

আরও পড়ুন:
প্রত্যেকটা সংগ্রামে আমার মায়ের অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

/পিএইচসি/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কাদের

সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কাদের

আ. লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা বৃহস্পতিবার

আ. লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা বৃহস্পতিবার

২০ দলীয় জোট

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২২:২০

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী। ঢাকায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও মহানগর কার্যালয় দুটোই একদশক ধরে বন্ধ। এর মধ্যে একটিতে আগাছা জমে আছে। বর্তমানে জামায়াতের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অস্থায়ীভাবে। নেতাদের অনুসারীর বাসা কিংবা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে দলটি।

গত ১৪ অক্টোবর সরেজমিনে দেখা গেছে, বড় মগবাজারের এলিফ্যান্ট রোডে ৫০৫ ভবনের নিচতলায় অবস্থান করছেন কয়েকজন পাহারাদার। শীতলপাটিতে শুয়ে-বসে এখানে প্রতিদিন পালাক্রমে ডিউটি করে ছয় নিরাপত্তাকর্মী। তাদের মধ্যে একজন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভবনটির মূল মালিকানা জামায়াতের দারুল ইসলাম ট্রাস্টের। ২০১১ সালে বন্ধের পর থেকে দলের কোনও নেতা অফিসে আসেননি। তবে গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশি করেছে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে দায়িত্বরত নিরাপত্তারক্ষী

নিরাপত্তারক্ষী মো. ইব্রাহিম উল্লেখ করেন, তারা প্রত্যেকে দলীয় আদর্শের কর্মী। তিনি বলেন, ‘দল থেকে বেতন-ভাতা ঠিকমতো পাচ্ছি। জীবন চলে যাচ্ছে।’

একইদিন দুপুরে জামায়াতের মহানগর কার্যালয়ে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। ভেতর থেকে বন্ধ রাখা ফটকে দফায়-দফায় টোকা দেওয়া হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। প্রবেশপথে লতিয়ে ওঠা আগাছা চোখে পড়ার মতো। ফটকের সামনে জমে আছে পানি। অফিসটি ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তালাবদ্ধ। এরপর আর এখানে দলের কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। 

মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়

৯ তলা ভবনটির অষ্টম ও নবম তলায় থাকে নিরাপত্তাকর্মীরা। অন্য ফ্লোরগুলো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন পাশের ভবনের একজন।

জামায়াতের ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের সামনে একটি নির্মাণাধীন ভবন রয়েছে। সেখানে কর্মরত একজন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ১০ বছর আগে জামায়াতের অফিস বন্ধের শুরুর দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে তল্লাশি করতো। তবে গত কয়েক বছরে আর এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি তার।

জামায়াতে ইসলামীর বন্ধ মহানগর কার্যালয়, প্রবেশপথে লতাপাতা

গত ১৬ অক্টোবর জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের একজন নেতা মোবাইল ফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দলীয় কার্যালয় বন্ধ থাকায় বিভিন্ন পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কিছু অফিস দায়িত্বশীল নেতাদের বাসাকেন্দ্রিক। এছাড়া বাইরে রেস্তোরাঁয় দলীয় বৈঠক হয়ে থাকে। তবে করোনা অতিমারি শুরুর পর থেকে অনলাইন মাধ্যমেই আমাদের কাজ বেশি হয়।’

দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের বক্তব্য, ‘নানান কারণে জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর অফিস তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। এখন অফিসে বসা যাচ্ছে না। যাওয়াও যাচ্ছে না।’

সরকারবিরোধী কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাশকতা করায় ২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জামায়াতের দুটি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেই থেকে মগবাজার ওয়্যারলেস এলাকায় কেন্দ্রীয় ও পুরানা পল্টনের মহানগর কার্যালয় বন্ধ রয়েছে।

এদিকে ২০ দলীয় জোটে বিতর্কিত দল জামায়াতে ইসলামীর থাকা নিয়ে বিএনপিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাদের সঙ্গে জোটগত সম্পর্ক ছেড়ে আসতে ২০১৮ সালের আগস্টে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে পরামর্শ দেয় বিএনপির তৃণমূল। এর প্রায় দুই বছর পর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দলটির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগের পক্ষে অভিমত দেন দলের স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য।

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

ইকবাল এতদিন কোথায় ছিল, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫০

‘কুমিল্লার পূজামণ্ডপের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া যুবক ইকবাল হোসেন এতদিন কোথায় ছিল’—এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এটা তো পরিষ্কার, পত্রপত্রিকাগুলো সব দেখেন, দেখলেই বুঝতে পারবেন। সবাই এটা মেনে নেয় যে সরকারের মদত ছাড়া কখনও সাম্প্রদায়িক সমস্যা সৃষ্টি হয় না। যারা সরকারে থাকে তারাই করে।’

শারদীয়া দুর্গাপূজার সময়ে বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলার কয়েকটি ঘটনা প্রসঙ্গে শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টি তার ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে যে পত্রপত্রিকায় লেখা হচ্ছে, এই যে ইকবালের কথা কিছুক্ষণ আগে একজন বললেন, ইকবাল বলা যেতে পারে একজন অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি এবং মাদকসেবী। সে এতদিন কোথায় ছিল? এই বিশ্বাসটা কে করবে? কারা তাকে সেখানে নিলো?’

সারাদেশে পূজামণ্ডপে হামলার প্রসঙ্গ টেনে সরকারকে উদ্দেশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কেন আপনারা (সরকার) ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে গেলো, সেখানে কোনও পুলিশ পাঠালেন না, পুলিশ গেলো না বা পুলিশ থেকেও কোনও ব্যবস্থা নিলো না। কেন এটা হলো?’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘রংপুরের ঘটনায় দেখলাম আমরা একদিকে ওসি, চেয়ারম্যান সবাই মিলে আলোচনা করছে, একটা আপস করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বাইরে থেকে এসে লোকজন মালোপাড়া জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। তাহলে কি আমরা বলবো যে তাদের ছত্রছায়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।’

ফখরুল বলেন, ‘কুমিল্লার ঘটনার পর ওবায়দুল কাদের সাহেব কী করলেন? যখন ঘটনাগুলো ঘটলো প্রথমে ওবায়দুল কাদের সাহেব বললেন, এটা বিএনপি-জামায়াতের লোকেরা করেছে। কথায় কথায় উনি একটাই কথা বলবেন, যত দোষ নন্দ ঘোষ।’

‘আপনাদের চরম ব্যর্থতা যে আজকে এই সমাজে কোনও মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারেন না। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, তারা যে ধর্ম বিশ্বাস করেন, তারা তাদের ধর্ম পালন করবেন; মুসলিম ধর্মের মানুষ তাদের ধর্ম পালন করবেন; বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম পালন করবেন; খ্রিষ্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবেন—এটাই তো বাংলাদেশ। আপনারা (সরকার) কী করছেন? অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে একটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন, যা হাজার বছর ধরে চলে আসছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে শুধু মানুষের দৃষ্টিটা, মানুষের মনোযোগকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সরকার এই বিষয়টাকে সামনে নিয়ে এসেছে।’

 

 

/জেডএ/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে সরকারের লোকজন আছে: মান্না

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে সরকারের লোকজন আছে: মান্না

চট্টগ্রামে গ্রেফতার আমাদের নেতাকর্মীরা পূজামণ্ডপে হামলায় জড়িত নয়: নুর

চট্টগ্রামে গ্রেফতার আমাদের নেতাকর্মীরা পূজামণ্ডপে হামলায় জড়িত নয়: নুর

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২০:৫৮

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির একাংশের মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের আন্দোলন ছাড়া কোনও গতি নেই। এই আন্দোলনে সব রাজনৈতিক দলকে এক মঞ্চে আনার প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামী যদি কোনও অন্তরায় হয়ে থাকে, তাহলে অনুরোধ থাকবে আমাদের স্পেস দিন। তারা সরে দাঁড়াক। আমরা দল-মত নির্বিশেষে প্রত্যেককে একটা মঞ্চে এনে শেষবারের মতো ঐক্য গড়ে তুলতে চাই।’

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। 

সেলিম বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত ৫০ বছরের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ভুল ছিল জামায়াতের কেয়ারটেকার আন্দোলন। এই ভুলের দায়ভার জামায়াত অস্বীকার করতে পারবে না। জামায়াত সেই ভুলে নিজেরাও জীবন দিয়ে দিয়েছে, আমরা জীবন দিয়ে দিচ্ছি।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির বিষয়ে এলডিপির এই নেতা বলেন, ‘এই সরকারের কোনও অস্তিত্ব নেই, পায়ের নিচে মাটি নেই। সামনে নির্বাচন কমিশন গঠন করার সময় আসছে। নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আমরা আগ্রহী নই। এমনি তথাকথিত সার্চ কমিটির ওপর আমাদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা নেই। কারণ গত সার্চ কমিটি সার্চ করে বাংলাদেশের সব থেকে মেরুদণ্ডহীন লোকটাকে প্রধান নির্বাচন কমিশন করেছে। এ রকম নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন করতে হবে।’

 

/জেডএ/আইএ/

সম্পর্কিত

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

নেতা যেখানে, অফিস সেখানে

নেতা যেখানে, অফিস সেখানে

বাকি আছে জামায়াত

বাকি আছে জামায়াত

জামায়াত নেতাদের মুক্তি চাইলেন অলি

জামায়াত নেতাদের মুক্তি চাইলেন অলি

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে সরকারের লোকজন আছে: মান্না

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫৬

দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় ঊর্ধ্বগতির সমালোচনা করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের একটা সিন্ডিকেট আছে। ওরা দাম বাড়িয়ে দেয়। সরকার যদি থাকতো সিন্ডিকেটের কান ধরে বলতো, বেটা দাম কমা। কিন্তু সিন্ডিকেটের মধ্যেই সরকারের লোকজন আছে।’

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বাংলাদেশ মিয়ানমারের সৈন্য দেখলে ভয় করে। মিয়ানমারের বিমান বাংলাদেশে ঘুরে বেড়ায়, বাংলাদেশ কিছুই করতে পারে না। ওরা আমাদের সমুদ্র দখল করেছে, ওদের মানুষকে আমাদের দেশে পাঠিয়েছে। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) কোনও কথাই বলেন না।’

এ সময় তিনি আওয়ামী লীগ থেকে নাগরিক ঐক্য আসা এসএম আকরাম সম্পর্কে বলেন, ‘বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে এমন অনেকে আছে যারা মানুষের দুঃখ দেখে মনে মনে হাসে, মানুষের লাশ দেখার পরও মনে করে আমার গদি ঠিক থাকলেই হয়। তবে কিছু মানুষ আছে যারা মানুষের ভালো চায়, মানুষের ভালো করার জন্য অনেক লোভ-লালসা ত্যাগ করে। এস এম আকরাম এ রকমই একজন মানুষ।’

মান্না আরও বলেন, ‘২০১৪ সালে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে। সেই সরকার নির্বাচনে এমন এক সংশোধনী এনেছে যেন আগামীতে আর কেউ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা না বলতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বললেই সে রাষ্ট্রবিরোধী হয়ে যাবে, সরকারবিরোধী হয়ে যাবে। তাকে জেলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা হবে। আমরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে কোনও দল যেন নির্বাচনে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে একমত হতে হবে।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মাহমুদুর রহমান মান্না এবং সঞ্চালনা করেন নাগরিক যুব ঐক্যের আহ্বায়ক এসএম কবীর হোসেন।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

জোটে থাকলেও তারা যোগ দিতে চান বিএনপিতে

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি প্রজন্ম '৭১-এর

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

ছয় দিনে মামলা হয়েছে ৭২টি: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

চট্টগ্রামে গ্রেফতার আমাদের নেতাকর্মীরা পূজামণ্ডপে হামলায় জড়িত নয়: নুর

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:০৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দাবি, ‘চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপে হামলার অভিযোগে আমাদের যে দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নয়।’ শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদের সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপে হামলার অভিযোগে সংগঠনটির নেতাকর্মী আটকের প্রতিবাদে ছিল এই কর্মসূচি।

সমাবেশে নুরের মন্তব্য, ‘মিছিলের ছবি দিয়ে হামলাকারী চিহ্নিত করা যায় না। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড। আমরা এই সহিংসতার পেছনে বিএনপি বা আওয়ামী লীগকে দোষ দিতে চাই না। এসব হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

নুরের পাশাপাশি অন্য বক্তাদেরও অভিযোগ, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চাওয়া গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের ওপর সারাদেশে প্রতিহিংসামূলক মামলা ও হামলা করা হচ্ছে।’ 

ভারত তিস্তা ব্যারেজ খুলে দেওয়ায় কৃত্রিম বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। তিস্তার পানির মীমাংসা না করতে পারায় এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে দ্রুত ক্ষমতা ছাড়ার দাবি ওঠে সমাবেশে। এরপর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।

/জেডএ/জেএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

ইকবাল এতদিন কোথায় ছিল, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

ইকবাল এতদিন কোথায় ছিল, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াত অন্তরায় হলে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান এলডিপির

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে সরকারের লোকজন আছে: মান্না

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে সরকারের লোকজন আছে: মান্না

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কাদের

সরকারও চায় দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কাদের

আ. লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা বৃহস্পতিবার

আ. লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা বৃহস্পতিবার

বিএনপি নেতারা মিথ্যাচারকে শিল্পে রূপ দিয়েছে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপি নেতারা মিথ্যাচারকে শিল্পে রূপ দিয়েছে: ওবায়দুল কাদের

‘শেখ হাসিনা সরকারের ওপর আল্লাহর রহমত আছে’

‘শেখ হাসিনা সরকারের ওপর আল্লাহর রহমত আছে’

দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা খুবই অস্বস্তিকর: ১৪ দল

দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা খুবই অস্বস্তিকর: ১৪ দল

সম্প্রীতি বিনষ্টের উসকানি ভারতের মুসলমানদেরও বিপদে ফেলেছে: ওবায়দুল কাদের

সম্প্রীতি বিনষ্টের উসকানি ভারতের মুসলমানদেরও বিপদে ফেলেছে: ওবায়দুল কাদের

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মিছিল

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মিছিল

মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে: কাদের

মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে: কাদের

সর্বশেষ

সাস্ট ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ 

সাস্ট ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ 

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

সকাল ৬টা থেকে শাহবাগে গণঅবস্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ  

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ফের অনশন 

আমাদের সেলিব্রেটি কবি শামসুর রাহমান

আমাদের সেলিব্রেটি কবি শামসুর রাহমান

© 2021 Bangla Tribune