X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২১, ০৯:৩০

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী রেলওয়ে স্টেশনে মালবাহী ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। রবিবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে কাজ শুরু করেছে। রেলওয়ের খুলনার এরিয়া অপারেটিং ম্যানেজার মো. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ঘটনার পর উথলী রেলওয়ে স্টেশনের পার্শ্ববর্তী দর্শনা, আনছারবাড়িয়া এবং সাবদালপুর স্টেশনে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন আটকা পড়ে আছে।

খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে

রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, ডিজেল নিয়ে খুলনা থেকে উথলী রেলওয়ে স্টেশনে আসে মালবাহী ট্রেনটি। ক্রসিংয়ের জন্য ২ নম্বর লাইনে নেওয়া হয়। ক্রসিং শেষে রবিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে নাটোরের উদ্দেশে ছাড়ে। ট্রেনটি ২ নম্বর লাইন থেকে ১ নম্বর লাইনে ঢোকার ১৪-১৫ নম্বর পয়েন্ট অতিক্রমকালে চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। পাকশী থেকে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। উদ্ধার কাজ চলছে।

খুলনা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার বলেন, মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ঢাকা থেকে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ও সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস আটকে আছে। লাইন ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত এসব ট্রেন খুলনায় আসতে পারছে না। এ কারণে খুলনা থেকেও ট্রেন ছাড়া হয়নি।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

ভারতে পাচার হওয়ার আড়াই বছর পর দেশে ফিরলো মেয়েটি

ভারতে পাচার হওয়ার আড়াই বছর পর দেশে ফিরলো মেয়েটি

লোকালয় থেকে উদ্ধার হলো বিশাল এক অজগর

লোকালয় থেকে উদ্ধার হলো বিশাল এক অজগর

‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক-অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে গুলি ছুড়তে হবে’

‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক-অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে গুলি ছুড়তে হবে’

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:১৭

রাত তখন ৩টা। কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকে সুনসান নীরবতা। কেউ ঘুমের ঘোরে, কেউ তাহাজ্জুদের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক একই অবস্থা ক্যাম্পের দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামা আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায়ও। রাত পোহালে শুক্রবার। ছুটির দিন হওয়ায় অনেক ছাত্র বাড়িতে চলে গেছেন। হেফজ বিভাগের ২০/২৫ ছাত্র এবং সাত শিক্ষক রাতে মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন। শিক্ষকদের কয়েকজন তখন মসজিদে তাহাজ্জুদের নামাজে দাঁড়িয়েছিলেন। এমন সময় ঘটে আকস্মিক সশস্ত্র হামলা। প্রায় সাড়ে ৩০০ সন্ত্রাসী দা, কিরিচসহ নানান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক ও ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়। এতে নিহত হয়েছেন ছয় জন। এর মধ্যে তিন শিক্ষক, এক ছাত্র ও দুই সাধারণ রোহিঙ্গা রয়েছেন। এই ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও সাধারণ রোহিঙ্গারা সরাসরি আরাকানের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা’কে দায়ী করেছেন।

নিহতরা হলেন- শিক্ষক হাফেজ মো. ইদ্রিস, মসজিদের ইমাম নুর হালিম, হামিদ উল্লাহ, ছাত্র নুর কায়সার, স্থানীয় রোহিঙ্গা আজিজুল হক (১৬) ও মোহাম্মদ আমিন (৬৩)। এ ঘটনায় মাদ্রাসা পরিচালক দিল মোহাম্মদসহ আরও ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের শীর্ষস্থানীয় নেতা মো. মুহিবুল্লাহকে (৫০) হত্যার ঘটনায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সন্ত্রাসীরা জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছিল তার পরিবার।

এদিকে, বাংলাদেশে আরসা নামের কোনও সংগঠনের অস্তিত্ব নেই দাবি করে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্বৃত্তের গুলিতে ছয় রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিশ্চিত না হয়ে বলা যাচ্ছে না এ ঘটনায় কারা জড়িত।’

রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে কাজ করা একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা বলেন, ‘এ ধরনের হামলা হতে পারে, সে বিষয়ে আমরা আগে থেকেই আঁচ করেছিলাম। এ নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিতও করেছি। কিন্তু আমরা পদক্ষেপ নিতে পারেনি। মূলত মুহিবুল্লাহ হত্যার পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কিছু অপরাধী ধরা পড়েছে। সেখানে এ হামলাকারীদের অনেক সদস্য ছিল। ফলে তারা আরও বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এ ধরনের হামলা আরও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাদ্রাসাটির দাওরা বিভাগের (উচ্চতর শ্রেণি) ছাত্র রহিমুল্লাহ বলেন, ‘শুক্রবার ছুটি থাকায় রাতে তেমন পড়াশোনা ছিল না। তাই এশার নামাজের পর সামান্য পড়ে শুয়ে পড়েছিলাম। রাত ৩টার দিকে হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে ৩০০/৪০০ সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসা ঘিরে ফেলে। এর মধ্যে দেড় শতাধিক ক্যাম্পাসে ঢুকে টিনশেডে দা কিরিচ দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে তারা নামাজরত অবস্থায় শিক্ষকদের ওপর হামলা করে, গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। পরে ছাত্রদের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর করে তাদের ওপরও হামলা চালায়। সেখানে বেশিরভাগ ছিল হেফজ বিভাগের ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী ছাত্র। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের অনেকে তাদের সন্তানদের উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করে আরসার সন্ত্রাসীরা। তবে এত বেশি সংখ্যক সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে সাহস করেনি কেউ।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান প্রশাসনের কর্মকর্তারা

শুক্রবার সকালে উখিয়ার বালুখালীর ওই ক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসাটি ঘিরে রেখেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা। মাদ্রাসার বাইরে সড়কে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলার সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। এলাকার মানুষের মুখে কোনও সাড়া শব্দ নেই। তবে নিহত পরিবারগুলোতে স্বজনদের আহাজারি শোনা গেছে।

রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, আরসা পুরো ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার করছে। তাদের আলেমদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘উলামা কাউন্সিল’ ক্যাম্পের প্রত্যেক মসজিদ-মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল। ইতোমধ্যে ক্যাম্পের শতাধিক মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে। যেসব মাদ্রাসা তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেখানে তারা সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। একাধিকবার তারা এ মাদ্রাসাটি নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আরসার একাধিক প্রস্তাবেও কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় রোহিঙ্গারা প্রতিষ্ঠানটি তাদের হাতে তুলে দিতে রাজি হননি। এতে ওই ব্লকের রোহিঙ্গা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ওপর ভীষণ খেপেছিল আরসার নেতার।

এইচ ব্লকের নুর আমিন জানান, যে মাদরাসাটিতে হামলা হয়েছিল, সেটি পরিচালনা করতেন ইসলামিক মাহাজ নামের একটি রোহিঙ্গা সংগঠন। তবে সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়সহ, মিয়ানমার ফেরাতে উৎসাহিত করার কাজ করছে। এছাড়া সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। কিন্তু সন্ত্রাসী সংগঠনটি (আরসা) এটি মেনে নিতে পারেনি। তাই মাহাজকে পিছু হটাতে সংগঠনটির মূল কেন্দ্র মাদ্রাসাটিতে হামলা চালানো হয়।

নিহত আজিজুল হকের মা সাজেদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আজিজ মাদ্রাসায় হামলার ঘটনার খবর শুনে হেফজ বিভাগে পড়ুয়া ভাই নুর কদরকে উদ্ধার করতে ছুটে গিয়েছিলেন। সেখানে আরসার সদস্যরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।’

হামলার শিকার মাদ্রাসাটি

নিহত নুর হালিমের স্ত্রী উম্মে হাবিবা বলেন, ‘আমার স্বামী মাদ্রাসাটির শিক্ষক ছিলেন এবং মসজিদের ইমামতি করতেন। ঘটনার রাতে তিনি মাদরাসায় ছিলেন। সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীকে মাদরাসায় ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হামলার পর হত্যা করে। সন্ত্রাসীরা সবাই আরসার লোক ছিলেন। এর আগেও একাধিকবার তারা আমার স্বামীকে হুমকি দিয়েছিল।’

এইচ ব্লকের রোহিঙ্গা নেতা মো. ইউসুফ বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারে রাখাইনদের হাতে মার খেয়ে আশ্রয়ের জন্য এ দেশে পালিয়ে এসেছিলাম। এখন এখানে এসে রোহিঙ্গাদের মার খেতে হচ্ছে। সন্ধ্যার পর ক্যাম্পে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আজ সন্ধ্যার পর কী ঘটবে তাও আমাদের অজানা। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এখানে বিশেষ করে রাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা দরকার।’

এদিকে, শুক্রবার সকাল ১১টায় ক্যাম্পের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামছু দৌজা চৌধুরী নয়ন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ, ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নাঈমুল হক, ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শিহাব কায়সার খান।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য ক্যাম্প প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থানে থাকবে। ঘটনা তদন্তের পর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে। অনুমান করে কিছু বলতে চাচ্ছি না।’

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামছু দৌজা নয়ন বলেন, ‘একদল দুর্বৃত্তের হামলায় ছয় জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। ক্যাম্পে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করছি।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছেন’ ইকবাল

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার কথা ‘স্বীকার করেছেন’ ইকবাল

সিরাজগঞ্জে মনসুর আলীর নাতির ওপর হামলা

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৩

দাদা শহীদ এম. মনসুর আলীর স্মৃতিবিজড়িত কুড়িপাড়ার বাড়িতে বেড়াতে এসে হামলার শিকার হলেন ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন। তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত ক্যামেরাম্যানকে মেরে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের কুড়িপাড়া গ্রামের ঘটনা এটি।

ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন হলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে। তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মমিন জানান, শুক্রবার বিকালে কুড়িপাড়ায় দাদার বাড়িতে যান তিনি। তার সঙ্গে শহীদ এম. মনসুর আলীর ছোট ছেলে মোহাম্মদ রেজাউল করিমসহ ব্যক্তিগত ক্যামেরাম্যান সুমন ছিলেন। হঠাৎ বেশ কয়েকজন যুবক এসে অতর্কিতে ক্যামেরাম্যানকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া বাড়ির বাইরে তারা গাড়িচালককেও মেরে আহত করেছে।

কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাজু আহম্মেদের বিরুদ্ধে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলেছেন ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন। তিনি বলেন, ‘দাদার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে এসে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কথাবার্তা বলছিলাম। এ সময় কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। তার বাহিনী আমার ক্যামেরাম্যান ও গাড়িচালককে মারধর করেছে। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয়কে দায়ী করে শহীদ এম. মনসুর আলীর ছোট ছেলে মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘ব্যারিস্টার রিপন হলেন মনসুর আলীর নাতি। তিনি দাদার বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আসেননি। তাহলে তার ওপর এই হামলা কেন?’

ঘটনার দায় অস্বীকার করে কাজিপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজু আহম্মেদ বলেন, ‘হামলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা বাইরে ছিলাম। ব্যারিস্টার রিপন তিন গাড়ি ডিবি ও পুলিশ সদস্য নিয়ে এসেছেন। আমরা ভেতরে যাইনি।’

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চানন্দ সরকার বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ব্যারিস্টার শেহরিন সেলিম রিপন গাড়ি নিয়ে চলে গেছেন। তার ক্যামেরাম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি।’

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘সীমান্ত বাজার এলাকায় কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল বলে শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।’

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

আবার শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ

আবার শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ

রাজশাহীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাবেশ

রাজশাহীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাবেশ

আজও আসেননি চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক, প্রতিবেদন জমা

আজও আসেননি চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক, প্রতিবেদন জমা

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৩

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ওই নিহত নারীর স্বামী ও আরেক ছেলে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার হাতিলা রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাস্টার সোহেল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- সারামণি (২৫) ও তার আড়াই বছরের ছেলে আব্দুর রহমান আইয়ান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সারামণির স্বামী আজগর আলী ও তার পাঁচ বছরের ছেলে আব্দুল্লাহ। তারা জেলার বাসাইল উপজেলার ময়থা উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সম্প্রতি তারা সদর উপজেলার করটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় বসবাস করেছেন।

নিহত সারামণির উকিল বাবা আশরাফ আলী বলেন, ‘সারামণি ও আজগর আলী দুই সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে হাতিলা এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে তারা হাতিলা রেলক্রসিং পার হচ্ছিল। এ সময় একটি ট্রেন এসে তাদের ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় সারামণি ও তার ছোট ছেলে আব্দুর রহমান আইয়ান ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আর আজগর আলী ও তার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ আহত হয়। আজগর আলীকে বর্তমানে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। আব্দুল্লাহ ভালো আছে।’

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী বলেন, ‘হাসপাতালে দুই জনকে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে আজগর আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা স্টেশনের মাস্টার সোহেল খান বলেন, ‘কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। শুনেছি ওই ট্রেনে কাটা পড়ে দুই জন মারা গেছে। লাশ তাদের স্বজনরা নিয়ে গেছেন।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

বোয়ালমারীতে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী

বোয়ালমারীতে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী

ভ্রাম্যমাণ আদালত ছেড়ে আহতকে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

ভ্রাম্যমাণ আদালত ছেড়ে আহতকে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

সালিশে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সিএনজিচালক নিহত

বোয়ালমারীতে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫২

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। তার বয়স ১৪ বছর। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের জয়পাশা গ্রামে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারিয়া হক হাজির হতেই বিয়ের আয়োজন ভেস্তে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাইখীর গ্রামের আতিয়ার মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যার (২৫) সঙ্গে একই উপজেলার জয়পাশা গ্রামের সৈয়দ ফজলুল হক একাডেমির অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর শুক্রবার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক বিয়ের প্রস্তুতিকালে কিশোরীর বাড়িতে হাজির হয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। একইসঙ্গে বর ও কনে পক্ষকে জরিমানা করেন তিনি।

অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর ৭ ধারায় মেয়ের বাবাকে ৭ হাজার টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে করতে আগ্রহী সোহেল মোল্যাকে একই আইনের ৮ ধারায় ৮ হাজার টাকাসহ মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

বাল্যবিয়ে বন্ধের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারিয়া হক বলেন, ‘ছেলে ও মেয়ে উভয় পক্ষকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ওই কিশোরীর বাবা এবং ছেলের (বর) কাছ থেকে যথাক্রমে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবো না এবং প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে করবো না মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।’

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

ভ্রাম্যমাণ আদালত ছেড়ে আহতকে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

ভ্রাম্যমাণ আদালত ছেড়ে আহতকে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

মাদারীপুর অঞ্চলে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২১৩ প্রাণ

মাদারীপুর অঞ্চলে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২১৩ প্রাণ

পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা: যুব পরিষদের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে 

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৬

চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপে হামলা চেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় যুব অধিকার পরিষদের সাত জনের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ আদালতে সাত জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। শুনানি শেষে আদালত এক দিন করে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন। বাকি তিনজনের বয়স ১৯ বছরের কমে হওয়ায় রিমান্ড চাওয়া হয়নি।’

রিমান্ডে পাওয়া সাত আসামি হলেন- যুব অধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক মো. নাছির, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, বায়েজিদ থানার আহ্বায়ক মো. রাসেল, কর্মী ইয়াসিন আরাফাত, হাবিবুল্লাহ মিজান, ইমন ও ইমরান হোসেন।

কুমিল্লায় সহিংসতার ঘটনার জের ধরে গত ১৬ অক্টোবর দুপুরে জুমার নামাজের পর একটি মিছিল থেকে ঐতিহাসিক জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপে গেটে হামলা হয়। গেটের ব্যানার ও কাপড় ছেঁড়ার পাশাপাশি ওই দিন মিছিল সহকারে আসা যুবকরা মণ্ডপে ঢিল ছোড়ে। এ ঘটনায় ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এসআই আকাশ মাহমুদ ফরিদ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা অজ্ঞাত আরও অন্তত ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইতোমধ্যে ১০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

রোহিঙ্গাদের অভিযোগে আরসা, পুলিশ বললো অস্তিত্ব নেই

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

‘সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিতে’ কুমিল্লার ঘটনা লাইভে প্রচারের স্বীকারোক্তি

ময়মনসিংহে আরও ৩ রাজাকার গ্রেফতার 

ময়মনসিংহে আরও ৩ রাজাকার গ্রেফতার 

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

এক মোটরসাইকেলে ৪ জন, ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলে নিহত

ভারতে পাচার হওয়ার আড়াই বছর পর দেশে ফিরলো মেয়েটি

ভারতে পাচার হওয়ার আড়াই বছর পর দেশে ফিরলো মেয়েটি

লোকালয় থেকে উদ্ধার হলো বিশাল এক অজগর

লোকালয় থেকে উদ্ধার হলো বিশাল এক অজগর

‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক-অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে গুলি ছুড়তে হবে’

‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক-অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে গুলি ছুড়তে হবে’

মাদারীপুর অঞ্চলে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২১৩ প্রাণ

নিরাপদ সড়ক দিবসমাদারীপুর অঞ্চলে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২১৩ প্রাণ

যেভাবে ধরা পড়লো ইকবাল

যেভাবে ধরা পড়লো ইকবাল

গফরগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

গফরগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

মণ্ডপে হামলা: নুরের যুব সংগঠনের চার নেতাসহ গ্রেফতার ৯

মণ্ডপে হামলা: নুরের যুব সংগঠনের চার নেতাসহ গ্রেফতার ৯

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে পিকআপভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৩

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে পিকআপভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৩

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে অভিযুক্ত ইকবাল  

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে অভিযুক্ত ইকবাল  

সর্বশেষ

‘দাবিটা সরল, তালিবানকে বসতে দেবেন না’

‘দাবিটা সরল, তালিবানকে বসতে দেবেন না’

এক সপ্তাহে কলকাতায় করোনা রোগী দ্বিগুণ

এক সপ্তাহে কলকাতায় করোনা রোগী দ্বিগুণ

বিজেপির ফেক নেটওয়ার্ক বন্ধ করেনি ফেসবুক: বিস্ফোরক সোফি

বিজেপির ফেক নেটওয়ার্ক বন্ধ করেনি ফেসবুক: বিস্ফোরক সোফি

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

প্রপ গানও বিপজ্জনক, আসল বন্দুকের সঙ্গে পার্থক্য কী?

হলিউডে নিহতপ্রপ গানও বিপজ্জনক, আসল বন্দুকের সঙ্গে পার্থক্য কী?

© 2021 Bangla Tribune