X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

চাঁদপুরের সব ইলিশ পদ্মার নয়

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০০

পদ্মা নদীর ইলিশ স্বাদে পরিপূর্ণ। তাইতো পদ্মা নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা চাঁদপুরের ইলিশের প্রতি আগ্রহ সবার। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে, পাড়া মহল্লায় বিক্রেতারা প্রতিদিন সকাল থেকেই বিক্রি করেন ছোট বড় বিভিন্ন সাইজের ইলিশ। ক্রেতার আগ্রহ বাড়াতে বিক্রেতারা বড় গলায় বলছেন, পদ্মার ইলিশ, আবার কেউ বলছেন চাঁদপুরের ইলিশ। ক্রেতারা ধরেই নেন, চাঁদপুরের ইলিশ মানেই পদ্মা নদীর ইলিশ। তাই অনেকেই বাজার থেকে পদ্মার বা চাঁদপুরের ইলিশ কিনে স্বাদ না পেয়ে মনক্ষুন্নও হন। আসলে চাঁদপুরের অধিকাংশ ইলিশই পদ্মার নয় বলে জানিয়েছেন জেলেরা।

চাঁদপুর দেশের ইলিশ মাছের বড় বাজার। সেটি গড়ে উঠেছে পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করেই। এক সময় পদ্মায় জেলেদের জালে আটকা পড়া ইলিশ মাছ চাঁদপুর বাজারে বিক্রি হলেও এখন আর সেটি প্রায় নেই বললেই চলে। চাঁদপুর ইলিশের মোকামে বিক্রির উদ্দেশে আনা ৯০ শতাংশ ইলিশ মাছই চট্টগ্রামের। যা সমুদ্রে ধরা। প্রতিদিন শত শত ট্রাক চট্টগ্রাম থেকে সাগরে ধরা ইলিশের বহর নামানো হয় চাঁদপুরের বাজারে। চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, দাম ভালো। পার্শ্ববর্তী পদ্মা নদীর কারণেই রমরমা ইলিশের বড় বাজার গড়ে উঠেছে চাঁদপুরে। এই বাজারেই প্রতিদিন পদ্মার ইলিশ হিসেবেই বিক্রি হয় হাজার হাজার মণ চট্টগ্রামের ইলিশ বা সাগরের ইলিশ।

পদ্মা নদীতে ইলিশের জাল ফেলেন মুন্সিগঞ্জের সিরাজুল ইসলাম। ব্যবসায়ীক কাজে এসেছিলেন রাজধানীর কাওরান বাজারে। সেখানেই কথা হয় এই প্রতিবেদকের সঙ্গে। মীরকাদিম থেকে ট্রলার যোগে ৮ সহকর্মীকে নিয়ে পদ্মা নদীতে ইলিশ মাছ ধরতে যান ৫৩ বছর বয়সী সিরাজ। ট্রলারে রান্না, ট্রলারেই খাওয়া। দিনরাত নদীর সঙ্গেই বসবাস। জাল ফেলে, জাল তোলা। জালে আটকা পড়া ইলিশ বিক্রিও হয় ট্রলারে। দুইতিন দিন পর পরিবারের সঙ্গে দেখা হয় তাদের।

তিনি জানিয়েছেন, তাদের জালে ধরা পড়া ইলিশ সবই নদীতেই বিক্রি হয়ে যায়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বড় বড় ব্যবসায়ী ও অফিসাররা ট্রলার নিয়ে পদ্মা নদীতেই চলে আসেন ইলিশ কেনার জন্য। তারা দরদাম করে নিয়ে যান। তাদের জালে ধরা পড়া ইলিশ বিক্রির জন্য কোনও দিনই চাঁদপুরের বাজারে নেওয়ার সুযোগ হয়নি। ছোট বড় সব সাইজের ইলিশ নদীতেই বিক্রি হয়ে যায়। সিরাজ জানিয়েছেন, বিভিন্ন জনকে উপহার দিতে বড় বড় সাইজের ইলিশ কিনতে ক্রোতারা চাঁদপুর বাজারে নয়, নদীতেই আসেন। আর বাজার থেকে কেনা ইলিশ তো আর পদ্মার নয়, সাগরের। তাই তো তারা উৎসব করে সশরীরেই পদ্মা বা মেঘনায় চলে আসেন ইলিশ কেনার জন্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদপুরের ইলিশ ব্যবসায়ী সেকেন্দার আলী জানিয়েছেন, প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে শত শত ট্রাকভর্তি ইলিশ চাঁদপুরের বাজারে আসে এবং তা বিক্রি হয়ে যায়। পদ্মায় ধরা ইলিশ এই বাজারে আসে, তবে তা পরিমাণে খুবই কম। সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়া ইলিশ চাঁদপুরের বাজারে পদ্মার ইলিশ নামেই বিক্রি হয়। সাগরের ইলিশ মানেই যে স্বাদহীন- তা সঠিক নয়। বড় সাইজের সাগরের ইলিশও সুস্বাদু—বলেন সেকেন্দার আলী।

কাওরান বাজারের মাছ ব্যবসায়ী ফিরোজ হাওলাদার জানিয়েছেন, কাওরানবাজার রাজধানীর মাছের বড় পাইকারি বাজার। এ বাজারেও প্রতিদিন শত শত টাক ভর্তি ইলিশ আসে। এর বেশির ভাগই চাঁদপুরের। তবে রাজধানীতে ভোলা, বরিশাল ও বরগুনা থেকে ইলিশ এলেও সেগুলো যাত্রাবাড়ী, সোয়ারিঘাট বাজারে বিক্রি হয়ে যায়। খুব সামান্য পরিমাণে আসে কাওরান বাজার। রাজধানীতে যেখান থেকেই ইলিশ আসুক, সাইজে বড় হলেই তা পদ্মার ইলিশ বলে বিক্রেতারা বিক্রি করেন। ক্রেতারাও লুফে নেন সেটি।

ফিরোজ হাওলাদার জানিয়েছেন, ইলিশের স্বাদ বাড়ে সাইজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। সাইজ ও রঙয়ের পার্থক্য রয়েছে নদী ও সাগরের ইলিশের মধ্যে। সাইজ ঠিক থাকলেও বরফ দেওয়ার পর রঙ বদলে যায়। তাই নদী ও সাগরের ইলিশের মধ্যে যে পার্থক্য তা ক্রেতার পক্ষে বোঝা খুবই কঠিন। সাইজ বড় হলে ইলিশের দাম বাড়ে। বড় সাইজের - বড় দামের ইলিশ সব সময়ই স্বাদের হয়।

রাজধানীতে বসবাসকারী একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানিয়েছেন, আমরা তো চাঁদপুরের ইলিশ বলতে পদ্মা নদীর ইলিশকেই বুঝি। চাঁদপুরের বাজারে যে চট্টগ্রামের সাগরে ধরা ইলিশ আসে তাও জানি। কিন্তু কেনও জানি, চাঁদপুরের ইলিশ বলতে কখনোই সাগরের বা চট্টগ্রাম থেকে আসা ইলিশের কথা মনেই পড়ে না। সরল মনের ক্রেতাদের কাছে সাগরের ইলিশকে পদ্মার ইলিশ নামে বিক্রি করাটা এক ধরনের প্রতারণা এবং এটি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

 

 

/এমআর/

সম্পর্কিত

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

 

নয়াদিল্লিতে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি সম্পাদনের পর এদিন থেকে আটক বাঙালিদের প্রথম দলটিকে দেশের মাটিতে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানি নাগরিকদের একটি দল তাদের দেশে ফিরে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়।

রেডক্রস এই লোক বিনিময়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে অবসান ঘটবে বহুদিনের প্রতীক্ষা ও উৎকণ্ঠার। ঢাকা জেলা প্রশাসক সৈয়দ রেজাউল হায়াত দৈনিক বাংলার এক প্রতিনিধিকে জানান, আফগানিস্তান এয়ারলাইন্স-এর বিমানে করে আটক বাঙালিরা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করবেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ হাজার বাঙালি ফিরে আসবেন। তাদের জন্য ঢাকার উপকণ্ঠ মিরপুরে নুরানী একাডেমির কাছে একটি অস্থায়ী অভ্যর্থনা শিবির খোলা হয়।

৫ হাজার লোক ফিরে আসার পর ২৪ ঘণ্টা থেকে তিনদিনের মধ্যে প্রত্যাবর্তনকারী নিজ নিজ বাসস্থানে চলে যাবেন। অভ্যর্থনা শিবিরে তাদের প্রতিদিন মাথাপিছু ৫ টাকা খাবারের জন্য এবং নিজ বাসস্থানে ফিরে যাওয়ার জন্য মাথাপিছু ৩০ টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ ছাড়া প্রতিটি পরিবারকে এককালীন একশ টাকা নগদ সাহায্য দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, সেখানে অবস্থানরত পাকিস্তানিদের বিদায় দেওয়ার জন্য তেজগাঁও বিমানবন্দরে আরেকটি অস্থায়ী শিবির খোলা হয়েছে। এই শিবিরেও ৫ হাজার জনের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য প্রতিদিন মাথাপিছু ৫ টাকা খাদ্যে বরাদ্দ করা হয় এবং শিবিরের খাবারের অস্থায়ী দোকান খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে আকাশ, সমুদ্র ও সড়ক পথে প্রত্যাবর্তনকারী বাঙালিদের যথাক্রমে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও যশোরে অভ্যর্থনা জানানো হবে। একইভাবে পাকিস্তানি নাগরিক তাদের দেশে ফিরে যাবেন। সমুদ্র সড়কপথে বাঙালিদের ফিরে আসতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ দেরি হতে পারে।

দৈনিক বাংলা, ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

১৯৭৩ সালে সংবিধান সংশোধনী বিল আনার সম্ভাবনা

সংসদের চলতি অধিবেশনে সংবিধানের কতিপয় ধারা সংশোধনের উদ্দেশ্যে বিল উত্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদে দুটি অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল ৬০ দিনের পরিবর্তে ১২০ দিন করার জন্য একটি সংশোধনী বিল উত্থাপিত হবে। এটাই হবে সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী। উক্ত মহলের মতে এই সংশোধনী বিল উত্থাপনের বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত এবং এ ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয় বর্তমানে সংশোধনী বিলটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য, সংবিধানের বর্তমান বিধান অনুযায়ী সংসদের অধিবেশনের অন্তর্বর্তী সময়ের ব্যবধান হচ্ছে ৬০ দিন। অর্থাৎ সংসদের অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। উক্ত সংশোধনী বিলে এই সময়ের ব্যবধান ১২০ দিন করার প্রস্তাব করা হয়। এ ছাড়া দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার ব্যাপারে কঠোর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের প্রতি বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করে। সংবিধানের আরও দু-একটি বিধানের ওপর সংশোধনী বিল উত্থাপনের বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে সমাজবিরোধী কার্যকলাপের প্রবণতা প্রতিহত ও দুষ্কৃতিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে সংবিধানে কয়টি ধারা ও সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেবে। তবে এ ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

দ্য অবজারভার, ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

চিকিৎসার জন্য বেগম মুজিবের লন্ডনযাত্রা

১৯৭৩ সালের এদিন সকালে বেগম মুজিব চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, গত কয়েক দিন ধরে বেগম ফজিলাতুন নেছা ‍মুজিব গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন, ভূমি প্রশাসন ও ভূমি রাজস্বমন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবত তাকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান। বেগম মুজিবের সঙ্গে তার ছেলে শেখ জামাল ছিলেন।

 

আবার বন্যার কবলে দেশ

১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে মৌসুম শেষে কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। নেত্রকোনা থেকে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জানা যায়, তিনদিনের প্রবল বর্ষণে মহাকুমার দশটি এলাকার মধ্যে ৯টি প্লাবিত হয়েছে। মহাকুমার তিনটি নদীর ওপর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে যোগাযোগ করার ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। খবরে জানানো হয়, প্রবল বর্ষণে বগুড়ার কয়েকটি অঞ্চলের ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। সেবছর এটি ছিল তৃতীয়দফা বন্যার আঘাত।

/এফএ/

সম্পর্কিত

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫৪

ভার্চুয়াল বিচার পদ্ধতির ব্যাপ্তি ও পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে গেলে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে কথা বলেন।

কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২০ এ সময় রাষ্ট্রিপতির কাছে পেশ করা হয়।

কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, বিচারপতি সহিদুল করিম, অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বিচারক নিয়োগের পাশাপাশি বিচারকরা যাতে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনকে নির্দেশনা দেন।’ 

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিচার কার্যক্রম ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে চালু হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় এর ব্যাপ্তি ও পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।’ এ সময় বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫১

দেশের প্রতিটি উপজেলা পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ সংক্রান্ত লিখিত আদেশ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর এসব আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে।

আদালত তার আদেশে উপজেলা পরিষদ ভবনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিবর্তে ‘উপজেলা পরিষদ কার্যালয়’ লেখা সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

পাশাপাশি একই আদেশে উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮-এর ধারা ১৩ (ক), ১৩ (খ) ও ১৩ (গ) কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। মামলার বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ও ড. মহিউদ্দিন মো. আলামিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান চৌধুরী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

এর আগে ১৫ জুন উপজেলা চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা খর্ব করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ক্ষমতা দেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজসহ তিনজন উপজেলা চেয়ারম্যান এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর সে আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশ হলো।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের অধীনে ন্যস্ত সব দফতরের কার্যক্রম পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে করার জন্য ইউএনওদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ইউএনওরা যাতে ওই সার্কুলার অনুসরণ করেন সেজন্য পৃথক আরেকটি সার্কুলার জারি করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

/বিআই/এফএ/

সম্পর্কিত

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩০

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। চার বছর পরও তারা নিজের দেশে যাচ্ছে না। দিন দিন তাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। তারা এ দেশে মাদক ব্যবসা ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেকে অবৈধভাবে এদেশের নাগিরক হয়ে যাচ্ছেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আরও তৎপর হওয়া উচিৎ। বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ কি বন্ধুহীন হয়ে যাচ্ছে? এর দায় কার? কার ব্যর্থতা? পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জিএম কাদের বলেন, মন্ত্রীর কথায় মনে হচ্ছে, কোনও দেশেরই সহায়তা পাচ্ছে না বাংলাদেশ।

এ সময় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাঙ্গনে স্থবিরতা ছিল। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে হয়ত দুই বছর ঝরে যাবে। এসব বিবেচনায় সবার জন্য চাকরির বয়সসীমা ৩২ করা যায় কিনা বিবেচনা করা উচিৎ।

 

/ইএইচএস/এফএ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানের ঘটনার আড়ালে রোহিঙ্গা ইস্যু চলে যাক চায় না বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের ঘটনার আড়ালে রোহিঙ্গা ইস্যু চলে যাক চায় না বাংলাদেশ

সৌদি আরবের রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সৌদি আরবের রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪৯

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক  মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, একটি গ্রন্থের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর বিশালতাকে তুলে ধরা কঠিন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে 'স্মৃতিতে সতত উজ্জ্বল বঙ্গবন্ধু' বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এতে বঙ্গবন্ধুর সংস্পর্শে থাকা 'লাল মুক্তিবার্তা: স্মরণীয় যারা বরণীয় যারা'  তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ২৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণমূলক লেখা অন্তর্ভুক্ত  হয়েছে।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়াসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন সব দিকেই দক্ষ একজন রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামল এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু পৃথিবীতে একমাত্র নেতা যিনি তাঁর  জীবদ্দশায় একাধারে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আজও হয়তো আমরা পরাধীন থাকতাম।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু অল্প দিনেই বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বিশ্ব সভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে শোষক আর একদিকে শোষিত, আমি শোষিতের পক্ষে। বিশ্ব সভায় তিনি বাংলাদেশের নেতা হিসেবে কথা বলেননি, বিশ্বনেতা হিসেবে কথা বলেছেন। তিনি বলেছিলেন, অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে এই পয়সা দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য, শিক্ষার, স্বাস্থ্যের জন্য খরচ করতে বলেছিলেন। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে তিনি উপদেশ দিতেন, বিশ্বের নীতি কী হওয়া উচিত।

বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতো বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

/এসও/এমএস/

সম্পর্কিত

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালু হবে: রেলমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালু হবে: রেলমন্ত্রী

সর্বশেষ

আদালতের ক্যান্টিনে সংঘর্ষ, কারাগারে বাদী-বিবাদী পক্ষের ৬ জন 

আদালতের ক্যান্টিনে সংঘর্ষ, কারাগারে বাদী-বিবাদী পক্ষের ৬ জন 

তিন মাস পর ফের মৃত্যুহীন চট্টগ্রাম 

তিন মাস পর ফের মৃত্যুহীন চট্টগ্রাম 

১৩০ কোটি ডলারের সফটওয়্যার রফতানি করেছে বাংলাদেশ

১৩০ কোটি ডলারের সফটওয়্যার রফতানি করেছে বাংলাদেশ

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জ্বরে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি: মমতা

জ্বরে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি: মমতা

© 2021 Bangla Tribune