X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

এক চিকিৎসক দিয়েই চলছে একটি হাসপাতাল

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৩

রাঙামাটির লংগদুতে স্বাস্থ্যসেবার বেহাল দশা। ৩০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ১০১ পদের বিপরীতে লোকবল আছে ৪৯ জন। উপজেলার দুটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সাত ইউনিয়নের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রেও নেই চিকিৎসক। বর্তমানে একজন দন্ত চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এতে সাধারণ রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন।

লংগদু উপজেলার আয়তন ৩৮৯ বর্গ কিলোমিটার। সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উপজলোর জনসংখ্যা ৮৪ হাজার ৪৭৭ জন। এত সংখ্যক মানুষের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতাল একটি। উপজেলার মানুষ মাছ শিকার ও কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা গ্রহণের দ্বিতীয় কোনও মাধ্যম নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গম এলাকা হওয়ায় কোনও চিকিৎসক এখানে থাকতে চান না। যারাই নিয়োগ পান দ্রুত বদলি হয়ে চলে যান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও প্রায় সময় নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে। জরুরি রোগী পরিবহনে সমস্যায় পড়তে হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া) এবং মেডিক্যাল অফিসারের নয় পদসহ সব শূন্য। এ ছাড়া আট সিনিয়র স্টাফ নার্স, দুই মিডওয়াইফ (ধাত্রী), দুই মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব), সাত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ও দুই স্বাস্থ্য পরিদর্শকের পদশূন্য রয়েছে। 

অন্যদিকে, চার সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ক্যাশিয়ার, সহকারী নার্স, সাত স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী বাগানমালী, তিন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও ১৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদশূন্য আছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স, যা প্রায় সময় নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে গ্যারেজে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দন্ত চিকিৎসক নন্দিনী দাশ গুপ্ত বলেন, টিএস জরুরি কাছে গত বৃহস্পতিবার রাঙামাটি গেছেন। আরও একজন আবাসিক চিকিৎসক ছিলেন। তিনিও পারিবারিক কাছে ছুটিতে। আমি এখন একা দায়িত্বে আছি। 

একজন দন্ত চিকিৎসক দিয়ে পুরো হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিতে সমস্যা হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জটিল রোগী এলে সমস্যা হয়। চিকিৎসক সংকট বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের স্যার চিকিৎসক পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসক কম থাকায় আমাদের কাজের চাপ বেড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ চাকমা বলেন, বর্তমানে লংগদু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ প্রতি পদে জনবল সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বারবার ধরনা দেওয়ার পরও কোনও কাজ হচ্ছে না। উপ-সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দিয়েই চলছে চিকিৎসাসেবা। তারা না পারলে আমি দেখি।

তিনি আরও বলেন, এমএলএসএস শূন্য পদগুলো জরুরিভাবে পূরণ হওয়া দরকার। বিশেষ করে চিকিৎসক-নার্স, আয়া ও ওয়ার্ড বয়ের মতো পদগুলোতে জনবল খুব প্রয়োজন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা বলেন, লংগদু, বাঘাইছড়ি ও বরকল উপজেলায় চিকিৎসক সংকট বেশি। এই সংকট পূরণে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি, খুব দ্রুত একটা সমাধান হবে বলে আশা করছি।

/এএম/

সম্পর্কিত

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

তেলের ড্রাম তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেলেন শ্রমিক

তেলের ড্রাম তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেলেন শ্রমিক

ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের পিলারে ফাটল পায়নি বিশেষজ্ঞ দল

ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের পিলারে ফাটল পায়নি বিশেষজ্ঞ দল

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:১১

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১৮ নম্বর ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত ছয় রোহিঙ্গার পরিবার ও স্বজনদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) এসব পরিবারের ৩১ সদস্যকে পুলিশের নিরাপত্তায় বালুখালী ক্যাম্প থেকে নিয়ে উখিয়ার ট্রানজিট পয়েন্টে রাখা হয়েছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে ৮ এপিবিএন-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন বলেন, ‘নিহত ছয় রোহিঙ্গা পরিবারের ৩১ সদস্যকে ক্যাম্প থেকে সরিয়ে ট্রানজিট পয়েন্টে রাখা হয়েছে। তবে বিষয়টি এমন না যে, তারা ক্যাম্পে অনিরাপদ ছিল। তাদের পরিবারের লোকজন মারা যাওয়ার পর তারাই খুবই ভয়ভীতির মধ্য রয়েছে। তারা অনুরোধ জানিয়েছিল, অন্যত্র সরিয়ে নিতে। এ কারণে তাদের সেখানে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ হত্যার ঘটনায় আমরা ১৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। ক্যাম্পে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। রাতদিন টহলসহ অপরাধীদের ধরতে অভিযান চলছে।’

এদিকে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে অস্ত্রধারীরা রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে তার আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) কার্যালয়ে ঢুকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন অনেক রোহিঙ্গা। এদের অনেকেই রাতে ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২৫ জনকে আসামি করে উখিয়া থানায় মামলা করেন। এরপর সন্ত্রাসীরা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন মহিবুল্লাহর পরিবারের সদস্যরা। ফলে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

মুহিবুল্লাহ খুনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে গত ১০ অক্টোবর আসামি মোহাম্মদ ইলিয়াছ কক্সবাজার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গ্রেফতার আরেক আসামি আজিজুল হক গত ২৩ অক্টোবর হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জেরিন সুলতানার আদালতে স্বীকার করেন।

অন্যদিকে গত ২২ অক্টোবর (শুক্রবার) ভোরে উখিয়ার বালুখালী ১৮ নম্বর শরণার্থী শিবিরের দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামা আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় ঢুকে গুলি করে ও কুপিয়ে ছয় জনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২৩ অক্টোবর রাতে উখিয়া থানায় মামলা করেন ওই ঘটনায় নিহত আজিজুল হকের বাবা নুরুল ইসলাম। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়। পরে নিহত ছয় জনের পরিবারকেও সরিয়ে অন্যত্র নেওয়া হয়।

ওই ঘটনায় নিহত একজনের স্বজন বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্প থেকে সরিয়ে একটি জায়গায় রাখা হয়েছে। ক্যাম্পের তুলনায় এখানে ভালো আছি। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া পরিবার কি আর ফিরে পাব? আমরা চাই, এসব অপরাধীর কঠোর শাস্তি হোক না হলে এ ধরনের ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।’

উখিয়া বালুখালী ক্যাম্প ১৮-এর নেতা মো. ইউনুছ বলেন, ‘ক্যাম্পে একের পর এক হত্যাকাণ্ড হচ্ছে। এতে এখানকার বাসিন্দা সবাই খুব ভয়ভীতির মধ্য রয়েছে। অনেকে ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আবার অনেকে রাতে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছেন। আমার ব্লকে নিহত পরিবারের স্বজনদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

তেলের ড্রাম তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেলেন শ্রমিক

তেলের ড্রাম তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেলেন শ্রমিক

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের পিলারে ফাটল পায়নি বিশেষজ্ঞ দল

ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের পিলারে ফাটল পায়নি বিশেষজ্ঞ দল

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৯

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহন নিয়ে ডুবে যাওয়া শাহ আমানত ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো। হালনাগাদ করা হয়নি সার্ভে সনদ। অবাক করা বিষয়, ১৭টি পণ্যবাহী ট্রাক ও ১৬টি মোটরসাইকেল নিয়ে ডুবে যাওয়া ৪০০ টনের ফেরিটি উদ্ধারে কাজ করবে ৩১০ টন সক্ষমতার দুটি ফেরি।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) বিকালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা ফেরিঘাটের এজিএম (মেরিন) আব্দুস সাত্তার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এরই মধ্যে ফেরিডুবির ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। বিকালে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) সুলতান আব্দুল হামিদকে প্রধান করে এ কমিটি করা হয়। বিআইডব্লিউটিসি’র পরিচালক (বাণিজ্য) আতিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ছানোয়ারুল হককে প্রধান করে কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান সৈয়দ তাজুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল আলম, বিআইডব্লিউটিসির’র পরিচালক (বাণিজ্য) আশিকুজ্জামান, মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, নৌ-পুলিশের ফরিদপুর জোনের পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন, বিআইডব্লিউটিসির’র ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মহসিন ভূঁইয়া, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক দিনমনি শর্মা।

বিআইডব্লিউটিএ’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন, ফেরি উদ্ধার করতে বেগ পেতে হবে। কারণ যে দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ দিয়ে ডুবে যাওয়া ফেরি উদ্ধার করা হবে; সে দুটির সক্ষমতা ৩১০ টন (হামজার ৬০ এবং প্রত্যয়ের ২৫০ টন)। অথচ ডুবে যাওয়া ফেরি আমানত শাহর ভেতরের পানিসহ ওজন হবে এক হাজার টন। কীভাবে উদ্ধার হবে, সে কৌশল নিয়ে ফেরি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের কথাও জানান তিনি।
 
ফেরিতে ছিল না সার্ভে রেজিস্ট্রেশন ও সনদ

বিআইডব্লিউটিসির’র এজিএম (মেরিন) আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, ৪২ বছর আগের ফেরি শাহ আমানত দীর্ঘদিন ধরে চলছিল ফিটনেসবিহীন। এ বিষয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আমানত শাহ ফেরি ১৯৭৯ সালে আরিচা ফেরিঘাটে যোগ হয়েছিল।  

প্রত্যক্ষদর্শী গাড়িচালকদের বর্ণনা

ফেরিতে থাকা বেনাপোল থেকে আসা কেমিক্যাল বহনকারী আফজাল পার্সেলের কাভার্ডভ্যাননের চালক মো. সেলিম হোসেন (২৪) বলেন, আমার গাড়ি ছিল ফেরির পেছনে। গাড়ির দুই চাকা ছিল পন্টুনে দুই চাকা ফেরিতে। চেয়ে চেয়ে দেখছি; ডুবে যাচ্ছে ফেরি, ডুবছে আমার গাড়ি।

ফেরিতে থাকা ট্রাকচালক সুশান্ত বলেন, নিউজপ্রিন্ট কাগজ নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় পদ্মা নদীতে ডুবে গেলো ট্রাক।

ট্রাকচালক আমির হোসেন (৫০) জানালেন, তিনি সারা রাত গাড়ি চালিয়ে ক্লান্ত। ফেরিতে উঠার পর গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। ফেরি কখন ডুবেছে টের পাননি। গাড়িতে যখন পানি ঢুকেছে তখন ঘুম ভাঙে। ততক্ষণে গাড়িসহ তিনি পদ্মা নদীতে। পরে পাশের ট্রলারের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হন।

একই কথা জানালেন কাভার্ডভ্যানচালক মো. কামাল হোসেন (৪৫)। তিনিও ক্লান্ত হয়ে ফেরিতে ওঠার পর ঘুমিয়ে পড়েন। ডুবে যাওয়ার সময় তার ঘুম ভেঙে যায়। তখন নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হন। কামাল বলেন, আমার গাড়ি পদ্মায় ডুবে আছে।

ফেরিডুবির ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

ফেরিতে থাকা মোটরসাইকেলচালক অমল কান্তি ভট্টাচার্যকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তির ফোন থেকে বাসায় দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন স্ত্রী দেবযানী ভট্টাচার্য।

অমল কান্তি বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হই। দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে ফেরি ভিড়তেই উঠে পড়ি। ফেরি মাঝনদীতে আসার পরই পানি উঠতে দেখে সবাই চিৎকার করতে থাকি। পরে ঘাটে ফেরি ভিড়তেই দেখি কাত হয়ে যাচ্ছে। কাত হয়ে গেলে ঘাটেই নদীতে পড়ে যাই। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলাম। তবে মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন নদীতে পড়ে গেছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজার’ কমান্ডার এসএম ছানোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি পাটাতন ফেটে পানি ওঠায় ডুবে যায় ফেরিটি। ফেরি উদ্ধারে মুন্সীগঞ্জ থেকে রওনা হয়েছে বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। জাহাজটি এখনও পাটুরিয়া ঘাটে এসে পৌঁছায়নি। এ পর্যন্ত ফেরিতে থাকা ও ডুবে যাওয়া ১৭টি পণ্যবাহী ট্রাকের মধ্যে ১০টি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে ফেরি হামজা।

 

/এএম/

সম্পর্কিত

বেতনভাতার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

বেতনভাতার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

প্রকাশ্যে হকার হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

প্রকাশ্যে হকার হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শ্রীনগর থানার ওসি প্রত্যাহার

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শ্রীনগর থানার ওসি প্রত্যাহার

গলায় মার্বেল আটকে এক বছরের শিশুর মৃত্যু

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৩

চুয়াডাঙ্গায় গলায় মার্বেল আটকে সোয়াইদ হোসেন (১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার বেলগাছী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সে বেলগাছী গ্রামের রাজমিস্ত্রি সোহাগ আলীর ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্ধ্যায় মার্বেল নিয়ে খেলছিল শিশু সোয়াইদ। এ সময় সে একটি মার্বেল মুখে দিলে তা গলায় আটকে যায়। এতে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করে। পরিবারের লোকজন তার গলায় কোনও কিছু আটকে আছে কি-না সেটি দেখতে গেলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাদিয়া আক্তার বলেন, ‘হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটি মারা গেছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বিষয়টি আমাদের কেউ জানায়নি।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

বিয়ে দিতে বাবার অসম্মতির কারণে ছেলের আত্মহত্যার অভিযোগ

বিয়ে দিতে বাবার অসম্মতির কারণে ছেলের আত্মহত্যার অভিযোগ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১৫টি ঘোড়া উপহার দিলো ভারত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১৫টি ঘোড়া উপহার দিলো ভারত

পাবজি খেলতে ডেকে ৫ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

পাবজি খেলতে ডেকে ৫ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

এসএসসির ফরম পূরণের সময় জানলো জেএসসিতে ফেল

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৫

নবম ও দশম শ্রেণির লেখাপড়া শেষ করে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে গিয়ে শিক্ষার্থী মোসাদ্দেক আলী জানতে পারলো সে জেএসসিতে ফেল করেছে। এ ঘটনায় তার শিক্ষাজীবনের চরম বিপর্যয় ঘটলেও নির্বিকার বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উল্টো তারা ওই বিদ্যালয়ের প্রয়াত প্রধান শিক্ষককে দোষারোপ করছেন।

মোসাদ্দেক নীলফামারী সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং জামিল উদ্দিনের ছেলে।

বুধবার জামিল উদ্দিন বলেন, ‘মোসাদ্দেক এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী। কিন্তু কয়েক দিন আগে স্কুল থেকে জানানো হয়, সে পরীক্ষা দিতে পারবে না। কারণ সে জেএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে সে ফেল করেছিল। ওই বিষয়ে সম্পূরক পরীক্ষা না দেওয়ায় তার জেএসসির সনদপত্র পাওয়া যায়নি। এদিকে, কয়েকদিন আগে স্কুলের অফিস সহকারী রাসেদুল ইসলাম বোর্ডে সামান্য ভুল আছে বলে তা সংশোধনের জন্য এক হাজার টাকা চেয়ে নেন আমার কাছে। প্রশ্ন হলো– আমার ছেলে অষ্টম শ্রেণিতে ফেল করলে তাকে কীভাবে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হলো। কেমন করে সে নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করলো এবং টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে পাসও করলো? এতদিন তারা বিষয়টি কেন জানাননি? কেন তারা আমার ছেলের এত বড় ক্ষতি করলেন? এর দায় কার? এখন তারা বলছেন, এতদিন যা খরচ হয়েছে তা ফেরত দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা কি আমার ছেলের বিগত সময়গুলো ফিরিয়ে দিতে পারবেন? পারবেন তার শিক্ষাজীবনের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে? অফিস সহকারী আমার ছেলেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করেছে। কোনও ভুল হয়ে থাকলে তিনি তা করেছেন। তার কারণেই একজন শিক্ষার্থীর এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। তিনি প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আমাদের বিপদে ফেলেছেন। তিনি যদি বিষয়টি আগেই যাচাই-বাছাই করতেন তাহলে এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে আমার ছেলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতো। কিন্তু তিনি তা না করে এখন দোষারোপ করছেন সদ্যপ্রয়াত প্রধান শিক্ষককে। যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এ ধরনের সমস্যা আরও কয়েকজনের হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে বোতলাগাড়ী মাঝাপাড়ার রমজান আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হকের ছেলেও একইভাবে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় জানতে পারে তারা জেএসসিতে পাস করেনি। এতে শিক্ষার্থীদের জীবন এখন প্রহসনে পরিণত হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী রাসেদুল ইসলাম বলেন, ‘যা করেছি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের নির্দেশে করেছি। ভুল হয়ে থাকলে তা প্রধান শিক্ষকের। এ ক্ষেত্রে আমার কোনও দোষ নেই।’ নবম শ্রেণিতে ভর্তির সময় কেন কাগজপত্র যাচাই না করে তাকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হলো? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা মিসটেক হয়েছে। অনেক সময় এমন হয়।’

এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেহানা ইয়াসমিন ফোনে জানান, এ ধরনের কোনও বিষয় তার জানা নেই। তবে এমন কিছু হয়ে থাকলে তা তা তদন্ত করে দেখতে হবে। অফিস সহকারী এর সঙ্গে জড়িত থাকলে তার ব্যাপারেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের স্ত্রী ও সৈয়দপুর মিস্ত্রিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হালিমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে দোষারোপ করে অনেকে অপরাধ ঢাকতে চাচ্ছেন। কিন্তু আমার স্বামী কোনও ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির অর্থ কমিটির লোকজন হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন অফিস সহকারীও একই পথ ধরেছেন। তাদের অপকর্মের বিচার চাই। একজন মৃত ব্যক্তিকে মিথ্যা দোষারোপ করে তারা পার পাবেন না।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

ঘটনার বর্ণনা দিলেন চুল কেটে দেওয়া ভুক্তভোগী ১৪ শিক্ষার্থী

ঘটনার বর্ণনা দিলেন চুল কেটে দেওয়া ভুক্তভোগী ১৪ শিক্ষার্থী

আমদানি বাড়ায় কমেছে পেঁয়াজের দাম

আমদানি বাড়ায় কমেছে পেঁয়াজের দাম

হত্যা মামলার আসামিকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৪

ইউপি নির্বাচনে নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা হেভেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ শহরের নতুন বাজার মোড়ে উপজেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নিহত হেভেনের দাদা প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, চুনু মিয়া, মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু ছালেহ জীবন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা আবিদ হাসান তালুকদার, মিজান খান প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১৪ সালে হাবিবুর রহমান হাবিবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতা হেভেন চৌধুরীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তার রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি, মা-বাবার চোখের পানি এখনও ঝরছে, অবিলম্বে হত্যাকারী হাবিবের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাতিল করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এতে একাত্মতা পোষণ করতে মানববন্ধনে যোগ দেন নিহত ছাত্রলীগ নেতা হেভেন চৌধুরীর দাদা সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, নুরুজ্জামান, সাবেক ইউপি সদস্য মো. চুনু মিয়া।

এ সময় কান্না বিজড়িত কণ্ঠে হেভেনের দাদা সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা হেভেন চৌধুরীকে নির্মমভাবে হত্যা করে হাবিবসহ সন্ত্রাসীরা। ওই খুনি হাবিবকে ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ায় হেভেন হত্যা মামলার বিচারকার্য নিয়ে সংশয় রয়েছে।’ স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে খুনি হাবিবের মনোনয়নপত্র বাতিলসহ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

হত্যা মামলার বাদী হেভেনের বাবা মকবুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘হেভেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করেছে। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় হেভেনকে হত্যার ঘটনায় যেখানে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়ার কথা ছিল, সেখানে হাবিবুর রহমান হাবিবকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো- এটি সত্যি বিষয়টি দুঃখজনক।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৩ মার্চ নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা হেভেন চৌধুরীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। ২০১০ সালের ৭ মার্চ জলমহাল ইজারা নিয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (বর্তমানে সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব) সুলতানা ইয়াসমীনকে লাঞ্ছিত করেন হাবিবুর রহমান হাবিব। এ ঘটনায় ইউএনও বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে ২০ লাখ টাকা এনে আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাবিবের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন। এই মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে (সিআর ৬৩/২১) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

সিলেটে জ্বালানি তেলের সংকট, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি 

সিলেটে জ্বালানি তেলের সংকট, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি 

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার সিলেটের সাদি  

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার সিলেটের সাদি  

চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাতিজার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের সমর্থককে গুলির অভিযোগ

চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাতিজার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের সমর্থককে গুলির অভিযোগ

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

তেলের ড্রাম তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেলেন শ্রমিক

তেলের ড্রাম তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেলেন শ্রমিক

ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের পিলারে ফাটল পায়নি বিশেষজ্ঞ দল

ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পের পিলারে ফাটল পায়নি বিশেষজ্ঞ দল

নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ৮ আসামির রিমান্ড

নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ৮ আসামির রিমান্ড

নোয়াখালীতে বিশৃঙ্খলা: ৩ মামলা সিআইডিতে, গ্রেফতার আরও ৩ 

নোয়াখালীতে বিশৃঙ্খলা: ৩ মামলা সিআইডিতে, গ্রেফতার আরও ৩ 

মিতু হত্যা: বাবুলের নারাজি আবেদনের পরবর্তী শুনানি ৩ নভেম্বর

মিতু হত্যা: বাবুলের নারাজি আবেদনের পরবর্তী শুনানি ৩ নভেম্বর

জামিনে বের হয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা

জামিনে বের হয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা

বাসা ভাড়া নিয়ে শিশু চুরি, সাত দিন পর উদ্ধার 

বাসা ভাড়া নিয়ে শিশু চুরি, সাত দিন পর উদ্ধার 

ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল নাকি ‘ফলস কাস্টিং’

ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল নাকি ‘ফলস কাস্টিং’

সর্বশেষ

চীনের নতুন সীমান্ত আইন নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

চীনের নতুন সীমান্ত আইন নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

ইউক্রেনে তুরস্কের ড্রোন সরবরাহে উদ্বেগ রাশিয়ার

ইউক্রেনে তুরস্কের ড্রোন সরবরাহে উদ্বেগ রাশিয়ার

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

৫ লাখ ৩৮ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

৫ লাখ ৩৮ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

গলায় মার্বেল আটকে এক বছরের শিশুর মৃত্যু

গলায় মার্বেল আটকে এক বছরের শিশুর মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune