X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলায়’ সন্তানের মৃত্যু, বিচারের দাবিতে ঘুরছেন বাবা

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪২

১১ মাসের শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ আল আজানকে নিয়ে রাজধানীর কেয়ার মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে তালুকাটা অপারেশন করাতে যান আব্দুল্লাহ আল সায়েম। গত ২১ আগস্ট হাসপাতালটিতে আজানকে ভর্তি করা হয়। এরপর শিশু-কিশোর প্লাস্টিক ও লেজার সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অধ্যাপক বি কে দাস বিজয় ২২ আগস্ট আজানের অপারেশন করেন। অপারেশনের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরবর্তীতে বেশ কয়েকবার শরণাপন্ন হলেও সাড়া মেলেনি হাসপাতালটির চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের।

এমন অভিযোগ করে আব্দুল্লাহ আল সায়েম বলেন, চিকিৎসকের গাফিলতি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে মারা গেছে আজান। এমনকি শিশুটির ডেথ সার্টিফিকেটেও জালিয়াতি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, দাবি সায়েমের।

আজানের মৃত্যুর পর থেকেই আব্দুল্লাহ আল সায়েমের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শয্যাশায়ী শিশুটির মা। সন্তান হারিয়ে বিচারের দাবিতে এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাবা সায়েম।

বাংলা ট্রিবিউনকে সায়েম বলেন, আমার সন্তান মারা যাওয়ার পেছনে রাজধানীর কলেজ গেটের কেয়ার মেডিক্যালের চিকিৎসকসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী। তাদের গাফিলতিতে আমার ছেলেকে হারিয়েছি। ১১ মাসের ফুটফুটে সন্তানের হাসিমুখটা বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে। কী যে কষ্ট, যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এ যন্ত্রণা নিয়ে বাকি জীবন কাটাতে হবে।

তিনি বলেন, আমার বাচ্চাকে ২১ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরের দিন সে মারা যায়। ডেট সার্টিফিকেট দেওয়াকে কেন্দ্র করে মিথ্যা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আমার বাচ্চাকে ভর্তি দেখানো হয়েছে ২২ আগস্ট, যা একেবারেই মিথ্যা।

এরইমধ্যে চিকিৎসকের গাফিলতি ও অবহেলার কথা উল্লেখ করে সন্তান হত্যার বিচারের দাবিতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, ঢাকা সিভিল সার্জন কার্যালয়, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল সায়েম।

অভিযোগে তিনি সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় সার্জারির পর ডিউটি ডাক্তারের অনুপস্থিতি, অপারেশনের পর ডাক্তারের অবহেলা, নার্সের ভুল নির্দেশনা, ডাক্তারের গাফিলতিতে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়া, ডেথ সার্টিফিকেট মিথ্যা তথ্য দেওয়া, অদক্ষ লোক দিয়ে প্যাথলজি পরিচালনা করা- এসব বিষয় উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল সায়েম বলেন, অভিযোগ করার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসক আমার সঙ্গে বিষয়টি সুরাহা করতে প্রতিনিয়ত চাপ দিয়ে যাচ্ছে। তারা কি পারবে আমার বাচ্চাকে আমার কোলে ফিরিয়ে দিয়ে বিষয়টি সমাধান করতে?

এ বিষয়ে জানতে ডাক্তার বি কে দাস বিজয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, এরইমধ্যে শিশুটির বাবা (আব্দুল্লাহ আল সায়েম) স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখান থেকে বিষয়গুলো তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে যেসব বিষয় উঠে আসবে, সে অনুযায়ী যদি কোনও শাস্তির আওতায় আনা হয়; তাহলে মাথা পেতে নেবো।

চিকিৎসাসেবা কিংবা চিকিৎসকের গাফিলতি ছিল কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না।

এদিকে চিকিৎসকদের গাফিলতি ও অবহেলার কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ঢাকা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাওয়া একটি অভিযোগের তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ফরিদ হোসেন।

বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, রাজধানীর কলেজ গেটের কেয়ার মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে গাফিলতির অভিযোগে ১১ মাসের এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাদেরকে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২০:০১

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কবির হোসেন (৪৬) নামে এক হাজতির (নং-৩৯৪১১/২১) মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জে কবির হোসেন অসুস্থ বোধ করলে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী শিহাব ও হাবিবুর তাকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। সেখানে আসলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৮টা ২৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই আব্দুল্লাহ খান জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

মৃত কবির হোসেন ঢাকার খিলগাঁও টেকপাড়া ত্রিমোহনী এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।

খিলগাঁও থানার একটি মাদক মামলায় বন্দি ছিলেন তিনি।

/এআইবি/এআরআর/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৭

রো রো ফেরি শাহ আমানত দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে নৌপরিবহন সচিবের কাছে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার জাহাঙ্গীর আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) সুলতান আব্দুল হামিদকে কমিটির আহ্বায়ক এবং বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (কারিগরি) মো. রাশেদুল ইসলামকে সদস‍্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— বিআইডব্লিউটিএ'র পরিচালক (আইসিটি)  রকিবুল ইসলাম তালুকদার, নৌপরিবহন অধিদফতরের নটিক‍্যাল সার্ভয়ার  অ্যান্ড এক্সামিনার ক্যাপ্টেন সাঈদ আহমেদ, মানিকগঞ্জ জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, বুয়েটের নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ‍্যাপক ড. জুবায়ের ইবনে আউয়াল এবং নৌপুলিশের ফরিদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বুধবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

 

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৯

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উপাচার্যরা। একই প্রশ্ন ট্রাস্টিদের সংগঠন বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির। চলমান সফল তিন সেমিস্টার পদ্ধতি কমিয়ে এনে কেন দুই সেমিস্টার করতে হবে তা বোধগম্য নয় কারও। তারা বলছেন, ‘হঠাৎ চাপিয়ে দেওয়া এই নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করবে। তাহলে কার স্বার্থে মরিয়া হয়ে দুই সেমিস্টার পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ইউজিসি?’

গত ৯ আগস্ট দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘২০২১ সালের পর বছরে দুই সেমিস্টার ছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তি হলে কমিশনের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।’ শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক পরিচিতি নম্বর তৈরির চিঠিতে এই নির্দেশনা জুড়ে দিয়েছে ইউজিসি। এতে ২০২২ সালের জুলাই থেকে দুই সেমিস্টার রাখার কথা বলা হয়।

ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিত চন্দ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগের চিঠিতে বলা হয়েছিল ২০২১ সালের পর থেকে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি নিতে হবে। দ্বিতীয় চিঠিতে সেই সময় বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুলাই থেকে করা হয়েছে। দ্বিতীয় চিঠি অনুসরণ করতে হবে।’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি ও উপাচার্যদের মন্তব্য, ‘বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে তিন সেমিস্টার চালু আছে। কোথাও চার সেমিস্টারও রয়েছে। অথচ হঠাৎ বলা হচ্ছে, দুই সেমিস্টার ছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তি গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষাক্রমের বিষয়ে কোনও আলোচনা ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি অনাকঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশে তিন সেমিস্টার থাকার বিষয়টি জানিয়ে মন্তব্য চাইলে ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীরের দাবি, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিন সেমিস্টার আছে ঠিকই, কিন্তু শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয় দুই সেমিস্টারে।’

শিক্ষার্থীদের ইউনিক পরিচিতি নম্বর প্রসঙ্গে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের একটি নিবন্ধন নম্বর থাকেই। তাহলে কেন হঠাৎ এত বড় একটি পরিচিতি নম্বর তৈরি হচ্ছে? পৃথিবীর অন্য কোথাও কিন্তু এত বড় নম্বর নেই।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক বিষয় অনুমোদন দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। অ্যাকাডেমিক বিষয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির শর্তারোপ আইনে নেই, এ কারণে শিক্ষার্থী ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নতুনভাবে চাপ সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে শিক্ষাক্রমে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।

ইউজিসি’র নতুন শর্ত জুড়ে দেওয়ার বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন। তার মন্তব্য, ‘যারা নতুন বিষয় চালু করতে চায় তাদের এই শর্ত দেওয়া হচ্ছে, যা আইনের মধ্যে পড়ে না। দুই সেমিস্টার হলে শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে বেশি টাকা দিতে হবে। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ পড়বে।’

একই মন্তব্য করেছেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর ট্রাস্টি বোর্ডের জ্যেষ্ঠ অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক। তিনি বলেন, ‘দুই সেমিস্টার চালালে শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া তিন সেমিস্টার সফলভাবেই চলে আসছে। সফলভাবে চলা একটি নীতি বাদ দিয়ে নতুন প্রক্রিয়া শুরু না করাই শ্রেয়।’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতির দাবি, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তো সেভাবে ছুটি নেন না। সরকারি বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মাসের পর মাস ছুটিতে থাকেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় খোলা থাকে।’

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোফিজুর রহমানের মতে, ‘আমাদের দেশে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় ভালো করছে সেগুলোর অধিকাংশই ট্রাই-সেমিস্টার পদ্ধতিতে চলে আসছে। দুই সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হলে একজন শিক্ষার্থীকে ছয়-সাতটি কোর্স নিতে হবে। ফলে তাদের বেশি কোর্সের চাপ নিয়ে পড়াশোনার বিষয়টি ভাবা প্রয়োজন। এসব সামাল দিতে সেকশন বেশি রাখতে হবে, ক্লাসরুম বেশি দরকার, শিক্ষকও বেশি লাগবে। আমার মতে এর কোনও মানে নেই।’

অ্যাকাডেমিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ক্ষমতা থাকলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘এটি ইউজিসির ক্ষমতা দেখানো ছাড়া আর কিছুই নয়।’

এ প্রসঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে কথা বলেছেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম. আনিছুর রহমান। তার অভিমত, ‘করোনাকালে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে কোনও আলোচনা ছাড়াই দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। নতুন করে পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনতে হলে চাপে পড়বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদেরও দুই দফায় পুরো বছরের টাকা পরিশোধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এমনিতেই ছাত্র-ছাত্রী পাচ্ছে না, সেখানে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় আরও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।’

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থীর মন্তব্য, ‘দুই সেমিস্টার করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুইবারেই একবছরের টাকা নিয়ে নেবে। সেক্ষেত্রে আমাদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে। যদি তিন বা চার ভাগে টাকা নেয় তাহলে আমাদের জন্য সুবিধাজনক। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেই সুযোগ রাখতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।’

দুই সেমিস্টারের কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির শঙ্কার বিষয়টি তুলে ধরলে ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ উল্লেখ করেন, দুই সেমিস্টারের পাঠ্যসূচির জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তার পরামর্শ, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রয়োজনে সেকশন করতে পারে, আসন বাড়াতে পারে। শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বিবেচনায় তা করা যেতে পারে। কিন্তু তিন সেমিস্টারে ভর্তি করানো যাবে না।’

ইউজিসি’র আরেক সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর নতুন নির্দেশনা নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে কথা বলেছেন । তার ভাষ্য, ‘একটি শিক্ষাবর্ষে তিন সেমিস্টার থাকতেই পারে। তবে মূল সেমিস্টার হবে দুটি। মূল দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হবে। যদি কোনও কারণে কোনও শিক্ষার্থী খারাপ করে তাহলে একটি সংক্ষিপ্ত সেমিস্টার থাকতে পারে। ফেল করা শিক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত ওই সেমিস্টারের মাধ্যমে কাভার করবে। তৃতীয় সেমিস্টারে সংক্ষিপ্ত কোর্স চালানো যেতে পারে, তবে সাধারণ ভর্তি নয়। তিনটি সেমিস্টার হলে একটি সেমিস্টার শেষ না হতেই আরেকটি সেমিস্টার শুরু হয়ে যায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তিন সেমিস্টারেই শিক্ষার্থী ভর্তি করায়। সে কারণে ছাত্রদের সময় কম থাকে। পাঠদান করা যায় না।’

দুই সেমিস্টারের ফলে বরং শিক্ষার্থীদের লাভ দেখছেন অধ্যাপক আলমগীর, ‘দুই সেমিস্টার করে চার বছরে শিক্ষার্থীরা শেষ করবে। বছরে দুইবার সেমিস্টারের ফি দিতে হবে তাদের। কিন্তু তিন সেমিস্টার থাকলে বছরে তিনবার সেমিস্টার ফি দিতে হবে। বাকি ক্রেডিটের টাকা তো একই থাকে। একজন শিক্ষার্থী কি শুধু ক্লাস করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়? একটি সেমিস্টার শেষের পর শিক্ষার্থীর জন্য একটি বিরতি দরকার। বিদেশে তো তিন মাস বন্ধই থাকে বিশ্ববিদ্যালয়। যারা ফেল করে ওই সময় তারা তৃতীয় সেমিস্টারে কাভার করে নেয়। পাস করা শিক্ষার্থীদের তার দরকার হয় না।’

 

 

 

 

    

/এসএমএ/এসএএস/জেএইচ/

সম্পর্কিত

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

প্রশ্নফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৬

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন ইমনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসীর আদালত ওই আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৭ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। এরপর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রামপুরার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি এক নারী সহকর্মীর ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে এ মামলা হয়।’

‘ইমন তার সহকর্মীর ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও তথ্য গণমাধ্যমের কালোবিড়াল নামের একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট দেন। এছাড়াও একই বার্তা ও পেজ লিঙ্ক শতাধিক সহকর্মীকে ইনবক্সে পাঠান।’ রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি রফিকুল ইসলাম।

/এমএইচজে/এমএস/

সম্পর্কিত

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

‘একাত্তরের মতো আগামী দিনেও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করবো’

‘একাত্তরের মতো আগামী দিনেও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করবো’

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪২

২০২২ সালের পর ঢাকা শহরে যত্রতত্র, উন্মুক্ত স্থানে আর বর্জ্য থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দক্ষিণ সিটির ৬৩ ও ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, ‘আজ  ৫৩ নম্বর ও ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২টি বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন করলাম। এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৪২টি অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

তিনি বলেন, ‘এ বছরের মধ্যে ৭৫টি ওয়ার্ডেই বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।  ৭৫টি ওয়ার্ডেই বর্জ্য সেবা সংগ্রহকারী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছি। তাদের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে নিয়ে আসবো। সেখান থেকে আমরা মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে বর্জ্য স্থানান্তর করবো। সুতরাং, ২০২২ সালের পর ঢাকা শহরের উন্মুক্ত স্থানে আর বর্জ্য থাকবে না।’

যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকার ফলে বাসযোগ্যতার তালিকায় ঢাকা শহর একেবারে নিম্ন সারিতে অবস্থান করছে জানিয়ে তাপস বলেন, ‘বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে শহরগুলোর যে তালিকা প্রণয়ন করা হয় সেখানে দেখা যায়, ঢাকা সর্বনিম্নে অবস্থান করে। এর একটি অন্যতম কারণ হলো— ঢাকা শহরের যেখানে-সেখানে, রাস্তার ওপরে, নর্দমার ভেতরে-বাইরে, খালে-বিলে সব জায়গায় বর্জ্য উপচে পড়ছে। যত্রতত্র উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য পড়ে থাকে। সে জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক একটি করে অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমাদের ৭৫টি ওয়ার্ডেই এই কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। অনেকগুলো ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘আমাদের ব্যাপক কার্যক্রমের ফলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর হার একেবারে নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মাত্র ১০ জন ডেঙ্গু রোগী ছিল। কিন্তু আমরা দেখছি, ঢাকার অন্যান্য এলাকাসহ আশপাশের এলাকা ও অন্যান্য জেলায় ডেঙ্গু রোগীর বিস্তার বেড়েছে। এতে দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হ্রাস পেলেও দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও আগামী মাসের ১ তারিখ থেকে কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধে আমরা কার্যক্রম শুরু করবো।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈমসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসএস/ এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

নারী সহকর্মীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে সাংবাদিক গ্রেফতার

নারী সহকর্মীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে সাংবাদিক গ্রেফতার

আইনজীবী আবদুল বাসেতের মৃত্যুতে নিম্ন আদালতের বিচার কার্যক্রম স্থগিত

আইনজীবী আবদুল বাসেতের মৃত্যুতে নিম্ন আদালতের বিচার কার্যক্রম স্থগিত

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় আজও হচ্ছে না

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় আজও হচ্ছে না

মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে নারীদের ধর্ষণে মামলাই হয় না

মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে নারীদের ধর্ষণে মামলাই হয় না

আইনজীবী আবদুল বাসেতের মৃত্যুতে বসছে না সুপ্রিম কোর্ট

আইনজীবী আবদুল বাসেতের মৃত্যুতে বসছে না সুপ্রিম কোর্ট

সর্বশেষ

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আসিয়ানের নতুন কৌশলগত চুক্তি

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আসিয়ানের নতুন কৌশলগত চুক্তি

আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

কুয়েতের কাছে হারলো বাংলাদেশ

এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলকুয়েতের কাছে হারলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশে এমিরেটসের ৩৫ বছর পূর্তি

বাংলাদেশে এমিরেটসের ৩৫ বছর পূর্তি

© 2021 Bangla Tribune