X
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ৯ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হবে পুঁজিবাজার: ভূমিমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩৬

পুঁজিবাজার শিগগিরই বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে আবির্ভূত হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জুরিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত ‘দ্য রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়ালস অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক রোডশো-তে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ওপর প্রথম বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা উপস্থাপনা এবং বাণিজ্যে বিনিয়োগের সুযোগ প্রদর্শনের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএসইসি। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআখ্ ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সামষ্টিক ও ব্যষ্টিক অর্থনীতির মাঝে চমৎকার ভারসাম্য বিরাজ করছে। এর অর্থ আমরা ঠিক পথেই এগোচ্ছি।’

সাইফুজ্জামান চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ইউরোপীয় বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে কাজ করলেই বোঝা যাবে যে, পরিবর্তনের নেতৃত্বে আছে আমাদের বেসরকারি খাত। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল বাংলাদেশ ঝুঁকিবিহীন বিনিয়োগের একটি নির্ভরযোগ্য নাম।’

সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিস্তৃত অর্থনীতি, ১৬.৮ কোটি মানুষ, বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী, প্রতিভাবান উদ্যোক্তাদের দিকে ভালো করে দেখুন। ভেবে দেখুন কীভাবে এই অসাধারণ সফলতার গল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হতে পারেন।’

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী বলেন, ‘আমাদের একটি প্রশিক্ষিত এবং শিক্ষিত শ্রমশক্তি আছে, সরকার খুবই ব্যবসাবান্ধব, অনুকূল পরিবেশ আছে। এ জন্য বাংলাদেশ সরকার আজ আপনাদের আমন্ত্রণ জানাতে এসেছে। আমরা আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমরা চাই, আপনারা প্রযুক্তিগত এবং উদ্ভাবনী সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশে আসুন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করলে আমাদের উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

এ বছরের শুরুতে দুবাই এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪টি প্রধান শহরে সফলভাবে রোড-শো সমাপ্তির পর, বিএসইসি এখন সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এবং জেনেভায় রোড-শো পরিচালনা করছে।

অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য আলমগীর হোসেন রোডশো-তে অংশ নেন।

 

 

/এসআই/আইএ/

সম্পর্কিত

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

প্রস্তুত জেলেরা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

প্রস্তুত জেলেরা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

‘সংখ্যালঘু’ নয়, ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইনের বিষয়ে ভেবেছিলেন আইনমন্ত্রী

‘সংখ্যালঘু’ নয়, ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইনের বিষয়ে ভেবেছিলেন আইনমন্ত্রী

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৫ অক্টোবরের ঘটনা।)

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে তার দেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং এজন্য চুক্তির প্রয়োজন হয় না। বঙ্গবন্ধু বলেন, এখানে আসতে পেরে তিনি খুব খুশি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি খুশি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব আমাদের আন্তরিক ভালোবাসা থেকে উৎসারিত। যার জন্য চুক্তির প্রয়োজন হয় না।

জাপান সফর ও অধিকতর জাপানের সাহায্যের সম্ভাবনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু বলেন, অর্থই সব নয়। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভালোবাসা, প্রীতি ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। জাপানি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা পারস্পরিক সমঝোতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেন, তার জাপান সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ। জাপানের জনসাধারণ তার প্রতি যে ভালোবাসা ও অকৃত্রিম স্নেহ প্রদর্শন করেছে, তাতে তিনি অভিভূত হয়েছেন। তিনি বলেন, এই ভালোবাসা তার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে জানানো হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নকারীকে বঙ্গবন্ধু বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতি অনুসরণ করতে চায়। বাংলাদেশের ব্যাপারে চীনের মনোভাব ও জাতিসংঘভুক্তির প্রশ্নে চীনের নীতি সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু বলেন, তিনি স্বীকৃতি ভিক্ষা চান না। এরমধ্যে শতাধিক দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্ব সংস্থায় বাংলাদেশের আসন নিশ্চিত করার দায়িত্ব এখন জাতিসংঘের।

কুয়ালালামপুরে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থানকালে বঙ্গবন্ধু মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ বহু বিষয়ে কথা বলেন। একজন মুখপাত্র বলেন, উভয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। উভয় দেশের বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে বলে মুখপাত্র আশা করেন।

বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান এবং বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ইফতারের আয়োজন করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদ ও পররাষ্ট্র সচিব এনায়েত করিম।

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানানোর প্রস্তাব গ্রহণকারীর মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম ও প্রথম উদ্যোগী দেশ।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২৬ অক্টোবর ১৯৭৩

মার্কোস-বঙ্গবন্ধু বৈঠক

জাপানে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ম্যানিলা বিমানবন্দরে স্বল্পকাল অবস্থান করেন। এ সময় তিনি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ তাদের কাছে কৃষি উন্নয়নে সহযোগিতা চেয়েছে। তারা দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এরমধ্যে ফিলিপাইন ১২ হাজার টন ধানের বীজ দিয়েছে বাংলাদেশকে।

ম্যানিলা বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাগত জানান। সেখান থেকে বঙ্গবন্ধুকে হেলিকপ্টারে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিরাট ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতা বলে অভিহিত করেন। মার্কোস বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন একটি নতুন জাতির মুক্তিদাতা। প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য তার বিরাট শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তার সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকে তিনি অভিনন্দন জানান।

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

প্রস্তুত জেলেরা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০৪

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাতে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম রক্ষায় ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। আজ সোমবার মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পুনরায় ইলিশ শিকার শুরু হচ্ছে। নদীতে নামার জন্য প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সেরে ফেলেছেন জেলেরা। সরব হয়ে উঠেছে জেলে পল্লীগুলো। ইলিশ অধ্যুষিত জেলাগুলোয় খোঁজ নিয়ে এমন খবর জানা গেছে। 

সূত্র জানিয়েছে, প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে চলতি অক্টোবরের ৪ তারিখ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ ছিল। ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে সব ধরনের মৎস্য আহরণও এ সময় নিষিদ্ধ ছিল। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময় মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

ইলিশ গবেষকেরা বলছেন, ইলিশ মূলত সারা বছরই ডিম ছাড়ে। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এই দুই মাসের চারটি অমাবস্যা-পূর্ণিমায় ডিম ছাড়ে বেশি। বিশেষ করে অক্টোবরের মানে আশ্বিনের দুটি অমাবস্যা-পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই সময় ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে মা ইলিশ রক্ষা করা, যাতে তারা নিরাপদে নদীতে এসে ডিম ছাড়তে পারে। এই ডিম রক্ষা করতে পারলে তা থেকে জাটকার জন্ম হবে। সেই জাটকা রক্ষা করা গেলে দেশে বড় আকারের ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। এই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর আবার জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। দুই ধাপের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে, ওজন-আকারও বেড়েছে ইলিশের।

মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে ৪ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ৮৯২টি মোবাইল কোর্ট ও ১৫ হাজার ৩৮৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এবং ৮৮৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল আটক করা হয়। বাংলাদেশে ২০০৩-০৪ সাল থেকেই জাটকা রক্ষার কর্মসূচি শুরু করা হয়। তখন থেকেই ধীরে ধীরে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছিলো। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী দেশের মোট মাছ উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ আসে ইলিশ থেকে।

মৎস্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী গত এক দশকে বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ইলিশ সংরক্ষণের উদ্দেশে গত কয়েক বছর নেওয়া পদক্ষেপগুলো আগামীতেও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে এবং দামও কম থাকবে।

মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশের হিসাবে, বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে আহরিত হচ্ছে। বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। ৫ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী জানিয়েছেন, মৎস্য খাতকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। মৎস্যসম্পদ রক্ষার মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে এবং দেশের রফতানি আয় বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন ইলিশ মাছ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, এর নিরাপদ আশ্রয় ও নিরাপদ প্রজননের জন্য সরকার নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মা ইলিশ রক্ষা, ইলিশের অভয়াশ্রম সৃষ্টি করা, ইলিশ গবেষণা, জাটকা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ভাবে আমরা কাজ করছি। ইলিশের পরিসর বাড়াতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সকল প্রকার আগ্রহ রয়েছে, পরিকল্পনা রয়েছে।

/এমআর/

সম্পর্কিত

৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

চাঁদপুরের সব ইলিশ পদ্মার নয়

চাঁদপুরের সব ইলিশ পদ্মার নয়

নদীতে ইলিশের ঘনত্ব বেড়েছে

নদীতে ইলিশের ঘনত্ব বেড়েছে

ইলিশ সব গেলো কোথায়?

ইলিশ সব গেলো কোথায়?

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১৬

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, আসুন আমরা একসঙ্গে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যেন বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, অতীতে যা করেছে ভবিষ্যতে তা যেন না করতে পারে।

রবিবার  (২৪ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাব জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ঢাকাবাসী সংগঠন আয়োজিত জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. এ .কে. আব্দুল মোমেন বলেন, কুমিল্লায় যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে কিন্তু কোনও জবানবন্দি দেয়নি। অথচ কোনও কোনও গোষ্ঠী অহেতুক এটা নিয়ে কথা বলছে। ‘ঠাকুর ঘরে কে রে, না আমি কলা খাই না’- এমন একটা অবস্থা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র ৭৫’র পর থেকে শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলি, তখন বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিতে ঝুলানোর পায়তারা করা হয়েছিল। তখন কিন্তু আমাদের ১ কোটি উদ্বাস্তু তৈরি হয়েছিল। পাক হানাদাররা যেভাবে হামলা চালিয়েছে, তখন কিন্তু জাতিসংঘ তাদের সনদ অনুযায়ী ভূমিকা পালন করতে পারেনি। হয়তো কিছু মুরুব্বি দেশের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। তার পরেও আমি স্বীকার করি, সন্ত্রাস দমনে, জঙ্গি দমনে, বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনী বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘের অনন্য ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার। এটা স্বীকার করতেই হবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য অ্যাড. কামরুল ইসলাম এমপি), আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবু সুজিত রায় নন্দি, ঢাকাবাসীর সভাপতি মো. শুকুর সালেকসহ আরও অনেকে।

/জেডএ/এমআর/

সম্পর্কিত

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে নাম্বার ওয়ান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের কপ-২৬ এজেন্ডাকে সমর্থনে ইইউ’র প্রতি ঢাকার আহ্বান

বাংলাদেশের কপ-২৬ এজেন্ডাকে সমর্থনে ইইউ’র প্রতি ঢাকার আহ্বান

সার্বিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

সার্বিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

জার্মানি থেকে ফিরতে হচ্ছে ৮৬০ বাংলাদেশিকে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্মানি থেকে ফিরতে হচ্ছে ৮৬০ বাংলাদেশিকে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘সংখ্যালঘু’ নয়, ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইনের বিষয়ে ভেবেছিলেন আইনমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৩

‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা’ নয়, মূলত সাক্ষী সুরক্ষা আইনের বিষয়ে ভেবে এ নিয়ে জবাব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রবিবার (২৪ অক্টোবর) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ (২৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। এরই মাঝে এক সাংবাদিক বন্ধু সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইনের বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। এসময় পাশ থেকেও কথার শব্দ আসছিল। ফলে মন্ত্রী সংখ্যালঘু শব্দটি শুনতে পাননি।

‘তিনি (মন্ত্রী) আসলে সাক্ষী সুরক্ষা আইনের বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী তার জবাবে সংখ্যালঘু শব্দটি একবারের জন্যেও ব্যবহার করেননি।’

তাই এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
 
এর আগে সম্প্রতি কুমিল্লার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ পাসের বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ‘ত্বরিত ব্যবস্থা’ নেওয়ার কথা জানান। তবে মন্ত্রী ভেবেছেন তাকে সাক্ষী সুরক্ষা আইনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। তাই তিনি আইনটির নাম উল্লেখ না করে উত্তর দেওয়ায় এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে সঠিক তথ্য প্রচার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়।

/বিআই/এমআর/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িক হামলা-মামলার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক হামলা-মামলার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

শেখ রাসেলের মতো আর কোনও মৃত্যু দেখতে চাই না: আইনমন্ত্রী

শেখ রাসেলের মতো আর কোনও মৃত্যু দেখতে চাই না: আইনমন্ত্রী

ইসি গঠনে সার্চ কমিটির বিকল্প নেই: আইনমন্ত্রী

ইসি গঠনে সার্চ কমিটির বিকল্প নেই: আইনমন্ত্রী

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বরেণ্য অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা এক শোকবার্তায় বলেন, ‘স্বীয় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।’

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মাহমুদ সাজ্জাদ রবিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। খবর: বাসস

 

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

প্রস্তুত জেলেরা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

প্রস্তুত জেলেরা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

‘সংখ্যালঘু’ নয়, ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইনের বিষয়ে ভেবেছিলেন আইনমন্ত্রী

‘সংখ্যালঘু’ নয়, ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইনের বিষয়ে ভেবেছিলেন আইনমন্ত্রী

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

একশ’ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ায় মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মান বজায় রেখে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

দক্ষ কর্মকর্তাকে প্রকল্প পরিচালক করার সুপারিশ

দক্ষ কর্মকর্তাকে প্রকল্প পরিচালক করার সুপারিশ

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির দৃষ্টিসীমা এখন কুয়াশাচ্ছন্ন: ওবায়দুল কাদের

সর্বশেষ

রূপসার শিয়ালীর মন্দিরে হামলা মামলায় ২৩ আসামি জেলে

রূপসার শিয়ালীর মন্দিরে হামলা মামলায় ২৩ আসামি জেলে

সোহেলেই আটকে আছে ই-অরেঞ্জের তদন্ত

সোহেলেই আটকে আছে ই-অরেঞ্জের তদন্ত

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর মারা গেলেন স্ত্রী 

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর মারা গেলেন স্ত্রী 

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

© 2021 Bangla Tribune