X
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

সাক্ষাৎকারে ড. ফেরদৌসী কাদরী 

‘করোনা নিয়ে আরও কাজ হলে গবেষণার ক্ষেত্রটা বাড়বে’

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০০
করোনা নিয়ে যতটা গবেষণা হওয়া উচিৎ ততটা হচ্ছে না। এটা বাড়ানো উচিৎ। করোনা নিয়ে আরও কাজ হলে আমাদের নিজেদের গবেষণার ক্ষেত্রটা বাড়বে। এমনটা জানিয়েছেন এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কারজয়ী আইসিডিডিআরবি’র বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী। তার সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলা ট্রিবিউন-এর জেষ্ঠ্য প্রতিবেদক জাকিয়া আহমেদ।

 

বাংলা ট্রিবিউন: দেশের করোনা পরিস্থিতি বলা যায় ভালোর দিকে, করণীয় কী?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: দেশের সব ‘পারফেক্ট’ নয়। কিন্তু করোনা আমাদের শিক্ষা দিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে যার যার জায়গা থেকে যা করার ছিল সে সেটাই করেছে। সেইসঙ্গে সরকারের তরফ থেকেও অনেক সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

দেশে করোনায় প্রতিদিন যে মৃত্যুর সংখ্যা স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো হয়, সেটা নিশ্চিত মৃত্যু। কিন্তু এর বাইরে পোস্ট কোভিড, লং কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন অনেকে। অনেকে আনডিটেকটেড থাকছেন। সবাই পরীক্ষার আওতায় আসছেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, যত মৃত্যুর কথা আমরা জানি, তার তিন থেকে চারগুণ বেশি মৃত্যু হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় কথা- পরীক্ষা আরও বাড়াতে হবে, চিকিৎসাকেন্দ্র বাড়াতে হবে এবং মানুষকে সচেতন হতে হবে।

ড. ফেরদৌসী কাদরী 

বাংলা ট্রিবিউন: দেশের ৫০-৬০ শতাংশ মানুষের হার্ড ইমিউনিটি হয়েছে বলে যে খবর প্রকাশ হয়েছে তা নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: ৮ বিভাগে আইইডিসিআর (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠা)-এর সঙ্গে এক যৌথ জরিপ থেকে বোঝা যাচ্ছে, ৬০ শতাংশ মানুষের অ্যান্টিবডি রয়েছে। কিন্তু সেটা হার্ড ইমিউনিটি নয়। করোনা প্রতিরোধের জন্য যে ধরনের অ্যান্টিবডি দরকার সেটা এই অ্যান্টিবডি দিয়েই হবে, তা আমি বলতে পারবো না।

হার্ড ইমিনিউটির ব্যাপ্তি অনেক। এটি কেবল সংক্রমিত হবার মাধ্যমে হয় না। ভ্যাকসিনেশন এবং ইনফেকশন-দুটো দিয়েই করতে হয়।

আমি কখনোই হার্ড ইমিউনিটির কথা বলি না। একটা দেশের মোট জনসংখ্যার ৬০-৮০ শতাংশের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হলে এবং তাদের যদি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়- তবে দুটো মিলিয়ে হার্ড ইমিউনিটি হয়।

নতুন যে ভ্যারিয়েন্ট আসছে, সেগুলোর মধ্যে পরিবর্তন হচ্ছে। যে পরিবর্তনে শরীরের ভেতর অ্যান্টিবডি তৈরি হলেও সেটা কাজ করছে না অনেক সময়। এই কারণেই একাধিক মানুষ একাধিকবার আক্রান্ত হচ্ছেন। কেউ একবার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে আক্রান্ত হলে তিনি যে অন্য ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হবেন না-তাও নয়।

ড. ফেরদৌসী কাদরী 

বাংলা ট্রিবিউন: টিকা নিলেই নিরাপদ?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: কোনও টিকাই শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারছে না। এখন পর্যন্ত গবেষণায় দেখা গেছে, টিকা নেওয়া থাকলে রোগীর অবস্থা জটিল হচ্ছে না। হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে না। আইসিইউতেও যেতে হচ্ছে না। এজন্য টিকা অবশ্যই নিতে হবে।

আবার টিকাতেও তফাৎ রয়েছে। আমরা এখনও পুরোটা জানি না। টিকা আবিষ্কারের জন্য অনেক বছর গবেষণার দরকার। কিন্তু করোনার ক্ষেত্রে আমাদের সময় কম ছিল। অল্প সময়ে টিকা আবিষ্কার হচ্ছে। আবার সেটা বদলে যাচ্ছে বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের কারণে।

করোনায় অনেক দেশেই সংক্রমণের হার বেশি ছিল। ডেল্টার তাণ্ডবে ভারতে হাসপাতালে রোগীদের জায়গা হয়নি। মৃতদেহের সৎকার হয়নি ঠিকমতো। ডেল্টার প্রকোপ বাংলাদেশেও চলেছে সমানতালে। জুলাইতে সর্বোচ্চ রোগী ও আগস্টে একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারপরও যতটা আশঙ্কা ছিল সে অনুযায়ী করোনার প্রকোপ দেখতে হয়নি বাংলাদেশকে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: কী কারণেদেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: আমরা দেরি করিনি কিছুতে। বাংলাদেশের প্রস্তুতি ভালো ছিল। আমাদের দেশে সিদ্ধান্তগুলো খুব তাড়াতাড়ি নেওয়া হয়েছে অন্য দেশের তুলনায়।

স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে টিকার ক্ষেত্রে। বাংলাদেশে ১১টি টিকা রয়েছে টিকা কর্মসূচিতে। শিশু এবং মায়েদের টিকা দেওয়া হচ্ছে অনেক বছর ধরে।

ডেল্টার সময় আমরা টিকা পাইনি। তার আগে সংক্রমণের হারও কম ছিল। হঠাৎ করেই বেড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের স্ট্যাটাস অনেক ভালো ছিল। আমরা অনেক মৃত্যু দেখেছি-যা আগে দেখিনি। তারপরও মেক্সিকো, আমেরিকা, ব্রাজিল, ভারতের তুলনায় অনেক কম।

আমাদের অক্সিজেনের অভাবও হয়নি। ভারতে হয়েছে। যার কারণে ভারতে যেভাবে মৃত্যু দেখেছে বিশ্ববাসী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখতে হয়নি।

আবার, বাংলাদেশের মানুষ পেয়ারা, আমড়া, আমলকির মতো ফল খেতে পারছে। এগুলো দেশে খুব কম দামে সবসময় পাওয়া যায়। এগুলো পুষ্টিগুণে ভরপুর। ভিটামিন-বি, সি রয়েছে। আছে আয়রন। এগুলোর জন্যও আমরা হেলদি। বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ অনেক পুষ্টিকর খাবার পায় কম দামে। যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 

বাংলা ট্রিবিউন: এখনও যত পথ বাকি...।

ড. ফেরদৌসী কাদরী: বাংলাদেশের রোগ নির্ণয় অর্থাৎ ডায়াগনোসিস নিয়ে একটু আক্ষেপ রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কী বলছে, কোন দেশে কোন নতুন রোগ দেখা দিচ্ছে, সেই বিষয়ে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন যেটা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) করছে। আইসিডিডিআরবিও তাদের সঙ্গে কাজ করে।

কোভিডের বেলায় শুরুতে একটি মাত্র পরীক্ষাগার থেকে আজ ৮১০টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। এসব পরীক্ষাগার যেন কখনও বন্ধ না হয়। তাদেরকে সেই সাপোর্ট দিতে হবে। প্রশিক্ষণ চালিয়ে যেতে হবে।

সবকিছু একা সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মান বাড়ানোর জন্য, যন্ত্রপাতির জন্য, রি-এজেন্টের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে যে সাহায্য পেয়েছি, যে ফান্ডিং এসেছে-সেটাও কম নয়। সেইসঙ্গে সরকারও খরচ করে যাচ্ছে। আমার কথা হলো, এই গতি যেন না কমে।

আমি যেহেতু গবেষণা করি, তাই বলছি-করোনা পরিবর্তন হয়ে আরেকটি নতুন রোগ আসতে পারে। তখন যেন পিছিয়ে না পড়ি, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

ড. ফেরদৌসী কাদরী 

বাংলা ট্রিবিউন: ডেল্টার মতো ভ্যারিয়েন্ট আরও আসতে পারে?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: দেশে করোনার বর্তমান পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গত দুদিন শনাক্তের হার পাঁচ শতাংশের নিচে। এটা আবার বাড়তে পারে। ডেল্টার মতো অতি সংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্টও আসতে পারে। এ নিয়ে কেউ গ্যারান্টি দিতে পারে না।

 

বাংলা ট্রিবিউন: মানুষ তো আবার অবাধে চলতে শুরু করেছে, কোন বিষয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: এখন মাস্ক না পরাটা সবচেয়ে খারাপ হবে। প্রতিটি মানুষের সচেতন হওয়া উচিত। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, দেশের জন্য এটা কর্তব্য। সবার ‘রেসপনসিবিলিটি’ রয়েছে এখানে। কেন শুধু সরকারের একার দায়িত্ব হবে? আমাদের দায়িত্ববোধ কোথায়? মানুষতো অনেক ধরনের সমাজসেবা করে। দায়িত্বশীলরা মাস্ক ডোনেট করছে না কেন? পরতে পরতেই এটাকে অভ্যাস বানাতে হবে। মাস্ক কেবল করোনা থেকে নয়, ফুসফুসজনিত অনেক রোগ থেকেও আমাদের বাঁচায়।

যেসব অফিসে কর্মীরা মাস্ক পরছে না, সেখানে কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব নিতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ অফিসে ঢুকতেই পারবে না, এ নিয়ম জারি করতে হবে। নয়তো শাস্তির বিধান করতে হবে। এ ছাড়া বাঁচা যাবে না। সরকার এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসার অনুরোধ করবো আমি।

 

বাংলা ট্রিবিউন: গবেষণায় আগ্রহী হলেন কেন?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: পুরস্কার পাবো, এমনটা চিন্তা করিনি কখনও। সবসময় মানুষের জন্য কাজ করতে চাইতাম। দেশের কাজে লাগবে, এমন কিছু করতে চাইতাম।

বায়োকেমিস্ট্রি পড়লাম, পিএইচডি করলাম, দেশে ফিরে এলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালাম। পড়াতে গিয়েই বুঝলাম, গবেষণা বেশি পছন্দ করছি। কিন্তু ‍যে সুযোগ দরকার ছিল তার ঘাটতি দেখলাম। সবসময় অভাব বোধ করতাম সেখানে।

এরপর ১৯৮৮ সালে আইসিডিডিআরবিতে যোগ দিই। সেখানেই কাজ করছি ৩৩ বছর ধরে। অনেক আনন্দের সঙ্গে কাজ করছি সহকর্মীদের নিয়ে। দেশ-বিদেশের অনেকের সহযোগিতা পাচ্ছি। এখানে রোজ শিখছি।

১ সেপ্টেম্বর স্বামীকে (সালেহীন কাদরী) হারিয়েছি। পারিবারিক কারণে অনেক কষ্টে রয়েছি। সেটাও কাজের মাধ্যমে ভুলে থাকতে পারছি। কাজ করলে ভালো থাকি।

 

বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্বের টিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আপনার পর্যালোচনা কী?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: অনেক ধনী দেশ করোনাভাইরাসের টিকা মজুত করে রেখেছে। অথচ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সংকট রয়ে গেছে। এটা খুবই দুঃখের বিষয়।

অনেক দেশে দরকারের চেয়ে চার-পাঁচগুণ বেশি টিকা রয়েছে। তারা রেখে দিয়েছে বুস্টার ডোজের জন্য। কিন্তু অনেক টিকা মেয়াদ হারাচ্ছে। এটা সহ্য করার মতো নয়। এ কারণে কোভ্যাক্স সুবিধা করা হয়েছে। বিশ্বের অনেক ধনী দেশ রয়েছে সেখানে, রয়েছে অনেক সংগঠন। কিন্তু তারাও এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। এ বৈষম্য স্পষ্ট ধরা পড়ছে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশে গবেষণার ক্ষেত্রে নারীদের অবস্থান কেমন?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: মেয়েরা এখন নয়টা-পাঁচটার ছক থেকে বের হয়ে চ্যালেঞ্জিং পেশায় আসছে। সত্যি খুব গর্ব করি তোমাদের নিয়ে (নারী সাংবাদিকদের উদ্দেশে)। তোমরা একটা ঝুঁকির্পূণ পেশা বেছে নিয়েছো। সবার বাসা থেকে এখানেও সাপোর্ট দেওয়া হয় না।

নারীর লড়াই কেবল বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে নয়। সারা বিশ্বেই চলছে। এ লড়াই অনেক কঠিন। নারীরা গবেষণায় একটু পিছিয়ে রয়েছে। এখানে এগিয়ে আসতে হবে।

 

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশকে সামনে কোথায় দেখতে চান?

ড. ফেরদৌসী কাদরী: বাংলাদেশকে সবার উপরে দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ দিয়েছে জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন)। এটা দারুণ ব্যাপার। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ সবার ওপরে। এখন কোথাও গেলে যখন শোনে আমি বাংলাদেশি, তখন বিস্ময় নিয়ে বলে, টিকা কর্মসূচিতে আমরা সফল। আমরা কীভাবে তা সম্ভব করলাম, সেটা জানতে চায়। আমাদের নেতৃত্বে যিনি আছেন, তার চিন্তা অনেক অগ্রগামী। তিনিই এগিয়ে নেবেন।

আমরা এখন অনেক কিছু রফতানি করি। তৈরি পোশাক থেকে শুরু করে মাছ, ফল-এমনকি আমাদের ওষুধও যাচ্ছে বাইরে। স্বপ্ন দেখি, একদিন আমাদের টিকাও রফতানি হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোয়ালিফিকেশনও পেয়ে যাবে শিগগিরই। যদি আমরা উন্নতমানের ওষুধ বানাতে পারি, তা হলে টিকাও পারবো।

একনজরে ড. ফেরদৌসী কাদরী

আইসিডিডিআরবি’র বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী। এ প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে গবেষণাধর্মী কাজ করছেন ৩৩ বছর ধরে। সম্প্রতি পেয়েছেন এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার। এ ছাড়া কলেরার টিকা নিয়ে গবেষণা এবং সাশ্রয়ী দামে সহজলভ্য করে লাখো প্রাণ রক্ষায় কাজ করেছেন তিনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিকাবিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন।

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন

/এফএ/

সম্পর্কিত

সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে শতভাগ কার্যকর ‘বঙ্গভ্যাক্স’, দাবি গ্লোবের

সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে শতভাগ কার্যকর ‘বঙ্গভ্যাক্স’, দাবি গ্লোবের

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি ২৬ শতাংশই ১১-২০ বছরের

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি ২৬ শতাংশই ১১-২০ বছরের

২৯ জেলায় শনাক্ত নেই

২৯ জেলায় শনাক্ত নেই

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার, গ্রেফতার ৩

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১২

সম্প্রতি পূজামণ্ডপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ ফেনী থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেনী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতরা হলো- আহনাফ তৌসিফ মাহবুব লাবিব (২৩), আব্দুস সালাম জুনায়েদ (১৮), ফয়সাল আহমেদ আল আমিন (১৮)। সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশে নাশকতা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন উস্কানিমূলক এবং অপব্যাখ্যা মূলক কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ‌‌।

/আরটি/এমআর/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আহ্বান

সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আহ্বান

তিন শতাধিক উসকানিদাতা শনাক্ত, হোতাদের খুঁজছে পুলিশ

তিন শতাধিক উসকানিদাতা শনাক্ত, হোতাদের খুঁজছে পুলিশ

পুলিশের কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ সদর দফতরের

পুলিশের কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ সদর দফতরের

আইস ও অস্ত্রসহ আটক দু’জন ৯ দিনের রিমান্ডে

আইস ও অস্ত্রসহ আটক দু’জন ৯ দিনের রিমান্ডে

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৬

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। রবিবার (১৭ অক্টোবর) ফল প্রকাশ করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ হন ১৮ হাজার ৫৫০ জন প্রার্থী।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনটিআরসিএ’র ২০১৯ সালের ১৫ ও ১৬ নভেম্বরের ষোড়শ শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় ২২ হাজার ৩৯৮ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে স্কুল-২ পর্যায়ের ১ হাজার ৮০ জন, স্কুল পর্যায়ের ১৫ হাজার ২৪০ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ৩ হাজার ৮১১ জনসহ মোট ২০ হাজার ১৩১ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের চূড়ান্ত ফলাফল রবিবার (১৭ অক্টোবর)  প্রকাশ করা হয়।

স্কুল-২ পর্যায়ে ৯৯৬ জন, স্কুল পর্যায়ে ১৪ হাজার ৪৬ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ৩ হাজার ৫০৮ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। চূড়ান্তভাবে সর্বমোট ১৮ হাজার ৫৫০ জন প্রার্থী ষোড়শ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। সার্বিক পাসের হার ৯২ দশমিক ১৫ শতাংশ।

প্রার্থীরা পরীক্ষার ফলাফল http://ntrca.gov.bd এবং http://ntrca.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে রাত ১০টার পর জানতে পারবেন। তাছাড়াও টেলিটক বিডি লিমিটেড কৃতকার্য প্রার্থীদের ফলাফল এসএমএস (SMS) এর মাধ্যমে জানিয়ে দেবে।

/এসএমএ/এমআর/

সম্পর্কিত

প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

ডিনেটের সঙ্গে ইউল্যাবের সমঝোতা স্মারক সই

ডিনেটের সঙ্গে ইউল্যাবের সমঝোতা স্মারক সই

উপজেলা শিক্ষা অফিসার সমিতির সভাপতি মঈনুল, মহাসচিব নাছিমা

উপজেলা শিক্ষা অফিসার সমিতির সভাপতি মঈনুল, মহাসচিব নাছিমা

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে সরকার

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে সরকার

সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আহ্বান

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:১১

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেকোনও সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সারাদেশের আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। রবিবার (১৭ অক্টোবর) সংগঠনটির সহ-সভাপতি মুহাম্মদ শফিক উল্ল্যা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে অনুরোধ করা হয়। একইসঙ্গে পূজামণ্ডপে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে, কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল তাদের অপ-রাজনীতির উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার হীনমানসে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের লক্ষ্যে সাম্প্রদায়িক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশে আবহমানকাল ধরে থাকা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের এসব ঘৃণ্য কার্যকলাপের কারণে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতাদের বক্তব্য, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক উৎসবে অংশগ্রহণ বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য। তাই স্বাধীনতার চেতনায় গড়ে ওঠা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেকোনও সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সারাদেশের আইনজীবীরা রুখে দাঁড়াবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

সাম্প্রদায়িক কার্যকলাপে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

/বিআই/জেএইচ/

সম্পর্কিত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার, গ্রেফতার ৩

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার, গ্রেফতার ৩

তিন শতাধিক উসকানিদাতা শনাক্ত, হোতাদের খুঁজছে পুলিশ

তিন শতাধিক উসকানিদাতা শনাক্ত, হোতাদের খুঁজছে পুলিশ

পুলিশের কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ সদর দফতরের

পুলিশের কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ সদর দফতরের

আইস ও অস্ত্রসহ আটক দু’জন ৯ দিনের রিমান্ডে

আইস ও অস্ত্রসহ আটক দু’জন ৯ দিনের রিমান্ডে

প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫৪

কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। মূল্যায়নের মাধ্যমে ফলাফল দেওয়া হবে।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এমন প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অনুমোদিত সারাংশ রবিবার (১৭ অক্টোবর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মহাপরিচালক বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবের সারাংশ পাঠানো হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী ওই সারাংশে অনুমোদন দিয়েছেন।’ তিনি বলেন, প্রস্তাবে বলা হয়েছিল—মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফলাফল দেওয়া হবে। একইভাবে প্রাথমিকের অন্যান্য শ্রেণির ক্ষেত্রেও মূল্যায়নের মাধ্যমে ফলাফল দেওয়া হবে।’

বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘আমরা প্রস্তাবে মূল্যায়ন শব্দটি রেখেছি। করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে বিকল্প মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফলাফল দেবে। আর করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ও ঝুঁকি তৈরির কোনও সম্ভাবনা না থাকলে, বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। নিজ নিজ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে ফলাফল দেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘এবার ইবতেদায়ি সমাপনীও হবে না। তারা আমাদের প্রস্তাবের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে।’ 

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকের সমাপনী (পিইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে হবে না। বার্ষিক মূল্যায়নের মতো শ্রেণি মূল্যায়ন করা হবে। আর শ্রেণি মূল্যায়নের ফল অনুযায়ী, বোর্ডের সনদ পাবেন জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থীরা। আর বিদ্যালয় থেকে সনদ পাবে পিইসি পরীক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রী ওইদিন আরও বলেছিলেন, আমরা যেটি করতে চাইছি—সব শ্রেণির শ্রেণি সমাপনী মূল্যায়ন, যেটি চলছে। চলমান অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন চলছে। অষ্টম শ্রেণিরও সমাপনী মূল্যায়ন হবে। সেখানে সামষ্টিক পরীক্ষা হবে—কিছুটা অ্যাসাইনমেন্ট যেটা হচ্ছে, সেটা দিয়ে হবে। আমরা আশা করছি, সনদ এটি দিয়ে দিতে পারবো। তাদের সনদ তো একটা দিতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পর অনেকের হয়তো পড়াশোনার সুযোগ হয় না। সেটা আমরা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবো। শিক্ষার্থীরা আগের মতো বোর্ডের সনদ পাবে।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, নিজ নিজ বিদ্যালয়ে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে। করোনার এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণের বিস্তার রোধে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। তবে শিক্ষার্থীরা আগের মতোই সনদ পাবে।’

পিইসি, জেএসসি ও জেডিসি সেরকমভাবে হবে না। তবে ক্লাস সমাপনী মূল্যায়ন—অন্যান্য শ্রেণির মতো হচ্ছে এবং হবে।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছর কেন্দ্রীয়ভাবে পিইসি, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো। কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে পরিচিত। কারণ, এই পরীক্ষার সনদ দেওয়া হতো বোর্ড থেকে।

করোনার কারণে ২০২০ সালের পিইসি, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ (ক্লাস প্রশোমন) করা হয়েছে। এবার কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা না নেওয়া হলেও বার্ষিক মূল্যায়ন করা হবে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের মূল্যায়নের ভিত্তিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থীরা বোর্ড সনদ পাবে। তবে পিইসি পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণের সনদ পাবে।’

 

/এসএমএ/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডিনেটের সঙ্গে ইউল্যাবের সমঝোতা স্মারক সই

ডিনেটের সঙ্গে ইউল্যাবের সমঝোতা স্মারক সই

তিন শতাধিক উসকানিদাতা শনাক্ত, হোতাদের খুঁজছে পুলিশ

তিন শতাধিক উসকানিদাতা শনাক্ত, হোতাদের খুঁজছে পুলিশ

পুলিশের কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ সদর দফতরের

পুলিশের কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ সদর দফতরের

ডিনেটের সঙ্গে ইউল্যাবের সমঝোতা স্মারক সই

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৩

শিক্ষার্থীদের কাজের সুযোগ বাড়াতে ডিনেটের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস অব বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। রবিবার (১৭ অক্টোবর) মোহাম্মদপুরে ইউল্যাবের স্থায়ী ক্যাম্পাসে উভয় পক্ষের মধ্যে এই স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা এবং ডিনেটের নির্বাহী পরিচালক এম. শাহাদাত হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন। 

ডিনেট একটি সামাজিক উদ্যোগ যা সামাজিক প্রভাব তৈরি করতে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গ্রামীণ ও শহুরে পরিবেশে নারী, শিশু ও যুবকদের জন্য উদ্ভাবনী পণ্য ও পরিষেবার ডিজাইন করে। 

ডিনেটের নিয়মিত ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ইউল্যাব ও ডিনেটের মধ্যে অনবোর্ড ইন্টার্নস-এর বিষয়টি সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে। 

উভয়পক্ষই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রোগ্রামের ফাইনাল টার্মে ইউল্যাবের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ডিনেটে ইন্টার্ন হিসেবে নিয়োগ করতে চায়। ইন্টার্নশিপ করার জন্য শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ক্রেডিটও পাবে।

ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান রহমান, ইউল্যাবের রেজিস্ট্রার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল ইসলাম (অব.), ইউল্যাবের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস অফিসের পরিচালক আবু হেনা এম রাসেলের উপস্থিতিতে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব কমিউনিকেশনস অফিসের সহকারী অধ্যাপক ও উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফয়সল চৌধুরী, ডিনেটের পিপল অ্যান্ড কালচার অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রধান সৈয়দ মাজেদুর রহমান, ডিনেটের পিপল অ্যান্ড কালচার ম্যানেজার ফারজানা আহমেদ এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।

/এমপি/

সম্পর্কিত

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

উপজেলা শিক্ষা অফিসার সমিতির সভাপতি মঈনুল, মহাসচিব নাছিমা

উপজেলা শিক্ষা অফিসার সমিতির সভাপতি মঈনুল, মহাসচিব নাছিমা

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে সরকার

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে সরকার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে শতভাগ কার্যকর ‘বঙ্গভ্যাক্স’, দাবি গ্লোবের

সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে শতভাগ কার্যকর ‘বঙ্গভ্যাক্স’, দাবি গ্লোবের

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি ২৬ শতাংশই ১১-২০ বছরের

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি ২৬ শতাংশই ১১-২০ বছরের

২৯ জেলায় শনাক্ত নেই

২৯ জেলায় শনাক্ত নেই

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

টিকায় ভালো পরিকল্পনার ঘাটতি আছে: অধ্যাপক ডা. বে-নজির

দুই ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ

দুই ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

৬২ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কের ঘরে

৬২ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কের ঘরে

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

ডেঙ্গু: ১ থেকে ২০ বছর বয়সী রোগী বেশি

ডেঙ্গু: ১ থেকে ২০ বছর বয়সী রোগী বেশি

৫৯ জেলায় শনাক্তের সংখ্যা কমে এক অঙ্কে

৫৯ জেলায় শনাক্তের সংখ্যা কমে এক অঙ্কে

সর্বশেষ

প্রাণঘাতী বন্যায় ভারতে বহু মানুষ নিখোঁজ

প্রাণঘাতী বন্যায় ভারতে বহু মানুষ নিখোঁজ

ফাতির নৈপুণ্যে পিছিয়ে পড়েও বার্সেলোনার দুর্দান্ত জয়

ফাতির নৈপুণ্যে পিছিয়ে পড়েও বার্সেলোনার দুর্দান্ত জয়

হাসপাতাল ছাড়লেন বিল ক্লিন্টন

হাসপাতাল ছাড়লেন বিল ক্লিন্টন

ভারতের প্রথম অ্যালকোহল জাদুঘরের যাত্রা শুরু

ভারতের প্রথম অ্যালকোহল জাদুঘরের যাত্রা শুরু

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

© 2021 Bangla Tribune