X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ট্রেনের ছাদে নিয়মিত ডাকাতি করতো রিশাদরা

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৮

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী বেসরকারি কমিউটর ট্রেনে ডাকাতি ও দুই যাত্রীকে হত্যার ঘটনায় জড়িতরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। তারা ট্রেনে নিয়মিত ডাকাতি এবং ছিনতাইয়ের কাজ করে আসছিল। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান ময়মনসিংহের র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার রোকনুজ্জামান। 

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে রবিবার ভোররাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যদের হাতে পাঁচ জন গ্রেফতার হন। পাঁচ জনের মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহ সদরের আশরাফুল ইসলাম স্বাধীন (২৬) , বাগমারা এলাকার মঞ্জু মিয়ার ছেলে মাকসুদুল হক রিশাদ (২৮), একই এলাকার সাব্বির খানের ছেলে হাসান (২২), আরশাদ আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (৩১) ও সাব্বির খানের ছেলে মোহাম্মদ (২৫)।

ট্রেনে ডাকাতির সময় হত্যার ঘটনায় মামলা


 র‌্যাব কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, মামলার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ সদরের শিকারিকান্দা এলাকা থেকে আশরাফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে লুণ্ঠিত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাকি চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া মোহাম্মদের দেওয়া তথ্যে ডাকাতির কাজে নিয়োজিত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
 
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছে ডাকাতির উদ্দেশে কমলাপুর স্টেশন থেকে চার জন এবং রিশাদ, হাসান ও স্বাধীন টঙ্গী থেকে ট্রেনে উঠে। ট্রেন গফরগাঁওয়ের ফাতেমানগর স্টেশনে পৌঁছালে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় মোহাম্মদ ও আরও এক সহযোগী। ফাতেমানগর থেকে ট্রেন ছাড়ার পর ইঞ্জিনের পরের প্রথম বগির ছাদে উঠে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং মানিব্যাগসহ টাকা লুট করে নেয় তারা। ডাকাতি চলাকালে নিহত নাহিদ ও সাগর মিয়া বাধা দিলে তাদের কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে দু’জনের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। ডাকাত দলের আঘাতে নাহিদ ও সাগর ছাদে লুটিয়ে পড়ে। এরপর ডাকাত দলের সদস্যরা ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে আসার আগেই সিগনালে ট্রেনের গতি কমে এলে নেমে পড়েন।

চলন্ত ট্রেনে ডাকাতি-হত্যা: গ্রেফতার আরও ৫

উইং কমান্ডার রোকনুজ্জামান আরও জানান, গ্রেফতার সবাই নিয়মিত ডাকাতি এবং ছিনতাইয়ের কাজে জড়িত। আর তাদের লিডার মাকসুদুল হক রিশাদ। তার নেতৃত্বে ডাকাতি এবং ছিনতাই চলতো। ডাকাতি করার সময় লুণ্ঠিত মোবাইল অল্প দামে মোহাম্মদ ও রুবেল কিনে নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করতো। মোহাম্মদ ও রুবেল ছিল ডাকাত দলের পৃষ্ঠপোষক।

ডাকাতি এবং খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

‘ভবঘুরে’ নয়, রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন ইকবাল

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৪৫

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বিএনপি, জামায়াত ও শিবিরের ৫২ জনসহ এ পর্যন্ত ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে, নানুয়াদিঘির পাড় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা ইকবাল হোসেন রিমান্ডে নতুন নতুন তথ্য দিচ্ছেন। এতে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনে ও ইন্ধনদাতাদের শনাক্তে সহজ হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রিমান্ডে থাকা কোরআন অবমাননা মামলার চার আসামি যেসব তথ্য দিচ্ছেন তাও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ছাড়া এই ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামও উঠে আসছে বলে জানিয়েছে সিআইডি। কুমিল্লার জেলায় সহিংসতার ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে তদন্তভার পেয়ে কোরআন অবমাননা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় গ্রেফতার ইকবালসহ পাঁচ জনের দেওয়া তথ্য ব্যাপকভাবে সিআইডি অনুসন্ধান করছে। এদিকে, ফেসবুক লাইভ করার বিষয়টি স্বীকার করে ফয়েজও দিয়েছেন অনেক তথ্য। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় আরও পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিআইডির একাধিক সূত্রে গেছে, ঘটনার পরপরই ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে জানানো রেজাউল হোসেন ইকরাম ইতোমধ্যে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করলেও তাদের ইন্ধন ছিল কি-না সে বিষয়ে কিছু জানাননি। তবে তার ফেসবুক আইডির প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে দেখে গেছে, স্থানীয়ভাবে তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী কর্নেল অব. আকবর হোসেন ও যুবদল নেতা ইউছুফ মোল্লা টিপুসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় পোস্ট দিয়েছেন।

এদিকে, মাজারের দুই খাদেম ফয়সাল ও হুমায়ুনের রাজনৈতিক কোনও পরিচয় এখনও মেলেনি। তবে প্রধান অভিযুক্ত ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বললেও সে তা নয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে স্বাভাবিকের মতো আচরণ করে যাচ্ছেন। ইকবাল হোসেনের মামলার নথি অনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিআইডির কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান বলেন, ‘কোরআন অবমাননার মামলাটি রবিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পুলিশ সদরদফতরের নির্দেশে তদন্তের জন্য সিআইডিকে দেওয়া হয়। সে আলোকে মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় মামলার সব নথি অনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা এরই মধ্যে দুইটি মামলা গুরুত্বসহকারে তদন্ত শুরু করেছি। যাতে ঘটনার গভীরে যাওয়া যায় এবং ইকবালের ইন্ধনদাতা ও জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে পারি।’

রিমান্ডে ইকবাল যেসব তথ্য দিচ্ছেন, তা যাচাই-বাচাই করে দেখা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য বলা যাচ্ছে না। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হচ্ছে পূজামণ্ডপ থেকে পুলিশের উদ্ধার করা পবিত্র কোরআন। তবে ওই কোরআন শরিফে অনেকেরই ফিঙ্গারপ্রিন্ট রয়েছে। তবে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এতে সুনির্দিষ্ট কারও ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাইনি।’

জেলা পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লায় কোরআন অবমাননা, হিন্দুদের পূজামণ্ডপ ভাঙচুর ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় কুমিল্লার কোতোয়ালি, সদর দক্ষিণ, দাউদকান্দি ও দেবিদ্বার থানায় পৃথক ১০টি মামলা হয়েছে। এই ১০ মামলায় এজাহারনামীয় ৯২ জনসহ এক হাজার ১০২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন ৭২ জন। গ্রেফতারদের মধ্যে দলীয় পরিচয়ে বিএনপির ৩৬ এবং জামায়াত ও শিবিরের ১৬ নেতাকর্মী রয়েছেন।

গত ১৩ অক্টোবর নগরীর নানুয়াদিঘির পাড় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় নগরের কয়েকটি পূজামণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এর জেরে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, নোয়াখালীর চৌমুহনী, রংপুরের পীরগঞ্জে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশের সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা প্রধান অভিযুক্ত ইকবালকে শনাক্ত করে। ২১ অক্টোবর অভিযুক্ত ইকবালকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২২ অক্টোবর তাকে কুমিল্লা এনে ২৩ অক্টোবর আদালতে হাজির করা হলে আদালত ইকবাল, মাজারের দুই খাদেম ও ৯৯৯-এ কল করা ইকরামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

থানার জানালা ভেঙে পালালেন আসামি, ২ পুলিশ প্রত্যাহার

থানার জানালা ভেঙে পালালেন আসামি, ২ পুলিশ প্রত্যাহার

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

বরকত উল্লাহ বুলুর নাম উল্লেখ করে ফয়সালের জবানবন্দি

বরকত উল্লাহ বুলুর নাম উল্লেখ করে ফয়সালের জবানবন্দি

থানার জানালা ভেঙে পালালেন আসামি, ২ পুলিশ প্রত্যাহার

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৬

দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানা হাজতের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়েছেন মাদক মামলার এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এই ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে থানার এক এএসআই ও কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাদেরকে প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান আসামি। প্রত্যাহার হওয়া দুই পুলিশ হলেন- ডিউটি অফিসার এএসআই কে বি এম শাহারিয়ার ও পুলিশ কনেস্টেবল সাবিনা ইয়াছমিন।

দিনাজপুর পুলিশের ফুলবাড়ী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দুই জনকে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

এই ঘটনার পর দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মমিনুল করিম ও ফুলবাড়ী সার্কেলের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে অভিযান চালায় পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। এ সময় উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকা থেকে মোকারুল ইসলাম (৩২) নামে এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করে। পরে রাতেই মাদক মামলার ওই আসামিকে পার্বতীপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর কথা থাকলেও এর আগেই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে হাজতখানার জানালার তিনটি গ্রিল ভেঙে ফেলে পালিয়ে যান ওই আসামি। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, হাজতে থাকার সময় আসামি সবার অগোচরে পাশের দরজার তালা ভেঙে স্টোর রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে সে রুমের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। ঘটনা জানাজানির হওয়ার পর থেকেই আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

‘ভবঘুরে’ নয়, রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন ইকবাল

‘ভবঘুরে’ নয়, রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন ইকবাল

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

গাইবান্ধায় রিকশাচালক হত্যার ঘটনায় দুই ভাই কারাগারে

গাইবান্ধায় রিকশাচালক হত্যার ঘটনায় দুই ভাই কারাগারে

বন্ধই থাকছে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচল

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:২৮

পদ্মা নদীর স্রোত না কমায় পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার লক্ষ্যে বন্ধই থাকবে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচল। তবে স্রোতের গতি কমলে পরবর্তী সময়ে ফেরি চালু করা হবে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্যিক) এস এম আশিকুজ্জামান এ তথ্য জানান।

আশিকুজ্জামান বলেন, ‘স্রোতের গতিবেগ ফেরি চলাচলের জন্য পুরোপুরিভাবে স্বাভাবিক পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত ফেরি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে থাকা বেশ কয়েকটি দলের সিদ্ধান্তে একমত হওয়ার পর ফেরি চলাচলের ঘোষণা আসবে। বর্তমানে পদ্মা নদীর স্রোতের গতিবেগ স্বাভাবিক অবস্থানে আসেনি। এর জন্য আরও দু-তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। তাছাড়া তিস্তার পানি নামতে শুরু করেছে। আশা করি, আগামী শনি ও রবিবার পরীক্ষামূলকভাবে আবারও ফেরি চালু করা হবে। তখন স্রোত অনুকূল অবস্থানে থাকলে ফেরি চালুর ঘোষণা আসতে পারে।’

এদিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুঞ্জলতা নামে পরীক্ষামূলক একটি ফেরি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায় এবং দুপুর পৌনে ২টায় আবার ফিরে আসে। তবে, পরীক্ষামূলক ফেরিটি সফলভাবে পারাপার করলেও ফেরি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর থেকে বন্ধ আছে এই রুটে ফেরি চলাচল। তার আগে, জুলাই ও আগস্ট মাসে চারটি ফেরি পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেয়। এর পর গত ১৮ আগস্ট থেকে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা ও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। ৪৭ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে শুধু দিনের বেলা পাঁচটি ফেরি চলাচল শুরু হয়েছিল।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

গরুর পচা মাংস বিক্রি করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

গরুর পচা মাংস বিক্রি করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

সিরাজগঞ্জে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে ৬ চেয়ারম্যান

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৯

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ১৭ ইউনিয়নে আগামী ১১ নভেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে ছয়টিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনও প্রার্থী না থাকায় বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন এসব প্রার্থীরা। প্রতীক বরাদ্দের দিন তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

তারা হলেন- সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, ছোনগাছা ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সয়দাবাদ ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান নবিদুল ইসলাম; রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান রাইসুল হাসান সুমন, ধানগড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মীর ওবায়দুল মাসুম ও ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম সরওয়ার লিটন।

সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজার রহমান ও রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. কামরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় এসব ইউনিয়নের প্রার্থীরা বিজয়ের পথে রয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, বুধবার (২৭ অক্টোবর) প্রতীক বরাদ্দের দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

চুল কাটার শাস্তির আইন নেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে, সময় নিলো কর্তৃপক্ষ

চুল কাটার শাস্তির আইন নেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে, সময় নিলো কর্তৃপক্ষ

মহাসড়কের পাশে প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ

মহাসড়কের পাশে প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ

আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ হারুনের

আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ হারুনের

প্রথম দিনেই বরিশালের মোকামে ২০ হাজার মণ ইলিশ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:১০

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবার সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশাল নগরীর পোর্ট রোডের ইলিশ মোকাম। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে নদী ও সাগর থেকে ইলিশের বোট আসা শুরু করে। এদিন ২০ হাজার মণ ইলিশ এসেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, মোকামে আসা অনেক ইলিশ ডিম ছাড়েনি।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, জাটকা সংরক্ষণে কঠোর তদারকি করতে হবে। এতে ইলিশ বৃদ্ধি পেলে রফতানির ব্যবস্থা করতে হবে। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, ইলিশ যে পরিমাণ ডিম ছেড়েছে তা সংরক্ষণ করলে বরিশাল বিভাগে চার লাখ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদনের টার্গেট পূরণ হবে।

এদিকে, ইলিশের জালে ধরা পড়েছে ১৫-২০ কেজির পাঙাশ। এটিকে বাড়তি আয় হিসেবে দেখছেন জেলেরা। আগামী এক সপ্তাহ এই ধরনের পাঙাশ ধরা পড়বে বলে জানান একাধিক জেলে।

নদী থেকে ইলিশ নিয়ে আসা জেলেরা বলেন, নদীতে তেমন ইলিশ নেই। তবে যা পাওয়া গেছে তা ছোট। আবার কিছু কিছু মাছ জালে উঠেছে তা এককেজি থেকে দুই কেজি। ধরা পড়া বড় ইলিশ এখনও ডিম ছাড়েনি। ডিম ছাড়লে নদীতে থাকতো না। ডিম ছাড়ার পরপরই ইলিশ সাগরে চলে যায়। তবে আরও কিছুদিন নিষেধাজ্ঞা থাকলে ইলিশ ডিম ছাড়তো।

স্থানীয় একটি ফিশিং বোটের জেলেরা জানিয়েছেন, ইলিশের জালে ধরা পড়ছে বড় বড় পাঙাশ। সোমবার রাত থেকে তিনবার জাল ফেলার সুযোগ পেয়েছেন। তাতে ১১টি বড় পাঙাশ উঠেছে। প্রতিটি ইলিশের জালে বড় পাঙাশ ধরা পড়েছে। প্রতিবছর এই সময়ে ইলিশের জালে পাঙাশ ধরা পড়ে। আগামী এক সপ্তাহ পাঙাশ পাওয়া যাবে। এরপর জালে উঠবে না। তবে মাঝেমধ্যে ১৫-২০ কেজি ওজনের পাঙাশ ধরা পড়ে।

বরিশালের মোকাকে ২০ হাজার মণ ইলিশ এসেছে

এতে লাভ হয় তাদের। টাকার পরিমাণ বেড়ে যায়। একটি ফিশিং বোটে যা আয় হয়, অর্ধেক নেন বোট মালিক। বাকি টাকা ভাগ করে নেন জেলেরা। এ ছাড়া মালিকের কাছ থেকে দাদন নেওয়া থাকায় তাকেই মাছ দিতে হয়। সেক্ষেত্রে বাজার দরের চেয়ে কম পাওয়া যায়। কত কম তা আর বলতে চাননি জেলে সোলেমান ফকির ও তার সহকর্মীরা।

পোর্ট রোডের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি মণ পাঙাশ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৫-১৬ হাজার টাকা। খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে। বড় পাঙাশের চাহিদা থাকায় ৪-৫ জন ক্রেতা একত্রিত হয়ে একটি মাছ কিনে ভাগ করে নেন। আজ ইলিশ মোকামে আসা পাঙাশের সর্বোচ্চ ওজন ছিল ২০ কেজি। সর্বনিম্ন ছিল ১০ কেজি। আজ আড়তে তিন শতাধিক পাঙাশ এসেছে বলে জানান মাছ ব্যবসায়ী মো. পারভেজ।

পোর্ট রোডের ইলিশের আড়তদার জহির সিকদার বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর বড়-ছোট প্রচুর ইলিশ এসেছে। বড় যেসব ইলিশ এসেছে তাতে ডিম হয়নি। ডিম ছাড়লে ইলিশ পাতলা হয়ে লম্বা আকৃতির দেখায়। সে ধরনের ইলিশের সংখ্যা কম। এ জন্য নিষেধাজ্ঞার সময়টা ঠিক ছিল না। মা ইলিশের ওপর জরিপ চালিয়ে সময়টা নির্ধারণ করলে ইলিশের উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। তবে ছোট সাইজের প্রচুর ইলিশ এসেছে।

ইতোমধ্যে আঞ্চলিক নদীগুলোতে ডিম ছেড়েছে ইলিশ। যা জাটকায় রূপ নেবে। জাটকা ঠিকমতো সংরক্ষণ করা গেলে বড় ইলিশ নদীতে মিলবে। নদী ও সাগরের ইলিশের স্বাদের ব্যবধান আছে। জাটকা নিধন বন্ধকালীন সংশ্লিষ্টরা কঠোরভাবে তা মনিটরিং করলে বড় ইলিশের উৎপাদন বেড়ে যাবে। ফলে মাছের দামও কমে আসবে। তাতে সব শ্রেণির মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে ইলিশের দাম।

জহির সিকদার বলেন, আজ ইলিশ মোকামে পাঙাশ উঠেছে তিন শতাধিক। এসব পাঙাশ ইলিশের জালে উঠেছে। নদীর পাঙাশ আরও ৫-৬ দিন মিলবে।

ইলিশের জালে ধরা পড়ছে বড় বড় পাঙাশ

পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক নীরব হোসেন টুটুল বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় ইলিশ উৎপাদন প্রতিবছর বাড়ায় সরকারকে ধন্যবাদ। একই সঙ্গে জাটকা সংরক্ষণে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাই সংশ্লিষ্টদের। এতে বড় সাইজের ইলিশ উৎপাদন বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, শীত মৌসুমে বাংলাদেশে ইলিশের কদর কম। অন্য মাছের প্রতি মানুষ আকৃষ্ট থাকে। এ জন্য শীত মৌসুমে ইলিশ বিক্রি কম হয়। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে রফতানি উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

টুটুল বলেন, আজ মোকামে এক কেজি ২০০ গ্রাম সাইজের প্রতি মণ ইলিশ পাইকারি ৩৬ হাজার টাকা, কেজি সাইজের প্রতি মণ ৩৪ হাজার, এলসি সাইজ (৬০০-৯০০ গ্রাম) প্রতি মণ ৩০ হাজার, ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০ গ্রাম সাইজের (ভেলকা) প্রতি মণ ২৪ হাজার এবং গোটলা সাইজ (আড়াইশ থেকে সাড়ে ৩০০ গ্রাম) প্রতি মণ ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বরিশাল মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, ইলিশ সারা বছরই ডিম দেয়। তবে পূর্ণিমায় অধিকাংশ ইলিশ ডিম দেওয়ায় ওই সময়টা মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। এ জন্য ব্যাপক জরিপ চালানো হয়। জরিপের ভিত্তিতেই এই নিষেধাজ্ঞা। এতে আমরা সুফলও পাচ্ছি। প্রতি বছর ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। মঙ্গলবার পোর্ট রোড মোকামে ইলিশ এসেছে ২০ হাজার মণ। প্রতিদিন এর পরিমাণ বাড়বে।

মৎস্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান তালুকদার বলেন, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে যে পরিমাণ ইলিশ ডিম ছেড়েছে তা সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের টার্গেট পূরণ হবে। দেশে এবছর ইলিশের টার্গেট ছয় লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চার লাখ মেট্রিক টন উৎপাদন হবে বরিশাল বিভাগে।

তিনি আরও বলেন, জাটকা নিধন বন্ধ করতে হবে। এ জন্য কঠোর আইনও প্রয়োগ করা হবে। এটা ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারলে টার্গেটের বেশি ইলিশ আসার সম্ভাবনা থাকবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

নিষেধাজ্ঞা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে হাজার মণ ইলিশ

নিষেধাজ্ঞা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে হাজার মণ ইলিশ

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নদী ও সাগরে জেলেরা

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নদী ও সাগরে জেলেরা

ইলিশের উৎপাদন বাড়লেও ভালো নেই জেলেরা

ইলিশের উৎপাদন বাড়লেও ভালো নেই জেলেরা

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, আটক ৩

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, আটক ৩

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ৪ মৃত্যু

১১০ দিনেই পেকেছে বিনা-১৭, কম খরচে বেশি ফলন

১১০ দিনেই পেকেছে বিনা-১৭, কম খরচে বেশি ফলন

নাশকতার মামলায় আসলাম চৌধুরীসহ ৫৬ জনের বিচার শুরু

নাশকতার মামলায় আসলাম চৌধুরীসহ ৫৬ জনের বিচার শুরু

সিনহা হত্যা মামলা: এসআই আমিনুলসহ ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

সিনহা হত্যা মামলা: এসআই আমিনুলসহ ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

কোকেন মামলার চার্জ গঠন পেছালো

কোকেন মামলার চার্জ গঠন পেছালো

সর্বশেষ

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

ওমরাহ পালনের নিয়ম শিথিল করলো সৌদি আরব

ওমরাহ পালনের নিয়ম শিথিল করলো সৌদি আরব

এনবিআরের ১৬৫ কর্মকর্তা বদলি

এনবিআরের ১৬৫ কর্মকর্তা বদলি

প্রতারণার মামলায় সেই সাহেদকে জামিন দেননি হাইকোর্ট 

প্রতারণার মামলায় সেই সাহেদকে জামিন দেননি হাইকোর্ট 

‘ভবঘুরে’ নয়, রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন ইকবাল

‘ভবঘুরে’ নয়, রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন ইকবাল

© 2021 Bangla Tribune