X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

লড়াই, সংগ্রাম ও সাফল্যের নাম শেখ হাসিনা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৩২

লড়াই, সংগ্রাম ও সাফল্যের নাম শেখ হাসিনা। দেশের প্রাচীনতম সংগঠন আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেন ১৯৮১ সালে। পিতা বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দলটি যোগ্য নেতৃত্বের সংকটে ততদিনে কয়েকটি ব্রাকেট-বন্দি হয়ে পড়েছিল। ঠিক সেই সময় দলের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আবির্ভাব ঘটে শেখ হাসিনার। ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার সাড়ে তিন মাসের মাথায় দেশে ফেরেন তিনি। অবশ্য ওই সময়কার সরকারের নানা বাধা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই তাকে দেশে ফিরতে হয়।

দেশে মাটিতে পা রাখার পর শুরু হয় শেখ হাসিনার লড়াই-সংগ্রাম। বাবা-মায়ের স্নেহে যে বাড়িতে বড় হয়েছেন, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের সেই বাড়িতেই প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার কণ্টকাকীর্ণ পথ চলা শুরু হয়। নিজ দলের মাঝেও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ নানা বাধার মুখে পড়েন তিনি। তবে, বঙ্গবন্ধুকন্যা হয়ে তিনি হালছাড়ার পাত্র নন। উজানেই নাও ঠেলে এগিয়েছেন। ওই সময় বিভক্ত আওয়ামী লীগকে সংঘবদ্ধ করার পাশাপাশি শুরু করেন গণতন্ত্রের লড়াই। ভাত ও ভোটের অধিকার নিশ্চিতের সংগ্রাম। আর এই সংগ্রামের পথে তাকে পার হতে হয় নানা প্রতিবন্ধকতা। কারাবরণ করতে হয় একাধিকবার। জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেমে বার বার মৃত্যুর মুখে পড়েছেন তিনি। অনন্ত ২০ বার তার ওপর হামলা হয়েছে। প্রত্যোকটি হামলার লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করা।  তবুও পিছপা হননি, লড়াই সংগ্রাম ছেড়ে দেননি শেখ হাসিনা। জেল-জুলুম, অত্যাচার কোনও কিছুই তাকে টলাতে পারেনি একবিন্দুও। বরং সাহসের সঙ্গে এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে।

১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়ে দেশকে বদলে দেওয়ার প্রয়াসে সিদ্ধহস্ত হন শেখ হাসিনা। ৫ বছরের মেয়াদ শেষে তৎকালীন  তত্ত্বাবধায়ক সরকারে হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিনা রক্তপাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের নজির স্থাপন করেন শেখ হাসিনা। ২০০১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতা হারায় আওয়ামী লীগ। শুরু হয় নতুন করে লড়াই-সংগ্রাম। সারা দেশে দমন-পীড়নের মুখে পড়ে তার ত্যাগী নেতা-কর্মীরা। সেই সংগ্রামে দলের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হারাতে হয়। শেখ হাসিনার জীবন থামিয়ে দিতে ২০০৪ সালে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা করা হয়। তবে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। পিছপা না হয়ে আবারও দুঃশাসন ও ভোটের অধিকার রক্ষার আন্দোলন শুরু করেন। সেই লড়াইয়ে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতা ছাড়লেও ক্ষমতায় টিকে থাকতে নানা চক্রান্ত শুরু হয়। সেই চক্রান্তের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোচ্চার  হয়ে উঠে আওয়ামী লীগ। দেশে জারি হয় জরুরি অবস্থা। সেনাবাহিনীর সমর্থনে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে  ফখরুদ্দীন আহমদের সরকার। ‘ওয়ান-ইলেভেনের সরকার’ নামে পরিচিত সেনা সমর্থিত সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য হাজির করা হয় ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’র নীলনকশা। সেই নীলনকশা বাস্তবায়নে ২০০৭ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন সরকার কথিত দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করে শেখ হাসিনাকে। প্রায় এক বছর জেল জীবন শেষে  নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি আদায় করেন সেনাসমর্থিত সরকারের কাছ থেকে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের  নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে আবারও ক্ষমতায় আসেন শেখ হাসিনা। সেই থেকে বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সরকার পরিচালনা শুরু করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, মাতারবাড়ি প্রকল্প, ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দেওয়া, দরিদ্র্যের হার নিচে নামিয়ে আনা, কৃষি বিপ্লব, শিক্ষার হার বাড়ানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সমাপ্ত, যুদ্ধাপরাধীদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা, বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন, গৃহহীনদের ঘর উপহার— এসব অর্জন করে বাংলাদেশ।

দেশকে সেক্টরভিত্তিক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পিতা মুজিবের হাতে গড়া দলকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপরে দাঁড় করিয়েছেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ বর্তমানে অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। নিজের যোগ্যতায় দলে একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। দলীয় কাউন্সিলরা তাকে ৯ বার দলের সভাপতি নির্বাচিত করেছেন। তিনি টানা ৪০ বছর দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ তো বটেই দলের নেতৃত্বের দিক থেকে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী নেতাদেরও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের পাশাপাশি শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ঝুলিতে জমেছে অনেকগুলো অর্জন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা ও পদক। এ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে দেওয়া আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সংখ্যাও অনেক। টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতার জন্য ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দেয় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। এর আগেও তিনি অসংখ্য আন্তর্জাতিক পদক ও বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেছেন সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি।

/এপিএইচ/আপ-এনএইচ/

সম্পর্কিত

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৯

দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮১ জন চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সকলেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী। মঙ্গলবার শেষ দিনে বাকি প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এসব জনপ্রতিনিধি একক প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে তিন হাজার ৩১০ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে নয় হাজার ১৬১ জন এবং সদস্য পদে ২৮ হাজার ৭৪৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদিন থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম। আগামী ১১ নভেম্বর এসব ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউনিয়ন পরিষদে চার হাজার ৭৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই ৩১টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী হন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী।

মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৫৭২ জন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ জনে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১৩টি উপজেলার ৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ২১টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা জয় পেয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৮১টি বাদে বাকি ৭৬৫ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন হাজার ৩১০ প্রার্থী।

ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯৩ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভোটের মাঠে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন নয় হাজার ১৬১জন প্রার্থী। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন ৭৬ জন। একইভাবে সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ২৮ হাজার ৭৪৭ জন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এক হাজার ৬৬৪জন। এ পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৩০ হাজার ৮৮৩জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ২০৩ জন। বাকিদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে।

/ইএইচএস/এলকে/

সম্পর্কিত

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগের ইউপি প্রার্থী যারা

ইউপি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আ.লীগের ৩১ প্রার্থী

ইউপি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আ.লীগের ৩১ প্রার্থী

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৪২ হাজার প্রার্থী

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৪২ হাজার প্রার্থী

১০০৭ ইউপিতে ভোট ২৮ নভেম্বর

১০০৭ ইউপিতে ভোট ২৮ নভেম্বর

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:১০

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে (এলডিসি গ্রাজুয়েশন) জাতিসংঘের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) গুলশানে বিজিএমইএ পিআর অফিসে সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো। এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো এবং সাবলীল উত্তরণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশকে কোন কোন ক্ষেত্রে দৃষ্টি দিতে হবে, সেসব নিয়ে আলোচনা করেন ফারুক হাসান ও মিয়া সেপ্পো।

তারা এলডিসি পরবর্তী তৈরি পোশাক শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে কৌশল নির্ধারণে গবেষণা এবং নীতি সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে তৈরি পোশাক খাত কীভাবে আরও বেশি অবদান রাখতে পারে সে বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতাও চান বিজিএমইএ সভাপতি।

/জিএম/এফএ/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা চলমান কয়েকটি মামলা সম্পর্কে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

মঙ্গলবার ব্রাসেলসে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইগ্যান্ড গুনার এ বিষয়ে জানতে চান।

বৈঠকের পর যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইইউ জানায় ওই আইনের কয়েকটি ধারা ডিজিটাল অপরাধ দমনের থেকে অন্য কাজে বেশি ব্যবহার হচ্ছে।

গত ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউতে বাংলাদেশ যেসব সুপারিশ বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছিল সেগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য ইইউ উৎসাহ প্রদান করেছে। এ ছাড়া কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক সুশাসন শক্তিশালীর বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।

সম্প্রতি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও যেকোনও ধরনের বৈষম্যের প্রতি নিন্দা জানায়।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫১

দক্ষ ও স্বল্প-দক্ষ বাংলাদেশিদের বৈধভাবে ইউরোপে কর্মসংস্থানের আরও সুযোগ তৈরির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উইগ্যান্ড গুনারের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এই প্রস্তাব করেন।

বৈঠকের পর যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইউরোপে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত আনার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বাস্তবায়নে বাংলাদেশে যে অগ্রগতি হয়েছে সেটাকে স্বাগত জানায় ইইউ।

এ বিষয়ে আরও ভালো ফলাফলের জন্য বাংলাদেশকে আহবান জানায় ইউরোপীয় দেশগুলোর সংগঠনটি এবং একইসঙ্গে ইউরোপে অবস্থানরত যে অবৈধ ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে সেটার বিষয়ে প্রতিবেদ্ন দেওয়ার তাগাদাও দিয়েছে তারা।

বৈঠকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন তাদের নতুন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি বাংলাদেশের কাছে উপস্থাপন করে। মিয়ানমার ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতিসহ এই অঞ্চলে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা, সমুদ্র নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন ও সহযোগিতার বিষয়ে উভয়পক্ষ আলোচনা করে।

নিরাপদে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনের বিষয়ে উভয়পক্ষ জোর দিয়েছে এবং ভাসানচরে কাজ করা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরকেও স্বাগত জানিয়েছে ইইউ।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫৫

বৈশ্বিক তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস, প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যগুলো অর্জন এবং প্যারিস রুলবুকের চূড়ান্তকরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ), ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এবং গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন (সিসিএ)-এর উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-গ্লোবাল পার্লামেন্টারি গ্রুপ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন স্পিকার। বৈশ্বিক জলবায়ুর বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ফোরামে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, সেখানে তিনি এসব দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই আমরা কপ-২৬ প্লাটফর্মে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তড়িৎ সমাধান হিসেবে ভর্তুকির আহ্বান জানিয়েছি। বাংলাদেশ শক্তির স্বাধীনতা অর্জন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং শক্তিবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে ইতোমধ্যে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান’ গ্রহণ করেছে। প্ল্যানিটারি ইমার্জেন্সি মোকাবিলার মাধ্যমে গ্রহ রক্ষা এবং এর যথাযথ সংরক্ষণে বৈশ্বিক সম্মিলিত প্রয়াস অত্যন্ত জরুরি।’

অনারারি আইপিইউ প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জিসিএ সভাপতি বান কি মুন, আইপিইউ মহাসচিব মার্টিন চুংগঙ, মালদ্বীপের স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদ, ফিলিপাইনের ডেপুটি স্পিকার লরেন লেগার্দা এবং ইউকে হাউজ অব কমন্সের সংসদ সদস্য ডেরেন জোন্স কি-নোট বক্তব্য রাখেন। সিভিএফ প্রেসিডেন্সি অব বাংলাদেশের স্পেশাল এনভয় আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

দ্বিতীয় ধাপে ৮১ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সমর্থন চায় বিজিএমইএ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রস্তাব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

সাক্ষ্য আইনের ১৫৫(৪) ধারা বাতিল নারীর মর্যাদাহানি রোধ করবে: আইনমন্ত্রী

সাক্ষ্য আইনের ১৫৫(৪) ধারা বাতিল নারীর মর্যাদাহানি রোধ করবে: আইনমন্ত্রী

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

শূন্য বয়স থেকে চালু হচ্ছে এনআইডি

সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার সবকিছু করবে: ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী

সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার সবকিছু করবে: ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমলো আরও প্রায় ৭ কোটি টাকা

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমলো আরও প্রায় ৭ কোটি টাকা

পুলিশের সহযোগী হিসেবে আনসারও ভিআইপি নিরাপত্তা দেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের সহযোগী হিসেবে আনসারও ভিআইপি নিরাপত্তা দেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বিশ্বকাপ শেষ সাইফউদ্দিনের, মূল দলে রুবেল

বিশ্বকাপ শেষ সাইফউদ্দিনের, মূল দলে রুবেল

© 2021 Bangla Tribune