X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ইরান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে ম্যার্কেল ও বেনেতের মতপার্থক্য

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫৮

জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল রবিবার ইসরায়েলে শেষ সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। কিন্তু দুই ঘনিষ্ঠ মিত্রের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য দ্রুতই সামনে এসেছে।

ম্যার্কেল বলেছেন, 'জার্মানি ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক চুক্তিতে ফিরতে আগ্রহী'। এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে ইসরায়েল।

তিনি আরও বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলের কয়েক দশকের বিরোধ নিষ্পত্তির সবচেয়ে ভালো উপায় হলো দুই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

ম্যার্কেলের ১৬ বছরের শাসনামলে জার্মানি ও ইসরায়েলের মধ্যে যে কয়েকটি বিষয়ে দ্বিমত ছিল দ্বি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সেগুলোর একটি। এছাড়া ইসরায়েলকে আকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে গেছেন জার্মান নেতা।  যে কোনও বিষয়ে সত্যিকার বন্ধু ইসরায়েলকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির কথাও তিনি বারবার তুলে ধরেছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, এই পর্যায়ে আমার মনে হয়, পরিস্থিতি প্রায় আশাহীন হলেও দুই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমাধান বাতিল করা উচিত হবে না, এটিকে আলোচনা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। ফিলিস্তিনিদের একটি রাষ্ট্রে নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারা উচিত।

তিনি আরও বলেছেন, দখলকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন ফিলিস্তিনিদের জন্য সহযোগিতামূলক না। 

ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের আন্দোলনের সাবেক সমর্থক নাফতালি বেনেত দ্রুতই ম্যার্কেলের বক্তব্যের জবাব দেন।তিনি বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা অনুসারে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র মানে হলো সন্ত্রাসের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। যার অবস্থান আমার বাড়ি থেকে মাত্র সাত মিনিট দূরত্বে।

নিজেকে ‘বাস্তববাদী মানুষ’ উল্লেখ করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের জীবনমান উন্নত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আছেন। সূত্র: এপি

/এএ/

সম্পর্কিত

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

প্রায় দুই বছর পর তেহরানে জুমার নামাজ

প্রায় দুই বছর পর তেহরানে জুমার নামাজ

মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানালো হামাস

মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানালো হামাস

সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

প্রশান্ত মহাসাগরে চীন-রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২৮

প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে প্রথমবার যৌথ নৌ টহল পরিচালনা করেছে চীন ও রাশিয়া। গত ১৭ তারিখে শুরু হওয়া এই মহড়া শেষ হয়েছে ২৩ অক্টোবর। শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়র্টাসের খবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমবার এই অঞ্চলে একসঙ্গে টহল দিয়েছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি। প্যাট্রোলের অংশ হিসাবে সুগারু প্রণালী দিয়ে যায় দুই দেশের যুদ্ধ জাহাজ যায়।

মস্কো জানিয়েছে, জাহাজগুলো সুগারু প্রণালী দিয়ে প্রথমবার টহল দিয়েছে। এটিকে আন্তর্জাতিক প্রণালীও বলে দাবি করেছে দেশটি। রাশিয়া ও চীনা রাষ্ট্রীয় পতাকা প্রদর্শন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দুই দেশের সামুদ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়গুলো সামনে এসেছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে জাপান জানায়, তাদের মূল দ্বীপ ও তার উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোকাইদো থেকে বিচ্ছিন্ন সুগারো প্রণালী দিয়ে চীন-রাশিয়ার ১০টি নৌযান অগ্রসর হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘনিষ্ঠ সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে দুই দেশের মধ্যে। 

/এলকে/

সম্পর্কিত

‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাটো তৈরি হয়নি’

‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাটো তৈরি হয়নি’

উইঘুর ইস্যুতে চাপ বাড়ছে চীনের ওপর

উইঘুর ইস্যুতে চাপ বাড়ছে চীনের ওপর

যৌনকর্মী ভাড়া করায় চীনের ‘পিয়ানো প্রিন্স’ আটক

যৌনকর্মী ভাড়া করায় চীনের ‘পিয়ানো প্রিন্স’ আটক

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাটো তৈরি হয়নি’

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২২

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তৈরি করা হয়নি। শুক্রবার এমন মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দফতর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।

তিনি বলেন, ন্যাটো জোট তার দেশের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নতুন যে কৌশল নিয়েছে তাতে এ কথা প্রমাণিত হয় যে, এই জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করার বিষয়ে মস্কোর সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল।

মস্কোয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘ন্যাটো জোটের ব্যাপারে রাশিয়ার কখনো বিশেষ কোনও মোহ ছিল না। আমরা এই জোটের ধরন সম্পর্কে জানি। এটি কখনও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তৈরি হয় নি। এটি তৈরি করা হয়েছে শুধু যুদ্ধবিগ্রহের জন্য।’

চলতি সপ্তাহে ন্যাটো জোট নতুন কৌশল ঠিক করে যে, তারা রাশিয়ার হামলার বিরুদ্ধে বহুমুখী ফ্রন্টে লড়াই করবে। এর মধ্যেই শুক্রবার জোটটি নিয়ে এমন মন্তব্য করেন দিমিত্রি পেসকভ।

গত সপ্তাহে রাশিয়ায় অবস্থিত ন্যাটো জোটের কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন বন্ধ করে দিয়েছে মস্কো। তার আগে কয়েকজন রুশ কূটনীতিককে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে বহিষ্কার করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করেছে রাশিয়া। সূত্র: পার্স টুডে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

প্রায় চার কোটি নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে ফ্রান্স

প্রায় চার কোটি নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে ফ্রান্স

রাষ্ট্রদূতদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান

রাষ্ট্রদূতদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান

তালেবানের প্রশংসা করলেও স্বীকৃতি দেয়নি রাশিয়া

তালেবানের প্রশংসা করলেও স্বীকৃতি দেয়নি রাশিয়া

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪৪

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের 'পর্যটন' ভিসা দিয়ে ইউরোপে ঢুকতে সাহায্য করছে বেলারুশ। দেশটির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জারি করা নিষেধাজ্ঞার পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই পথে জার্মানিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে এমন একটি দলকে অনুসরণ করে বিবিসি। মোবাইল ফোনের ক্যামেরা বাম থেকে ডানে ঘুরে যাচ্ছে, কিন্তু কেউ নড়ছে না। পথ চলায় ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত মানুষগুলো গাছের ফাঁকে ফাঁকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে শুয়ে আছে। জামিলের মাথাটা তার হাতের ওপর রাখা, স্ত্রী রোশিন তার পাশেই গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। অন্যদের দেখে মনে হচ্ছে পড়ে থাকা লাশ।

জঙ্গলের ওপর ছড়িয়ে আছে শেষ বিকালের আলো, পাইন গাছের ঘন বনকে মনে হয় প্রকৃতির তৈরি কয়েদখানা। এই মানুষগুলো ভোর চারটা থেকে এক নাগাড়ে পথ হেঁটেছে।

জামিলের চাচাতো ভাই ইদ্রিস বলছিলেন, ‘আমরা বিধ্বস্ত, পুরোপুরি বিধ্বস্ত।’ তার কণ্ঠস্বর ভাবলেশহীন- অনেকটা যন্ত্রের মতো। সিরীয় কয়েকজন বন্ধুর এই দলটি ঘন জঙ্গল আর দুর্গন্ধময় জলাভূমি পার হয়ে এখানে এসে পৌঁছেছে। পাচারকারীদের সঙ্গে প্রথম মোলাকাতটা তারা কোনওক্রমে এড়াতে পেরেছে। কিন্তু খাবার ও পানি একেবারেই শেষ।

ঠাণ্ডায় তাদের শরীর অবশ হয়ে গেছে। কিন্তু আগুন জ্বালানোর সাহস নেই। বেলারুশ থেকে সীমান্ত পার হয়ে তারা পোল্যান্ডে পৌঁছেছে। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত ইইউ জোটভুক্ত দেশে ঢুকতে পেরেছে। কিন্তু তারপরেও তারা নিরাপদ নয়। কারণ হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী, যাদের সীমান্ত পার হয়ে পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়ায় ঢুকতে উৎসাহিত করছে বেলারুশ তাদের ঠাঁই হয়েছে বন্দি শিবিরে।পোল্যান্ডের জঙ্গলে তীব্র শীতের কামড়ে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাতজনের।

নতুন পথের সন্ধান

ইদ্রিস এবং তার বন্ধুরা সেপ্টেম্বরের শেষে উত্তর ইরাক ছাড়ার সময় থেকে বিবিসি ওদের যাত্রার ওপর নজর রেখেছে। তারা যেভাবে এগিয়েছে ইদ্রিস মোবাইলে তার প্রতিটা পর্যায়ের ভিডিও করে বিবিসি-র কাছে পাঠিয়েছেন। এই দলের সবাই সিরিয়ান কুর্দি। বয়স ২০-এর কোঠায়। উন্নত ভবিষ্যতের আশায় তারা ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছে। এদের সবার বাড়ি সিরিয়ার কোবানিতে, যেখানে ২০১৪ সালের শেষ দিকে কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে আইএসের তুমুল লড়াই চলে।

বিশ্বের সব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মতো তাদেরও দেশ ছাড়ার পেছনে একই যুক্তি। নিজেদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বেকারত্ব, সেনাবাহিনীতে যোগদানে বাধ্য করা। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে তফাৎ ছিল একটা- সেটা হল নতুন একটি পথ ধরে তাদের যাত্রা।

ইদ্রিস বলছিলেন, বেলারুশের স্বৈরশাসক আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো যদি এই নতুন এবং কার্যত একটা নিরাপদ পথের লোভ না দেখাতেন, তাহলে তিনি হয়তো সিরিয়া ছাড়ার কথা ভাবতেন না। তার ভাষায়, ‘ইইউ-এর সঙ্গে বেলারুশের তো একটা দ্বন্দ্ব চলছে। তাই দেশটির প্রেসিডেন্ট ইইউ-এর সঙ্গে তাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছেন।’

বেলারুশে ২০২০ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনায় ইইউ দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করায় প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো ক্ষুব্ধ হন। এ বছরের গোড়ার দিকে তিনি ঘোষণা দেন, তার দেশ থেকে ইইউ-এর সদস্য দেশগুলোতে অভিবাসীদের যাওয়া কিংবা মাদক চোরাচালান ঠেকাতে কোনও পদক্ষেপ তিনি নেবেন না।

ভূমধ্যসাগরে নৌকা নিয়ে বিপজ্জনক পথে যাওয়ার বদলে অভিবাসীদের এখন বিমানপথে যেতে হবে বেলারুশে। এরপর কয়েক ঘণ্টা গাড়িতে করে সীমান্ত পর্যন্ত- তারপর সীমান্ত পার হয়ে পায়ে হেঁটে প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া কিংবা লাটভিয়া- যে কোনও একটি ইইউ দেশে ঢুকে পড়া। জুলাই আর অগাস্ট; মাত্র দুই মাসে লিথুয়ানিয়াতে যত আশ্রয়প্রার্থী ঢুকেছে তার হার পুরো ২০২০ সালের তুলনায় ৫০ গুণ বেশি। ইদ্রিস বলছিলেন, ‘এই পথ তুরস্ক আর উত্তর আফ্রিকা দিয়ে ইউরোপে ঢোকার চেয়ে অনেক সহজ।’

তিনি ও তার বন্ধুরা উত্তর ইরাকের ইরবিল থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন ২৫ সেপ্টেম্বর। ইদ্রিস সেখানে কাজ করতেন। স্ত্রী আর যমজ কন্যা সন্তানকে কোবানিতে রেখে এসেছেন। তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছেন ইউরোপে সফলভাবে পৌঁছাতে পারলে একদিন তাদেরও সেখানে নিয়ে যাবেন। সূত্র: বিবিসি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাটো তৈরি হয়নি’

‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাটো তৈরি হয়নি’

প্রায় চার কোটি নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে ফ্রান্স

প্রায় চার কোটি নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে ফ্রান্স

রাষ্ট্রদূতদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান

রাষ্ট্রদূতদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান

‘গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি তার নাগরিকের চাহিদা পূরণে সক্ষম’

‘গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি তার নাগরিকের চাহিদা পূরণে সক্ষম’

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৩৬

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের আসন্ন সম্মেলনে মিয়ানমারের অরাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দেশটির সামরিক সরকার। শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

আসিয়ান সম্মেলন থেকে মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিং অং হ্লাইংকে বাদ দিয়েছেন জোট নেতারা। এ বিষয়ে শুক্রবার এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আসিয়ানের অন্য সদস্যরা সম্মেলনে যোগ দেওয়ার যেমন অধিকার রাখে, তেমনি মিয়ামনারের সরকার প্রধানেরও সমান অধিকার আছে’।

এছাড়া আসিয়ান সনদের নিয়ম,উদ্দেশ্য ও নীতির বিরুদ্ধে যেকোনও আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না বলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার জানায়, আসিয়ান সম্মেলনে থেকে দেশটির জান্তা প্রধানকে বাদ দেওয়া জোটের নীতির পরিপন্থী।

এদিকে সামরিক প্রধানের পরিবর্তে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি থেকে আসিয়ানের সম্মেলনে কে অংশ নিতে যাচ্ছেন তা এখনও জানা যায়নি। আগামী ২৬ থেকে ২৮ শে অক্টোবর ব্রুনাইয়ে হতে যাচ্ছে ১০ সদস্য বিশিষ্ট এসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশন্সের (আসিয়ান) বার্ষিক সম্মেলন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪২

ভারী অস্ত্রসহ মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের দিকে মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার সেনা। সেখানে ব্যাপক নৃশংসতার আভাস দিয়ে সতর্ক করেছেন মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ। গত ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের পর থেকেই সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্ট উপস্থাপনকালে অ্যান্ড্রুজ বলেন, 'আমি তথ্য পেয়েছি যে মিয়ানমারের দুর্গম উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হাজার হাজার সৈন্যসহ ভারী অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, জান্তা সরকার মানবতার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের প্রস্তুতি নিচ্ছে'।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সু চি সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর থেকেই দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে সাধারণ মানুষের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে জান্তা সরকার। জান্তা বিরোধীদের ওপর চালানো রক্তক্ষয়ী অভিযানে ১ হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভের শুরু থেকে গ্রেফতারের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়েছে।

অ্যান্ড্রুজ বলেন, ‘আমাদের সকলের প্রস্তুত থাকা উচিত, মিয়ানমারের এই অংশের লোকেরা আরও বেশি গণহত্যার মুখোমুখি। আমি আশা করছি আমার আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হোক’। 

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় সেনা সদস্যরা। ফাইল ছবি

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে পুলিশ চেকপোস্টে সহিংসতার পর বহুদিন ধরে চালানো রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ জোরালো করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ বলে উল্লেখ করেছে। একে নিধনযজ্ঞ বলেছে যুক্তরাষ্ট্রও।

 

/এলকে/

সম্পর্কিত

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

প্রায় দুই বছর পর তেহরানে জুমার নামাজ

প্রায় দুই বছর পর তেহরানে জুমার নামাজ

মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানালো হামাস

মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানালো হামাস

সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

লাইভের সময় রিপোর্টারের ফোন ছিনতাই, চেহারা দেখালো চোর

লাইভের সময় রিপোর্টারের ফোন ছিনতাই, চেহারা দেখালো চোর

বড় ধরনের বিমান মহড়া চালাবে ইরান

বড় ধরনের বিমান মহড়া চালাবে ইরান

সিরিজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হামাসের

সিরিজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হামাসের

সিরিয়ার সামরিক বাসে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ

সিরিয়ার সামরিক বাসে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

সর্বশেষ

দেশের মানুষ কখনোই সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয়নি: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

দেশের মানুষ কখনোই সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয়নি: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

প্রশান্ত মহাসাগরে চীন-রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ

প্রশান্ত মহাসাগরে চীন-রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ

শ্রীলঙ্কার রহস্যময় স্পিনার ‘খেলছেন না’ বাংলাদেশ ম্যাচে

শ্রীলঙ্কার রহস্যময় স্পিনার ‘খেলছেন না’ বাংলাদেশ ম্যাচে

১২ হাজার ভর্তি পরীক্ষার্থীর ৩৮০০ জনই অনুপস্থিত

১২ হাজার ভর্তি পরীক্ষার্থীর ৩৮০০ জনই অনুপস্থিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

© 2021 Bangla Tribune