X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

জ্বালানি তেলের কারণে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম 

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ১১:০০

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দেশে বাড়ছে সকল প্রকার নিত্যপণ্যের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি নির্ভর পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। জ্বালানি তেলের দাম না কমলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম। সরকারি মহল বলছে, নিত্যপণ্যের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।

জানা গেছে, লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে বিশ্ববাজারে এখন প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৮০ ডলারে এসে ঠেকেছে। জ্বালানি তেলের এই দাম গত সাত বছরের মধ্যে বিশ্ববাজারে এখন সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর গত জুনে করোনার প্রকোপের মধ্যে প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রতি ব্যারেলের দাম ৭৫ ডলারে ওঠে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের পাশাপাশি রেন্ট ক্রুড অয়েল ও হান্টিং অয়েলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত এক মাসে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ শতাংশ। আর হান্টিং অয়েলের দাম বেড়েছে ১৭ শতাংশের ওপরে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা চাল বাজারে উঠতে শুরু করায় উচ্চমূল্যেই স্থির হয়ে আছে সকল প্রকার চালের দাম। বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। এ সময় বেড়েছে আটা-ময়দার দামও। চিনির দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ব্যবসায়ীদের পছন্দের দামেই বিক্রি হচ্ছে চিনি।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ আন্তর্জাতিক বাজার। আমদানি নির্ভর এসব পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে এর প্রভাব এখানকার বাজারে বাড়বেই। এর ওপর যুক্ত হয়েছে পরিবহন খরচ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে দেশে বিদেশে সর্বত্রই পরিবহন খরচ, বিশেষ করে জাহাজ ও ট্রাক ভাড়া বেড়েছে। যা পণ্যের মূল্যে প্রভাব ফেলেছে। 

এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, পেঁয়াজ হারভেস্ট করেছে সেই এপ্রিল মাসে, এতদিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। পেঁয়াজ চাষিরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনও ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। গ্রীষ্মকালীন ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ বাজারে আসার পরপরই আগামী ১৫ থেকে ২ দিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব তো কেউ আটকে রাখতে পারবে না। এর প্রভাব তো পড়বেই। তবে নিত্যপণ্যের দাম অবশ্যই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।

/এমআর/এনএইচ/

সম্পর্কিত

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

ফের বাড়লো চালের দাম

ফের বাড়লো চালের দাম

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২০:১২

দীর্ঘদিন পর গুজবের সপ্তাহ পার করলো দেশের শেয়ার বাজার। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানের পদত্যাগের গুজবে গত সপ্তাহটি এই বাজারের জন্য মোটেও ভালো ছিল না। অবশ্য সপ্তাহের শেষ দিনে বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়,  গেল সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন হারিয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৫৫ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ৭ হাজার ৭৬ পয়েন্টে। অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৭২ পয়েন্ট।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সূচকের বড় উত্থানকে মিলিয়ে দেয় ‘গুজব’। তাও লেনদেনের শেষ এক ঘণ্টায়। এ সময় বাজারে ব্যাপকভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন। এ গুজবের সত্যতা নিশ্চিত না হয়েই একদল বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রিতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। তাতে ওইদিন শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স হারায় ৭৭ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ।

বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়,  গেল সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজার বড় ধরনের মন্দার মধ্যে দিয়ে পার করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন হারিয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে। শুধু তাই নয়, বড় অংকের মূলধন হারানোর পাশাপাশি কমেছে সবকটি মূল্যসূচক। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের গতিও। এর আগের সপ্তাহও মন্দার মধ্য দিয়ে পার করে দেশের শেয়ারবাজার। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন কমে ২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ টানা দুই সপ্তাহে ১২ হাজার কোটি টাকার ওপরে মূলধন হারালো ডিএসই।

বাজারের তথ্য বলছে, গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৫ লাখ ৮০ হাজার ১১২ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১০ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গেল সপ্তাহে ডিএসইতে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার চেয়ে ১১ গুণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে ৩৩৮টির। আর ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৬৭ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ৯৯ দশমিক ৭০ পয়েন্ট। অর্থাৎ টানা দুই সপ্তাহের পতনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ২৬৬ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি গত সপ্তাহে কমেছে ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৪৯ দশমিক ২৭ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ২৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট। এছাড়া বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকও টানা পতনের মধ্যে রয়েছে। গত সপ্তাহজুড়ে এ সূচকটি কমেছে ১৯ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৪৮ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

বাজারের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৮১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এই হিসেবে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৩০১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬ হাজার ৪৩ কোটি ৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ৯ হাজার ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ১৯ কোটি ৮ লাখ টাকা বা ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। মোট লেনদেন বেশি হারে কমার কারণ গত সপ্তাহে ঈদে মিলাদুন্নবীর কারণে এক কার্যদিবস কম লেনদেন হয়েছে।

/এমএস/

সম্পর্কিত

ফের বাড়লো চালের দাম

ফের বাড়লো চালের দাম

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

ফের বাড়লো চালের দাম

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৩০

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে অস্বস্তি কাটছে না সাধারণ মানুষের। সয়াবিন, চাল, সবজি ও মুরগি বেশ কিছু দিন ধরে নিম্ন আয়ের মানুষদের ভোগাচ্ছে। এরমধ্যে আবারও বেড়েছে চাল, চিনি, মুরগি, সয়াবিন তেলসহ আরও কিছু নিত্যপণ্যের দামও।

বাজারের তথ্য বলছে, নতুন করে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকার মতো। এছাড়া গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে নতুন করে চিকন চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতিলিটারে বেড়েছে ৫ টাকার বেশি। একইভাবে ১ লিটার ওজনের বোতলজাত সয়াবিনের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েলের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৩ টাকা। শুধু তা-ই নয়, রাজধানীর বাজারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির আজকের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

এদিকে ব্যবসায়ীরা পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। আর লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ২২০ থেকে ২৩০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আদা, পেঁয়াজ ও রসুন ছাড়া প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। তারা বলছেন, গত সপ্তাহে যে সরু চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকা কেজি দরে, সেই চাল আজ বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা দরে। অর্থাৎ এই সপ্তাহে নতুন করে সরু চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা।

টিসিবির হিসাব বলছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি চালের দাম বেড়েছে প্রায় তিন শতাংশের মতো। আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম এখন ১৪৫ টাকা লিটার। গত সপ্তাহে এই সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা লিটার। অর্থাৎ গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে ৫ টাকার বেশি। একইভাবে ১ লিটার ওজনের বোতলজাত সয়াবিনের দাম এখন ১৫৫ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল  ১৫০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েলের দাম এখন ১৩২ টাকা লিটার। আগের সপ্তাহে ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা লিটার। চিনির দাম এখন ৮২ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে প্রতিকেজি চালের দাম ছিল ৭৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতিকেজিতে দাম বেড়েছে ৩ টাকা।

জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় বেশ কিছু দিন ধরে হতাশা ব্যক্ত করছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। মানিকনগর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা সালমান রব্বানি বলেন, বিনা কারণে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। এটা আমাদের মতো সীমিত আয়ের মানুষদের জন্য অস্বস্তিকর।

এদিকে সবজি ব্যবসায়ীরা আগের মতোই বেশি দামে বিক্রি করছেন গাজর ও টমেটো। মানভেদে এক কেজি গাজর ১০০ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। এর বাইরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য সব সবজি। শীতের আগাম সবজি শিম গত সপ্তাহের মতো কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ছোট ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়সের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাল শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা হয়ে গিয়েছিল। সরকার শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পর ৬০ টাকায় নেমেছে। বাজারের তথ্য বলছে, গত সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে দেশেও চাল, ডাল, তেল, আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্থির হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলছে, সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, যা আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশে দাঁড়ানোর অর্থ হলো গত বছরের সেপ্টেম্বরে যে পণ্যটি ১০০ টাকায় কেনা যেত, সেটি কিনতে এ বছরের সেপ্টেম্বরে লেগেছে ১০৫ টাকা ৫৯ পয়সা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ওয়েবসাইটে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস। এতে দেখা যাচ্ছে, শহর ও গ্রাম দুই জায়গাতেই খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার সেপ্টেম্বরে বেড়ে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ হয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য বলছে, নিত্যপণ্যের চেয়ে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের পেছনে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে মানুষের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহন, আসবাব ও বিনোদনের পেছনে খরচ বেড়েছে।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

পেঁয়াজ নিয়ে খেলে কারা?

পেঁয়াজ নিয়ে খেলে কারা?

নতুন পেঁয়াজ আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই: বাণিজ্য সচিব

নতুন পেঁয়াজ আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই: বাণিজ্য সচিব

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছেই

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছেই

দাম বেড়েছে নিত্যপণ্যের, নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি

দাম বেড়েছে নিত্যপণ্যের, নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ২১:২১

বিদেশ থেকে দেশে অনেকেই টাকা পাঠান। তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়। কেবল রেমিট্যান্সের বিপরীতে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হয়। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে কোনও প্রণোদনা দেওয়া হয় না। রেমিট্যান্সের সুবিধা পেতে বেশ কয়েকটি শর্ত ও কিছু নিয়ম মানতে হয়। যারা এসব নিয়ম ও শর্ত মানেন না তারা বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আনার পরও রেমিট্যান্সের এই সুবিধা পান না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশ থেকে টাকা আনলেও রেমিট্যান্সের স্বীকৃতি না পাওয়ার কারণে অনেকেই ২ শতাংশ হারে প্রণোদনার সুবিধা পান না। 

তৈরি পোশাকের পরে অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি ‑ যা দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে রাখতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী রেমিট্যান্সের সুবিধা পেতে হলে সরাসরি বিদেশে থাকার পাশাপাশি সেখানে বৈধভাবে আয় করতে হবে। এছাড়া বিদেশে অবস্থিত বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে অথবা ওইসব দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে "রেমিট্যান্স" ঘোষণা দিয়ে টাকা পাঠাতে হবে।

সাধারণত, মানিগ্রামসহ বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল মানি ট্রান্সফার কোম্পানির মাধ্যমে বেশিরভাগ রেমিট্যান্স আসে। তবে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমেও কিছু রেমিট্যান্স দেশে আসে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রবাসে যারা ছোট-খাটো চাকরি করেন, তারা রেমিট্যান্সের ঘোষণা দিয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে যে টাকা পাঠান সেগুলোকে সাধারণত আমরা রেমিট্যান্স বলি। এছাড়া বিভিন্ন দেশে অনেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য করে অল্প পরিমাণ টাকা পাঠালে সেগুলোও রেমিট্যান্স। অর্থাৎ প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকরা তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছে ঘোষণা দিয়ে টাকা পাঠালে রেমিট্যান্স হিসেবে স্বীকৃত হবে।

জানা গেছে, রেমিট্যান্সের বিপরীতে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোকে উৎসাহিত করতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রতি ১০০ টাকায় দুই টাকা করে নগদ প্রণোদনা পাচ্ছেন প্রবাসীর স্বজনরা। এ প্রণোদনা দিতে গত অর্থবছরে মূল বাজেটে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। এর আগের অর্থবছরে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেটে রেমিট্যান্স খাতে প্রণোদনার পরিমাণ বাড়িয়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, প্রবাসী শ্রমিকরা যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠাচ্ছেন, তা দেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় অর্ধেক। এছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেমিট্যান্সের অবদান মোট জিডিপির ১২ শতাংশের মতো। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, করোনার মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসীরা দুই হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার রেকর্ড সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। যেখানে আগের অর্থবছর পাঠিয়েছিলেন এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার।

রেমিট্যান্সের শর্ত

রেমিট্যান্সের সুবিধা পেতে দেশের বাইরে সশরীরে থাকতে হবে। ওই দেশে বৈধভাবে থাকার অনুমতির পাশাপাশি থাকতে হবে ওয়ার্ক পারমিট ও বৈধ নিয়োগপত্র। এছাড়াও বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করলে তার বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশে অবস্থিত বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ হাউজে গিয়ে অথবা ওইসব দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে গিয়ে রেমিট্যান্সের ঘোষণা দিয়ে পাঠানো টাকার বিপরীতে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,  রেমিট্যান্স হিসেবে টাকা পাঠাতে গেলে প্রথমত সোর্স অব মানি বা টাকার উৎস কি সেটা জানাতে হয়। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কাউকে কোনও টাকা পাঠাতে গেলে এন্টি মানি লন্ডারিংয়ের পার্ট হিসেবে বেশ কিছু তথ্য দিতে হয়। যেসব ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে প্রবাসীরা টাকা পাঠান, ওই সব ব্যাংকের কাছে রেমিট্যান্স সংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ওই টাকা দেশে আসার পর বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো টাকার উৎস ও বিভিন্ন তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করার পর রেমিট্যান্স হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

২০১৯ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুসারে, বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স ২০১৮ সালে ৬৮৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। ২০১৮ সালে রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশ ৯ম স্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রবাসীরা মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, কাতার, আরব আমিরাত, কুয়েত, মিসর, মরক্কো, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

যেগুলো রেমিট্যান্স নয়

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, অনেকেই বিদেশ থেকে টাকা পাঠান সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য। সেটাকে রেমিট্যান্স বলে না। ওই টাকার বিপরীতে কোনও প্রণোদনা দেওয়া হয় না। এছাড়া অনেকেই বিদেশ থেকে গিফট হিসেবে টাকা পাঠান। সেগুলোও রেমিট্যান্স নয়।

বিদেশ থেকে অনেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এওয়ার্ড বা পুরস্কারের টাকা পান। সেটাও রেমিট্যান্স নয়। অনেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেমিনারে বক্তৃতা করে টাকা আয় করেন, সেটাও রেমিট্যান্স নয়। অনেকে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শকের চাকরি করেন, সেখান থেকে পাঠানো টাকাও রেমিট্যান্স নয়।

অনেকে বিবিসি, ডয়েচেভেলেসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে চাকরি করেন, সেখান থেকে পাঠানো টাকাও রেমিট্যান্স নয়। কারণ উল্লেখ করে জায়েদ বখত বলেন, তারা দেশের ভেতরে থেকে কাজ করছেন। এটা এক ধরনের রফতানি আয়। তারা বিদেশে সেবা রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেন। একইভাবে অনেকেই দেশে থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে মুদ্রা আয় করেন, সেগুলোও রেমিট্যান্স নয়। এগুলো সেবা রফতানি। এছাড়া পণ্য রফতানি আয়ও রেমিট্যান্স নয়। আবার বিদেশি বিনিয়োগ বা ফরেন ইনভেস্টমেন্ট বা এফডিআই রেমিট্যান্স নয়।

/এমএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

সাগরে দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:২৩

টেক্সটাইল এবং পোশাকখাতে আরও পারস্পরিক সুবিধা লাভের জন্য এশিয়ার মধ্যে আঞ্চলিক ভ্যালু চেইন ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করেন তৈরি পোশাক মালিক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল’র ১৩তম সংস্করণে এসব কথা বলেন ফারুক হাসান। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) আয়োজিত ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নেন ভারতের বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম জারদোস, সিআইআই ন্যাশনাল কমিটি অন টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের চেয়ারম্যান দিলীপ গৌর, কো-চেয়ারম্যান কুলিন লালভাই, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্র্যান্ডিং লঙ্কা গ্রুপের পরিচালক সুচিরা সুরেন্দ্রনাথ, সিআইআই (উত্তর অঞ্চল) চেয়ারম্যান অভিমণ্য মুঞ্জাল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন,  প্রতিবেশী দেশগুলো যদি একে অপরের পরিপূরক হতে পারি, তাহলে আমাদের একসঙ্গে বেড়ে উঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

তিনি জানান, উচ্চ প্রবৃদ্ধির রূপকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ টেক্সটাইল উপাদানকে বৈচিত্র্যময় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে কটন থেকে নন-কটনে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। যার লক্ষ্য হচ্ছে পরিমাণ থেকে গুণ-মান এবং ভলিউম থেকে ভ্যালুতে ঘুরে দাঁড়ানো।

তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কটন থেকে নন-কটনে যাওয়ার মাধ্যমে পণ্যে বৈচিত্র্য আনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি, তাই বাংলাদেশ ভারতীয় এমএমএফ টেক্সটাইলগুলোর জন্য ভালো বাজার হতে পারে। আমরা যত বেশি পোশাক রফতানিতে উন্নতি করতে পারবো, ততই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, ডাইস, কেমিকেল এবং যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ভালো হবে। তিনি ভারত এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নন-কটন টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

ফারুক হাসান টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য এই অঞ্চলের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তির বিনিময়ের ওপরও জোর দেন। তিনি বলেন, আমরা ২০০০ সালে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) নামে একটি ফ্যাশন-ডিজাইনিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। একটি উদ্ভাবন কেন্দ্রও স্থাপন করতে যাচ্ছি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো এবং ভারতের ফ্যাশন একাডেমিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে, যেখানে আমরা একে অপরের পরিপূরক হতে পারি।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

বিমানবন্দরের স্ক্যানার সচল করার অনুরোধ বিজিএমইএ’র

বিমানবন্দরের স্ক্যানার সচল করার অনুরোধ বিজিএমইএ’র

ব্রাজিলের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় বিজিএমইএ

ব্রাজিলের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৮:১৭

টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে দেওয়া চিঠিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

চিঠিতে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘সম্প্রতি মুদ্রাবাজারে টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বিষয়ক লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান রক্ষা করার জন্য ডলারের মূল্য সহনীয় ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আশু হস্তক্ষেপ অপরিহার্য। দেশের বৃহত্তর অর্থনীতির স্বার্থে টাকার বিপরীতে ডলারের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’

চিঠিতে তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য হ্রাস পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সোমবার (১৮ অক্টোবর) আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৬.২০ টাকা। অন্যদিকে, খোলা বাজারে ও নগদ মূল্যে ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৯.৫০ টাকা। সংশ্লিষ্টরা ডলারের এই দাম আগামীতে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছেন।’

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতিসহ সব ধরনের পণ্যের আমদানি বাড়ছে। ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। করোনার মধ্যেই দেশের শিল্প-কারখানা পুরোদমে চালুর নির্দেশনা দেওয়ায় বর্তমানে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘টাকার বিপরীতে হঠাৎ ডলারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে আমদানি করা পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যার দায়ভার শেষ পর্যন্ত ভোক্তা সাধারণকেই বহন করতে হবে। একইসঙ্গে মহামারিগ্রস্ত অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে।’

চিঠিতে তিনি আরও বলেন, ‘দেশে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি অক্ষুণ্ণ রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজার বিশেষ করে ডলারের মূল্য সব সময় গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে স্থিতিশীল রাখার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।’

 

/জিএম/আইএ/

সম্পর্কিত

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

যেকোনও কোম্পানির আর্থিক হিসাব যাচাই করতে পারবে এনবিআর

যেকোনও কোম্পানির আর্থিক হিসাব যাচাই করতে পারবে এনবিআর

সর্বশেষ

‘আমাদের ঘরে আগুন লেগেছে, কেউই নিরাপদ নই’

‘আমাদের ঘরে আগুন লেগেছে, কেউই নিরাপদ নই’

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

সবাই দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকারী: প্রধান বিচারপতি

এখন সবার আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো: শিক্ষামন্ত্রী

এখন সবার আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো: শিক্ষামন্ত্রী

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

‘খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

সেন্টমার্টিন থেকে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

সেন্টমার্টিন থেকে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

‘মরীচিকা’র পর ওয়েবে তাদের নতুন ‘সিন্ডিকেট’

‘মরীচিকা’র পর ওয়েবে তাদের নতুন ‘সিন্ডিকেট’

ফেসবুকে একাধিক উসকানিমূলক পোস্ট, যুবক গ্রেফতার

ফেসবুকে একাধিক উসকানিমূলক পোস্ট, যুবক গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

গুজবের সপ্তাহে শেয়ার বাজারের ১০ হাজার কোটি টাকা হাওয়া

ফের বাড়লো চালের দাম

ফের বাড়লো চালের দাম

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

তৈরি পোশাকশিল্পে এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি: বিজিএমইএ সভাপতি

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

© 2021 Bangla Tribune