X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

একজন কেকের কারিগর

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৬, ১৭:০৩
image

সুমি’স হট কেকের কেক চেখে দেখেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিনই বটে! সুমি’স হট কেকের প্রতিষ্ঠাতা ফারজানা শেখ সুমি জীবনের প্রথম কেকটি তৈরি করেছিলেন নিজ বাসায়। তারপর ধীরে ধীরে নিজ প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছেন আজকের বিরাট এ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে সুমি’স হট কেকের মোট ২৬টি শাখা রয়েছে। শুরু থেকে আজকের অবস্থানে আসার পেছনের গল্প সুমি শোনালেন বাংলা ট্রিবিউনকে।     

ফারজানা শেখ সুমি

এক সময় অনুষ্ঠানে কেক কাটাকে বিলাসিতা বলে মনে করা হতো। তবুও উচ্চবিত্তরা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসতেন। তখন পর্যন্ত অবশ্য জন্মদিন ছাড়া কেক কাটাও হতো না তেমন। ফারজানা শেখ সুমি সে সময় যশোর থাকতেন স্বামীর সঙ্গে। সিদ্দিকা কবিরের রেসিপি বই দেখে বেক করার চেষ্টা করতেন প্রায়ই। ‘সেটা ১৯৮০ সালের কথা। আমার প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে স্বামীকে বললাম একটা কেক নিয়ে আসতে। তখন পূর্বানীর কেক ছিলো বিখ্যাত। আবদার করেছিলাম সেখান থেকে একটা কেক নিয়ে আসার জন্য। কেক কাটার আগে কৌতূহলী হয়ে কেকের দাম জিজ্ঞেস করলাম। দাম শুনে তো আমি অবাক! কারণ দামটা ছিলো আমার স্বামীর বেতনের প্রায় অর্ধেক। এতো দাম একটি কেকের! খুব খারাপ লাগলো আমার। বললাম, একটা কাজ করো। আমাকে একটা ওভেন কিনে দাও। আর কখনো কেক কিনতে বলবো না। নিজেই বানিয়ে নিবো কেক’- বলেন সুমি। কিন্তু সেই ওভেন কেনাটাও খুব সহজ ছিল না। তখন একটা ওভেনের দাম ছিলো ৩৩০০ টাকার মতো। সেটা জোগাড় করার সামর্থ ছিল না সুমি দম্পতির। প্রায় ৩ বছর পর টাকা জমিয়ে ওভেন কিনতে সমর্থ হন সুমি। ততদিনে প্রথম ছেলে চলে এসেছে কোলে। ছেলের ২ বছরের জন্মদিনে নিজের হাতে কেক বানিয়ে সর্বপ্রথম সবার সামনে পরিবেশন করেন তিনি। এছাড়া স্বামীর কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন পার্টিতে টুকটাক কেক বানাতেন। সামর্থের অভাবে তখন কারোর জন্মদিনে বেড়াতে যাওয়ার সময় দামী উপহার না কিনে নিজ হাতে বানানো দুই পাউন্ডের কেক নিয়ে যেতেন। দেখা যেতো সবাই অন্যান্য জায়গা থেকেও কেক নিয়ে এসেছে। পাশাপাশি সাজানো থাকতো সুমির কেক ও দোকান থেকে নিয়ে আসা কেক। কিন্তু বাসায় বানানো কেকটিই শেষ হয়ে যেত আগে! সবাই জিজ্ঞেস করতো কে বানিয়েছে এত মজার কেক! অনেকে আবদার করতো তাকেও এরকম কেক বানিয়ে দেওয়ার জন্য। এভাবে একটু একটু করে বাড়তে থাকলো সুমির পরিচিতি।

সুমি`স হট কেকের কেক। ছবি তুলেছেন খালেদ পারভেজ রানা

‘প্রথম প্রথম দু’একজনকে কেক বানিয়ে দিতে শুরু করলাম। যেটুকু খরচ হতো কেবল সেটুকুই নিতাম ওদের কাছ থেকে। কিন্তু দিন দিন কেক বানানোর অর্ডার বাড়তে থাকলো। দেখলাম এভাবে আর কুলিয়ে উঠতে পারছি না। বাসার মধ্যে সারাদিন বেকিংয়ের গন্ধ হয়ে থাকতো! আমার স্বামী বিরক্ত হতেন। তিনি তখন বললেন দোকান দিয়ে ভালো মতো কাজটি শুরু করতে। তখনই হঠাৎ করে পেপারে সোবহানবাগের একটি দোকানের খবর পেলাম। কিন্তু সেখানে শুরু করার জন্য প্রায় চার লাখ টাকা লাগবে। তখন এটা জোগাড় করা আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। অনেক কষ্টে ধার দেনা করে টাকা জোগাড় করে ১৯৯১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সোবহানবাগে শুরু করলাম আমার প্রথম দোকান সুমি’স হট কেক। এরপর আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি’-বলেন সুমি। তবে শুরুটা খুব সহজ ছিল না। অনেক কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়েছে আজকের অবস্থানে আসার জন্য।’ ছোট্ট পরিসরে যখন শুরু হয় সুমি’স হট কেক, তখন কি তিনি ভেবেছিলেন একদিন এতো বড় একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হবে এটি? ‘একদম না! স্বপ্নেও ভাবিনি যে সুমি এতো মানুষের ভালোবাসা পাবে। তবে আমি কৃতজ্ঞ সবার প্রতি, যারা আমার নিষ্ঠার দাম দিয়েছেন’ বলেন সুমি।

চলছে কেক তৈরি

সে সময় সোবহানবাগে পাঁচটি বেকারি ছিল। সবাই বলল এখানে শুরু করাটা বোকামি হচ্ছে। একজন মহিলা মানুষ কি পারবে এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে? আমি বললাম, আমি তো জানি না কি হবে। তবে আমি ভালো কিছু করবো আশা করি। তখনও সবাই কটাক্ষ করে বলেছে বাসায় বানানো আর দোকান দেওয়া কি সমান? কিন্তু আমার আত্নবিশ্বাস ছিল যে আমি পারবো’- জানান তিনি। সুমি মনে করেন সোবহানবাগের দোকানটা তার জন্য সৌভাগ্যের প্রতীক। এটাকে সবসময় এখানেই রাখতে চান তিনি।সুমির এই জনপ্রিয়তার কারণ কী? কোন বিশেষত্বের জন্য সুমি’স হট কেক সবার চেয়ে ব্যতিক্রম? সুমি মনে করেন তার কেকের স্বাদে এক ধরণের ঘরোয়া ব্যাপার আছে। একেবারে শুরুতে যেটা ছিল। যা মানুষ সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। এছাড়া কেকে কোনও ধরনের কেমিক্যাল দেন না তিনি। ‘যদিও কেমিক্যাল দিলে অনেক বেশি মজার হয় কেক। কিন্তু কেমিক্যাল ব্যবহার করে স্বাদ বাড়ানোর চেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়ে কেক বানানোতেই আমি মানসিক শান্তি পাই’- বলেন তিনি। আরও একটা ব্যাপার সুমিকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। সেটা হচ্ছে কেকের আকার। সাধারণ কেকের চাইতে সুমির কেক সবসময়ই খানিকটা বড় হয়। ‘প্রথম বিয়ে বার্ষিকীতে কেনা কেকটি দেখে আমার মনে হয়েছিলো এত ছোট কেকের এত দাম! তখন থেকে এই ব্যাপারটা আমার মাথায় ছিল। আমি সবসময় ভেবেছি আমার দোকানের কেক অন্যান্য কেকের থেকে বড় হবে। আমার কথা হলো যে টাকা দিয়ে কেক কিনবে সে যেন সন্তুষ্ট হয়। আমার মতো যেন মনে না করে যে এতগুলো টাকার কেক এত ছোট! মানুষ কেক খেয়ে খুশি হলেই আমি খুশি! কারণ কেবল ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেই আমরা কেক বানাই না, মানুষকে পরিতৃপ্ত করতে বানাই কেক’ জানান সুমি।

নিজের তৈরি কেক নিয়ে সুমি  উদ্যোক্তা হিসেবে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন নারীরা। এক্ষেত্রে সুমির পরামর্শ কী? সুমি মনে করেন সমস্যা সবখানেই থাকে। এখনকার মেয়েরা তো সবাই কিছু না কিছু করছে। যে যা ভালো পারে, তার সেটাই করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। যেমন কেউ যদি সেলাই ভালো পারে, সে সেলাই করুক। কেউ ভালো পিঠা বানালে সে সেটাকেই পেশা হিসেবে নিক। ‘একজন মেয়ের বাড়তি দক্ষতা যে সে সবকিছুতেই দক্ষ! কারণ একজন মেয়ে একই সঙ্গে মা এবং স্ত্রী। সে কিন্তু একটা বাদ দিয়ে অন্যটা নিয়ে চলতে পারবে না। সবাই সহযোগিতা করলে একজন মেয়ে পারে না এমন কাজ নেই। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আত্নবিশ্বাস। সবাই পারলে আমিও পারবো- এই মনোভাবটা থাকতে হবে’- বলেন সুমি। এদিক থেকে সুমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। কারণ কাজের ক্ষেত্রে পরিবারের পূর্ণ সহায়তা পেয়েছেন তিনি। স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই সাহায্য করেছেন। ‘ছেলেরা যখন ছোট ছিলো ওদের নাস্তা করিয়ে স্কুলে নামিয়ে চলে যেতাম ফ্যাক্টরিতে। কাজ গুছিয়ে দুপুরের মধ্যে ফিরে আসার চেষ্টা করতাম। যেন সবাই একসঙ্গে দুপুরে খেতে পারি। এখন আমার দুই ছেলেই দেখছে সুমি’স হট কেক’- বলেন সুমি।

১৯৮৩ সালে ছেলের জন্মদিনে নিজের তৈরি প্রথম কেক

অনেকে মনে করে কাজ শুরু করার জন্য পুঁজি অনেক বড় বিষয়। সুমি তাদের একদম ছোট থেকে শুরু করার পরামর্শ দেন। একবারে কেউ বড় হতে পারে না। আস্তে আস্তে সে উপরে ওঠে। অনেক বড় পরিকল্পনা নিয়ে আসলেই যে সে সফল হবে, এমন কোন কথা নেই। বরং প্রথমে ছোট পরিসরে কাজ শুরু করতে হবে। ধীরে ধীরে দোকানে সাপ্লাই দেওয়া শুরু করা যেতে পারে। এভাবে একদিন সে নিজেই একটা দোকান দিয়ে দিতে পারে। এখন অনেকে বাসায় বসে কেক বানাচ্ছেন। অনলাইনে যোগাযোগ করছেন, সেগুলো সরবরাহ করছেন দোকানে। এগুলো খুবই আশার কথা। এ ধরণের প্রচেষ্টা বেকারির মানকে আরও উন্নত করছে সন্দেহ নেই। ‘আমাদের সময়ে তেমন কোন বেকারি ছিলো না। এখন নতুন প্রজন্ম অনেক নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে আসছে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছে। অনেক ভালো করছে ওরা। এখন দেখা যায় মানুষ কারোর বাসায় যাওয়ার সময় মিষ্টির বদলে কেক নিয়ে যেতে পছন্দ করছে। ফলে কাজের সুযোগ অনেক বেশি এখন’- বলেন সুমি। 

সুমি জানান, আরেকটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে যেকোন কাজের ক্ষেত্রে। মানুষ ভালো কিছু গ্রহণ করবেই। তাই নিজের কাছে সৎ থাকতে হবে সবসময়।

/এনএ/

সম্পর্কিত

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৭:৫০

হলুদ খাওয়ার উপকারের কথা মোটামুটি সবারই জানা। তবে ত্বকের যত্নেও এর ব্যবহার হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে।

 

উজ্জ্বলতা বাড়ায়

আগে থেকেই কাঁচা হলুদ গায়ে মাখার চল রয়েছে। বিভিন্ন উৎসবেও ত্বকে হলুদ মাখা হয়। মূলত হলুদে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও আন্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান মানুষের ত্বকের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়ায়। দই, মধু ও হলুদ দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ২০/২৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

 

ব্রণ দূর করে

ব্রণ নিয়ে টিনএজ বয়স থেকেই শুরু হয় মাথাব্যথা। হলুদ মিশ্রিত একটি প্যাক ব্রণ সমস্যা দূর করতে পারে সহজেই। এক চা চামচ দই ও এক চা চামচ মুলতানি মাটির  সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে সঙ্গে খানিকটা গোলাপ জল দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এ প্যাক ব্যবহারে ব্রণ যাবে পালিয়ে।

 

কালো দাগ হটাতে

মুখে বা চোখের নিচে কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) দূর করতে দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ায় এক টেবিল চামচ দই ও দুই ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানান। দাগের ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে চালিয়ে যেতে হবে কয়েকদিন।

 

ফাটা দাগ দূর করে

বিশেষ করে সন্তান জন্মদানের পর মায়েদের পেটের নিচে ফাটা দাগ দেখা দেয়। এক টেবিল চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে ফাটা দাগের জায়গাগুলোতে মেখে রাখুন এক ঘণ্টা পর্যন্ত। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

/এফএ/

সম্পর্কিত

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৫:৩৬

পুষ্টির বিচারে মিষ্টি আলু স্বাভাবিক গোল আলুর মতো নয়। বরং ওটার চেয়ে ঢের এগিয়ে। একটি মাঝারি মিষ্টি আলুতেই প্রতিদিনকার চাহিদার চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ আছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হৃৎপিণ্ড ও কিডনি ভালো রাখার উপাদানও আছে এতে। ফাইবারেরও বেশ ভালো উৎস মিষ্টি আলু। আছে ভিটামিন বি, সি, ডি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, থায়ামিন ও জিংক।

 

মিষ্টি আলুর ক্ষীর বানাতে যা যা লাগবে

  • ২ টেবিল চামচ ঘি।
  • ৪ কাপ দুধ।
  • ১ চা চামচ সবুজ এলাচ গুঁড়ো।
  • ৬টা কাঠবাদাম কুচি।
  • ৫০০ গ্রাম মিষ্টি আলু, গ্রেট করা।
  • ৬টা কাজুবাদাম কুচি।
  • দেড় কাপ চিনি।
  • ৫-৬ টুকরো জাফরান।

 

যেভাবে বানাবেন

  • একটি প্যানে মাঝারি আঁচে ঘি ঢালুন। গরম হয়ে এলে তাতে বাদামকুচিগুলো ভাজুন। বাদামের রং বাদামি হয়ে এলে তুলে রাখুন। বাড়তি ঘি-টাও রেখে দিন।
  • ওই প্যানে এবার গ্রেট করা মিষ্টি আলুর কুচিগুলো দিয়ে নেড়েচেড়ে পাঁচ মিনিট ভাজুন।
  • আলু খানিকটা নরম হয়ে আসতে শুরু করলে তাতে দুধ দিন। ১০ মিনিট রান্না করুন। এরপর চিনি ঢেলে নেড়েচেড়ে ভালো করে মিশিয়ে আরও ৫ মিনিট মাঝারি আঁচে রাখুন।
  • এলাচ গুঁড়ো ও জাফরান দিয়ে আরও ২-৩ মিনিট রান্না করুন।
  • এরপর আঁচ কমিয়ে তাতে ভেজে রাখা বাদামকুচি মিশিয়ে দিন। চাইলে গরম গরম পরিবেশন করতে পারেন, কিংবা রেখে দিতে পারেন ফ্রিজে।

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০৮:০০

মাছ কিনতে বাজারে গেলেই বিপদে পড়ে যান অনেকে। মাছ টিপেটুপেও নিশ্চিত হতে পারেন না। সিদ্ধান্তহীনতায় কেটে যায় অনেকটা সময়। দরদামের চেয়েও তাদের টেনশনটা হলো, মাছ পচা হবে না তো? তাদের জন্য রইলো তাজা মাছ চেনার সহজ কিছু টিপস।

 

নাকের ওপর ভরসা

কাজটা একটু অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে তাজা মাছ চিনতে এটা বেশ কাজের। মাছটাকে সম্ভব হলে নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকে দেখুন। তাজা মাছ হলে বিশেষ কোনও গন্ধ পাবেন না। নদী বা সমুদ্রের তাজা মাছ হলে খানিকটা শ্যাওলা পানির গন্ধ পেতে পারেন। তবে সেটা নাকে ধাক্কা দেবে না। আর যদি কড়া আঁশটে গন্ধ পান, তবে বুঝতে হবে মাছটা পুরোপুরি পচা না হলেও বাসি। কিছু সময় পরই পচন ধরবে। এই গন্ধটা রান্নার পরও থাকবে।

 

চোখ লুকানো যায় না

মাছে যতই রাসায়নিক দেওয়া হোক, এর চোখ কিন্তু ঢাকা যায় না। তাই হাত দিয়ে ধরার আগে মাছের চোখ দেখুন। তাজা মাছের চোখটাও জ্বলজ্বলে হবে। চোখ যত সাদা ও ঘোলাটে হবে, ধরে নিতে হবে মাছটা তত পচে যাওয়ার কাছাকাছি পর্যায়ে আছে।

 

ত্বক পরীক্ষা

তাজা মাছের বাহ্যিকটা হবে বেশ চকচকে, যাকে বলে মেটালিক টেক্সচার। বাসি মাছের ত্বক হবে ফ্যাকাসে। আবার তাজা মাছের গায়ে জোরে হাত দিয়ে ঘষা দিলেও সহজে আঁশ ছুটে আসবে না। সবশেষে অনেকের মতো মাছটা টিপেও দেখুন। আঙুল সরানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি বাউন্স করে আবার ত্বক সমান হয়ে যায় তবে মাছটা তাজাই আছে। পচা হলে দেবেই থাকবে কিংবা উঠে আসতে সময় লাগবে।

 

কানকোর রঙ

তাজা মাছের কানকো হাত দিয়ে তুলে দেখাতে বিক্রেতারা সবসময়ই তৎপর। তাজা মাছের কানকোর রঙ দেখতে ভেজা মনে হবে। আর বাসি মাছ হলে কানকোর রঙটাকে শুকিয়ে যাওয়া মনে হবে। আবার আঙুল দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন, রংটা আসল না নকল। তাজা মাছের কানকোর রঙটা হয় সচরাচর গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের।

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ০৮:০০

কোরবানিতে রান্না মাংস খেতে আর ইচ্ছে করছে না? এবার চেষ্টা করে দেখুন ভিন্ন কিছু। সহজেই বানাতে পারেন বিফ চিজ বার্গার।

 

প্যাটির জন্য যা যা লাগবে

  • বড় চাকা ও হাড়ছাড়া আঁশযুক্ত মাংস ২০০ গ্রাম (২ পিসে ২০০ গ্রাম হয় এমন হলে ভালো)।
  • পরিমাণমতো লবণ।
  • তেজপাতা ২টি।
  • এলাচ ও লবঙ্গ ৫টি করে।
  • দারুচিনি বড় ১ টুকরা।

 

বার্গানের জন্য

  • বার্গার বান ৪ টি।
  • শশা, টমেটো, পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম ও লেটুস পাতা পরিমাণমতো।
  • টমেটো সস।
  • মাস্টার্ড সস
  • মেয়োনেজ পরিমাণমতো।
  • ঘি বা মাখন।
  • মজারেলা চিজ।

 

যেভাবে বানাবেন বিফ চিজ বার্গার

  • প্রথমেই মাংসটা তৈরি করে নিতে হবে। একটি হাঁড়িতে মেজারমেন্ট কাপে ২ কাপ পানি নিন। এতে মাংস ও মাংসের জন্য নেওয়া সকল উপকরণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৩০ মিনিট রান্না করুন।
  • পানি শুকিয়ে এলে কাঁটাচামচের মাধ্যমে দেখতে হবে মাংস নরম হয়েছে কি না। না হলে আরও কিছুটা পানি দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিন।
  • চুলা থেকে নামিয়ে কাঁটাচামচ দিয়ে মাংসগুলো ঝুরি বানিয়ে নিন।
  • এই ঝুরা মাংসে লবণ ও গ্রেটার দিয়ে গ্রেট করা চিজ দিন। মাস্টার্ড সস ও মেয়োনেজ দিয়ে ভালো করে মিক্স করুন।
  • এবার বানের প্রতিটিকে দুই ভাগ করে কেটে নিন। গরম তাওয়ায় ১টি বানের জন্য ১ চাচামচ ঘি বা বাটার দিয়ে বানগুলো গরম করে নিন।
  • বানের নিচের ও উপরের অংশে টমেটো সস লাগিয়ে নিন।
  • মাংসের মিশ্রণকে হাতের তালুতে নিয়ে চাপ দিয়ে টিকিয়ার মতো করে বানের নিচের অংশে দিন।
  • এর উপর শশা, টমেটো, পেঁয়াজ ও ক্যাপসিকাম দিন।
  • ওভেনে ১০ সেকেন্ড দিয়ে পরিবেশন করুন। ওভেন না থাকলে তাওয়াতেও গরম করা যাবে। এতে মাংসের মধ্যে দেওয়া চিজ গলবে।

মেয়োনিজ তৈরির রৈসিপি দেখে নিন এই লিংকে

/এফএ/

সম্পর্কিত

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১৫:৩৯

জিরাপানির অনেক গুণ। তবে এ তালিকায় সবার আগে আসবে হজমের কথা- কোরবানির ঈদের পর যা অনেকেরই মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়ায়। জিরাপানি খেলে আরও কী উপকার পাবেন, নজর বুলিয়ে নিন ঝটপট-

 

হজমে চমৎকার

কোরবানির ঈদে একটু বেশি মাংস খাওয়া হয় বলে হজমে গোলমাল দেখা দেয় অনেকের। দেখা দেয় গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যাও। জিরাপানিতে আছে শক্তিশালী অ্যান্টি-গ্যাস উপাদান। এটি পান করলে বাজে ঢেঁকুর থেকে শুরু করে পেট ফাঁপাও কমে আসবে। আবার একটু ভারী কিছু খেলেই যাদের পেটটা চেঁচিয়ে ওঠে তাদের জন্যও বেশ কাজে আসবে জিরাপানি।

 

জ্বালাপোড়া কমায়

জিরাপানিতে পাওয়া যাবে থাইমোকুইনান। যা আমাদের লিভারের জন্য উপকারী। রাসায়নিকটি এতটাই কাজের যে এটা দিয়ে হজমসংক্রান্ত ওষুধও বানানো হয়। প্রাকৃতিক উৎস তথা জিরাপানির মাধ্যমে সরাসরি এটা গ্রহণ করলে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হয় না।

 

অ্যান্টি-ক্যান্সার

অনেকেই বলেন রেড-মিট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তো এখন যেহেতু রেড-মিট একটু আধটু খাওয়াই হচ্ছে, তাই ঝুঁকি কমাতে নিয়ম করে জিরাপানিও খান। জিরাপানি শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী মুক্ত র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে। এটি আবার যকৃতের স্বাভাবিক দূষণরোধের ক্ষমতাও বাড়ায়। হজম সংক্রান্ত এনজাইমের নিঃসরণ বাড়ায় জিরাপানি। এতে খাবারের পুষ্টিগুণ শরীরের পুরোপুরি কাজে আসে।

 

ওজন কমায়

কোরবানির ঈদ এলেই ওজন বেড়ে যায়? সমাধান আছে জিরাপানিতে। এক গবেষণায় দেখা গেছে ৭৮ জন মুটিয়ে যাওয়া মানুষকে রোজ ৩ বেলা করে মোট ২ মাস জিরাপানি পান করতে দেওয়া হয়েছিল। তাদের শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমে যাওয়াটা ছিল লক্ষ্যণীয়।

 

ইনসুলিনের ক্ষমতায় বাড়ায়

যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের অনেকেই ঈদের সময় এটা ওটা খেয়ে বাড়িয়ে ফেলেন সুগার। এতে ইনসুলিন তৈরিতে চাপ পড়ে অগ্ন্যাশয়ে। জিরাপানি এক্ষেত্রে ইনসুলিনের কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 

পানিশূন্যতা দূর করবে

ভ্যাপসা গরমে শরীরে পানির চাহিদা একটু বাড়তি থাকে। আবার শরীর ঘামায়ও বেশি। এ অবস্থায় জিরাপানির সঙ্গে সামান্য মধু ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেলে শরীর চাঙ্গা থাকবে। ভারসাম্য বজায় থাকবে ইলেকট্রোলাইটেও। ব্যায়াম করার আগেই পান করুন জিরাপানি। এতে গরমে মাথাঘোরা ভাবও কমবে।

 

রক্তচাপ কমায়

ভারী ভারী খাবার ও বেশি আমিষ গ্রহণে বেড়ে যেতে পারে রক্তচাপ। এ অবস্থায় জিরাপানিতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম করবে বেশ উপকার। হৃৎস্পন্দন রাখবে স্বাভাবিক।

 

খেয়াল রাখুন: জিরাপানি সুগারের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে দ্রুত। তাই গর্ভাবস্থায় বা ডায়াবেটিক রোগীরা এটি একবারে বেশি করে পান করতে যাবেন না।

 

যেভাবে বানাবেন জিরাপানি

  • জিরা আর পানিতেই হয়ে যায় জি রাপানি। তবে মুখরোচক পানীয় আকারে তৈরিতে এতে যোগ করা হয় বাড়তি কিছু উ্পাদান। এর মধ্যে অন্যতম হলো তেঁতুল।
  • ৪ গ্লাস জিরাপানি তৈরিতে দরকার হবে দেড় টেবিল চমচ তেঁতুল ও  পরিমাণমতো আখের গুড় কিংবা চিনি। তবে ডায়াবেটিক হলে চিনি এড়িয়ে চলাই ভালো। পরিমাণমতো লবণও যোগ করতে পারেন।
  • ৪ কাপ পানিতে টেলে নেওয়া জিরার গুঁড়ো দিতে হবে ১ চা চামচ। বিট লবণ দিন আধা চা চামচ। এক চিমটি সাদা গোলমরিচের গুঁড়া মেশান।
  • আখের গুড় পানিতে মিশিয়ে সেটা ছেঁকে নিলে ভালো। এরপর সব ভালোভাবে মিশিয়ে পান করুন। চাইলে বরফকুচিও মেশাতে পারেন। তবে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পান করলেই উপকার বেশি।
/এফএ/

সম্পর্কিত

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

সর্বশেষ

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

ট্রলারডুবির ১৮ ঘণ্টা পর ১৬ জেলে জীবিত উদ্ধার

ট্রলারডুবির ১৮ ঘণ্টা পর ১৬ জেলে জীবিত উদ্ধার

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

ত্বকের যত্নে হলুদ কেন জরুরি?

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

রেসিপি : মিষ্টি আলুর ক্ষীর

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

রেসিপি : হয়ে যাক বিফ চিজ বার্গার

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

জিরাপানি কেন খাবেন, বানাবেন কী করে?

নবাবি স্বাদের গলৌটি কাবাব

নবাবি স্বাদের গলৌটি কাবাব

পাঁচ ত্বকের পাঁচ প্যাক

পাঁচ ত্বকের পাঁচ প্যাক

গরুর মাংসের আছে অনেক উপকার

গরুর মাংসের আছে অনেক উপকার

ঈদের রেসিপি : বিফ ব্রকোলি স্টার ফ্রাই

ঈদের রেসিপি : বিফ ব্রকোলি স্টার ফ্রাই

ঈদের রেসিপি : কুড়মুড়ে গাজর ফ্রাই

ঈদের রেসিপি : কুড়মুড়ে গাজর ফ্রাই

© 2021 Bangla Tribune