ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলকারীদের সমর্থন জানিয়ে একদিন পরেই আবার বাড়ি ফিরে যেতে বললেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। একই সঙ্গে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অনশন ভাঙতে জানান তিনি।
এবার অভিনেতার সেই পোস্টের সমালোচনা করলেন লেখক ও কলামিস্ট শোভা দে। তার মন্তব্য, বলিউডের তারকারা এখনও ভারতের জেনারেশন জেড (Gen Z)-এর ভাবনা ও মানসিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না।
শোভা দে বলেন, ‘‘ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ তারকারা জেনারেশন জেড (Gen Z)-এর অনুভূতি ও চিন্তাধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনের অন্তর্নিহিত বার্তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।’’
তিনি দ্য প্রিন্ট- এ প্রকাশিত তার নিবন্ধে এসব মতামত তুলে ধরেন।
সমালোচনার অংশ হিসেবে শোভা দে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে উদ্দেশ করে সালমান খানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের সমালোচনা করেন।
শোভা দের ভাষ্য, ‘‘সোনম ওয়াংচুককে ‘ব্রো’ বলে সম্বোধন করা এবং অনশন ভাঙার জন্য খান পরিবারের ঘরে তৈরি খাবার পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া—এসবের জন্য তিনি প্রশংসা নয়, বরং ব্যাপক উপহাসের মুখে পড়েছেন। হয়তো সালমান ভেবেছিলেন তিনি খুব ‘কুল’ আচরণ করছেন। কিন্তু জেনারেশন জেড ‘কুল’-এর সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে। আর এই পোস্টটি মোটেও ‘কুল’ ছিল না; বরং ছিল একেবারেই বিব্রতকর।”
শোভা দে আরও লিখেছেন, ‘বলিউডকে কখনও এতটা ‘আনকুল’ (আকর্ষণহীন) এবং এতটা অপ্রাসঙ্গিক দেখায়নি। বিশেষ করে সেই তারকাদের, যারা রাজনৈতিক অভিভাবকদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই অর্থহীন, যেন চ্যাটজিপিটি-লিখিত পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন। যেসব তারকার বক্স অফিস সাফল্য মূলত তরুণ ভারতের ওপর নির্ভরশীল, তারাই হঠাৎ জেগে উঠলেন—আর বিনিময়ে পেলেন কেবল উপহাস।’’
সোনম ওয়াংচুকের অনশন প্রসঙ্গে সালমান লেখেন, ‘সোনম, যথেষ্ট হয়েছে। আর অনশন বাড়াবে না। ভবিষ্যতে যদি আবার প্রয়োজন পড়ে, সে লড়াইয়ের জন্য শক্তি সঞ্চয় করে রাখো। যদিও আমার মনে হয়, আর সেই প্রয়োজন হবে না। কিছু খেয়ে নাও। চাইলে বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দেবো।’
সালমানের এই অবস্থান অনেক ভক্তকেই বিস্মিত করেছে।

আহত জুনিয়র এনটিআর, কবে ফিরবেন শুটিংয়ে