রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে মোটরসাইকেলে স্টান্ট (স্থানীয়ভাবে ‘বাউলি’ মারা) করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালুবাহী ট্রাকের নিচে পড়ে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে কেশরহাট ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন যুবক একটি মোটরসাইকেলে স্টান্ট করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নওগাঁ থেকে রাজশাহীগামী দ্রুতগতির একটি ১০ চাকার বালিবাহী ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে মোটরসাইকেল চালকসহ দুই আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
নিহতরা হলেন, কেশরহাট পৌর এলাকার সাকেয়া এলাকার রফিজ উদ্দিনের ছেলে কাইয়ুম ইসলাম রাতুল (১৮) ও পৌর এলাকার সিংহমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে লিমন (২২।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন স্বাধীন (২২), তিনি নিহত রাতুলের বড় ভাই। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে মোহনপুর থানার এসআই ইয়ামিন আলী, এসআই আব্দুর রহিম, এসআই শিমুলসহ পুলিশের একটি দল এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। নিহতদের লাশ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মোহনপুর থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুর্ঘটনার পর কিছু সময় ওই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। লাশ দুটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

মা-মেয়েসহ এক পরিবারের ৩ জন নিহত, ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন বাবা







