রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে ঘিরে যত প্রত্যাশা

মহসীন কবির
১৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:০১আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:০১

অবশেষে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপ্রধান হতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইতোমধ্যে তার পক্ষে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বিএনপি। সংসদে দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন থাকায় তিনিই বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দা হচ্ছেন, এটি প্রায় নিশ্চিত। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য আগামী ২০ আগস্ট নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

ঠাকুরগাঁওয়ের তৃণমূলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে জাতীয় নেতৃত্বে আসা পোড় খাওয়া এই রাজনীতিক দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছেন। এই খবরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা মূল্যায়ন হচ্ছে। অনেকে মনে করেন, তিনি একজন পরিশীলিত ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব হওয়ায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে বহু প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কারণ দেশের সংকটকালে রাষ্ট্রপতিকে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু এ পদে অভিজ্ঞ ব্যক্তি না থাকলে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে অতীতের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। বিশেষ করে ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ প্রতিষ্ঠানটি তেমন কঠোর ভূমিকা পালন করতে পারেনি বলে মনে করেন অনেকে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা না থাকায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমদ সংকট মোকাবিলায় সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। যার জন্য অনেক খেসারতও দিতে হয়েছে।

তবে মির্জা ফখরুলের মতো রাজনৈতিক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব রাষ্ট্রপতির আসনে বসলে আগামী দিনে যেকোনও কঠিন মুহূর্তে তাকে দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। কারণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তিনি ছিলেন সম্মুখসারির যোদ্ধা। জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হলে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আরও সুসংহত হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে।

তবে তার কাছে ভিন্নরকম প্রত্যাশাও করছেন কেউ কেউ। কারণ অতীতে এই পদটি ক্ষমতাসীন দলের ইচ্ছেমতো ব্যবহার হয়েছে। আবার রাষ্ট্রপতিও তার আজ্ঞাবহ ভূমিকা পালন করেছেন। ভিন্নভাবে চলতে চাইলে ক্ষমতাসীন দলের বিরাগভাজন হয়েছেন, এমনকি অপসারিতও হয়েছেন। অনেকের প্রশ্ন, তিনি কী অতীতের বৃত্ত ভাঙতে পারবেন?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে অতীতের মতো দলকানা হবেন না এবং দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন; এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে বলেন, ‘যদিও সংবিধান অনুযায়ী আমাদের রাষ্ট্রপতির বেশি কিছু করার ক্ষমতা নেই। তারপরও বলবো তিনি যেন স্বাধীনচেতা মানুষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া তার ইতিবাচক ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করবেন সেটাও দেখতে চাই। আশা করি, তিনি প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।’

তৃণমূল থেকে জাতীয় রাজনীতিতে শক্তিশালী ভিত্তি

১৯৮৬ সালে শিক্ষকতার  সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন মির্জা ফখরুল। তবে ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯০-এর দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জেলা পর্যায়ে সাফল্যের কারণে সেখান থেকে সরাসরি তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে বিএনপির হাইকমান্ড।

২০০৯ সালের ডিসেম্বরে দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। মূলত পরিশীলিত ব্যক্তিত্ব, শব্দচয়নে দৃঢ়তা ও চলনে-বলনে সম্মোহনী নেতৃত্বের কারণে অল্প দিনেই জাতীয় রাজনীতিতে নিজের শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন। তখন থেকেই গণমাধ্যমে দলের মুখপাত্র হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। ২০১১ সালের ২০ মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ারের মৃত্যুর পর তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। নিজের যোগ্য নেতৃত্বের কারণে ২০১৬ সালের কাউন্সিলে তিনি পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন।

একজন বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে বিগত দেড় দশকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে সব ধরনের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। ২০১৮ সালে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন কারাগারে যাওয়ার পর সারা দেশের বিএনপির নেতাকর্মীদের একমাত্র ভরসাস্থল ছিলেন তিনি। দেশের বাইরে অবস্থানরত তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সমন্বয় করে সব আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন। বারবার কারাগারে গেছেন। রাজনৈতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নয়াপল্টনে পুলিশ বেষ্টনীতেও নিজেকে দৃঢ় রেখেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি করলেও ভারসাম্য হারাননি। কঠিন সময়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় দল তাকে মূল্যায়ন করেছে।

তার বিগত দিনের ত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্যায়ন করতে গিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বনির্ভর বিষয়ক সহসম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, এটি তার প্রাপ্য। কারণ দল ও দলের বাইরে তার বিরুদ্ধে কোনও বিতর্ক নেই। একটি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করলেও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। আমরা মনে করি দেশ ও জাতির প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকার জন্য দেশের আপামর মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাই বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তার ওপর আস্থা রেখেছেন। আশা করি, তিনি আগের মতোই নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখবেন।’

‘সর্বোচ্চ পদে প্রত্যাশিত ব্যক্তি

সাংবিধানিক অবস্থান অনুযায়ী দেশের এক নম্বর ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি। তাই এই পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, সে দৃষ্টি থাকে সর্বস্তরের মানুষের। বিশেষ করে দেশের সংকটকালে একমাত্র সাংবিধানিক অভিভাবক হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। সরকার ও বিরোধী যেকোনও দল ও অংশীজনের কথা শুনতে হয় তাকে। একটি দলের সমর্থনে তিনি নির্বাচিত হলেও তাকে সবার কথা শুনতে হয়।

তবে অতীতের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এই পদে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের বিষয়ে নানা সমালোচনা ছিল। এই সময়ে মির্জা ফখরুলের মতো একজন সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তি দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছেন বলে কিছুটা আশাবাদী রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। আমার দৃষ্টিতে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া বিএনপির ভালো সিদ্ধান্ত। আশা করি, তিনি তার গ্রহণযোগ্য অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন।‘

মান্না আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ার কথা। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি কিছুটা স্বাধীন ভূমিকা রাখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে অতীতের রাষ্ট্রপতিদের চেয়ে ভালো করতে পারবেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে এ পদের জন্য বেছে নেওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি লিখেন, ‘দুই যুগ ধরে বাংলাদেশের এই সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ দখল করে ছিল অনুপযুক্ত ব্যক্তিরা। তাদের কেউ ছিলেন অকর্মণ্য, কেউ অথর্ব, কেউ চরম অনৈতিক। বহু বছর পর আমরা পেতে যাচ্ছি এই পদের জন্য সবদিক দিয়ে যোগ্য একজন ব্যক্তিকে।’

তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার দুঃশাসনকালে মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলের হাল ধরেছেন, বহুভাবে নির্যাতিত হয়েছেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তিনি ব্যক্তিত্ববান, সুশিক্ষিত, সদাচারী ও সুবক্তা হিসেবে অগ্রগণ্য। তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটিকে ধন্যবাদ জানান আসিফ নজরুল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদটি অতীতে অনেকভাবেই বিতর্কিত করা হয়েছে। এবার মির্জা ফখরুলকে হয়তো তার দল যোগ্য মনে করেই মনোনয়ন দিয়েছে। তবে দেশের মানুষ এই পদটির কাছে অনেক কিছুই প্রত্যাশা রাখেন। যেহেতু এখনও নির্বাচন হয়নি, সেহেতু এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।’

দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে থাকতে পারবেন?

সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ নিরপেক্ষ হলেও অতীতে নানা কারণে পদটি বিতর্কিত হয়েছে। কারণ তাদের বেশিরভাগই ছিলেন ক্ষমতাসীন দলের আজ্ঞাবহ। তাই সব সময় তাদের বন্দনা গেয়েছেন। এতে অনেক সময় সমালোচিত হয়েছেন তারা। আবার নামে মাত্র সর্বোচ্চ পদে থাকলেও তাদেরকে রাখা হয়েছে দন্তহীন বাঘের মতো। এমনটি মনে করেন কেউ কেউ।

বিশেষ করে ২০০৭ সালের এক-এগারোতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত অধ্যাপক ইয়াজ উদ্দিন আহমদের সংকটকালে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে না পারা, একটি বিশেষ দলের পক্ষে ভূমিকা রাখা, নানা অভিযোগে ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ কিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে অপসারণ করা, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের বিপক্ষে সে সময়ের রাষ্ট্রপতিদের তেমন ভূমিকা পালন না করতে পারার বিষয়টি মূল্যায়ন করতে গেলে অনেকে নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন।

তবে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে এ পদে গুণগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাজনীতিবিদরা।

জানতে চাইলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। তাই আমরা সব সময় এ পদটিতে একজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সজ্জন ব্যক্তিকে দেখতে চেয়েছিলাম। যেহেতু বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল, সেক্ষেত্রে তো আর বিকল্প কেউ নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই। তবে দূর থেকে জানি মির্জা ফখরুল একজন সজ্জন মানুষ। তাকে অভিনন্দন জানাই। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলে রাষ্ট্রপতির একক কোনও ক্ষমতা নেই। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য থাকুক। বিশেষ করে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করি।’

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল দায়িত্ব নেওয়ার পর অতীতের ধারাবাহিকতায় কতটা নিরপেক্ষ বা দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারবেন, তা দেখা বিষয়।

বিএনপি ও জামায়াতের মূল্যায়ন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে আগামীর রাজনীতিতে কোনও নতুনত্ব আসবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে বিএনপিসহ অনেকে ইতিবাচক দেখলেও ভিন্নভাবে দেখছে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এখনও অনেক প্রক্রিয়া বাকি। অন্য কেউও তো নির্বাচিত হতে পারেন।’ এর আগে মন্তব্য করতে চান না বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিএনপি একজন যোগ্য মানুষকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেছে নিয়েছে। কারণ বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তার অসামান্য অবদান ছিল। আশা করি তিনি দক্ষতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করবেন।

/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল, আনন্দে ভাসছে ঠাকুরগাঁও
জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ফটোকার্ড’ প্রচারের অভিযোগ রাশেদ খাঁনের
‘শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের সমাপ্তি’, নতুন জীবন শুরু করতে চান ছাত্রদলের রাকিব 
সর্বশেষ খবর
ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘গোপন তৎপরতা’র অভিযোগ, খতিয়ে দেখতে কমিটি
ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘গোপন তৎপরতা’র অভিযোগ, খতিয়ে দেখতে কমিটি
ট্রাক-পিকআপের সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ৪ জনের
ট্রাক-পিকআপের সংঘর্ষে প্রাণ গেলো ৪ জনের
বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারের ‘অব্যবস্থাপনা’কে দায়ী করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারের ‘অব্যবস্থাপনা’কে দায়ী করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
একসঙ্গে এক থানার দুই কর্মকর্তাসহ ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
একসঙ্গে এক থানার দুই কর্মকর্তাসহ ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
সর্বাধিক পঠিত
আদালতে ঢুকে সেই ওসির ৩ স্যালুট, বিচারক বললেন ‘আপনি এখানে কেন’
আদালতে ঢুকে সেই ওসির ৩ স্যালুট, বিচারক বললেন ‘আপনি এখানে কেন’
বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসছেন, আলোচনায় ৪ নেতা
বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসছেন, আলোচনায় ৪ নেতা
দলে নতুন পদ পেলেন এমপি মাহমুদুল হোসাইন
দলে নতুন পদ পেলেন এমপি মাহমুদুল হোসাইন
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত: ডমিনোস পিৎজার আউটলেটের লাইসেন্স স্থগিত
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত: ডমিনোস পিৎজার আউটলেটের লাইসেন্স স্থগিত
সব চূড়ান্ত, এখন অপেক্ষা ইধিকা পালের
সব চূড়ান্ত, এখন অপেক্ষা ইধিকা পালের