তারকা জীবন যতটা ঝলমলে, তার আড়ালে থাকা ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষা করা ততটাই কঠিন। বিশেষ করে আনুশকা শর্মা এবং বিরাট কোহলির মতো জনপ্রিয় জুটির ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
এরই মধ্যে এ জুটি ভারত ছেড়ে লন্ডনে বসবাস শুরু করেছেন। ২০২৪ সালে তাদের পুত্র অকায় জন্ম নেওয়ার পরেই তারা ভারত ছাড়েন।
কেন ভারত ছেড়েছেন তারা এমন প্রশ্ন অনুরাগীদের কাছে প্রায় শোনা যায়। ভক্ত ও অনুরাগীদের সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেছে মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী ড. শ্রীরাম নেনের কথায়।
২০২৫ সালে ইউটিউবার রণবীর আলাহাবাদিয়ার সঙ্গে মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী ড. শ্রীরামের আলাপচারিতায় আনুশকা ও বিরাটের প্রসঙ্গ ওঠে। এ সময় শ্রীরাম আনুশকার সঙ্গে হওয়া একটি কথোপকথনের কথা মনে করেন। তিনি জানান, অতিরিক্ত জনসমাগম ও প্রচারের কারণে সাফল্যও কখনও কখনও উপভোগ করা কঠিন হয়ে যায়।
শ্রীরামের কথায়, ‘একদিন আনুশকার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছিল। ওরা লন্ডনে চলে যাওয়ার কথা ভাবছিলেন, কারণ এখানে তারা নিজেদের সাফল্যও স্বাভাবিকভাবে উপভোগ করতে পারেন না। তারা যেখানেই যান, সেখানেই মানুষের নজর পড়ে। একটা সময় নিজেদের অনেকটাই বিচ্ছিন্ন মনে করেন তারা।’
তার মতে, তারকাদের জীবনে অনুরাগীদের ভালোবাসা যেমন আনন্দের, তেমনই প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগত মুহূর্তে ছবি তোলার অনুরোধও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
শুধু আনুশকা-বিরাট নন, একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন শ্রীরাম ও মাধুরীও। ভারতে ফেরার পর নিজের ব্যক্তিগত পরিসরের অভাবের কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল নিজের মতো থাকার স্বাধীনতা। সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করার সুযোগটাই এখানে অনেক সময় পাওয়া যায় না।’
তবে একইসঙ্গে ভারতীয় দর্শক ও অনুরাগীদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি।
আনুশকা এখন অভিনয় থেকে দূরে আছেন। ২০১৮ সালে ‘জিরো’ মুক্তির পর তাকে আর কোনও ছবিতে দেখা যায়নি। ‘চাকদা এক্সপ্রেস’-এর কাজ শেষ করলেও ছবিটি এখনও মুক্তি পায়নি। ২০২২ সালে নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘ক্লিন স্লেট ফিল্মজ’-এর দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ান অভিনেত্রী। এখন পরিবার এবং সন্তানদের নিয়ে তুলনামূলক নিরিবিলি জীবনই যেন তার অগ্রাধিকার।
২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ইতালিতে বিয়ে করেন আনুশকা ও বিরাট।

নিষিদ্ধ হয়েছিল সালমান শাহকে নিয়ে লেখা যে বই







