এদিকে তামিমের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তার চাচাতো ভাই ফাহিম আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘মাশাল্লাহ, আল্লায় বাঁচাইলা!’ তামিমের কানাডা প্রবাসী কোনও স্বজন দেশে অবস্থান করছেন কিনা এ বিষয়টিও তার জানা নেই বলে জানিয়েছেন ফাহিম। তিনি জানান, তার বাবা নজরুল ইসলাম (তামিমের চাচা) গত রবিবার মারা গেছেন। বাবার মৃত্যুতে তাদের পরিবার শোকাহত।
এদিকে তামিমের চাচা নূরুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ভাতিজার মৃত্যুর বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানান। এমনকি তার বাবার পরিবারের সঙ্গেও তাদের কোনও যোগাযোগ নেই। তামিম দেশে কোথায় অবস্থান করতো-সে বিষয়েও তারা অবহিত ছিলেন না।
শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জে ‘অপারেশন হিট স্ট্রং-২৭’-এ তামিম চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত হয়।
তামিম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে গত ১৭ আগস্ট বাংলা ট্রিবিউনের সিলেট প্রতিনিধি সরেজমিনে বিয়ানীবাজার যান। ভারত সীমান্তঘেঁষা তামিমদের গ্রামের বাড়ি বড়গ্রাম। সিলেট থেকে ওই গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৪৪ কিলোমিটার। তখন এলাকাবাসী তামিমের বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য জানাতে পারেননি। এমনকি তার তিন চাচার বাড়িঘরও তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, ‘আমার লগ (সঙ্গ) ছাড়ি দেও, আমি আল্লাহর নামে আছি’ —পাঁচ বছর আগে বাবাকে এই চিঠি পাঠিয়ে তামিম আহমদ চৌধুরী নিখোঁজ হন বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছিলেন সিলেটের বিয়ানীবাজারের দুবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম। এরপর পরিবারের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ নেই বলেই জানেন এলাকার লোকজন।
আরও পড়ুন:
গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত (ভিডিও)
/এফএস/