X
শনিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৫ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

এবি ব্যাংকের আরও ৪ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:১০

এবি ব্যাংক আরব বাংলাদেশ ব্যাংকের (এবি) আরও চার কর্মকর্তাকে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা জানিয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের সই করা এক চিঠিতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যে চার কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তারা হলেন— ব্যাংকটির হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ব্যাংক কোম্পানি সেক্রেটারি মহাদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এম এন আজিম।

এর আগে, গত ২৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক দুই এমডিসহ মোট ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। বিদেশে ২০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগের সঙ্গে ওইসব কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে দুদক এ চিঠি দেয়। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল এসব তথ্য  বাংলা ট্রিবউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ব্যাংকটির গ্রাহক ব্যবসায়ী সাইফুল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার হাজির হওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে তিনি উপস্থিত হননি। দুদক জানিয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি অভিযোগ অনুসন্ধানে এবি ব্যাংকের সাত পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পরিচালকরা হলেন— শিশির রঞ্জন বোস, মো. মেজবাহুল হক, মো. ফাহিমুল হক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, মোছা. রুনা জাকিয়া ও মো. আনোয়ার জামিল সিদ্দিকি।

এ ঘটনায় এরই মধ্যে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমান ও শামিম আহমেদ চৌধুরীসহ ৯ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, পিজিএফ নামের দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে ২০ মিলিয়ন ডলার ঋণ হিসেবে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে ওই কোম্পানির কোনও কর্মকর্তার নাম বা পরিচয় কাগজপত্রে দেখাতে পারেনি এবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বরং ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই টাকা ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করেছে। তিন কিস্তিতে ওই টাকা দুবাই যাওয়ার পর ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয় প্রতারক চক্র। এর পরের কোনও তথ্য এবি ব্যাংকের কাছে নেই।

দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে খুররাম ও আবদুস সামাদ নামের দুই ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, দুদক ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তার একাধিকবার দুবাই যাতায়াতের প্রমাণ পেয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ ও পরিচালক ব্যারিস্টার ফাহিমুল হক পদত্যাগ করেন। রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তারা পদত্যাগ করেন।

 

/টিআর/
সম্পর্কিত
সোয়ান গ্রুপের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ
সোয়ান গ্রুপের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ
সরকার কঠোর, তবু ইভ্যালির মডেলে আরও ই-কমার্স আসছে
সরকার কঠোর, তবু ইভ্যালির মডেলে আরও ই-কমার্স আসছে
ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে দুদকের চিঠি
ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে দুদকের চিঠি
পপুলার ডায়াগনস্টিক-মেডিক্যাল কলেজ থেকে ৬ কোটি টাকা ভ্যাট আদায়
পপুলার ডায়াগনস্টিক-মেডিক্যাল কলেজ থেকে ৬ কোটি টাকা ভ্যাট আদায়
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সোয়ান গ্রুপের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ
সোয়ান গ্রুপের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ
সরকার কঠোর, তবু ইভ্যালির মডেলে আরও ই-কমার্স আসছে
সরকার কঠোর, তবু ইভ্যালির মডেলে আরও ই-কমার্স আসছে
ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে দুদকের চিঠি
ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে দুদকের চিঠি
পপুলার ডায়াগনস্টিক-মেডিক্যাল কলেজ থেকে ৬ কোটি টাকা ভ্যাট আদায়
পপুলার ডায়াগনস্টিক-মেডিক্যাল কলেজ থেকে ৬ কোটি টাকা ভ্যাট আদায়
আজিজ বিড়ির ব্যবসা থেকে সজীব গ্রুপ
আজিজ বিড়ির ব্যবসা থেকে সজীব গ্রুপ
© 2022 Bangla Tribune