ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রবিবার (১২ এপ্রিল) লেনদেন শেষে সূচক ও লেনদেন— দুই সূচকেই ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। দিন শেষে মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৮৩৭ কোটি ১০ লাখ টাকায়, যা আগের কার্যদিবস বৃহস্পতিবারের ৭৭৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
দিন শেষে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫,২৭১ দশমিক ৪০ পয়েন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ০.২৬ শতাংশ বেশি। তবে শরিয়াভিত্তিক সূচক ডিএসইএস কমে ১,০৬১ দশমিক ০৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা ২ দশমিক ০৯ পয়েন্ট বা ০.১৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে শীর্ষ ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ সামান্য বেড়ে ২,০০২ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে দাঁড়ালেও দিন শেষে এটি ০.১৪ পয়েন্ট বা ০.০০৭ শতাংশ কমেছে।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮৮টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে ১৪৫টির দাম কমেছে এবং ৬৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে ইনস্যুরেন্স খাত
দিনের লেনদেনে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল ইনস্যুরেন্স খাতের শেয়ার। স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর ৯.৮৯ শতাংশ বেড়ে ৪২ টাকা ২০ পয়সায় উঠে এসেছে, যা দিনটির সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স ৯.৮৮ শতাংশ বেড়ে ৭৩ টাকা ৪০ পয়সায় অবস্থান নেয়। পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর বেড়েছে ৯.৮৩ শতাংশ, ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স ৯.৭০ শতাংশ এবং ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে ৯.৪৩ শতাংশ।
মূল্যহ্রাসে এগিয়ে বস্ত্র ও আর্থিক খাত
অপরদিকে মূল্যহ্রাসের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে তুংহাই নিটিং, যার শেয়ারদর ৮.৩৩ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে এসেছে। সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের দর কমেছে ৪.৫৪ শতাংশ, নর্দার্ন জুট ৪.১৭ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্স ৪.১৬ শতাংশ এবং আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
সার্বিক চিত্র
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পাশাপাশি লেনদেন বাড়া বিনিয়োগকারীদের আংশিক আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে খাতভিত্তিক বৈষম্য— বিশেষ করে ইনস্যুরেন্স খাতে এককভাবে দরবৃদ্ধি বাজারের স্থিতিশীলতা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রাখছে।









