উৎসবমুখর ডাকসু নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার হোক

আমিনুল ইসলাম সুজন
২৬ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৯আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন জমে উঠেছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের প্যানেল চূড়ান্ত করেছে। প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ঐক্য লক্ষ করা গেছে।

বাম গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে তাসনিম ইমরোজ ইমি সহ-সভাপতি (ভিপি), মেঘমল্লার বসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও জাবির আহমেদ জুবেল এজিএস পদে নির্বাচন করবেন। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র কাউন্সিল, ছাত্র যুব আন্দোলন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, গণতান্ত্রিক ছাত্র মঞ্চ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-বিসিএল এবং প্রগতিশীল সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ প্যানেলে যুক্ত রয়েছে।

এ প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএসসহ সবাই পরিচিত মুখ। সভাপতি প্রার্থী তাসনিম ইমরোজ ইমি ২০১৯ সালের নির্বাচনে শামসুন্নাহার হল সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে সভাপতি পদে জয়লাভ করেছিলেন। তিনি ছাত্রলীগের দোর্দণ্ড প্রতাপের সময়ও হল সভাপতি হয়েছিলেন। তার সে সময়কার একটি টিভি টকশোকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ সমালোচনা করছেন। কিন্তু ইমি’র সমালোচনা মূলত ডাকসু নির্বাচনকেন্দ্রিক ও ‍উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ, একই সময়ে অনেকে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ নিয়ে রাজনীতি করেছেন, হেলমেট বাহিনীতে ছিল, তাদের কেউ কেউ এখন শিবির বা এনসিপি’র নেতা হয়েছেন। ইমি’র সমালোচনা হলে সাদিক কায়েম-ফরহাদ-সার্জিস-হাসনাতদের সমালোচনা আরও বেশি হওয়া উচিত।

এ প্যানেলের মেঘমল্লার ও জুবেল বিগত সময়ে একাধিকবার ছাত্রলীগের হাতে রক্তাক্ত হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে গুপ্ত, ধূর্ত ও প্রতারণার রাজনীতি বন্ধে সোচ্চার। যুদ্ধাপরাধীদের ছবি টিএসসিতে প্রদর্শনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে- সেগুলো সরিয়ে নিতে ঢাবি কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করেছেন। ছাত্রসমাজে তাদের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা গড়ে উঠেছে।

তবে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর আরেকটি প্যানেল নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ায় তাদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কমেছে। ছাত্র ইউনিয়ন (মাহির-বাহাউদ্দিন), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (বাসদ) ও ছাত্রলীগ-বিসিএল (বাংলাদেশ জাসদ) ‘অপরাজেয় ৭১-অদম্য ২৪’ নামে প্যানেলে ঘোষণা করেছে। এ প্যানেল থেকে ভিপি পদে মো. নাইম হাসানকে (হৃদয়), জিএস পদে এনামুল হাসান অনয় ও এজিএস পদে অদিতি ইসলামকে প্রার্থী করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও জাতীয় রাজনীতি এক নয়। জাতীয় রাজনীতিতে বাম রাজনৈতিক দলগুলো ছোট হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের ছাত্র সংগঠনগুলোর শক্তিশালী ও দৃশ্যমান অবস্থান রয়েছে। প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে ভালো ফল করতো।

২০২৪-এ জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদেরও তিনটি প্যানেল হয়েছে। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)-এর ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবদুল কাদের ভিপি ও আবু বাকের মজুমদার জিএস এবং সক্রিয় কর্মী আশরেফা খাতুন এজিএস পদে নির্বাচন করছেন।

জুলাই আন্দোলনের সংগঠক ও মুখপাত্র উমামা ফাতেমা এবং অন্যতম সমন্বয়ক মাহিন সরকার পৃথক পৃথক স্বতন্ত্র প্যানেলে নির্বাচন করায় বাগছাসের ভোট কমবে। উমামা ও মাহিন দুজনই ঢাবি’র পরিচিত মুখ। জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলন ছাড়াও ‍উমামা দীর্ঘদিন ছাত্র ফেডারেশন-এর হয়ে রাজনীতি করেছেন, মাহিনও বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন।

৫-আগস্ট পরবর্তী সময়ে জুলাই সমন্বয়ক ও সহযোগীদের চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন উমামা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠনসহ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ছাত্র উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মুখপাত্র পদ থেকে সরে আসেন। উমামা’র নেতৃত্বে স্বতন্ত্র প্যানেলে জিএস প্রার্থী হয়েছেন ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং বর্তমান সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহিকে জিএস এবং এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে। তাদের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতার কারণে উল্লেখযোগ্য ভোট পাবেন।

অন্যদিকে মাহিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একটি টিভি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সময় তাকে কোনও কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে এনসিপি বহিষ্কার করে। ধারণা করা হয়, বাগছাস-এর বাইরে নির্বাচন করায় এই বহিষ্কার। মাহিন জিএস পদে প্রার্থী হয়েছেন।

ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে ‘ডাকসু ফর চেঞ্জ’ প্যানেলে ভিপি পদে বিন ইয়ামিন মোল্লা, জিএস পদে সাবিনা ইয়াসমিন ও এজিএস পদে রাকিবুল ইসলাম নির্বাচন করবেন। নুরুল হক নুরের কিছু অনুসারী ছাত্র ও ভিপি প্রার্থী ইয়ামিনের ব্যক্তি পরিচিতি রয়েছে।

সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে জুলাই আন্দোলনে সম্মুখ সারির লড়াকু সৈনিক মো. আবিদুল ইসলাম খান, জিএস পদে শেখ তানভীর বারী হামিম, এজিএস পদে তানভীর আল হাদী মায়েদসহ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ছাত্রদল জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগ কর্তৃক আহত হয়ে গণমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সানজিদা আহমেদ তন্বীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে কাউকে মনোনয়ন দেয়নি। তন্বীকে আরও কয়েকটি প্যানেলও সমর্থন জানিয়েছে। ছাত্রদলের কমিটিতে মাত্র দুই জন নারী রয়েছেন, যা দুঃখজনক।

আবিদ ছাত্রসমাজে গ্রহণযোগ্য একজন তরুণ নেতা। দীর্ঘদিন ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে সদস্য হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং বর্তমানে ঢাবি ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকাশ্য রাজনীতির কারণে অনেকবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছিলেন। জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের সংগঠিত ও উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে তার নেতৃত্ব সবার দৃষ্টি কেড়েছে। চানখাঁরপুল এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ে তার ‘প্লিজ কেউ কাউরে ছেড়ে যাইয়েন না’ বক্তব্য প্রশংসিত হয়েছে। একই স্থানে, কিছুক্ষণ পর পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাস শহীদ হন। আনাস-এর কবর জিয়ারত করার মাধ্যমে ছাত্রদল তাদের প্যানেলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছে ভিপি প্রার্থী আবিদ। ছাত্রসমাজের তার প্রতি বিশেষ আগ্রহ থাকবে। এছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় দলের হয়ে নির্বাচনের বাড়তি সুবিধা সে পাবে।

ইসলামী ছাত্রশিবির ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল ঘোষণা করেছে। এতে ভিপি পদে ঢা.বি. শিবিরের সাবেক সভাপতি সাদিক কায়েম, জিএস পদে বর্তমান সভাপতি এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান নির্বাচন করছেন। সাদিক ও ফরহাদ– তারা দুজনই ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী হিসাবে পরিচিত, ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাদের দেখা গিয়েছিল। ফরহাদ ছাত্রলীগের কমিটিতেও ছিলেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে ঘোষিত ঢাবি সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ। তাদের দুজনকেই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অনেক নেতার সঙ্গে ছবিতে দেখা যায়। শিবিরের প্যানেলে চমক হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একজন প্রার্থীর মনোনয়ন। ছাত্রদলের আদিবরা যখন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পুলিশ ও ছাত্রলীগের কারণে হলে থাকতে পারেনি, বাসায় থাকতে পারেনি, পলাতক থাকতে হয়েছে, সে সময়ে বর্তমান শিবির নেতা সাদিক-ফরহাদরা ছাত্রলীগের হয়ে প্রকাশ্য মিছিল-মিটিং করেছে। তাছাড়া, শিবির ছাড়া গুপ্ত রাজনীতি নিয়ে সব ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদমুখর। তাই শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে শিবিরবিরোধী।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন একটি প্যানেল দিয়েছে। ভিপি হিসেবে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, জিএস হিসেবে ঢাবি শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আহসান মারজান। এছাড়া, এজিএস পদে নির্বাচন করবেন ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। মাদ্রাসা থেকে আগত ঢাবি ছাত্রদের ভোটের অংশ তারা পাবেন। এ প্যানেল নির্বাচন করায় শিবিরের ভোট কমতে পারে।

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতি সম্পর্কে অন্য ছাত্র সংগঠনগুলোকে সচেতন থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে এদের কেউ কেউ ‘মব’ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। ইতোমধ্যে দেখা গেছে, শিবিরের প্যানেলে এমন কয়েকজন স্থান পেয়েছে, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার আন্দোলন করেছিল। এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রশিবির খুবই সক্রিয়, তুলনায় ছাত্রদল বা বাম ছাত্রসংগঠনগুলো অনেক পিছিয়ে। স্বাভাবিকভাবে, অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রশাসনকে প্রভাবিত বা বিভ্রান্ত করতে পারে ছাত্রশিবির। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কীভাবে অনলাইন ও অফলাইনের গুজব মোকাবিলা করবে, সেটা একটা মৌলিক প্রশ্ন।

নির্বাচনে কে জিতবে, তা আগাম বলা কঠিন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা তিন ভাগে, বামপন্থিরা দু’ভাগে ও ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে যারা তারা দু’ভাগে বিভক্ত। মধ্যপন্থিদের মধ্যে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রলীগের অনুপস্থিতির কারণে ছাত্রদল সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। তাই তাদের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়েই উল্লেখযোগ্য সাধারণ শিক্ষার্থী, যারা প্রকৃত অর্থে দলীয় কোনও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তাদের ভোট যে পক্ষে যাবে তাদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। এখানে ছাত্রশিবির পিছিয়ে থাকবে। কারণ ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘রগ কাটা’র প্রতিষ্ঠিত অভিযোগ রয়েছে। পূর্বের পাপমোচন করার আগেই সাধারণ ছাত্রদের কাছে শিবির বহুরূপী ও ছদ্মবেশীরূপে প্রকাশ পাওয়ায় পুনরায় আস্থা হারিয়েছে ছাত্রশিবির।

ছাত্র রাজনীতি ইতিবাচক হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মারামারি-হানাহানি বা দখলদারিত্ব দূর হবে। যারা ছাত্রদের যেকোনও ন্যায়সঙ্গত সমস্যা সমাধানকে প্রাধান্য দেবে, তারাই জিতে আসুক। একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ডাকসু নির্বাচন হোক, এ প্রত্যাশা করি।

লেখক: সাংবাদিক ও নীতি বিশ্লেষক ‍
[email protected]

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
সর্বশেষসর্বাধিক