ব্রাজিলে ফিলিস্তিনপন্থি লুলার জয়: বিশ্বরাজনীতিতে দক্ষিণপন্থার কি ছন্দপতন? 

প্রশান্ত কুমার শীল
০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:০০ আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:০০

বিশ্বজুড়ে দক্ষিণপন্থি রাজনীতির উত্থান রকেটের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকের ধারণা ছিল, এই ধারার সামনে আপাতত বড় কোনও বাধা নেই। কিন্তু ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল সেই ধারণায় কিছুটা হলেও ধাক্কা দিয়েছে। লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার পুনর্নির্বাচন নতুন করে আলোচনায় এনেছে বামপন্থি রাজনীতির সম্ভাবনা। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের সমর্থনের কারণে এই জয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

লুলার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে দক্ষিণপন্থি জাতীয়তাবাদ ও রক্ষণশীল মূল্যবোধের যোগ রয়েছে। ফলে এই নির্বাচনকে নিছক ক্ষমতার লড়াই বলা কঠিন। এর মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের ভোটাররা দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক ধারার মধ্যে নিজেদের পছন্দ জানিয়ে দিয়েছেন। তবে লুলার জয় দিয়ে বিশ্বরাজনীতির গতিপথ বদলে গেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। তারপরও সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা লক্ষ করার মতো।

সার্বিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাজনীতিতেও দক্ষিণপন্থিরা খুব স্বস্তিতে নেই। প্রশ্ন উঠছে, বিশ্বজুড়ে তাদের যে প্রভাব তৈরি হয়েছিল, তাতে কি এবার চিড় ধরছে? এর উত্তর জানতে আমাদের গভীরে প্রবেশ করতে হবে।

দক্ষিণপন্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

সার্বিয়ার ঘটনাটি এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে নোভি সাদ শহরের একটি রেলস্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর দুর্নীতি ও প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। প্রথম দিকে প্রতিবাদ সীমিত থাকলেও পরে তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয় শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ। আন্দোলনের মুখে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মিলোশ ভুচিচ পদত্যাগ করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। সদ্যসমাপ্ত ২৫ অক্টোবরের নির্বাচনে প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, ছাত্র-সমর্থিত প্রার্থীরা ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আলেকজান্ডার ভুচিচের শিবির পেয়েছে ৩৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। এই ফলাফল একটি বিষয় সামনে এনেছে, তা হলো তরুণদের আন্দোলন কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকে না। মানুষের ক্ষোভ ও দাবি সংগঠিত হলে তা নির্বাচনের ফলও বদলে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রেও রাজনৈতিক হিসাব নিয়ে আলোচনা চলছে। ৩ নভেম্বর দেশটিতে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল বর্তমানে কংগ্রেসের দুইকক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সিনেটের হিসাব অবশ্য সহজ নয়। ৪৮ শতাংশ মনে করছেন, রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখবে। অন্যদিকে ৪৬ শতাংশের ধারণা, ডেমোক্র্যাটরা সেই অবস্থান ছিনিয়ে নিতে পারে। রিপাবলিকানরা দুইকক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে ট্রাম্পের জন্য তা বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হবে। ইসরায়েলের নির্বাচন নিয়েও পাওয়া তথ্য দক্ষিণপন্থিদের জন্য খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়।

প্রথম দফার ধাক্কা, দ্বিতীয় দফায় লুলার জয় ব্রাজিলের নির্বাচনের ফল বুঝতে হলে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের হিসাব পাশাপাশি দেখতে হবে। ৪ অক্টোবরের প্রথম দফায় লুলার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি পেয়েছিলেন ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ বৈধ ভোট। লুলার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। সংখ্যার হিসাবে ফ্লাভিও পেয়েছিলেন ৫ কোটি ৬১ লাখের কিছু বেশি ভোট। লুলার ভোট ছিল প্রায় ৫ কোটি ৩৯ লাখ। ভোটের ব্যবধান ২২ লাখের কিছু বেশি। কেউই বৈধ ভোটের অর্ধেকের বেশি না পাওয়ায় নির্বাচন গড়ায় দ্বিতীয় দফায়। ২৫ অক্টোবরের ভোটে দৃশ্যপট বদলে যায়। ৫১ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট পেয়ে পুনর্নির্বাচিত হন লুলা। ফ্লাভিও পান ৪৮ দশমিক ২১ শতাংশ। ভোটের সংখ্যায় লুলা পেয়েছেন ৬ কোটি ৪২ লাখের বেশি।

ফ্লাভিওর প্রাপ্ত ভোট প্রায় ৫ কোটি ৯৮ লাখ। দ্বিতীয় দফায় লুলার জয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ভোটে। ভোটার উপস্থিতির হিসাবটিও গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফায় ভোট দিয়েছিলেন প্রায় ১২ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ। দ্বিতীয় দফায় এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১২ কোটি ৮২ লাখে। অর্থাৎ অতিরিক্ত সাড়ে ২৯ লাখের বেশি ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোটদানের হারও ৭৮ দশমিক ৯২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮০ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

তবে এই বাড়তি ভোটের সবটাই লুলার পক্ষে গেছে, এমন দাবি করা যাবে না। প্রথম দফায় প্রার্থী ছিলেন ১২ জন। দ্বিতীয় দফায় ভোটারদের সামনে ছিলেন মাত্র দুজন। মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া আরও তিন প্রার্থী প্রথম দফায় দুই শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল সাত শতাংশেরও বেশি। ফলে অন্য প্রার্থীদের সমর্থকদের একাংশ দ্বিতীয় দফায় লুলা কিংবা ফ্লাভিওর পক্ষে ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। তবু একটি বিষয় স্পষ্ট। প্রথম দফায় পিছিয়ে থেকেও লুলা দ্বিতীয় দফায় ব্যবধান বাড়িয়ে জয় পেয়েছেন। ভোটার উপস্থিতির বৃদ্ধি এবং দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান—দুটিই এই ফলাফলের গুরুত্বপূর্ণ দিক।

লুলা ও বলসোনারো: দুই ভিন্ন রাজনৈতিক পথ

লুলার এই জয়কে বুঝতে হলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর রাজনৈতিক পরিচয়ও বিবেচনায় নিতে হবে। ফ্লাভিও বলসোনারো তাঁর বাবা জাইর বলসোনারোর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন। জাইর বলসোনারোর উত্থানের পেছনে ছিল দক্ষিণপন্থি জাতীয়তাবাদ, রক্ষণশীল সামাজিক মূল্যবোধ এবং কঠোর শাসনের প্রতিশ্রুতি। প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের অসন্তোষকেও তিনি কাজে লাগিয়েছিলেন।

ফ্লাভিও সেই ধারার প্রতিনিধিত্ব করেই নির্বাচনে অংশ নেন। অন্যদিকে লুলার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল শ্রমিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। তাঁর রাজনীতির কেন্দ্রে রয়েছে দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন। লুলার ব্যক্তিগত জীবনও তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের অংশ।

জানা যায়, ১৯৬৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সময় তিনি বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুল হারান। শ্রমজীবী মানুষের জীবন-সংগ্রামের সঙ্গে তাঁর নিজের অভিজ্ঞতার এই যোগ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এবারের নির্বাচনে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের কারণে।

প্রচারের মাঠে সমাজমাধ্যমের নতুন ভূমিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আর শুধু যোগাযোগের জায়গা নয়। নির্বাচনি রাজনীতিতেও এর প্রভাব অনেক। বিশেষ করে দক্ষিণপন্থি দলগুলো এই মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন দেশে শক্তিশালী সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি করেছে। দ্রুত প্রচার, আবেগনির্ভর বার্তা এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রচারণা—এসব কৌশলে তারা সফল হয়েছে। এ কারণে অনেকের ধারণা ছিল, সমাজমাধ্যমের রাজনীতিতে দক্ষিণপন্থিদের এক ধরনের আধিপত্য তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলের নির্বাচন সেই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

প্রথম দফায় পিছিয়ে পড়ার পর লুলার প্রচারশিবির কৌশল বদলায়। বড় জনসভা কিংবা দীর্ঘ রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। লুলা নিজেই মোবাইল ফোনে ছোট ছোট ভিডিও ধারণ করে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। তাঁর বক্তব্যে ছিল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সাধারণ মানুষের জীবনসংক্রান্ত বিষয়। এই প্রচারে কংগ্রেস সদস্য আন্দ্রে জানোনেস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি হোয়াটসঅ্যাপে ‘লুলার বাহিনী’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অল্প সময়ের মধ্যে এতে এক কোটিরও বেশি মানুষ যুক্ত হন। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লুলার পক্ষে প্রচার আরও বিস্তৃত হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই ব্যবহার শুধু নির্বাচনি প্রচারেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন শহরে শিক্ষার্থী ও সামাজিক আন্দোলনের কর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতেও এটি ভূমিকা রাখে। ফলে দ্রুত সমাবেশ ও প্রচার কার্যক্রম আয়োজন করা সম্ভব হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এখানে লুলার প্রচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। প্রথম দফার ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁর শিবির দ্বিতীয় দফায় প্রচারের বিষয়বস্তু বদলে ফেলে। দক্ষিণপন্থি শাসনে সামাজিক প্রকল্প ও নাগরিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমন উদ্বেগকে সামনে আনা হয়। অর্থাৎ শুধু প্রতিপক্ষের সমালোচনা নয়, ভোটারদের দৈনন্দিন জীবনের প্রশ্নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফিলিস্তিন প্রশ্নে লুলার অবস্থান লুলার জয় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোচনার আরেকটি কারণ তাঁর ফিলিস্তিনপন্থি অবস্থান।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে তাঁর বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত। এ কারণে তাঁর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন শুধু ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়।

বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ব্রাজিলের সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটির অবস্থানও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দক্ষিণপন্থি নেতৃত্বের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা এবারের নির্বাচনকে আরও আলোচনায় এনেছে। ফ্লাভিও বলসোনারোও সেই আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে লুলার জয়কে আন্তর্জাতিক দক্ষিণপন্থি রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে ব্রাজিলের নির্বাচনি ফলাফল দিয়ে বিশ্বরাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যাবে না। দক্ষিণপন্থার উত্থান এখনও বাস্তবতা। আবার এর বিরুদ্ধে জনমতও তৈরি হচ্ছে। সার্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনি পরিস্থিতি কিংবা ব্রাজিলে লুলার জয়—প্রতিটি ঘটনাই আলাদা রাজনৈতিক বাস্তবতার ফল। এগুলোকে এক সূত্রে বাঁধার আগে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

তারপরও একটি পরিবর্তন চোখে পড়ছে। মানুষ এখন শুধু রাজনৈতিক স্লোগানে সন্তুষ্ট নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার, কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান তাদের কাছে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠছে। এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তা ধরে রাখা কঠিন।

লুলার সামনে এখন সেই পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে। নির্বাচনে জয় পাওয়া এক বিষয়, আর মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা অন্য বিষয়। দারিদ্র্য কমানো, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত করতে না পারলে তাঁর রাজনৈতিক সাফল্যও দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

ব্রাজিলের নির্বাচন তাই শুধু একজন নেতার প্রত্যাবর্তনের গল্প নয়। এটি দক্ষিণপন্থি রাজনীতির বাইরে বিকল্প খোঁজার একটি রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কথাও বলে। সমাজমাধ্যমের শক্তি যে কোনও একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের একচেটিয়া সম্পত্তি নয়, লুলার প্রচার তারও প্রমাণ দিয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে দক্ষিণপন্থার ছন্দপতন ঘটেছে কিনা, তা বলার সময় এখনও আসেনি। তবে তাদের রাজনৈতিক আধিপত্য যে প্রশ্নের মুখে পড়তে শুরু করেছে, ব্রাজিলের নির্বাচন সেই আলোচনার নতুন দরজা খুলে দিয়েছে।

লেখক: সাংবাদিকতার শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক

[email protected]

/এপিএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
মেধানির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
মেধানির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
নয়ডার ফুড কার্টে ‘লাহাম’ এখন নতুন আকর্ষণ
নয়ডার ফুড কার্টে ‘লাহাম’ এখন নতুন আকর্ষণ
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
এবার বেতন বৃদ্ধির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
এবার বেতন বৃদ্ধির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
সর্বশেষ সর্বাধিক