দূষণে আক্রান্ত সুন্দরবনকে বাঁচানোর দাবি

খুলনা ও মোংলা প্রতিনিধি
২১ মার্চ ২০২৩, ১৩:১৯আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৩, ১৩:১৯

প্রভাবশালী মহলের অবৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য আর শিল্প দূষণে আক্রান্ত সুন্দরবন। বিষ প্রয়োগে মৎস্য নিধন, নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ড ও বন্যপ্রাণী হত্যা এবং প্লাস্টিক দূষণ-শিল্প দূষণে বিপর্যস্ত সুন্দরবন। 

পশুর নদীতে কলকারখানার বর্জ্য ও জাহাজি বর্জ্য ফেলা, কয়লা এবং তেলবাহী জাহাজডুবির মাধ্যমেও সুন্দরবনের প্রাণবৈচিত্র হুমকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের ফুসফুস সুন্দরবন রক্ষায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কয়েকটি সংঘটন। 

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে সুন্দরবনের ঢাংমারিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এবং ঢাংমারি ডলফিন সংরক্ষণ দলের আয়োজনে বনজীবিদের অংশগ্রহণে মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পুরো সুন্দরবন ও সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদী প্লাস্টিকে সয়লাব হয়ে গেছে। গবেষণায় সুন্দরবনের মাছে ক্ষতিকর মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। গত ২০ বছরে ২৪ বার অগ্নিকাণ্ডে ৭১ একর বনভূমি পুড়ে ছাই হয়েছে। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী মহল মুনাফালোভী ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনে এসব পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ড ঘটাচ্ছে। 

সুন্দরবন রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বন রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরগুলো যদি দায়িত্ব পালনে সততা-নিষ্ঠা-দায়িত্বশীলতার পরিচয় না দেন এবং তারা যদি প্রকৃতি প্রেমিক না হয় তাহলে অচিরেই সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে। 

‘করবো বন সংরক্ষণ, সুস্থ থাকবো সারাক্ষণ’ এই প্রতিপাদ্যে বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কেন্দ্রীয় নেতা পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ। 

এ সময় বক্তব্য দেন বাপা নেতা ঢাংমারি ডলফিন সংরক্ষণ দলের টিম লিডার ইস্রাফিল বয়াতি, বাপা নেতা শেখ রাসেল, বাপা নেতা হাছিব সরদার, বনজীবি ষ্টিফেন হালদার, বনজীবি বেল্লাল বেপারী, বনজীবি সাথী আদিত্য, মধুসূদন মণ্ডল।

/এসএন/
সম্পর্কিত
ছয় লেন সড়কসহ কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন
এক ঘোষণায় চাকরি হারিয়ে বেকার আড়াই হাজার শ্রমিক
চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ইজারা না দিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় চালানোর দাবিতে সমাবেশ
সর্বশেষ খবর
‘রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট’ কারা, তারা কী কাজ করেন
‘রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট’ কারা, তারা কী কাজ করেন
লজ্জা নয় বুদ্ধিমত্তা, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন ট্রেন্ড
লজ্জা নয় বুদ্ধিমত্তা, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন ট্রেন্ড
ওমান উপকূলে ট্যাংকারে হামলা নিয়ে যা জানালো ইরানি গণমাধ্যম
ওমান উপকূলে ট্যাংকারে হামলা নিয়ে যা জানালো ইরানি গণমাধ্যম
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার
সর্বাধিক পঠিত
জামায়াতকে সাধুবাদ, শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে বাধা নেই: রুমিন ফারহানা
জামায়াতকে সাধুবাদ, শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে বাধা নেই: রুমিন ফারহানা
আদালতের হুঁশিয়ারিতে দুই ঘণ্টার মধ্যে ‘অসুস্থ’ সালাম মুর্শেদী হাজির
আদালতের হুঁশিয়ারিতে দুই ঘণ্টার মধ্যে ‘অসুস্থ’ সালাম মুর্শেদী হাজির
যে কারণে যুবককে গলা কেটে হত্যা করলো চার ভাই, রহস্য জানালো পিবিআই
যে কারণে যুবককে গলা কেটে হত্যা করলো চার ভাই, রহস্য জানালো পিবিআই
আনচেলত্তিকে নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানালো ব্রাজিল
আনচেলত্তিকে নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানালো ব্রাজিল
মাকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে যুবককে গলা কেটে হত্যা, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা
মাকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে যুবককে গলা কেটে হত্যা, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা