বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর বাসভবনের সামনে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ সদস্যরা সিটি মেয়রের বাসা ঘেরাও করেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক ঘণ্টা পর পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে আসেন।
এ বিষয়ে ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, খবর ছিল মামলা আসামিরা নগরীর কালিবাড়ি রোডে অবস্থান করছে। এ কারণে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে আসেন।
তবে পুলিশ পৌঁছার আগে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মেয়রের বাসভবনের সামনে থেকে চলে আসেন বলে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন।
সার্বিক বিষয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আফজালুল করিম ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস জানান, আমরা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। বিকাল ৩টায় প্রেস কনফারেন্সে সার্বিক বিষয়ে কথা হবে।
বরিশাল সদর ইউএনও'র বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ-আনসার সদস্যদের সঙ্গ সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা দুটি মামলা দায়ের করেছেন। এ দুই মামলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলা ইউএনও’র বাসভবনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় আনসার ও পুলিশ সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন ওসি ও প্যানেল মেয়রসহ সাত জন। এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন:
ইউএনওর বাসভবনে হামলা, ওসি-প্যানেল মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ ৭
যে ঘটনায় ইউএনও'র বাসভবনে হামলা
হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় যা বললেন ইউএনও
গায়ে জ্যাকেট থাকায় গুলিতে আহত হইনি: মেয়র সাদিক








