চট্টগ্রামের পটিয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ে আগাম টিকা দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. রবিউল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) বিকালে তাকে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে বরখাস্ত করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘টিকা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় রবিউল হোসেনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
তবে রবিউলকে বহিষ্কারের চিঠি এখনও জেলা সিভিল সার্জন পাননি বলে জানিয়েছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘শুনেছি রবিউল হোসেনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনও চিঠি আসেনি।’
রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি নির্দেশনার আগে গত ৩০ ও ৩১ জুলাই পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নে নিবন্ধন ছাড়া দুই হাজার ৬০০ জনকে করোনার টিকা দেন। গত ৩০ জুলাই শোভনদন্ডী ইউনিয়নের আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরদিন শোভনদন্ডী স্কুল অ্যান্ড কলেজে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়।
পরে এই ঘটনায় শনিবার (৩১ জুলাই) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কনসালটেন্ট ডা. অজয় দাশকে কমিটির প্রধান করে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল হায়দারকে ওই তদন্ত কমিটির সদস্য করা হয়। পাশাপাশি তদন্ত কমিটিকে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে গত সোমবার কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।








