আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে সীমান্ত, বাড়ছে বাংলাদেশের সীমান্ত ঝুঁকি

আব্দুর রহমান, টেকনাফ (কক্সবাজার)
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩

নাফ নদীর ওপারে রাখাইন রাজ্যের ভূরাজনৈতিক ও সামরিক দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যাচ্ছে। মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়ার পাশাপাশি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) আধিপত্য প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশ সীমান্তকে নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে চীন ও ভারতের গভীর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে আরও জটিল ও দীর্ঘায়িত করেছে।

এমন জটিল রাজনৈতিক ও সামরিক সমীকরণে বাংলাদেশের নিরাপত্তা কৌশল, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ সমাধান নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি আব্দুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন গবেষক ও বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. বায়েজিদ সরোয়ার। ২০০৮ সালে টেকনাফে ৪২ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘ সামরিক বিশ্লেষণের আলোকে তিনি তুলে ধরেছেন মংডুর রূপান্তর ও বর্তমান বাস্তবতা। সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে রাখাইনের ডি-ফ্যাক্টো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এনগেজমেন্টের যুক্তি, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের জন্য তার সুনির্দিষ্ট পরামর্শ।

বাংলা ট্রিবিউন: মংডু থেকে সংঘাতময় রাখাইন—২০০৮ সালে টেকনাফে ৪২ রাইফেল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হিসেবে মংডু ও তুমব্রুতে আপনার বিচরণের স্মৃতির সঙ্গে আজকের সংঘাতময় রাখাইনের পার্থক্য কতটা? শান্ত মংডু আজ রক্তক্ষয়ী অঞ্চলে পরিণত হওয়ার পেছনে মূল টার্নিং পয়েন্ট কোনটি ছিল?

বায়েজিদ সরোয়ার: টেকনাফস্থ ৪২ রাইফেল ব্যাটালিয়নের (বিডিআর) অধিনায়ক হিসেবে ২০০৮ সালে আমার চারবার রাখাইন অঞ্চলে (মংডু ও তুমব্রু) যাওয়ার সুযোগ হয়। সেই সময়ে রাখাইন মোটামুটি শান্ত ছিল। তখন বাংলাদেশের দুটি ক্যাম্পে প্রায় ৩০ হাজার রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ছিল। এ ছাড়াও আরও দুটি ক্যাম্পে কয়েক হাজার আনরেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ছিল। আর আজকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ। অন্যদিকে রাখাইনে বর্তমানে মাত্র ৫ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে।

সেই সময় রাখাইনে দুর্বল কয়েকটি আরাকানি সশস্ত্র গোষ্ঠী ছিল। আজকে অত্যন্ত শক্তিশালী আরাকান আর্মি রাখাইনের ৯০ শতাংশ এলাকা দখল করে আছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করছে আরাকান আর্মি। আগের তুলনায় পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।

এরপর রাখাইনের ইতিহাস দ্রুত বদলে যায়। ২০১২ সালের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস সামরিক অভিযান ও বিপুল সংখ্যক—প্রায় সাড়ে সাত লাখ—রোহিঙ্গার বাংলাদেশে পালিয়ে আসা, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থান এবং ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার বাহিনীর নতুন করে সংঘাত—সব মিলিয়ে রাখাইনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আমূল বদলে গেছে। তবে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর (তাতমাদো) গণহত্যামূলক সামরিক অভিযানই (ক্লিয়ারেন্স অপারেশন) আজকের সংঘাতের টার্নিং পয়েন্ট।

বাংলা ট্রিবিউন: আঞ্চলিক সংঘাত ও জাতীয় নিরাপত্তা—মিয়ানমারের চলমান সশস্ত্র সংঘাতকে কি কেবল তাদের ‘অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধ’ হিসেবে দেখার সুযোগ আছে, নাকি এটি স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার সরাসরি হুমকিতে পরিণত হয়েছে?

বায়েজিদ সরোয়ার: ইনসারজেন্সি থেকে মিয়ানমারে এখন গৃহযুদ্ধ চলছে। এর ‘স্পিলওভার ইফেক্ট’ বা ছড়িয়ে পড়া প্রভাব এখন বাংলাদেশে দৃশ্যমান। রাখাইন সীমান্ত ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘটনাবলি কোনও কোনও ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: আরাকান আর্মি বনাম নেপিডো ডিপ্লোম্যাসি—রাখাইনের সিংহভাগ এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশ যদি কেবল নেপিডোর সামরিক জান্তার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যায়, তবে তা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে? আরাকান আর্মির সঙ্গে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক এনগেজমেন্টের কূটনৈতিক সুযোগ ও ঝুঁকিগুলো কী?

বায়েজিদ সরোয়ার: বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক জান্তার সঙ্গে সঙ্গে আরাকান আর্মির সঙ্গেও যোগাযোগ ও এনগেজমেন্ট চালিয়ে যেতে হবে। আরাকান আর্মির সঙ্গে এই এনগেজমেন্ট হবে অনানুষ্ঠানিক। আরাকান আর্মির সঙ্গে ‘ট্র্যাক টু’ ও ‘ট্র্যাক ওয়ান পয়েন্ট ফাইভ’ ডিপ্লোমেসি পরিচালনা করা যেতে পারে। এতে কিছু ঝুঁকি থাকলেও বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করছে আরাকান আর্মি।

চীন, ভারত ও থাইল্যান্ড মিয়ানমারের বিভিন্ন গেরিলা দল বা এথনিক আর্মড অর্গানাইজেশনের সঙ্গে এভাবে সম্পর্ক রাখছে। তবে নেপিডোর সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখতে হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: পরাশক্তির ভূরাজনীতি—চীন ও ভারত—রাখাইনে চীনের ‘কিয়াউকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দর’ এবং ভারতের ‘কালাদান প্রজেক্ট’-এর মতো বিশাল অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে। এই দুই পরাশক্তির নিজস্ব এজেন্ডা কি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে বাংলাদেশের কূটনৈতিক দর-কষাকষির ক্ষমতাকে সীমিত করে দিচ্ছে?

গবেষক ও বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. বায়েজিদ সরোয়ার

বায়েজিদ সরোয়ার: এই বিষয়টি বেশ জটিল। মিয়ানমারের ক্ষেত্রে, বিশেষত রাখাইনের ক্ষেত্রে চীন, ভারতসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের স্বার্থ রয়েছে। এসব দেশের রাখাইনকেন্দ্রিক কিছু এজেন্ডাও রয়েছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে বাংলাদেশের কূটনৈতিক দর-কষাকষির ক্ষেত্রে বিষয়টি প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের কূটনৈতিক দর-কষাকষিকে কিছুটা সীমিত ও জটিল করেছে।

বাংলা ট্রিবিউন: সীমান্তের ‘হাইব্রিড থ্রেট’—সীমান্তে মর্টার শেল ও গোলাগুলি, ড্রোন অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচারের পাশাপাশি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিচরণ বাড়ছে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক ‘হাইব্রিড থ্রেট’ কোনটি?

বায়েজিদ সরোয়ার: সীমান্তে আরাকান আর্মির বিভিন্ন অপতৎপরতা—জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া—অস্ত্র পাচার ও মাদক পাচার (নারকো টেরোরিজম) বিপজ্জনক নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও রাখাইনে আরাকান আর্মির সাফল্য পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনও কোনও গোষ্ঠীর মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি করতে পারে।

বাংলা ট্রিবিউন: প্রত্যাবাসন কূটনীতির বাস্তবতা—দীর্ঘ নয় বছর ধরে নানা কূটনৈতিক আলোচনার পরও প্রত্যাবাসন শূন্যের কোঠায়। মিয়ানমারের বিদ্যমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে টেকসই প্রত্যাবাসন আদৌ কি কখনো সম্ভব, নাকি এটি চিরতরে কূটনৈতিক টেবিলেই আটকে গেছে?

বায়েজিদ সরোয়ার: আমি মনে করি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রত্যাবাসনে আরও দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রচণ্ড তেজ ও শক্তি নিয়ে লেগে থাকতে হবে।

মিয়ানমার তাদের রোহিঙ্গা জনগণকে ফেরত নিতে হবে। বাংলাদেশ এই ভার বহন করতে পারবে না। আমি আশা করি, প্রত্যাবাসন ভবিষ্যতে সম্ভব হবে। তবে অনেক সময় লাগতে পারে। আফগানিস্তানের শরণার্থীরা ইরান ও পাকিস্তান থেকে প্রায় ৪০ বছর পর নিজ দেশে ফেরত এসেছে।

বাংলা ট্রিবিউন: প্রত্যাবাসনের পাঁচটি পূর্বশর্ত—ধরুন, মিয়ানমার কালই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হলো। একজন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক হিসেবে আপনি ঠিক কোন পাঁচটি নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারের শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত একটি রোহিঙ্গাকেও ফেরত না পাঠানোর পরামর্শ দেবেন?

বায়েজিদ সরোয়ার: প্রথম শর্ত হলো রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদান। এরপর শর্তগুলো হলো রোহিঙ্গাদের মৌলিক প্রয়োজনীয়তাভিত্তিক। রোহিঙ্গাদের নিজেদের গ্রাম/শহরে প্রত্যাবাসন, বাসস্থান, জীবিকা, শিক্ষা, জমির অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে চলাচলের নিশ্চয়তা।

বাংলা ট্রিবিউন: রাখাইনের সিকিউরিটি মডেল—রোহিঙ্গারা ফেরত গেলে রাখাইনে তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কে দেবে—মিয়ানমার সেনাবাহিনী, স্থানান্তরিত আরাকান আর্মি, নাকি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী? বাস্তব প্রেক্ষাপটে কোন ‘সিকিউরিটি মডেল’টি কার্যকর হতে পারে?

বায়েজিদ সরোয়ার: প্রত্যাবাসনে প্রথম শর্ত হলো রাখাইনে মিয়ানমার জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা বা সেটেলমেন্ট, যা রাখাইনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করবে। এরপর নিরাপত্তা ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সুপারভিশনের জন্য আশিয়ান-চীন-জাপান নিয়ন্ত্রিত একটি বডি বা সংস্থা নিয়োজিত করতে হবে।

আঞ্চলিক উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে কিছু জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বেসামরিক সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ রাখাইনে নিরাপদ জোনের কথা বলে আসছে। যতদূর মনে হয়, মিয়ানমার সেখানে কখনো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মেনে নিতে চাইবে না।

বাংলা ট্রিবিউন: ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি—রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্ত্রধারী গোষ্ঠীর মহড়া, মাদক বাণিজ্য, অপহরণ ও অভ্যন্তরীণ সংঘাত এখন নিত্যদিনের ঘটনা। মানবিক সংকট কীভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও সিকিউরিটি অর্কিটেকচারের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

বায়েজিদ সরোয়ার: লাখ লাখ রোহিঙ্গা থাকায় ক্যাম্পের আশপাশের এলাকা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাম্পের কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি ও বাংলাদেশিদের অপহরণের ঘটনা অত্যন্ত মারাত্মক। এর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, সীমান্তরক্ষী ও গোয়েন্দা বাহিনীকে অত্যন্ত তৎপর হতে হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: নীতিনির্ধারকদের তিনটি পরামর্শ—আজ যদি আপনি বাংলাদেশ সরকারের নীতিনির্ধারকদের সামনে বসেন, তবে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মিয়ানমার কৌশল নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য কোন তিনটি সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেবেন?

বায়েজিদ সরোয়ার: প্রথমত, বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তবে রোহিঙ্গাদের সামাজিক সংগঠন ও নেতৃত্ব গঠনে সহায়তা করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ ও এনগেজমেন্ট (অনানুষ্ঠানিক) বৃদ্ধি করে মংডু-টেকনাফ অঞ্চলে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা। তবে মাদকের ক্ষেত্রে কঠোর হতে হবে। টেকনাফ বন্দর চালু রাখতে হবে।

তৃতীয়ত, জান্তা সরকারের সঙ্গে চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি সম্পর্ক, এনগেজমেন্ট ও বাণিজ্য বৃদ্ধি প্রয়োজন। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক (পিপল টু পিপল কন্টাক্ট) বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বাংলাদেশ সরকার সাম্প্রতিককালে মিয়ানমারের সঙ্গে এমন বাণিজ্য ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে, যেখানে পণ্যের মূল্য বা লেনদেন সম্পন্ন হবে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে। এটা এগিয়ে নিতে হবে।

বাংলাদেশের একটি দীর্ঘমেয়াদি ‘রাখাইন-রোহিঙ্গা-বর্ডার স্ট্র্যাটেজি’ প্রয়োজন।

বাংলা ট্রিবিউন: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

বায়েজিদ সরোয়ার: বাংলা ট্রিবিউনকেও ধন্যবাদ।

/এএম/ 
সম্পর্কিত
রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারে পাচারকালে ২২০ বস্তা সারসহ তিন পাচারকারি আটক
সর্বশেষ খবর
শিশু হঠাৎ খেতে চাইছে না? জিভে সাদা দাগ দেখলে সতর্ক
শিশু হঠাৎ খেতে চাইছে না? জিভে সাদা দাগ দেখলে সতর্ক
বায়ুদূষণে বিশ্বজুড়ে ষষ্ঠ স্থানে ঢাকা, শীর্ষে কুচিং
বায়ুদূষণে বিশ্বজুড়ে ষষ্ঠ স্থানে ঢাকা, শীর্ষে কুচিং
পুঠিয়ার প্রাচীন মন্দিরপল্লিতে অনন্য স্থাপত্যের বড় আহ্নিক মন্দির
পুঠিয়ার প্রাচীন মন্দিরপল্লিতে অনন্য স্থাপত্যের বড় আহ্নিক মন্দির
অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ থেকে ব্যবহারকারীকে মুক্তির পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার
অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ থেকে ব্যবহারকারীকে মুক্তির পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার
সর্বাধিক পঠিত
শিশু কোলে ছবি দিয়ে পরীমণি বললেন ‘তিন নম্বর জন ডান’
শিশু কোলে ছবি দিয়ে পরীমণি বললেন ‘তিন নম্বর জন ডান’
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
সিগারেটের দাম বাড়লো ৩ টাকা, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
সিগারেটের দাম বাড়লো ৩ টাকা, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
গতকাল নতুন বাসায় উঠেছিলেন চিকিৎসক, আজ মিললো লাশ
গতকাল নতুন বাসায় উঠেছিলেন চিকিৎসক, আজ মিললো লাশ