X
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২
১৯ আষাঢ় ১৪২৯

জাজিরায় কচু চাষে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট : ২১ মে ২০২২, ০৯:৩৮

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় পানি কচু ও লতিরাজ কচু চাষে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলার বিভিন্ন ব্লকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাষ হয়েছে এই দুই জাতের কচু।

জাজিরা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অর্থকরী ফসল হিসেবে এই সবজি বেশ লাভজনক। উপজেলার ১২ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৭টি ব্লকে ২৭ হেক্টর জমিতে পানি ও লতিরাজ কচুর চাষ হয়েছে। কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের সার, চারা, আন্তঃপরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে পরামর্শ দিচ্ছেন। এটির মাঝে আন্তঃফসল হিসেবে লালশাক, ধনিয়া ও মেথি শাক চাষে বাড়তি লাভ করছেন কৃষকরা।

মৃধা কান্দি ব্লকের মুন্সিকান্দি গ্রামের কৃষক মো. নেছারউদ্দিন প্রথমবারের মতো কচুর লতি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‌‘কৃষি বিভাগের পরামর্শে এক হেক্টর জমিতে পানি কচু আবাদ করেছি। আগামীতে আরও দুই হেক্টর জমিতে চাষ করবো। ইতোমধ্যে ৩০ হাজার টাকার কচু বিক্রি করেছি। আশা করছি আরও তিন মাস প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত কচু বিক্রি করতে পারবো।’ 

মানিকনগর ব্লকে মহিউদ্দিন হাজির কান্দির গ্রামের কৃষক মহরআলী ফকির ৫০ হেক্টর জমিতে পানি কচু আবাদ করেছেন। 

তিনি বলেন, ‘পানি কচু আবাদ ধান চাষের চেয়েও অনেক লাভজনক। প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে চাষ করে লাভ হয়েছে। এছাড়া কচু ক্ষেতের ভেতর লাল শাক চাষ করেছি। ইতোমধ্যে লালশাক বিক্রি শুরু করেছি।’

বিকেনগর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম জানান, বাজারে এই সময়ে সবজির ঘাটতি থাকে। তাই বাজারদর বেশ ভালো হয়। জাজিরাতে পানি কচু কিছু উত্তোলন শুরু করেছে, যেখানে প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জামাল হোসেন জানান, কচু চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা। শুধু কচু বিক্রি করে গড়ে টাকা আসে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। এতে মৌসুম শেষে বিঘাপ্রতি লাভ হয় প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা। কচু চাষ কেবল আর্থিকভাবে লাভজনক নয়, এটি আয়রণ সমৃদ্ধ সবজি যা, শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে। 

তিনি আরও জানান, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জাজিরায় মুখিকচু, লতিরাজ কচু, ওল কচু, পানি কচু সম্প্রসারণ করতে কৃষকদের উপকরণ, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আগ্রহী কৃষকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলেও জানান তিনি। 

/এসএইচ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ফের হ্যাঙ্গারে সংঘর্ষ, বিমানের দুই উড়োজাহাজে ক্ষতিগ্রস্ত
ফের হ্যাঙ্গারে সংঘর্ষ, বিমানের দুই উড়োজাহাজে ক্ষতিগ্রস্ত
রেষারেষিতে চাপা দেওয়ার ঘটনায় বাসচালক আটক
রেষারেষিতে চাপা দেওয়ার ঘটনায় বাসচালক আটক
নারায়ণগঞ্জে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে হামলা, দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে
নারায়ণগঞ্জে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে হামলা, দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের
এ বিভাগের সর্বশেষ
মাদ্রাসাছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
মাদ্রাসাছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
‘ছোট বাচ্চাটাকেও বাঁচতে দিলো না’
‘ছোট বাচ্চাটাকেও বাঁচতে দিলো না’
পদ্মা সেতুতে ১৮ মিনিট টোল আদায় বন্ধ
পদ্মা সেতুতে ১৮ মিনিট টোল আদায় বন্ধ
দিনে ১২০০ টাকার খাবার লাগে ‘সম্রাটের’
দিনে ১২০০ টাকার খাবার লাগে ‘সম্রাটের’
স্কুলে রঙ মাখামাখি করায় ২ ছাত্রীকে মারধর করা সেই শিক্ষক বরখাস্ত
স্কুলে রঙ মাখামাখি করায় ২ ছাত্রীকে মারধর করা সেই শিক্ষক বরখাস্ত