স্কুলছাত্রী জেসি হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
০৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১৯:২৯আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৬:১৪

মুন্সিগঞ্জে স্কুলছাত্রী জেসিকা মাহমুদ জেসিকে (১৬) হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন সহপাঠী ও স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার (০৫ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে মুন্সিগঞ্জ শহরের আলবার্ট ভিক্টোরিয়া যতীন্দ্র মোহন সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জেসির সহপাঠীরা। পরে মিছিলে যোগ দেন জেসির স্বজনরা। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে হত্যার বিচার চান তারা।

মানববন্ধনে জেসি হত্যার বিচার চেয়ে বড় ভাই জিদান মাহমুদ বলেন, ‘জেসি হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই আমরা।’

মানববন্ধনে জেসির সহপাঠী ও স্বজনসহ শতাধিক ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। 

প্রসঙ্গত, ত্রিভুজ প্রেমের জেরে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় স্কুলছাত্রী জেসিকা মাহমুদ জেসি। তার প্রেমিক বিজয় রহমান (২২) ও বিজয়ের আরেক প্রেমিকা আদিবা আক্তার (১৯) মিলে জেসিকে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় বুধবার (০৪ জানুয়ারি) বিকালে আদিবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আদিবা মুন্সিগঞ্জের পঞ্চসার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহিদুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত বিজয় রহমান মুন্সিগঞ্জ শহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আরিফুর রহমানের ছেলে।

আরও পড়ুন: দুই তরুণীর সঙ্গে প্রেম বিজয়ের, বাসায় ডেকে এক প্রেমিকাকে ‘হত্যা’

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিজয় ও আদিবার নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত দুই-তিন জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন জেসির বড় ভাই জিদান মাহমুদ। নিহত জেসি শহরের কোর্টগাঁও এলাকার সৌদিপ্রবাসী সেলিম মাহমুদের মেয়ে। এ বছর স্থানীয় আলবার্ট ভিক্টোরিয়া যতীন্দ্র মোহন সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল জেসির। শহরের কোর্টগাঁওয়ে মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতো জেসি।

/এএম/
সম্পর্কিত
কারামুক্ত স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী, আবার ধরে নিয়ে গেলো ডিবি পুলিশ
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মামলাজট নিরসনের উদ্যোগ জোরদারের দাবি মন্ত্রীর
ইকরার মৃত্যু: জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর মা
সর্বশেষ খবর
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জাসদ (ইনু)
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জাসদ (ইনু)
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি