হত্যা মামলা

সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান কারাগারে

মাদারীপুর প্রতিনিধি
২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:২০আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:২০

মাদারীপুরের দুটি হত্যা মামলায় সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রবিবার (২৪ নভেম্বর) সকালে মাদারীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাজিদ-উল-হাসান চৌধুরীর আদালতে দুই আসামির জামিনের আবেদন করা হয়। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এর আগে, ব্যাপক পুলিশি পাহারায় মাদারীপুর কারাগার থেকে সাবেক দুই সংসদ সদস্যকে আদালতে তোলা হয়। পরে আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে আদালতে হাজির করাকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয় তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। শাজাহান খান ও আব্দুস সোবাহন গোলাপ একাধিক হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদারীপুরে নিহত দীপ্ত ও তাওহীদ হত্যা মামলা আসামি ছিলেন এই সাবেক দুই এমপি।

নিহতের ঘটনায় মাদারীপুরে দুই মামলা হয়। সেই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন শাজাহান খান ও গোলাপ। গত বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মাদারীপুর কারাগারে হস্তান্তর করা হয় দুই সাবেক সংসদ সদস্যকে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত তাওহীদ সন্ন্যামাত ও দীপ্ত দে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল আক্তার বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত তাওহীদ সন্নামাত ও দীপ্ত দে হত্যা মামলায় মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে মাদারীপুর আদালতে হাজির করা হয়। আমরা আসামিদের জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের দুজনকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।’

/কেএইচটি/
সম্পর্কিত
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
সর্বশেষ খবর
কৃষিকে আধুনিক ও জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
কৃষিকে আধুনিক ও জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী