এটা কিন্তু কেয়ারটেকার সরকার নয়, আমরা চাই সংস্কার শেষে নির্বাচন: নুর

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ২৩:৩৬আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ২৩:৩৬

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করা হবে না। হামলার শিকার হতে হবে না, মামলার শিকার হতে হবে না। রাজনীতিবিদরা জনগণকে জিম্মি করে লুটপাট করবেন না, লুটপাট করে দেশের টাকা বাইরে পাঠাবেন না।’

তিনি বলেন, ‘যদি লুটপাটকারীরা ক্ষমতায় আসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হন, তাহলে এ পরিস্থিতির আর বদল হবে না। লড়াই সংগ্রাম আমরা করেছি সহনশীল, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য। আপনাদের সেই সুযোগ এসেছে। সঠিক প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

বুধবার (০৮ জানুয়ারি) বিকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ কার্যালয় মিলনায়তনে ছাত্র, যুব ও গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত শীতার্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ অনুষ্ঠানে উপজেলার পাঁচ শতাধিক শীতার্ত মানুষকে কম্বল দেওয়া হয়।

নির্বাচন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন একটি স্থায়ী নির্বাচন। এই নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়টি আলোচনায় আনতে হবে। এই সরকার কিন্তু কেয়ারটেকার সরকার না। অন্যান্য সময়ের মতো শুধু নির্বাচন পরিচালনা করার তিন মাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও সরকার না। শত-সহস্র মানুষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ফলে আজকের এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ফলে আমরা চাই, এই সরকার রাষ্ট্র সংস্কার শেষে নির্বাচন দিয়ে জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে। সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাওয়ার আগে সরকারকে একটি জবাবদিহিমূলক জনবান্ধব প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

গণঅধিকার পরিষদের জেলা শাখার আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মো. জাহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ফারুক হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হবিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান ও অর্থ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

/এএম/
সম্পর্কিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
‘জিয়ার রাষ্ট্রচিন্তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই চলছে সংস্কার কাজ’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ইসি
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী