নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় একটি কওমি মাদ্রাসার ছাত্রকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে মুসলিমনগর এলাকার তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসা থেকে রফিকুল ইসলাম (২৮) নামের ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।
পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রফিকুলের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বরুনদা গ্রামে। তিনি মুসলিমনগরের তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার বিকালে মুসলিমনগর থেকে এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, মাদ্রাসার এক শিক্ষক ১৭ বছরের এক ছাত্রকে ধর্ষণ করেছেন। এ অভিযোগে স্থানীয় লোকজন শিক্ষককে মারধর করে আটকে রেখেছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ফতুল্লা থানাকে বলা হয়। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় রফিকুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এজাহারে মাদ্রাসার ছাত্রটিকে এর আগেও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাতে তাকে মাদ্রাসার শৌচাগারে আটকে রেখে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এরপর ওই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা বাড়িতে নিয়ে যান। পরে সে তার মাকে যৌন নির্যাতনের কথা জানায়। গ্রেফতারের পর অভিযুক্ত শিক্ষককে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান বলেন, ‘আগামী শনিবার ভুক্তভোগী ছাত্রকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হবে।’









