X
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪
২ আষাঢ় ১৪৩১

দুর্নীতির মামলায় নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের সাজা

যশোর প্রতিনিধি
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২:৩৫আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২:৩৫

দুর্নীতির মামালায় নড়াইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌর মেয়র সোহরাব হোসেন বিশ্বাসসহ ১১ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন যশোরের স্পেশাল জজ আদালত।

নড়াইলের রূপগঞ্জ হাট ইজারা দিয়ে ১২ লাখ ২২ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের মামলায় এ রায় দেওয়া হয়।

যশোরের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতদের মধ্যে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাসসহ আট জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। বাকি তিন জন পলাতক রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নড়াইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বর্তমান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আল মনসুর বিল্লাহ, কাউন্সিলর আহম্মদ আলী খান, কাউন্সিলর তেলায়েত হোসেন, ইজারাদার রফিকুল ইসলাম, ইজারাদার রাধে কুন্ডু, ইজাজুল হাসান বাবু, ইজারাদার জিল্লুর রহমান, ইজারাদার এইচএম সোহেল রানা, তৎকালিন পৌর সচিব শফিকুল আলম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী ওয়াজিহুর রহমান।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৪১২ বাংলা সালে নড়াইল পৌরসভার রূপগঞ্জ সাধারণ হাট ও নড়াইল বাস টার্মিনাল ইজারা দিয়ে ৭ লাখ ৮১ হাজার ২০ টাকা ও ১৪১১ সালে একই হাট ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা আদায় করেন পৌর মেয়র সোহরাব হোসেন ও কমিশনাররা। কিন্তু সমুদয় টাকা পৌরসভায় জমা না দিয়ে ইজারাদারদের সহযোগিতায় আত্মসাৎ করা হয়।

এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী পৌর মেয়র, কাউন্সিলর, ইঞ্জিনিয়ার সচিবসহ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জজ আদালতে পাঠানো হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে আত্মসাৎকৃত ১২ লাখ দুই হাজার ২৮০ টাকার মধ্যে আসামি জিল্লুর রহমান এক লাখ ৮৬ হাজার ৬০ টাকা, সোহেল রানা তিন লাখ ৫২ হাজার ১২০ টাকা, রাধেকুন্ডু তিন লাখ ৫০ হাজার, রকিবুল ইসলাম এক লাখ ৮৫ হাজার, ইজাজুল হাসান এক লাখ ৪৮ হাজার ৯শ' টাকা পরিশোধ করবেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায় ঘোষণাকালে আসামি এজাজুল হাসান, জিল্লুর রহমান ও রকিবুল হাসান বাদে সবাই উপস্থিত ছিলেন। রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে যাবার কথা জানিয়েছেন মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী মোস্তফা হুমায়ুন কবীর।

/এমপি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
দেশের বড় জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ-শহীদ, মুসল্লি আসবে ট্রেনে
দেশের বড় জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর-এ-শহীদ, মুসল্লি আসবে ট্রেনে
গাজায় হামাসের অতর্কিত হামলা, ৮ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজায় হামাসের অতর্কিত হামলা, ৮ ইসরায়েলি সেনা নিহত
হাসিলের টাকা কম দেওয়ায় লঙ্কাকাণ্ড, হামলা হলো পুলিশের ওপরও
হাসিলের টাকা কম দেওয়ায় লঙ্কাকাণ্ড, হামলা হলো পুলিশের ওপরও
ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার, হোটেল-মোটেলে ৪০% ছাড়
ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার, হোটেল-মোটেলে ৪০% ছাড়
সর্বাধিক পঠিত
রেমিট্যান্সের পালে স্বস্তির হাওয়া, রিজার্ভেও উন্নতি
রেমিট্যান্সের পালে স্বস্তির হাওয়া, রিজার্ভেও উন্নতি
আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না: সেন্টমার্টিন নিয়ে ওবায়দুল কাদের
আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না: সেন্টমার্টিন নিয়ে ওবায়দুল কাদের
কেমন থাকবে ঈদের দিনের আবহাওয়া?
কেমন থাকবে ঈদের দিনের আবহাওয়া?
বেনাপোলে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে ভোগান্তি
বেনাপোলে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে ভোগান্তি
‘মাস্তান’ গরুটির জন্য কাঁদছে দর্শক
‘মাস্তান’ গরুটির জন্য কাঁদছে দর্শক