ধান-চাল সংগ্রহে নড়াইলে কৃষকদের সাড়া কম

Send
নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১:১১, জুলাই ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:১২, জুলাই ১০, ২০২০

ধান-চাল সংগ্রহ


ধান-চাল সংগ্রহে নড়াইল জেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও  কৃষকদের সাড়া কম। বাজারে ধানের মূল্য ভালো থাকায় তারা এবার গুদামে ধান দিতে খুব একটা আগ্রহী না। গত একমাসে নড়াইল জেলায় ৯.৮১ ভাগ ধান এবং ৫২.১৫ ভাগ চাল সংগ্রহ হয়েছে। ৪১ মিলারের মধ্যে ৭ জন তাদের চুক্তিবদ্ধ চাল দিয়েছেন। ১৪ মিলার এখনও পর্যন্ত এক ছটাক চালও দেয়নি।


জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিন উপজেলায় এবার মোট ৮ হাজার ৮১ মেট্রিক টন ধান এবং ৪ হাজার ৮৬ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭৯৩ মেট্রিক টন ধান এবং ২ হাজার ১৩১ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহ সম্ভব হয়েছে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে।

ধান-চাল সংগ্রহ
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানকে সফল করতে জেলা প্রশাসন এবং খাদ্য বিভাগ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩ জন মিলার খাদ্য গুদামে তাদের চুক্তির শতভাগ চাল পূর্ণ করায় সোমবার (৭ জুলাই) সদর উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা ৩ জনকে সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট উপহার দেন। এছাড়া  নড়াইল-২ আসনের এমপি মাশরাফি বিন মর্তুজা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ধান কেনার ব্যবস্থা করেছেন। এক্ষেত্রে যাবতীয় পরিবহন খরচ তিনি নিজে বহন করছেন। কৃষকের বাড়িতে ট্রাক নিয়ে গিয়ে ধান ক্রয় করছে খাদ্য বিভাগ।




নড়াইল পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ভাটিয়া এলাকার কৃষক কোহিনুর রহমান, বিন্দু রহমান ও আরতি দাস জানান, এবার ধান বাজারে মণ প্রতি ৯৫০ থেকে একহাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। সরকার দাম দিচ্ছে একহাজার ৪০ টাকা। এর মধ্যে বহন খরচ আছে। এছাড়া ধান পরিষ্কার ও নির্দিষ্ট আদ্রতা ঠিক করতে গেলে লোকসান হয়ে যায়। এবার বাড়িতে এসে ধান নিয়ে গেছে বিধায় আমাদের তা পুষিয়ে গেছে।
জেলা খাদ্য নিযন্ত্রক শেখ মনিরুল হাসান জানান, এবারই প্রথম সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার দেওয়া দু’টি ট্রাকে করে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে সরকারিভাবে ক্রয় করা ধান খাদ্য গুদামে আনা হয়েছে এবং ধানের মূল্য হিসেবে কৃষকের বাড়িতে চেক প্রদান করা হয়েছে। ধান ও চাল সংগ্রহ সফল করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

 

/এসটি/

লাইভ

টপ