সিনহা হত্যা মামলা: আবারও রিমান্ডে পুলিশ কনস্টেবল রুবেল শর্মা

Send
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৫:৪৪, অক্টোবর ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৪৭, অক্টোবর ২৮, ২০২০

কক্সবাজারে মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলা

মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলার আসামি পুলিশ কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে দ্বিতীয় দফায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নম্বর-৪ (টেকনাফ) এর বিচারক তামান্না ফারাহ রুবেল এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, মেজর সিনহা হত্যা মামলার আরও তথ্য জানতে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের সহযোগী ও মামলার অন্যতম আসামি রুবেল শর্মাকে সকালে আদালতে হাজির করে ৮ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আমরা বৃহস্পতিবার রুবেল শর্মাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হবে।

তিনি আরও জানান, এরআগে রুবেল শর্মাকে ৭ দিনের রিমান্ড নেওয়া হয়েছেছিল। রিমান্ডে তার কাছ থেকে সিনহা হত্যা মামলা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু আরও তথ্য পাওয়ার জন্য তাকে আবারও রিমান্ড প্রয়োজন। তাই পুনরায় রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

জানা যায়, সিনহা হত্যা মামলার ১৪ আসামির মধ্যে সর্বশেষ আসামি হিসেবে সংযুক্ত হয় রুবেল শর্মা। গত ১৪ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। কথিত আছে, সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মা কারাগারে থাকা টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিভিন্ন অপকর্মের অন্যতম সহযোগী ছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার আইও র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলামের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নম্বর-৩ (টেকনাফ) এর বিচারক তামান্না ফারাহ রুবেল শর্মার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২ অক্টোবর তাকে রিমান্ড হেফাজতে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় এপিবিএনের চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এই ঘটনায় ৫ আগস্ট নিহত মেজর (অব.) সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে একই আদালতে মামলাটি করেন। পরে আরও পাঁচ জনকে আসামি হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ