বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আবারও দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা। এতে সহযোগিতা করছে ভারত। তাদের এই ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আন্দোলনে সবাইকে অংশ নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ভৌগোলিক স্বাধীনতা পেয়েছি ১৯৭১ সালে। কিন্তু ভৌগোলিক স্বাধীনতা পেলেও নাগরিক স্বাধীনতা ছিল না, কথা বলার স্বাধীনতা ছিল না। এই না থাকার মধ্যে হাতে কুড়াল নিয়ে শেখ হাসিনার বাবা গণতন্ত্রের বৃক্ষকে কেটে টুকরো টুকরো করে বাকশাল গঠন করলেন। সেই বাকশালের বিষবৃক্ষ উপড়ে দিতে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করেছে।’
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে রাজশাহীর শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মহানায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও রচনা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘৭ নভেম্বরের চেতনা ছিল স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও প্রতিষ্ঠিত করার। সার্বভৌমত্বকে অটুটভাবে শক্তিশালী করাই হচ্ছে ৭ নভেম্বর। পরবর্তীতে আবারও যখন গণতন্ত্র হত্যা হয়, তখন খালেদা জিয়া লড়াই চালিয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার পার্থক্য এই জায়গায়। রাজনীতিতে যা বলবো তা করবো, এটা খালেদা জিয়ার নীতি। আর শেখ হাসিনা মিথ্যা কথা বলেন, জনগণের সঙ্গে মোনাফিকি করেন, প্রতারিত করে ক্ষমতা আগলে ধরে রাখার চেষ্টা করেন।’
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য দেন ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম. রফিকুল ইসলাম। আলোচক হিসেবে ছিলেন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হাসানাত আলী এবং জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের শিক্ষকরা। ছাত্রদলের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ আলীর সঞ্চালনায় সভায় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।









