রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে বিক্ষোভ মিছিলে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। পুলিশ আঞ্জুম কুঠিয়ালসহ ১৭ জনকে আটক করেছে। রসিক নির্বাচনের দিন কোনও ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও ভোটের পরদিন শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবারের ভোটে ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে মাত্র ১ ভোটের ব্যবধানে মানিক মিয়ার কাছে হেরে যান আঞ্জুম কুঠিয়াল। তবে পরাজয়ের এই ফল প্রত্যাখ্যান করেন আঞ্জুম। ভোটের আগে তিনিই এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ছিলেন। ফল প্রকাশে কারচুপির অভিযোগ তোলেন তিনি। প্রতিবাদে শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ওই এলাকায় প্রায় দুই হাজার নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে রসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের দিকে রওনা হন। এসময় নগরীর সেন্ট্রাল রোড এলাকায় মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। তবে বিক্ষোভকারীরা বাধা উপেক্ষা করে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শতাধিক পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
নারী ও পথচারীরাও লাঠিচার্জ থেকে রেহাই পাননি বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। এ সময় পুরো সেন্ট্রাল রোড এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। পুলিশ ওই এলাকার বাড়িঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের ওপরও লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরে কাউন্সিলর প্রার্থী আঞ্জুম কুঠিয়ালসহ ১৭ জনকে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। আহত নারী মমতাজ বেগম ও ময়না বেগম অভিযোগ করেন, তারা শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিছিল করে অভিযোগ জানাতে যাচ্ছিলেন। অথচ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে। একই অভিযোগ করেন কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই সোলেমান আলী।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি বাবুল মিয়া জানান, মিছিলকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
আরও পড়ুন-
রংপুরের নগরপিতা মোস্তফা
রসিকে কাউন্সিলর পদের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা আজ
ঝন্টুর পরাজয়ের পেছনে দলের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা, জনগণের সঙ্গে দূরত্ব








