X
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪
৩০ চৈত্র ১৪৩০

১০ মিনিটে লাইসেন্স দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন খাদ্য কর্মকর্তার

দিনাজপুর প্রতিনিধি
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:২২আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:২২

প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা টাকা হাতে দেওয়ার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও বিপণন লাইসেন্স দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. রেজাউল ইসলাম। শুধু তাই নয়, ডিজিটাল এই লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়ার নতুন পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়নও করেছেন তিনি।

লাইসেন্স সপ্তাহ ২০২২ এবং খাদ্যবান্ধব কার্যক্রমে ডিজিটাল ডাটাবেজ প্রস্তুতকরণে বিশেষ ভূমিকা রাখায় খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে মাসিক সমন্বয় সভা শেষে তাকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক কামাল হোসেন। এই সময় সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ, বিরল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নুরন্নবী, বিরামপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোস্তাফিজুর রহমান, চিরিরবন্দর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হালিমুর রহমান পলাশ, সদর এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, সেতাবগঞ্জ এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিবেন্দু কুমার রায়সহ জেলার খাদ্য বিভাগীয় সব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ম্যানেজার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, খাদ্য পরিদর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বৈধভাবে ব্যবসা করতে এবং সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবসা করতে সব ব্যবসায়ীকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও বিপণন লাইসেন্স করতে হবে। এতে করে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আদায় হবে অন্যদিকে দেশে কী পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে তা ডিজিটালের মাধ্যমে নিমিষেই সরকার জানতে পারবে। 
বাংলাদেশের মধ্যে এই ইনোভেশন আইডিয়াটি পরিকল্পনা করেন রেজাউল করিম। শুধু তাই নয়, এটি বাস্তবায়ন করেন তিনি। খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও বিপণন লাইসেন্স প্রদান করতে আগে লাগতো প্রায় এক সপ্তাহ, এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে লাগে মাত্র ১০ মিনিট। পাশাপাশি খাদ্যবান্ধবের ডাটাবেজে জেলার সবচেয়ে বেশি ৯৬ শতাংশ যাচাই কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্য শেষ করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন রেজাউল করিম। এর আগেও কৃষকদের কাছ থেকে সরকারের গুদামে ধান সংগ্রহ অভিযানে অসামান্য কাজের জন্য তাকে সম্মানীত করেছিল খাদ্য বিভাগ।

রেজাউল করিম জানান, আমি শুধু সরকারের একজন কর্মচারী হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। আমি চাই সরকারের খাদ্য বিভাগের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা আসুক। একইসঙ্গে সব সেবাগ্রহীতা যেন দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার প্রাপ্য সেবাটুকু পান।

/এফআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ইউরোপে বৈধ পথে শ্রমিক পাঠানো সহজ হবে
ইউরোপে বৈধ পথে শ্রমিক পাঠানো সহজ হবে
লুটনকে উড়িয়ে দিলো ম্যানসিটি
লুটনকে উড়িয়ে দিলো ম্যানসিটি
দায়িত্বে গাফিলতির কারণে ডুবে গিয়েছিল রজনীগন্ধা ফেরি, ১১ জন বরখাস্ত
দায়িত্বে গাফিলতির কারণে ডুবে গিয়েছিল রজনীগন্ধা ফেরি, ১১ জন বরখাস্ত
চট্টগ্রামের তিন স্থানে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান, থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা
চট্টগ্রামের তিন স্থানে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান, থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা
সর্বাধিক পঠিত
ঈদের তৃতীয় দিন: দেখতে পারেন যেসব নাটক
ঈদের তৃতীয় দিন: দেখতে পারেন যেসব নাটক
বাংলাদেশে বিমান মেরামতের কারখানা করতে চায় কানাডিয়ান কোম্পানি
বাংলাদেশে বিমান মেরামতের কারখানা করতে চায় কানাডিয়ান কোম্পানি
হুন্ডি প্রতিরোধে কী করছে সরকার?
হুন্ডি প্রতিরোধে কী করছে সরকার?
ভরা মৌসুমে অস্থির কেন পেঁয়াজের বাজার?
ভরা মৌসুমে অস্থির কেন পেঁয়াজের বাজার?
ইসরায়েল থেকে ফ্লাইট আসার ব্যাখ্যা দিলো বেবিচক
ইসরায়েল থেকে ফ্লাইট আসার ব্যাখ্যা দিলো বেবিচক