সৈয়দপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: শতাধিক বাড়িঘর ও ফসলের ক্ষতি

নীলফামারী প্রতিনিধি
১৯ মে ২০২৫, ০৯:৩০আপডেট : ১৯ মে ২০২৫, ০৯:৩০

কালবৈশাখী ঝড়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরে শতাধিক বাড়িঘর ও ব্যাপক ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৮ মে) রাত ৮টার দিকে ঝড়ের সৃষ্টি হয়। এতে উঠতি বোরো ধান ও ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতিসহ শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট লন্ডভন্ড হয়েছে। বেশকিছু হাট বাজারের দোকানের টিনের চালাও উড়ে গেছে। 

উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর, বাঙ্গালীপুর, বোতলাগাড়ি ইউনিয়নসহ সৈয়দপুর পৌর এলাকায় প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। ফলে বোরো ধান ও ভুট্টাক্ষেত মাটিতে নুইয়ে (নেতিয়ে) পড়েছে। কোথাও কোথাও বোরোক্ষেতে হাঁটুপানি জমেছে। ফলে জমিতে কাটা ধানের শতভাগ ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বাঁশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, প্রথমে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে মুষলধারে বৃষ্টি নামে। এরপর উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবলবেগে ঝোড়ো হাওয়া ও  বজ্রসহ বৃষ্টি নামে। 

তিনি বলেন, ‘১০-১৫ দিনের মধ্যে বোরো ধান কাটা মাড়াই শুরু হওয়ার কথা। ঘরে তোলার আগেই ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। শহরের সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশেই কয়েকটা দোকানের টিনের চালা উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারে আটকা পড়েছে।’

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ জানান, মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সোমবার (১৯ মে) সকাল থেকে কাজ শুরু করবেন।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা যৌথভাবে তাদের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সার্বিকভাবে সহায়তার প্রস্ততি গ্রহণ করা হয়েছে।

/কেএইচটি/
সম্পর্কিত
বৃষ্টির মধ্যে আমবাগানে গেলেন আইনজীবী, বজ্রের শব্দে সেখানেই মৃত্যু
নওগাঁয় ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
বৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড গাজীপুরের তিন গ্রাম, গোটা এলাকা বিদ্যুৎহীন
সর্বশেষ খবর
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’-এর পর ‘ফাইসা গেছি’:   সাবিলা নূর
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’-এর পর ‘ফাইসা গেছি’: সাবিলা নূর
বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ 
বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ 
লেবানন ছাড়তে শর্ত দিলো ইসরায়েল
লেবানন ছাড়তে শর্ত দিলো ইসরায়েল
আলোচিত ফাহিমা হত্যায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুজনকে খালাস
আলোচিত ফাহিমা হত্যায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুজনকে খালাস
সর্বাধিক পঠিত
মিটার একবার, ভাড়া ও চার্জ আজীবন
মিটার একবার, ভাড়া ও চার্জ আজীবন
ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন
ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন
আওয়ামী লীগ শত্রু নয় আমাদের মিত্র, অচিরেই আমাদের সঙ্গে মিশে যাবে: বিএনপির এমপি
আওয়ামী লীগ শত্রু নয় আমাদের মিত্র, অচিরেই আমাদের সঙ্গে মিশে যাবে: বিএনপির এমপি
অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছাইড়া দে’ স্লোগানে মুখরিত সচিবালয় এলাকা 
‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছাইড়া দে’ স্লোগানে মুখরিত সচিবালয় এলাকা