বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ১০ লাখ টাকার পণ্য ধ্বংস করলো হিলি কাস্টমস

হিলি প্রতিনিধি
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৩৫আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৩৫

দিনাজপুরের হিলি স্থল কাস্টমসে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া আনুমানিক ১০ লাখ টাকা মূল্যের দেড় টন ওজনের বিভিন্ন প্রকার পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হিলির জালালপুরে অবস্থিত গোহারা শ্মশান সংলগ্ন ময়লার ডিপোতে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়। রোলার ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে পণ্যগুলো পিষে ব্যবহারের অনুপযোগী করার পর গর্ত করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। 

ধ্বংস করা পণ্যের তালিকায় ছিল ব্যবহার অনুপযোগী বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য ও প্রসাধনী সামগ্রী। এসব পণ্যের আনুমানিক পরিমাণ ছিল প্রায় দেড় টন, যার আনুমানিক মূল্য ১০লাখ টাকা। 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে হিলি শুল্ক গুদামে রাখা বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিনষ্ট করে কর্তৃপক্ষ। রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার ফয়সাল বিন রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধ্বংস কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা হয়। 

হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের উপ কমিশনার ও ধ্বংস কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ মহি উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে হাকিমপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মেহদি ইমাম, হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনম নিয়ামত উল্লাহ, জয়পুরহাট ২০-বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক হুমায়ন কবির, পরিবেশ অধিদফতর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বদরুন্নাহার সীমাসহ ফায়ার সার্ভিস এবং পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

রংপুর কাস্টমসের এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার ফয়সাল বিন রহমান বলেন, “হিলি শুল্ক গুদামে চোরাচালানের অভিযোগে আটককৃত এবং বিভিন্ন কারণে অখালাসকৃত যেসব পণ্য আছে, যেগুলো নিলাম বা অন্য কোনও মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়নি। যেগুলোর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, ওরকম প্রায় ২ হাজার ১৭৫টি জিআরভুক্ত প্রায় দেড় টন পণ্য ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে আজ ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরের পরামর্শে এই ধ্বংস কার্যক্রমটা সম্পন্ন হচ্ছে। এই ধ্বংস কার্যক্রম একটা নিয়মিত প্রক্রিয়া, আমরা পরবর্তীতে আরও যেসব পণ্য আছে, বিভিন্ন সংস্থার হয়তো অনাপত্তি লাগবে সেগুলো নিয়ে আমরা পর্যায়ক্রমে আবার ধ্বংস করবো।” 

তিনি আরও বলেন, “কিছু কিছু পণ্য নিলামে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উপযুক্ত দর পাওয়া যায়নি বা অনেক ক্ষেত্রে যে নিলামে উপযুক্ত দর দেওয়া সত্ত্বেও যিনি বিডার তিনি ওই পণ্যটা ওই বিড মূল্য পরিশোধ করে ছাড় করেননি। ছাড় না করার কারণে এগুলো ইতোমধ্যে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এই ধরণের পণ্য এখানে রয়েছে। আবার কিছু পণ্য আছে যেগুলো আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য। সেগুলো নিলাম করার কোনও সুযোগ নাই। সেগুলো তখন ধ্বংসের মাধ্যমেই আমাদেরকে নিষ্পত্তি করতে হয়।” 

/এসটি/ 
সম্পর্কিত
সবসময় বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি: ভারতের সহকারী হাইকমিশনার
আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে বিদ্যুতের অবস্থা ৫০ ভাগ ভালো হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট, হিলি দিয়ে আজও আমদানি-রফতানি বন্ধ
সর্বশেষ খবর
কাল ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
কাল ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
৭ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে লড়াই করে বাংলাদেশের হার
৭ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে লড়াই করে বাংলাদেশের হার
জন্মদিনে অক্ষয়ের চমক, ‘হাইওয়ান’-এ দেখা যাবে নতুন রূপ
জন্মদিনে অক্ষয়ের চমক, ‘হাইওয়ান’-এ দেখা যাবে নতুন রূপ
বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহারে নীতিমালা তৈরির পরামর্শ ইউজিসি চেয়ারম্যানের 
বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহারে নীতিমালা তৈরির পরামর্শ ইউজিসি চেয়ারম্যানের 
সর্বাধিক পঠিত
বাঁধনের ওপর হামলা: আসিফ নজরুল বললেন, ‘ব্যবস্থা নিলে শূন্য হাতে ফিরতে হবে’
বাঁধনের ওপর হামলা: আসিফ নজরুল বললেন, ‘ব্যবস্থা নিলে শূন্য হাতে ফিরতে হবে’
সৌদি আরবে কোনও নদী নেই, কীভাবে বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছে ৩৭ মিলিয়ন মানুষ
সৌদি আরবে কোনও নদী নেই, কীভাবে বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছে ৩৭ মিলিয়ন মানুষ
সরিষার তেলের নামে অন্য তেল, মধুতে চিনির সিরাপ: সংসদে সানসিলা
সরিষার তেলের নামে অন্য তেল, মধুতে চিনির সিরাপ: সংসদে সানসিলা
বাঁধনের ওপর হামলা: মনিরুলকে নিয়ে বিপদে পড়ে গেলো তার পরিবার
বাঁধনের ওপর হামলা: মনিরুলকে নিয়ে বিপদে পড়ে গেলো তার পরিবার
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি