সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় পৃথক বজ্রাঘাতে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চার জন কৃষক ও একজন শিক্ষার্থী। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও দিরাই উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
বজ্রাঘাতে নিহতরা হলেন- ধর্মপাশার হাবিবুর রহমান (৩০), রহমত উল্লাহ (১৫), জামালগঞ্জের নাজমুল হোসেন (১৯), তাহিরপুরের আবুল কালাম (২৫) ও দিরাইয়ের লিটন মিয়া (৩০)। রহমত উল্লাহ উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ কলেজের ডিগ্রির শিক্ষার্থী।
দুপুরে ধর্মপাশার টগার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে হাবিবুর রহমান আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি উপজেলার পাইকরহাটি ইউনিয়নের বড়ই হাটি গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে। একই সময়ে জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামে বাড়ির পাশে ধান শুকাতে গিয়ে বজ্রাঘাতে রহমত উল্লাহর মৃত্যু হয়।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদ উল্ল্যা বলেন, ‘বজ্রাঘাতে উপজেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
দুপুরে তাহিরপুরের মাটিয়ান হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে কৃষক আবুল কালাম আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বজ্রাঘাতে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’
জামালগঞ্জের পাগনার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নাজমুল হোসেনের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার চানপুর গ্রামের আমির আলীর ছেলে। জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী বলেন, ‘পাগনার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়াও আরও একজন আহত হন।’
দিরাই উপজেলার বরাম হাওরে ধান কাটতে গিয়ে কৃষক লিটন মিয়ার মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। দিরাই থানার ওসি এনামুল হক বলেন, ‘উপজেলায় বজ্রাঘাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।’








