মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীর দায়ের করা অভিযোগ এবং কয়েকজনের নাম প্রকাশ্যে বলা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘‘অভিযোগটি তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে চার্জশিট অথবা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হতে পারে। এর অর্থ এই নয় যে অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমেই আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে।”
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তদন্ত শেষ হওয়ার আগে যথেষ্ট প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ্যে কারও নাম উচ্চারণ করা দায়িত্বশীল আচরণ নয় বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, ‘‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা সাধারণ নাগরিক যেই হোন না কেন, প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ্যে কারও নাম বলা উচিত নয়। কারণ এতে ওই ব্যক্তিকে সামাজিক ও প্রকাশ্য অপমানের মুখোমুখি হতে হয়।’’
উপদেষ্টার ভাষ্য, ‘‘অভিযোগকারী নিজের সমস্যার কথা সাংবাদিক ও জনগণের সামনে বলতে পারেন। এটি তার অধিকার। তবে নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে কিনা, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।’’
বিজ্ঞাপনচিত্রে চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে হত্যাচেষ্টা, শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী (ইসরাত জাহান)। অভিযোগ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।
ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত মুখ স্নিগ্ধা চৌধুরী। মডেলিং ও বিজ্ঞাপনচিত্রের পাশাপাশি সিনেমাতেও তিনি অভিনয় করেছেন। গত ঈদে মুক্তি পায় তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রেশার কুকার’। এটি পরিচালনা করেন রায়হান রাফী।

বাংলাদেশে শুটিং করতে এসে মারামারি, দুঃসহ অভিজ্ঞতা জানালেন নোরা ফাতেহি







