যে কারণে কাতার সংকটের সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশ ডেস্ক
১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৩৪আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:৩৫

মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে দোহা পৌঁছে কাতার সংকট নিরসনের তাগিদ দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। আবুধাবিতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ এর সঙ্গে বৈঠক শেষে রবিবার দোহা পৌঁছে এই তাগিদ দেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইউরোপীয় সামরিক জোট ন্যাটোর আদলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি সামরিক জোট গঠন করতে চাওয়ায় এই সংকট নিরসন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে কারণে কাতার সংকটের সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র

কাতারের ওপর দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র সৌদি আরব ও তার মিত্ররা। কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের অভিযোগ এনে ২০১৭ সালের জুনে এই অবরোধ আরোপ করে প্রতিবেশি সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসর।

বৃহস্পতিবার কায়রো সফরের সময়ে পম্পেও বলেছেন, এই অঞ্চলের বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য পুরনো শত্রুতা অবসানের এখনই সময়। রবিবার কাতার সফর শেষে সৌদি আরব যাবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তিনি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের পাশাপাশি কাতারও যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটিও রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের এই বিরোধ নিরসনে ওয়াশিংটন উদ্যোগ নিলেও ইরান বিরোধী লড়াইকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে তা থামাতে বাধ্য হয়।

তবে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত জোট (এমইএসএ) গঠনের কাজ শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ওই বিরোধ নিরসন জরুরি হয়ে পড়েছে। ইউরোপীয় সামরিক জোট ন্যাটোর আদলে মধ্যপ্রাচ্যের জোট এমইএসএ গড়তে চায় যুক্তরাষ্ট্র। উপসাগরীয় দেশগুলোর পাশাপাশি এই জোটে জর্ডান আর মিসরকে রাখার ইচ্ছা ওয়াশিংটনের। কায়রোয় পম্পেও বলেন, এখন আমি প্রতিটি দেশকে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে এবং এমইএসএ-কে সংহত করতে আমাদের সহায়তা করতে বলবো।

তবে পম্পেও এর এই উদ্যোগ সহজ নয়। শনিবার আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে সাংবাদিকদের পম্পেও বলেন, একসাথে বসানোর কাজটি খুবই জটিল, এখানে ভুল করা যাবে না। কারণ আমরা বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে একটি জটিল চুক্তি করার কথা বলছি যেখানে এসব দেশগুলোর কাছ থেকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি চাইছি।

/জেজে/
সম্পর্কিত
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
আমেরিকাকে হাঁটু গেড়ে বসিয়েছে ইরান, ভারতীয় পন্ডিতের বক্তব্য ভাইরাল
যুদ্ধের মধ্যেও কীভাবে ‘নিরপেক্ষ’ থাকছে এরদোয়ানের তুরস্ক
সর্বশেষ খবর
আমিনবাজারে মহাসড়কের দুই পাশের ময়লা অপসারণে ৩০ দিনের আলটিমেটাম
আমিনবাজারে মহাসড়কের দুই পাশের ময়লা অপসারণে ৩০ দিনের আলটিমেটাম
একসঙ্গে তিন বন্ধুর মৃত্যু
একসঙ্গে তিন বন্ধুর মৃত্যু
১২ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন
১২ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন
মাকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে যুবককে গলা কেটে হত্যা, দুই ভাই আটক
মাকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে যুবককে গলা কেটে হত্যা, দুই ভাই আটক
সর্বাধিক পঠিত
নামিদামি হোটেলের সবজি এত মজার হয় কেন? জানুন বাবুর্চিদের ট্রিকস
নামিদামি হোটেলের সবজি এত মজার হয় কেন? জানুন বাবুর্চিদের ট্রিকস
মেসির ইন্টার মায়ামিতে যাচ্ছেন ভোজিনহা!
মেসির ইন্টার মায়ামিতে যাচ্ছেন ভোজিনহা!
প্রিপেইড মিটারের ভাড়া বহাল, ‘প্রত্যাহার’ ছিল গুজব
প্রিপেইড মিটারের ভাড়া বহাল, ‘প্রত্যাহার’ ছিল গুজব
প্রাক্তন দুই স্ত্রীর শুভকামনা সঙ্গে নিয়ে আজ আমিরের বিয়ে
প্রাক্তন দুই স্ত্রীর শুভকামনা সঙ্গে নিয়ে আজ আমিরের বিয়ে
‘ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী’  
‘ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী’