ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অধ্যুষিত হিউস্টিনে প্রায় এক লাখ ২৭ হাজার ভোট বাতিলের দাবি তুলেছে ক্ষমতাসীন ট্রাম্প শিবির। টেক্সাসের হিউস্টনে ড্রপবক্সে দেওয়া এসব ব্যালট অবৈধ ঘোষণার দাবিতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে তারা। তবে সোমবার প্রায় তিন ঘণ্টার শুনানি শেষে ট্রাম্প শিবিরের এমন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন টেক্সাসের ফেডারেল বিচারক অ্যান্ড্রু হ্যানেন।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার হিউস্টনে ‘ড্রাইভ থ্রো’ (গাড়ি চালিয়ে চালিয়ে ভোট দেওয়া) ভোটকেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়েছে। এসব ভোট গ্রহণের পর প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার ভোটকে গণনায় না আনার জন্য রিপাবলিকান পার্টির পক্ষ থেকে আদালতে আবেদন জানানো হয়। মঙ্গলবারের নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে এটি ছিল আদালতে একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্চ। তবে ফেডারেল আদালতে ব্যর্থ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফিফথ ইউএস সার্কিট কোর্ট অব অ্যাপিলসে আপিল করে টাম্প শিবির।
রায়ে আদালত বলেন, অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে লোকজন ভোট দিচ্ছেন। আর এসব ভোট বাতিলের আবেদনটি এসেছে গত সপ্তাহের শেষ দিকে।
টেক্সাসের ফেডারেল বিচারক অ্যান্ড্রু হ্যানেন-এর নিয়োগ অবশ্য রিপাবলিকানদের হাতেই। সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে রিপাবলিকানরা ভোট বাতিলের যে আবেদন করেছিল; তার সঙ্গে একমত হতে পারেননি তিনি।
সোমবার এ রায়ের পরদিন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল প্রতিক্ষীত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দুনিয়াজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার এখন উৎকণ্ঠা নিয়ে তাকিয়ে আছে এ নির্বাচনের দিকে। তবে প্রতিবার যেমন করে নজর থাকে কে প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন তা দেখার জন্য, এবার তা হচ্ছে না। কারণ, হারলে পরাজয় মেনে নেবেন কিনা; নির্বাচনি প্রচারকালে তা নিয়ে পরিমাণ সংশয়ের জন্ম দিয়েছেন ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সবার চোখ তাই ভোট পরবর্তী অনিশ্চয়তায়। বিশ্লেষকরাও ট্রাম্পের শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে সন্দিহান।








