প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনাকে ‘শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে সোচ্চার হওয়া তরুণদের জয়’ বলে আখ্যা দিয়েছে দেশটির বিরোধী দলগুলো।
শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর বিরোধী নেতারা একে কেন্দ্র সরকারের ওপর জনগণের বিজয়ের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘এটি আমাদের সেই লাখ লাখ তরুণের জয়, যারা শিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক করার দাবিতে সারা দেশের রাজপথে আওয়াজ তুলেছিল। এটি সেইসব পরিবারের জয়, যারা তাদের সন্তানকে হারিয়েছে, রক্ত ঝরিয়েছে; কারণ এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দলের জয়, যারা শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সংসদ থেকে শুরু করে রাজপথ পর্যন্ত সোচ্চার হয়েছিল।’
কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও লোকসভার সংসদ সদস্য শশী থারুর এক্সে লিখেছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রমাণ করে ‘গণতন্ত্রে জবাবদিহিতা এড়ানো অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্ভব নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও নাগরিকদের সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে গড়ে তোলা দৃঢ় ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পর এই পদত্যাগ এলো, যাদের উপেক্ষা করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবে একই সঙ্গে এটিও সত্যি যে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভারতের বহু তরুণ অপ্রয়োজনীয় পুলিশি বর্বরতা ও বলপ্রয়োগের শিকার হয়েছে। এটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্যই উদ্বেগের বিষয়।’
আম আদমি পার্টির (এএপি) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল এক ভিডিও বার্তায় বিষয়টিকে ‘গণতন্ত্রের বড় জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তরুণদের অভিনন্দন জানিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, ‘আমাদের তরুণদের অভিনন্দন। এটি গণতন্ত্রের এক বড় জয়।’
সূত্র: এনডিটিভি









