ক্ষমতার লড়াইয়ে সুদানে সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কূটনৈতিক বহরে গুলিবর্ষণ হয়েছে। সোমবার এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন। ঘটনাটিকে তিনি ‘বেপরোয়া’ এবং ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে উল্লেখ করেছেন।
শুধু হুঁশিয়ারি জানিয়ে থেমে থাকেননি ব্লিঙ্কেন। পৃথকভাবে ফোনালাপ করেছেন আরএসএফ নেতা জেনারেল মোহামেদ হামদান দাগালো এবং সুদানের সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের সঙ্গে। তিনি তাদের বলেছেন, মার্কিন কূটনীতিকদের যেকোনও বিপদের মুখে ফেলা একেবারে অগ্রহণযোগ্য।
জি- ৭ এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য জাপানে অবস্থানরত ব্লিঙ্কেন বলেছেন, আমি নিশ্চিত করতে পারি মার্কিন কূটনীতিকদের একটি বহরে গুলিবর্ষণ হয়েছে। আমি একেবারে স্পষ্ট করে বলেছি, আমাদের যেকোনও হামলার হুমকি ও বিপদ হিসেবে হাজির হওয়া একেবারে অগ্রহণযোগ্য।
তিনি বলেছেন, কূটনৈতিক বহরে থাকা ব্যক্তিরা নিরাপদ আছেন। বেসামরিকদের জীবন প্রভাবিত করার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। কারণ এতে কূটনীতিকরা প্রভাবিত হচ্ছে, ত্রাণকর্মীরাও আক্রান্ত হচ্ছে।
সুদানে সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ব্রিটেনসহ আফ্রিকা ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার সুদানে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮৫ জন বেসামরিক নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও ১৮০০ মানুষ। বিমান হামলা ও কামানের গোলাবর্ষণে সংঘাতে লিপ্ত উভয়পক্ষ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানানোর পরও সুদানে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।









