আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিকাশে যখন বিশ্বজুড়ে চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে একধরনের শঙ্কা ও হতাশা কাজ করছে, তখন প্রযুক্তি দুনিয়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এক নতুন ধারণা, ‘জোন অব জিনিয়াস’। নিজের মেধা ও অনুরাগের চমৎকার সমন্বয় ঘটানো এই কাজের ক্ষেত্রটি নিয়ে এখন এক্স, লিংকডইন কিংবা টেকের নানা পডকাস্টে জোর আলোচনা চলছে।
ধারণাটির প্রবক্তা গে হেন্ডরিকস। তিনি ২০০৯ সালে প্রকাশিত তার ‘দ্য বিগ লিপ’ বইয়ে প্রথম এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেন। তিনি জানান, ‘জোন অব জিনিয়াস’ কেবল কর্মক্ষেত্রের তুষ্টি বা সৃজনশীলতা নয়, এটি স্বাধীনতা ও কাজের প্রতি এক ধরনের নতুন শক্তির সঞ্চার করে।
সম্প্রতি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম আন্দ্রিসেন হোরোউইৎস একটি পডকাস্টের নামই দিয়েছে ‘জোন অব জিনিয়াস’। এমনকি জীবনধারাভিত্তিক সাইট গুপ-এ অভিনেত্রী গিনেথ প্যালট্রোও তার স্টাইলিস্টের রেড কার্পেটের কাজকে ‘জোন অব জিনিয়াস’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এআই বিক্রয় সংক্রান্ত স্টার্টআপ ক্লে-র হেড অব নারেটিভস বিদুষী মিষ্টি শর্মা বলেন, এআইয়ের কারণে এত দ্রুত চাকরির রূপ বদলে যাচ্ছে যে এক বছর পর ইঞ্জিনিয়ারিং পেশা কেমন হবে তাও আমরা জানি না।
এই অস্থিরতার মাঝে শুধু ঐতিহ্যবাহী সম্মানজনক চাকরি না খুঁজে নিজেদের পছন্দের কাজ বেছে নেওয়ার তাগিদকে তিনি আশার আলো হিসেবে দেখছেন।
হেন্ডরিকসও মনে করেন, কাজের আগ্রহ না থাকলে জীবনে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই তরুণদের এই ধারণায় উৎসাহিত হওয়া সত্যিই ইতিবাচক।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

যুক্তরাজ্যে কি আইনি স্বীকৃতি পাচ্ছে ইসলামি নিকাহ
সেউতা সম্পর্কে যা জানা গেলো







