X
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
২০ মাঘ ১৪২৯

প্রকাশ্যে শিরশ্ছেদ কার্যকর করলো তালেবান: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯:৩৮আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯:৩৮

আফগানিস্তানে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এক ব্যক্তির শিরশ্ছেদে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে তালেবান কর্তৃপক্ষ। পশ্চিম আফগানিস্তানে বুধবার হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির শিরশ্ছেদ করা হয় বলে জানিয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র। গত বছর ক্ষমতা দখলের পর এটিই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রথম শিরশ্ছেদের ঘটনা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, পশ্চিমাঞ্চলীয় ফারাহ প্রদেশে এই শিরশ্ছেদ কার্যকর হয়। ২০১৭ সালে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। শিরশ্ছেদের সময় তালেবানের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মুজাহিদ দাবি করেছেন, মামলাটি তিনটি আদালত তদন্ত করে। এই শিরশ্ছেদের অনুমোদন দিয়েছেন তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। তবে কীভাবে ওই ব্যক্তির শিরশ্ছেদ করা হয়েছে তা সম্পর্কে কিছু বলেননি তিনি।

তিনি বলেছেন, এক ডজনের বেশি সিনিয়র তালেবান কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানি, ভারপ্রাপ্ত উপ-প্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বারাদার, তালেবানের প্রধান বিচারপতি, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী।

দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন প্রদেশে ডাকাতি ও পরকীয়ায় অভিযুক্ত নারী ও পুরুষকে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের নির্দেশ দেওয়ার পর এই শিরশ্ছেদের ঘটনার কথা জানালো তালেবান। ধারণা করা হচ্ছে, এসবের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ দশকে কট্টরপন্থী চর্চা ফিরে আসতে পারে আফগানিস্তানে।

গত মাসে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের এক মুখপাত্র তালেবান কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন আফগানিস্তানে অবিলম্বে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত বন্ধের জন্য।

নভেম্বরে তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা দেশটির বিচারকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। আদালতের একটি বিবৃতি অনুসারে, ওই সময় তিনি বিচারকদের শরিয়াহ আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।  

১৯৯০ নব্বই দশকে তালেবান যখন প্রথম আফগানিস্তানের ক্ষমতায় এসেছিল তখন মধ্যযুগীয় প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মতো ঘটনা ঘটেছিল।

তালেবান শাসনের পর আফগানিস্তানে এমন শাস্তি ছিল বিরল। বিদেশি সমর্থিত তালেবান পরবর্তী আফগান সরকারগুলো এমন শাস্তির নিন্দা জানিয়েছিল। তবে মৃত্যুদণ্ড দেশটি এখনও বৈধ।

/এএ/
সর্বশেষ খবর
সড়কে লাশ হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
সড়কে লাশ হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত থেকে আহত অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত থেকে আহত অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার
রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের মঞ্চ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ
রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের মঞ্চ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ
নিজের বিয়েতে নাচতে হবে কিয়ারাকে, এটাই রীতি!
নিজের বিয়েতে নাচতে হবে কিয়ারাকে, এটাই রীতি!
সর্বাধিক পঠিত
যা থাকছে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে
যা থাকছে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে
‘বারবার বলেছি আর মারিস না’
‘বারবার বলেছি আর মারিস না’
যুক্তরাষ্ট্রে উড়ছে চীনের গোয়েন্দা বেলুন, প্রস্তুত এফ-২২ যুদ্ধবিমান
যুক্তরাষ্ট্রে উড়ছে চীনের গোয়েন্দা বেলুন, প্রস্তুত এফ-২২ যুদ্ধবিমান
৫০০ ছাত্রীর মধ্যে নিজেকে একা দেখে জ্ঞান হারালো ছাত্র
৫০০ ছাত্রীর মধ্যে নিজেকে একা দেখে জ্ঞান হারালো ছাত্র
৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৮ ঘণ্টা পর মিললো লাশ
৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৮ ঘণ্টা পর মিললো লাশ